ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকার কি সংকটে?

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail সরকার কি সংকটে?

দ্রব্যমূল্যের দাম ক্রমশ বেড়ে চলেছে। প্রতিদিনই নিত্যনতুন পণ্যের দাম বাড়ছে। শুরু হয়েছিল সয়াবিন তেল থেকে। তারপর সেটি পেঁয়াজের বাজার ঘুরে এখন চালের বাজারে হানা দিয়েছে। আটা-ময়দার দামও প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে। এদিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে নানামুখী কথাবার্তা হচ্ছে। জাতীয় সরকারের দাবি উঠেছে সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে কিছু কিছু অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস দিচ্ছেন। আর সরকার যে প্রবৃদ্ধির কথা বলেছে সেই প্রবৃদ্ধিকেও প্রত্যাখ্যান করেছে সিপিডিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এরকম পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, সরকার কি সংকটের মধ্যে রয়েছে? সরকার কি চাপের মধ্যে রয়েছে?

এ কথা ঠিক যে, ২০১৮-১৯ এর বিশ্ব মন্দা এবং ২০২০-২১ দুই বছরের করোনা পরিস্থিতি এবং সর্বশেষ ইউক্রেন যুদ্ধ। বাংলাদেশ প্রথম দুটির ধাক্কা ভালোমতোই সামাল দিয়েছে, এখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা সামাল দিচ্ছে। এর ফলে বিশ্ব বাজারে যে অস্থিরতা সেই অস্থিরতার প্রভাব বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ভোজ্যতেলসহ কিছু কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে এবং কিছু কিছু পণ্য কিনতে মধ্যবিত্তরা হিমশিম খাচ্ছেন। এরকম পরিস্থিতিতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও সরকারি দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। যেমন- ইউক্রেন এবং রাশা থেকে গম আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশ বিকল্প উৎসের সন্ধান করছেন করছিল। এরমধ্যে ভারত, যেখান থেকে বাংলাদেশের মোট চাহিদার ১৭ ভাগ গম আমদানি করে সেই ভারতও গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এখন জানানো হচ্ছে যে, এই নিষেধাজ্ঞা সরকারি খাতের জন্য প্রযোজ্য না এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বলেছেন যে, বাংলাদেশে গম রপ্তানি অব্যাহত থাকবে। এটি সরকারের জন্য একটি স্বস্তির খবর। তাছাড়া সরকার বিকল্প উৎস থেকে গম সংগ্রহের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বিভিন্ন সূচক নিয়ে কিছু কিছু অর্থনীতিবিদরা যে নেতিবাচক মন্তব্য করছে, সরকার মনে করছে সেটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নির্বাচনের আগে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল হিসেবে বা সরকারের সমালোচনা অংশ হিসেবে এ ধরনের নেতিবাচক বিষয় গুলোকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন চাপের মধ্যে নেই। বরং বাংলাদেশ আগাম সর্তকতা অবলম্বন করছে। সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইতিমধ্যে বিদেশ যাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সরকারের কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাহুল্য বর্জন করছে, এটির ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে। এছাড়াও রেমিটেন্স প্রবাহ যেন আবার বাড়ে সেজন্য সরকার কিছু উদ্যোগ এবং পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই সবকিছুর দৃশ্যমান ফলাফল খুব শীঘ্রই পাওয়া যাবে বলে সরকার মনে করছে। তবে সরকারের বিভিন্ন মহল মনে করছে যে, নির্বাচনের আগে সরকারের বিরুদ্ধে নানামুখী চাপ অব্যাহত থাকবে। এই চাপগুলো মোকাবেলা করে সরকারকে এগিয়ে যেতে হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ইউনূস বনাম সরকার: কে জিতবে?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ইউনূস বনাম সরকার: কে জিতবে?

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সরকারের বিরোধ এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। শুধু প্রকাশ্য রূপ নেয়নি, এই দুজনের মধ্যে রীতিমতো একটি নীরব যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে কে জিতবে তার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যতের অনেকখানি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের সঙ্গে প্রতারণা এবং তাদের ন্যায্য মজুরি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিলো। এই অভিযোগে কর্মচারীরা মামলা করেছিলেন। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করে সেই মামলা থেকে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। এজন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনজীবীকে ১৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ বিষয়টি আমলে নেয় এবং এই বিষয়ে আইনজীবীকে প্রশ্ন করে এবং পুরো মামলার বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে। এই সময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনজীবী বলেছিলেন যে, আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করানোর জন্য তিনি পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু সবকিছু শেষে সম্প্রতি আদালত অভিমত ব্যক্ত করেছে যে, ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং কর্মচারী-কর্মকর্তাদের ঠকানোর মামলাটি চলবে। ফলে ইউনূস এখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেন। এই মামলায় যদি ইউনূস শেষ পর্যন্ত দোষী প্রমাণিত হন তাহলে তার ক্যারিয়ার বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে। এমনকি প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার নোবেল শান্তি পুরস্কার বাতিল হয়ে যেতে পারে। কারণ, নোবেল শান্তি পুরস্কারের রীতি অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ফৌজদারি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে নোবেল কমিটি তার পুরস্কার প্রত্যাহার করে নিতে পারে।

এরকম একটি ঝুঁকির মধ্যেই শুধু নয়, ড. ইউনূস আরও অনেক ঝুঁকির মধ্যে আছেন। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সামাজিক ব্যবসার উদ্যোগ এবং বিভিন্ন দেশে একজন বিশেষজ্ঞ তিনি যে লবিং করেন সেটিও হুমকির মুখে পড়বে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্যারিয়ার একটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এর মধ্যে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সরকারের হাতে এসেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা তার এক একাউন্ট থেকে অন্য একাউন্টে সরিয়েছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ ব্যাংক তৈরি করার পর যে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো গঠন করেছেন ড. ইউনূস সেগুলো সবই তার নিজস্ব মালিকানায় নিয়েছেন এবং এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তিনি অবৈধভাবে টাকা নিজের একাউন্টে এবং তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে সরিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। সবকিছু মিলিয়ে ড. ইউনূসের আর্থিক অনিয়ম, প্রতারণা এবং দুর্নীতির অভিযোগ যদি শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয় তাহলে সেটা শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বের জন্য হবে বড় খবর। আর ইউনূসও সেটা ভালোভাবেই জানেন। ইউনূস জানেন যে, বর্তমান সরকার যতক্ষণ যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন এই বিষয়গুলো চলমান থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত হয়তো তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হবে। আর এ কারণেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন মরণ কামড় দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সরকারের বিরুদ্ধে যেমন বিষেদাগার করছেন, তেমনি বাংলাদেশের সুশীল সমাজকে সরকারের বিরুদ্ধে প্ররোচিত করছেন। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে সিপিডি, টিআইবিসহ বিভিন্ন ব্যক্তি এবং সংগঠন যেভাবে আর্তনাদ করছে তার পেছনে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একইভাবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে যে অব্যাহত অতিকথন এবং প্রচারণা চলছে সেটিও ড. ইউনূসের আগ্রহের কারণেই হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ড. ইউনূসের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে ডেমোক্রেট পার্টির সঙ্গে তার যোগাযোগ অত্যন্ত গভীরে। হিলারি ক্লিনটন তার ব্যক্তিগত বন্ধু ছিলেন। জো বাইডেনের সঙ্গেও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে। এই ব্যক্তিগত সম্পর্ক, পরিচয় গুলোকে তিনি তার অস্তিত্ব রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। আর এ কারণেই ডেমোক্র্যাট পার্টি এখন ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের মানবাধিকার, সুশাসন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানারকম চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেমন একদিক থেকে দেশের সুশীল সমাজকে দিয়ে অর্থনৈতিক সংকটের কথা বলছেন, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘকে দিয়ে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। যাতে সরকার তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করতে পারে এবং সরকারের চাপে পড়ে সরে যেতে বাধ্য হয়। অন্যদিকে সরকার আইনের যথাযথ প্রয়োগের দিকেই আগ্রহী। আইন সবার জন্য সমান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস যেই হন না কেন, তিনি যদি আইনের কোনো অমান্য করেন তাহলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত, এটিই হলো সরকারের মনোভাব। এই দৃষ্টান্তটি স্থাপন করেই সরকার এগুতে চায়। ফলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সরকারের লড়াইটা ক্রমশ প্রকাশ্য হচ্ছে এবং এই লড়াইটির ওপর বাংলাদেশের রাজনীতির ভাগ্য এবং মেরুকরণ অনেকখানি নির্ভর করছে। এখন দেখার বিষয় হলো, এ লড়াইয়ে কে জিতে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিভিন্ন ইস্যুতে নিজস্ব উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বিভিন্ন ইস্যুতে নিজস্ব উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রতিষ্ঠান এবং বিভাগ থেকে যে তথ্যগুলো দিচ্ছে সেই তথ্যগুলোর সঙ্গে প্রায়ই বাস্তবতার মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এসব তথ্য গুলো যাচাই-বাছাই করছেন এবং বিকল্প উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন। সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সরকারের সূত্রগুলো বলছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে তথ্যগুলো দেয়া হয়েছিলো সেই তথ্য গুলো সঠিক কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

এই প্রসঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সরকারের একটি সূত্র বলছে, যেমন- জ্বালানি তেলের মূল্য। জ্বালানি তেলের মূল্য যখন বিশ্ববাজারে বেড়ে যায়, তখন প্রধানমন্ত্রীকে এ সম্বন্ধে কোনোকিছুই অবহিত করা হয়নি। যখন এই মূল্য কমে যায় তখন জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়। এখন আবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য কতটুকু বেড়েছে বা কমেছে, সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া হবে বলে জানা গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বিষয়ও যে তথ্যগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মহল থেকে দেওয়া হচ্ছে সেই তথ্যগুলো সঠিক কিনা, এ ব্যাপারেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং প্রধানমন্ত্রী নিজে দেখভাল করছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের হালনাগাদ অবস্থা কি, এই সম্বন্ধে এখন প্রধানমন্ত্রী সরাসরি খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে তিনি এ নিয়ে সরাসরি কথা বলছেন বলেও জানা গেছে। ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ঊর্ধ্বগতির বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রী এখন খতিয়ে দেখছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে যেভাবে দাম বেড়েছে এবং ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে যতটুকু দাম বাড়ার কথা তারচেয়েও মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে অনেক পণ্যেরই। বিশেষ করে যে সমস্ত পণ্যগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে নির্ভরশীল নয় সে সমস্ত পণ্যগুলোর মূল্য কেন, কিভাবে বাড়লো, এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে। বিশেষ করে ডিম, চালের মতো পণ্যগুলোর দাম হু হু করে বাড়ছে কিভাবে, সে সম্পর্কেও এখন প্রধানমন্ত্রী বিকল্প উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন।

সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, এটি মোটামুটি নিশ্চিত যে বাজারে চাল, ডিম ইত্যাদি কিছু পণ্যের দাম সিন্ডিকেট করে বাড়ানো হচ্ছে। এই সিন্ডিকেট কারা কিভাবে এই সিন্ডিকেট গুলো সংঘটিত হচ্ছে এ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তথ্য সংগ্রহ করছেন এবং এর সাথে সরকারের কোনো মহল বা কেউ জড়িত কিনা, সেটিও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই জড়িত থাকার কারণে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে কেউ কেউ অভিমত দিয়েছেন। আর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এখন সরকারের পক্ষ থেকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রেও কোনো অনিয়ম হচ্ছে কিনা, পক্ষপাত হচ্ছে কিনা সে সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর নিজে তার নিজস্ব উদ্যোগ থেকে খোঁজখবর নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি সারাদেশে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখে। বিশেষ করে, এই সময় যে সমস্ত মানুষ কষ্টে আছে তাদের পাশে যেন নেতাকর্মীরা গিয়ে দাঁড়ায়। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, সরকারের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন যে পরিস্থিতি সম্পর্কে যথাযথ তথ্য-উপাত্ত অনেক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হচ্ছেনা। আর যে কারণে এই তথ্য-উপাত্তের বিকল্প উৎস থেকে প্রকৃত তথ্য নিচ্ছেন যেন জনগণের দুর্দশা কিছুটা হলেও লাঘব করা যায়।

প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যেভাবে ক্ষমতায় যেতে চায় সুশীলরা

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail যেভাবে ক্ষমতায় যেতে চায় সুশীলরা

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের বাংলাদেশ সফরের পর সুশীলরা এখন উল্লসিত। তারা মনে করছে, তারা ক্ষমতার সিঁড়ি পেয়ে গেছে। ক্ষমতায় যাওয়ার টানেলের আলো দৃশ্যমান বলেও সুশীল সমাজের কেউ কেউ উল্লাস প্রকাশ করছেন। এ উল্লাস দেখা যায় সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত দুটি প্রথম শ্রেণীর দৈনিকে। একটি বাংলা এবং একটি ইংরেজি, এই দুইটি দৈনিকে এ নিয়ে সম্পাদকীয় লেখা হয়েছে এবং তাতে বলা হয়েছে যে, মিশেলের যে প্রস্তাব তা অগ্রাহ্য করলে তাতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম তার থার্ড ভিউতে বলেছেন যে, জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পরামর্শগুলো খুব ইমর্পোটেন্ট, এগুলো বাস্তবায়ন করুন। তিনি তাঁর কলামে এটিও বলেছেন, যেকোনো সরকারই আত্মসমালোচনার জন্য ক্ষমতা হারায়নি। এই বক্তব্য গুলো থেকে বুঝা যায় যে, সুশীলরা যেভাবে প্রত্যাশা করেছিলো ঘটনা সেভাবেই ঘটেছে। সুশীলরা এখন ক্ষমতার টানেলে প্রবেশ করেছে। ক্ষমতায় যাওয়ার পথের সন্ধান তারা পেয়েছে বলেই কেউ কেউ মনে করছেন। কিভাবে সুশীলরা ক্ষমতায় যেতে চায়? সুশীল সমাজের একাধিক প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করে দেখা গেছে, তারা পাঁচটি সিঁড়ি অতিক্রম করে ক্ষমতার মসনদে বসার পরিকল্পনা করছে।

এই ৫টি সিঁড়ির প্রথমটি হলো, দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে জনমনে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করা। দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে ইতোমধ্যে সুশীল সমাজ প্রচন্ডভাবে মাঠে নেমেছে এবং বিরামহীনভাবে তারা বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট ভয়ঙ্কর হয়ে যাচ্ছে ইত্যাদি কথাবার্তা গণমাধ্যমে বলছে। সরকার যে বিপুল পরিমাণ টেলিভিশন এবং সংবাদপত্রের অনুমতি দিয়েছে সেই সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনগুলো এখন সুশীল সমাজের পদভারে মুখরিত। তাদের কথাই এখন প্রধান শিরোনাম হিসেবে দেশের প্রায় সব মূলধারার গণমাধ্যমে উঠে আসছে। যদিও বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে উন্নত বলছে। এমনকি, গতকালও বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের কোনো খাদ্য সংকট হবেনা। কিন্তু সুশীলরা যেকোনো ভাবেই বাংলাদেশকে অসুস্থ বানানোর এক মিশনে নেমেছেন। লক্ষণীয় যে, সুশীলরা বারবার করে বলছেন যে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট দৃশ্যমান হবে আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে। অর্থাৎ নির্বাচনের আগে দেশ রসাতলে, এই একটি আওয়াজ যেন সর্বব্যাপী হয় তার নিশ্চিত করার কাজ করছে সুশীল সমাজ।

সুশীল সমাজের দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, সবগুলো রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা। বিএনপির সঙ্গে সুশীলদের কথাবার্তা হচ্ছে। বিএনপিকে তারা কিছু না করে নির্বাচন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এখন জাতীয় পার্টির সঙ্গেও সুশীলদের কথা হয়েছে এবং জাতীয় পার্টি এখন ভিন্ন সুরে কথা বলছে। জিএম কাদেরের সঙ্গে একাধিক সুশীল প্রতিনিধি এমনকি ড. ইউনূসের কথা বলার খবর পাওয়া গেছে এবং তারা জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে না যাওয়ার জন্য বলেছে। সুশীলদের কৌশল হলো দেশের সব রাজনৈতিক দলগুলো যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তাহলে এই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। তার ফলে সরকারের ওপর আন্তর্জাতিকভাবে নানারকম স্যাংশন এবং চাপ আসতে পারে।

ক্ষমতায় যাওয়ায় সুশীলদের তৃতীয় সিঁড়ি হলো যে, তারা যেকোনো মূল্যে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে পরিণত করতে চায়। বাংলাদেশের মানবাধিকার গভীর সংকটে, গুম, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা মানবাধিকারের বক্তব্যগুলো দীর্ঘদিন ধরে সুশীলরা যেটা দিচ্ছিলো তা এখন পুঞ্জিভূত হয়েছে মিশেল ব্যাচেলেটের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে। সুশীলরা মনে করছে যে, জাতিসংঘ যে পরামর্শগুলো দিয়েছে, সেই পরামর্শ সরকার গ্রহণ করবে না। আর সরকার যদি এই পরামর্শগুলো গ্রহণ না করে, সেক্ষেত্রে সুশীলরাই লাভবান হবে। তখন জাতিসংঘ বাংলাদেশের ওপর নানা রকম চাপ প্রয়োগ করা অব্যাহত রাখবে। যেটি সরকারকে নির্বাচনের আগে বিব্রত করবে।

চতুর্থত, রাজনৈতিক সহিংসতা। দেশে যেন একটা রাজনৈতিক সহিংসতা তৈরি হয়, সেজন্য সুশীলদের নিয়ন্ত্রিত রাজনীতিবিদদেরকে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। তারা নানা রকম কথাবার্তা, বিতর্ক তৈরি করে রাজনৈতিক উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, বিরোধী দল যদি আন্দোলন করতে চায় তাদেরকে বাধা দেওয়া হবে না। কিন্তু সুশীলদের যে নেটওয়ার্ক সে নেটওয়ার্কে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড গুলোকে অব্যাহত যদি রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে যে আওয়ামী লীগ-বিএনপির রাজপথে লড়াই হবে না তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।

পঞ্চম, নির্বাচন ভণ্ডুল এবং ক্ষমতা আহরণ। সুশীলদের ক্ষমতা আহরণের শেষ ধাপ হলো আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ভণ্ডুল করা। যদি অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ না করে এবং নির্বাচনের আগে যদি সহিংসতা দানা বেঁধে ওঠে, তাহলে জাতিসংঘ হস্তক্ষেপ করবে এবং তখনই সুশীলদের ক্ষমতায় যাওয়ার দরজা খুলে যাবে বলে সুশীল সমাজ মনে করছে। এই পরিকল্পনায় এগুনো সুশীলদেরকে সরকার কিভাবে হারাবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাম্প্রদায়িক উস্কানিদাতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫:৩৭ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সাম্প্রদায়িক উস্কানিদাতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান সবার মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে এই দেশ রচিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে। শান্তির দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে কেউ যেন শান্তি বিনষ্ট করতে না পারে সবাইকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে দশটায় চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লায় জেএম সেন হল থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মহাশোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থার পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ রচিত হয়েছিল একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক দল ও পক্ষ আছে যারা সাম্প্রদায়িকতাকে পুঁজি করে রাজনীতি করে। তারা নির্বাচন আসলে সাম্প্রদায়িক স্লোগান দেয়, আওয়ামী লীগকে গালাগাল করে বলে- আমরা হিন্দুদের দল। আমরা সব মানুষের দল, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান-সব মানুষের দল হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে রচিত এই দেশে কেউ হীনমন্যতায় ভুগবেন না। এই দেশের মাটিতে আপনারা জন্মগ্রহণ করেছেন, কেউ আঘাত হানলে প্রতিরোধ করবেন।আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে আছে, থাকবে, সরকার আপনাদের পাশে আছে। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'সময়ে সময়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালায় চক্রান্তকারীরা। আমাদের সরকার সবসময় তা কঠোর হস্তে দমন করেছে। গত দুর্গাপূজায় কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটানো হয়েছিল, আমি সেদিন অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। পরের দিন ছুটে গিয়েছি রংপুরে। কারণ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমি রংপুর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত।'

আর নির্বাচনের সময় যারা সাম্প্রদায়িক স্লোগান দেয়, সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়, মধুর মধুর কথা বলে, তাদেরকে আপনারা চেনেন; সুতরাং সময় এলে তাদের ব্যাপারেও সতর্ক থাকার বিনীত অনুরোধ জানাই, সমাবেশকে বলেন মন্ত্রী। 

শোভাযাত্রা সহকারে চট্টগ্রামে যেভাবে জন্মাষ্টমী উদযাপন হয় বাংলাদেশের আর কোথাও এভাবে এরকম জৌলুসপূর্ণ উৎসব হয়না উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সুতরাং চট্টগ্রামের এই অনুষ্ঠান অবশ্যই জাতীয় অনুষ্ঠান। জাতীয় অনুষ্ঠান বলেই গতকাল প্রধানমন্ত্রী এখানে অনলাইনে সংযুক্ত হয়েছিলেন।

মহাশোভাযাত্রা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক শ্রী মাইকেল দে'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শ্রী সুকুমার চৌধুরী প্রমুখ।

দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলার জঙ্গল সলিমপুর ও সংলগ্ন মৌজায় উন্নয়ন প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সভা শেষে চট্টগ্রামের ৩২০ জন রোগাক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যেকের হাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন তিনি।

চট্টগ্রামের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

'পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দলের বা সরকারের নয়'

প্রকাশ: ০৫:১৬ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail 'পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দলের বা সরকারের নয়'

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি আজ বলেছেন যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দলের বা সরকারের নয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্য তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর পলাশী মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিল উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকিয়ে থাকা ও আসার জন্য ভারতকে কখনো অনুরোধ করেনি, শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এটি কারও ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে।  এটি কারও ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে। এটা দল বা সরকারের বক্তব্য নয়। বাংলাদেশের জনগণই আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার উৎস।

তিনি বলেন, ভারতে সঙ্গে বাংলাদেশ কোন বৈরি সম্পর্ক চায় না। ভারতের সঙ্গে বৈরিতা করে দেশের ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোন সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি। যারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেছে তারা দুর্বৃত্ত।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন