ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনকে আবারো অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০১:২৬ পিএম, ০৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনকে আবারো অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চলতি বছর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে ইউক্রেনকে মোট ৮৮০ কোটি ডলারের সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।  এরই মধ্যে আরও ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র সহায়তা দিতে যাচ্ছে । এবারের সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে সাধারণ যুদ্ধাস্ত্র ও গোলাবারুদ, দূরপাল্লার যুদ্ধাস্ত্র, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধক্ষেত্রে চিকিৎসাকাজে ব্যবহারযোগ্য পরিবহন প্রভৃতি। 

গত ১ আগস্ট, সোমবারও ইউক্রেনকে ৫৫ কোটি ডলার মূল্যের দূরপাল্লার রকেট সহায়তা দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তর পেন্টাগন।

তবে এবার যে প্যাকেজটি দেওয়া হচ্ছে, সেটি আর্থিক হিসেবে এ পর্যন্ত ইউক্রেনকে দেওয়া সহায়তা প্যাকেজসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এ প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ, দূরপাল্লার রকেট হিমার্স (এইচআইমএআরএস) ও নাসামস (এনএএসএমস) এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাদের পরিবহনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি যান এম ওয়ান ওয়ান থ্রি মেডিকেল ট্রান্সপোর্ট। বর্তমান প্যাকেজে ৫০টি এম ওয়ান ওয়ান থ্রি ট্রান্সপোর্ট অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ৩ জন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এখনও সহায়তা প্যাকেজের ফাইলে স্বাক্ষর করেননি। তিনি স্বাক্ষর করলেই যতদ্রুত সম্ভব এসব অস্ত্র পাঠানো হবে ইউক্রেনে।

নতুন এই সহায়তা প্যাকেজে আরও উল্লেখ করা হয়েছে—  জার্মানির রামস্টেইনে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটির কাছে মার্কিন সেনাদের জন্য যে সামরিক হাসপাতাল রয়েছে, সেখানে এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের পাশপাশি ইউক্রেনের যুদ্ধাহত সেনাদেরও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণায়ালের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ ক্ষমতা প্রেসিডেন্সিয়াল ড্রডাউন অথরিটির (পিডিএ) অধীনে পাঠানো হচ্ছে এই প্যাকেজ। পিডিএর আওতায় যদি কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনো দেশে সহায়তা পাঠানোর উদ্যোগ নেন, সেক্ষেত্রে তাকে দেশটির আইনসভা কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক জোট ন্যাটোকে ঘিরে দ্বন্দ্বের জেরে সীমান্তে আড়াই মাস সেনা মোতায়েন রাখার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘোষণার দু’দিন আগে ইউক্রেনের রুশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নিয়ন্ত্রিত দুই অঞ্চল দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন তিনি।

শনিবার ১৬২তম দিনে গড়িয়েছে ইউক্রেনে রুশ সেনাদের অভিযান। এই চার মাস সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লুহানস্ক, ইউক্রেনের দুই বন্দর শহর খেরসন ও মারিউপোল, দনেতস্ক প্রদেশের শহর লিয়াম, মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ জাপোরিজ্জিয়ার আংশিক এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে রুশ বাহিনীর হাতে।

সম্প্রতি হামলার মাত্রা আরও তীব্র করেছে রুশ বাহিনী। গত জুনে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, রুশ হামলায় প্রতিদিন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হচ্ছেন।


এসএমডব্লিউ




ইউক্রেন   রাশিয়   যুদ্ধ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের ৪ অঞ্চল রাশিয়ার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে যা বললেন বাইডেন

প্রকাশ: ০৩:৫৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের ৪ অঞ্চল রাশিয়ার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে যা বললেন বাইডেন

রাশিয়ার সঙ্গে একীভূত হতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইউক্রেনের চার অঞ্চলে ‘গণভোট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রাশিয়ার সঙ্গে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রায় দিয়েছে স্থানীয় জনগণ- এমনটিই দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বললেন, ইউক্রেনের অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টাকে কখনওই স্বীকৃতি দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি বলেন, “আমি খুব স্পষ্ট করে বলছি, যুক্তরাষ্ট্র কখনও, কখনও, কখনওই ইউক্রেনের সার্বভৌম অঞ্চলের ওপর রাশিয়ার দাবিকে স্বীকৃতি দেবে না।”

শুক্রবার ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে (ডোনেটস্ক, লুহান্সক, জাপোরিঝঝিয়া ও খেরসন) রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দিতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর আগেই বাইডেন এসব কথা বললেন।

ক্রেমলিন দাবি করেছে, সম্প্রতি হওয়া গণভোটে লুহানস্ক, ডোনেটস্ক, জাপোরিঝঝিয়া ও খেরসনের বাসিন্দারা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তবে ইউক্রেন ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা এ গণভোটকে ধোঁকাবাজি হিসেবে উল্লেখ করে এর ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। 


বিশ্ব   রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ   মস্কো   গণভোট   রাশিয়া অন্তর্ভূক্তি   ইউক্রেন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইরানে বাড়ছে বিক্ষোভ, মৃত্যু বেড়ে ৮৩

প্রকাশ: ০৩:৩৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ইরানে বাড়ছে বিক্ষোভ, মৃত্যু বেড়ে ৮৩

ইরানের নীতি পুলিশের কাস্টডিতে মাশা আমিনির মৃত্যুকে ঘিরে দেশটিতে ক্রমেই বিক্ষোভ বেড়ে চলেছে। এই বিক্ষোভ দমনে দেশটির সরকার কঠোর হচ্ছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভে অন্তত ৮৩ জনের প্রাণ গেছে বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার গোষ্ঠী ইরান হিউম্যান রাইটস, খবর রয়টার্সের।

দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, আইন ভাঙার দায়ে কুর্দি নারী মাশা আমিনিকে (২২) আটক করা হয়েছিল। এরপর ডিটেনশন সেন্টারে হঠাৎ হার্ট ফেইলিওর হয়ে আমিনি পড়ে যান। কিন্তু তার পরিবার পুলিশের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, নীতি পুলিশের কর্মকর্তারা তাকে পিটিয়েছিল। হাসপাতালে তিন দিন কোমায় থাকার পর আমিনির মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দেয়। মানুষ রাস্তায় নেমে হিজাব আইনের বিরোধিতা, নারী অধিকারের দাবিতে শ্লোগান দেয়। ২০১৯ সালে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে হওয়া বিক্ষোভের পর এটিই দেশটির সরকারবিরোধী সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।

কর্তৃপক্ষের কঠোর দমনপীড়নের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকা সত্ত্বেও প্রতিবাদ অব্যাহত আছে। টুইটারে পোস্ট করা ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, রাজধানী তেহরান, কওম, রাশত, সানানদাজ, মাসজিদ-ই-সুলেইমান ও অন্যান্য শহরে বিক্ষোভকারীরা মোল্লাতন্ত্রের পতনের ডাক দিচ্ছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে বিরাট সংখ্যা ‘দাঙ্গাকারীকে’ গ্রেফতারের কথা বলা হয়েছে, তবে আর বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অধিকার আন্দোলনকারী গোষ্ঠীগুলো জানিয়েছে, বহু আন্দোলনকারী, শিক্ষার্থী ও শিল্পীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাংবাদিকদেরও গ্রেফতার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।


বিশ্ব   ইরান   মাহসা আমিনি   বিক্ষোভ   হিজাব   সহিংসতা   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কে হবেন কংগ্রেস সভাপতি?

প্রকাশ: ০১:৩০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কে হবেন কংগ্রেস সভাপতি?

ভারতের পুরোনো রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সভাপতি পদে লড়াই থেকে পিছুপা হলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। দিল্লিতে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান তিনি।

এর পরপরি দেরশটির রাজিনীতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয় কাকে কংগ্রেসের সভাপতি করা হবে তা নিয়ে।

রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে টানাপড়েন ও দলের সভাপতি নির্বাচন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য অশোক গেহলটকে বৈঠকের জন্য ডেকে ছিলেন সোনিয়া গান্ধী। বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবারই দিল্লি পৌঁছে যান গেহলট।

সোনিয়ার বাসভবন থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গেহলট বলেন, সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আমার বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। গত দু’দিনে যা হয়েছে, তাতে আমরা প্রত্যেকেই অবাক হয়েছি। এই ঘটনায় এই বার্তা গেছে যে, আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে চাই। আমি সোনিয়া গান্ধীর কাছে ক্ষমা চেয়েছি। দলের সভাপতি হওয়ার বিষয়ে তার যে কোনো মোহ নেই সে কথা বোঝাতে গেহলট জানান, তিনি কোচিতে গিয়ে রাহুল গান্ধীকে দলের সভাপতি হওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু রাহুল তাতে সম্মত হননি বলেও দাবি তার।

একই সঙ্গে গেহলট স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দলের সভাপতি নির্বাচনে তিনি লড়ছেন না। তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এই পরিবেশে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমি দলের সভাপতি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে গেহলটকে তিনিই কি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাজ চালিয়ে যাবেন কিনা জানতে চাওয়া হলে প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তার সংযমী উত্তর, সেটা আমি ঠিক করার কেউ নই। কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধীই সেটা ঠিক করবেন।

এক টানা ১৯ বছর সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করার পর ছেলে রাহুলের হাতে ভার সঁপেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। ঘটনাচক্রে রাহুলের পদত্যাগের পর আবার সোনিয়াকেই অন্তর্বর্তী সভানেত্রীর ভার নিতে হয়। এখনো তিনি সেই পদই সামলাচ্ছেন। ১৭ অক্টোবর হবে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন।


বিশ্ব   এশিয়া   ভারত   কংগ্রেস   সভাপতি পদ   সোনিয়া গান্ধী   অশোক গেহলট  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৭ মাসের গর্ভবতীকে পেট চিরে খুন, নেপথ্যে কুসংস্কার!

প্রকাশ: ০১:১০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ৭ মাসের গর্ভবতীকে পেট চিরে খুন, নেপথ্যে কুসংস্কার!

ঘটনাটি ব্রাজিলের সাও পাওলোর। সেখানে ২৪ বছরের এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম ওহানা ক্যারোলিন। তিনি সাত মাসের গর্ভবতী ছিলেন।

জানা গেছে, ভয়ঙ্করভাবে খুন করা হয়েছে তাকে। দেখে শিউরে উঠেছে পুলিশও। পেট চিরে ফেলা হয়েছে তার। পুলিশ মনে করছে, কোনও কুসংস্কার বা ভয়ঙ্কর প্রথার কারণেই এমন নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন সন্তানের জননী ওহানা। চতুর্থ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছিলেন তিনি। ছিলেন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

২১ সেপ্টেম্বর ব্রাজিলের সাও পাওলোর পোর্টাল ডস লাগোসে ওহানার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তার পেট এমনভাবে চিরে ফেলা হয়েছিল যে, ভিতরের সব অন্ত্র দেখা যাচ্ছিল।

কিন্তু ওহানার গর্ভস্থ সন্তান কোথায় গেল? তা নিয়ে মুখ খোলেনি পুলিশ।

ওহানার মৃতদেহের গায়ে জড়ানো ছিল একটা টিশার্ট। নিম্নাঙ্গ অনাবৃত ছিল। মরদেহের পাশে ছড়ানো ছিল স্থানীয় কিছু মুদ্রা, রক্তে ভেজা ওহানার হাফ প্যান্ট ও জুতা।

যে জায়গায় ওহানার মৃতদেহ পাওয়া গেছে, তা সন্দেহ বাড়িয়েছে পুলিশের। ওই এলাকায় বেশ কিছু গির্জা রয়েছে। সেই গির্জায় ভিন্ন মতবাদের চর্চা হয়। পুলিশ মনে করছে, ‘ম্যাকাব্র প্রথা’র বলি হয়েছেন ওহানা।

ওহানার মরদেহ মিলেছে জঙ্গলে। যে জায়গায় লাশ মিলেছে, সেই খোলা জায়গায় প্রার্থনা করেন বিভিন্ন মতাবলম্বী মানুষ। স্থানীয়দের দাবি, ওই জায়গা কুসংস্কারের আখড়া। অনেক বেআইনি কাজও নাকি হয় সেখানে।

ওহানার সাবেক স্বামী এসে তার মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনিই তার তিন সন্তানের বাবা। কয়েক মাস আগে তার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে ওহানার। তার পর থেকে তিন সন্তানকে নিয়ে আলাদা থাকতেন ওহানা।

বিচ্ছেদের পর নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন ওহানা। তার বর্তমান প্রেমিককেও জেরা করেছে পুলিশ। কিন্তু প্রাথমিকভাবে তাকে সন্দেহভাজনের তালিকায় রাখা হয়নি।

ওহানার এক বন্ধু বলেন, “ও খুব মিষ্টি মেয়ে ছিল। কিন্তু সম্প্রতি একটি খারাপ দলের পাল্লায় পড়েছিল। তাই আমি ওঁর সঙ্গে দূরত্ব রেখে চলছিলাম।” এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।

আরেক বন্ধু জানিযেছেন, মৃত্যুর দিন ওহানাকে একটি কালো গাড়িতে দেখেছিলেন তিনি।

আরও কয়েক জন প্রত্যক্ষদর্শীও একই কথা জানিয়েছেন। সকলেই প্রায় একযোগে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাত তিনটার দিকে ওই কালো গাড়িতে ওহানাকে দেখেছিলেন তারা। দেখেছিলেন ওই জঙ্গলেরই আশেপাশে।

ঠিক কী অস্ত্র দিয়ে ওহানার পেট চিরে ফেলা হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে তা জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই ‘ম্যাকাব্র প্রথা’ আসলে কী? মূলত কুসংস্কারের ফাঁদে পড়ে অনেক সময় কাউকে খুন। অনেক সময়ই ভয়ঙ্করভাবে খুন করা হয়। তারপর সেই মরদেহের পরিণতিও হয় ভয়ঙ্কর। এখনও কয়েকটি জনজাতি রয়েছে, যারা মৃতদেহ খেয়ে ফেলে। কেউ আবার মৃতদেহ কেটে পাখিকে খেতে দেয়। কেউ আবার মরদেহ নিয়ে ‘কালো জাদু’ চর্চা করে। আর এই সব প্রথার নেপথ্যে থাকে মৃত্যুভয়। এরা চায়, মৃত্যু যেন কোনওভাবেই তাদের ছুঁতে না পারে।

ব্রাজিল পুলিশ মনে করছে, ওহানার মৃত্যুর নেপথ্যেও রয়েছে এ রকমই কিছু অদ্ভুত প্রথা বা চর্চা। তবে বিষয়টি নিয়ে তারা বিস্তারিত কিছু বলতে চায়নি।


বিশ্ব   হত্যা   ব্রাজিল   কুসংস্কার   গর্ভবতী   লাশ উদ্ধার   হত্যা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সৌদি প্রিন্সকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার

প্রকাশ: ০১:০৭ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সৌদি প্রিন্সকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আমন্ত্রণপত্রটি সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী প্রকৌশলী ওয়ালিদ বিন আবদুল করিম আল-খুরাইজির কাছে হস্তান্তর করেছেন ওই দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ওয়ালিদ বিন আবদুল করিম আল-খুরাইজির কার্যালয়ে গিয়ে চিঠিটি হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রদূত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিঠিতে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ ও জনগণের দৃঢ় বন্ধন ও শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সমর্থন আগামী দিনে আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূত দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা, আন্তর্জাতিক সংস্থায় একে অপরকে সমর্থন করাসহ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ক্রাউন প্রিন্সকে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সৌদি প্রিন্স   প্রধানমন্ত্রী   আমন্ত্রন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন