কালার ইনসাইড

যে দুই কথা মনে রাখতে বললেন পর্দার ওসি হারুন!

প্রকাশ: ০৮:৩৬ পিএম, ২৫ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

২০২১ সালের সর্বাধিক আলোচিত ও প্রশংসিত বাংলা ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’। সমকালীন সমাজ ও রাজনীতির সাহসী গল্প নিয়ে কাজ করায় প্রশংসিত হয়েছিলেন নির্মাতা আশফাক নিপুণ। সিরিজটিতে ওসি হারুন চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে অন্যরকম দর্শকপ্রিয়তার দেখা পেয়েছিলেন মোশাররফ করিম।

পর্দার সেই ওসি হারুন আবারও ফিরছেন ‘মহানগর’ এর অন্তিম পর্ব নিয়ে। দর্শক যা আগামি ঈদুল ফিতরে ভারতীয় প্লাটফর্ম হইচইতে দেখতে পারবেন। এ তথ্য পুরনো। কিন্তু তার আগে দর্শকের উদ্দেশে নতুন বার্তা নিয়ে এলেন ওসি হারুন।

শনিবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ‘মহানগর’ এর নতুন টিজার প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে ভয়েস ওভারে সাহসী সংলাপে পাওয়া যায় ওসি হারুনকে! সিরিজটির অন্তিম পর্বে কোন কাহিনী থাকবে, সেটা এখনও প্রকাশ করেননি নির্মাতা। তবে এই টিজারে কিছুটা আভাস দিয়েছেন।

ওসি হারুনের কণ্ঠে শোনা যায় দারুণ কিছু সংলাপ। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর। মহানগরের রাস্তায়, ফুটপাতে, ওলিতে গলিতে, কতো শত গল্প। শাসকের গল্প, শোষিতের গল্প। ক্ষমতায় উঠার গল্প, ক্ষমতার সাথে পেরে না উঠার গল্প। মহানগরে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পিসে যায় সিস্টেমের চাপে। এই সিস্টেমের কোনায় কোনায় ভূত। ভূতদের সাথে পাল্লা দিতে হলে মাঝে মাঝে নিজেকেও ভূত সাজতে হয়।

টিজারের শেষে সেই চেনা ভঙ্গিতে ‘দুইটা কথা মনে রাখার’ পরামর্শ নিয়ে উপস্থিত হন ওসি হারুন। ওসি হারুন বলেন, ‘দুইটা কথা মনে রাখবেন। এক. নামটা হচ্ছে হারুন। দুই. হারুন এতো সহজে হারে না।’

২০২১ সালে ‘মহানগর’ মুক্তির পর ভীষণ সাড়া ফেলে দেয় আশফাক নিপুণ পরিচালিত ওয়েব সিরিজটি। এরপর থেকেই দ্বিতীয় সিজন এর জন্য মুখিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের দর্শক। প্রায় সময়ই সিরিজটির দ্বিতীয় সিজন কবে আসছে, এটা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় নিপুণ সহ সংশ্লিষ্টদের।

আদৌ ‘মহানগর’ এর দ্বিতীয় সিজন আসবে কিনা, সেটা নিয়েও তৈরী হয় সংশয়। অবশেষে সব শঙ্কা দূর করে গত জানুয়ারিতে অন্তিম পর্বের ঘোষণা দেয় হইচই। সিরিজে ওসি হারুনের চরিত্রে মোশাররফ করিম ছাড়া প্রথম পর্বের আর কেউ আছেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।


ওসি হারুন   আশফাক নিপুণ   মোশাররফ করিম  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

নন্দিত অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদের জন্মদিন আজ

প্রকাশ: ০৪:০৮ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বরেণ্য অভিনেতা ও মুক্তিযোদ্ধা রাইসুল ইসলাম আসাদের আজ ৭১তম জন্মদিন। রণাঙ্গণ থেকে বেতার, মঞ্চ, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র—সবখানেই তাঁর নন্দিত পদচারণা রয়েছে।

১৯৫২ সালের ১৫ জুলাই ঢাকার পুরানা পল্টনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পুরো নাম আসাদুজ্জামান মোহাম্মাদ রাইসুল ইসলাম। শৈশব কেটেছে ঢাকাতেই, আর বড় হয়েছেন ঢাকার অলিগলিতে। পল্টনে বেড়ে ওঠার ফলে এই এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশকে উপেক্ষা করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তখন তাদের পাড়ায় একটি ক্লাব ছিল, নাম- একতা বিতান, যেখানে খেলাধুলার পাশাপাশি তিনি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কেও মেতে থাকতেন।

তরুণ বয়সে তিনি থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭২ সালে রাইসুল ইসলাম আসাদ প্রথম মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে  ‘আমি রাজা হব না’ এবং ‘সর্পবিষয়ক গল্প’ নামের দুটি নাটকে তিনি অভিনয় করেন। এরপর তিনি আরণ্যক নাট্যদলের হয়ে ‘পশ্চিমের সিঁড়ি’ নাটকে অভিনয় করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে গঠন করেন ঢাকা থিয়েটার। এরপর ‘সংবাদ কার্টন’, ‘সম্রাট’ এবং ‘প্রতিদ্বন্দ্বীগণ’ নাটকে অভিনয় করেন। এরপর ঢাকা থিয়েটারে একের পর এক সাড়া-জাগানো নাটকে অভিনয় করতে থাকেন। একই বছর মুক্তি পায় তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘আবার তোরা মানুষ হ’, এরপর থেকে তিনি বহু সিনেমাতে অভিনয় করেন। তার অভিনীত ‘ঘুড্ডি’, ‘লালসালু’, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘লালন’ কালের সীমানা পেরিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘দুখাই’, ‘ঘুড্ডি’, ‘লালসালু’, ‘লালন’, ‘ঘানি’, ‘আধিয়ার’, ‘কীত্তনখোলা’, ‘নদীর নাম মধুমতী’, ‘মনের মানুষ’, ‘নয়নের আলো’, ‘আমার বন্ধু রাশেদ’। তিনি কিছু বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। তবে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি পেয়েছেন ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রের কুবের মাঝি চরিত্রে অভিনয় করে।

২০০৬ সালে ‘ঘানি’ এবং ২০১৩ সালে ‘মৃত্তিকা মায়া’ সিনেমার জন্য তিনি পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া ৪৫তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা লাভ করেন এবং ২০২১ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।


জন্মদিন   পদ্মা নদীর মাঝি   লালসালু   আমার বন্ধু রাশেদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে শাহরুখের সঙ্গে দেখা, যা বললেন জন সিনা

প্রকাশ: ০৭:১১ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সম্প্রতি ভারতের অন্যতম ধনী মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের বিয়েতে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন হলিউড তারকা তথা ডব্লিইডব্লিউই কুস্তিগীর জন সিনা। এবং এখানে সকলের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় উপভোগও করেছিলেন তিনি।

এদিকে তাকে দেশি পোশাকে দেখে ভক্তেরাও রীতিমতো মুগ্ধ বলা চলে। শুধু তাই নয়, জন সিনাকে মাথায় পাগড়ি বেঁধে বিয়ের উৎসবে প্রচুর নাচ করতেও দেখা গিয়েছে। এই বিয়ের অনুষ্ঠানে এসেই তার দেখা হয়েছে দেশ-বিদেশের একঝাঁক অতিথিদের পাশাপাশি এমন একজ মানুষের সঙ্গে, যে তার জীবন বদলে দিয়েছিল একটা সময়।  

তিনি সবসময়ের জন্য সেই ব্যক্তির কাছে কৃতজ্ঞ থাকবেন বলা চলে। জানেন কি কে সেই ব্যক্তি?

জন সিনার জীবন পরিবর্তনকারী সেই ব্যক্তি আর কেউ নন, শাহরুখ খান। এছাড়াও আম্বানি পরিবারের আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন। দেশে ফেরার পর, জন সিনা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। যেখানে তিনি অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকার বিয়েতে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। শাহরুখের জন্যও লিখেছেন, তার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

জন সিনা তার এক্স-এ রাধিকা এবং অনন্তের বিয়ে থেকে শাহরুখের সঙ্গে তার ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘এটি একটি অনন্য এবং আশ্চর্যজনক মুহূর্ত। ২৪ ঘণ্টা অসাধারণ কেটেছে। এই সময়টাকে এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি আম্বানি পরিবারের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ এবং আমাকে স্বাগত জানানোর জন্য আমি মুগ্ধ। অনেক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত দিয়ে ভরা একটি অভিজ্ঞতা। যা আমাকে অগণিত নতুন বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর মধ্যে শাহরুখ খানও রয়েছেন। তাকে ব্যক্তিগতভাবে বলতে পেরেছিলাম যে তিনি আমার জীবনে কতটা পজিটিভ করে তুলেছে।’

অন্যদিকে জন সিনার এই পোস্ট দেখে ভক্তরাও তার রীতিমতো প্রশংসা করেছেন। সকলেই বলছেন যে জন সিনাকে পাগড়িতে অসম্ভব সুন্দর দেখাচ্ছিল। মুকেশ আম্বানিও জন সিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।


মুকেশ আম্বানি   অনন্ত আম্বানি   রাধিকা মার্চেন্ট   জন সিনা   হলিউড তারকা   শাহরুখ খান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বিনা দাওয়াতে আম্বানির ছেলের বিয়েতে গিয়ে গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ০৬:৩৮ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজকীয় এক বিয়ে বলে কথা, সুযোগ পেলে যে কেউ এমন বিয়ের সাক্ষী হতে চাইবে। সেই সুযোগই কাজে লাগাতে গিয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়েছেন দুই ব্যক্তি। ঘটনা ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানীর ছেলে অনন্ত আম্বানী ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের।   

মুম্বাইয়ের কুরলা কমপ্লেক্সের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে গত ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত হলো ভারতের শীর্ষ ধনীর ছোট ছেলের রাজকীয় বিয়ের আয়োজন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বলিউড-হলিউড থেকে শুরু করে খেলোয়াড়-ধনকুবেররা। 

যে কারণে বিয়েতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল চোখে পড়ার মতো। তবুও জমকালো এই আয়োজনে বিনা দাওয়াতে অবৈধভাবে ভেন্যুতে প্রবেশের অভিযোগের পৃথক ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে অভিযুক্তদের ধরে ফেলেন। পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এফআইআরে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারের দোতলায় এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনক আচরণ করতে দেখা যায়। লাল ওই ব্যক্তিকে তার সিকিউরিটি ইনচার্জ মণীশ শ্যামলেটির কাছে নিয়ে আসেন, যিনি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং পরে তাকে বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, ভিরারের ব্যবসায়ী লুকমান মোহাম্মদ শফি শেখ (২৮) নামে ওই ব্যক্তি ১০ নম্বর গেট দিয়ে অবৈধভাবে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন। শনিবার ছিল অনন্ত-রাধিকার শুভ আশীর্বাদের অনুষ্ঠান। ভেন্যুতে প্রবেশের জন্য বিশেষ পাস দেওয়া হয়েছিল সকলকে। শেখ পরে স্বীকার করেন, কৌতূহলবশত আম্বানির ছেলের বিয়েতে হাজির হয়েছেন তিনি।

দ্বিতীয় ঘটনায়, শুক্রবার সকালে জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারের ১ নম্বর প্যাভিলিয়নের নিরাপত্তা কর্মীরা এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনক আচরণ করতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তিনি জানান, ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করতে এমন কীর্তি ঘটিয়েছেন।

মুম্বাই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দুই অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি, ২০২৩-এর ৩২৯ ধারা (অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ এবং গৃহ-অনধিকারপ্রবেশ)-র অধীনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।


অনন্ত আম্বানী   রাধিকা মার্চেন্ট   ভারত   মুকেশ আম্বানী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মোদির পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিলেন অনন্ত

প্রকাশ: ০৫:১৯ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি ও বিনোদ মার্চেন্টের কন্যা রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। অনন্ত-রাধিকার গ্র্যান্ড ওয়েডিং-এর ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে। 

এদিকে বিয়ের আসরে দেখা না মিললেও একদিন পর শনিবার রাতে নবদম্পতির ‘শুভ আশীর্বাদ’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনন্ত-রাধিকাকে আশীর্বাদ দিতে হাজির হন তিনি। 

এদিকে মোদিকে দেখা মাত্রই খুশির ঝিলিক অনন্ত-রাধিকার মুখে। মোদির পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিলেন আম্বানি পরিবারের ছোট ছেলে। এরপর মোদির চরণ ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেয় নতুন বউ রাধিকা। এসময় প্রাণ ভরে দুজনকে আশীর্বাদ করেন মোদি। রাধিকার মাথায় হাত রেখে তার সিঁথির সিঁদুর অটুট থাকার মঙ্গল আশীর্বাদ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর হাতে তুলে দেন উপহার। রূপার থালায় সাজিয়ে ঈশ্বরের ছবি নবদম্পতিকে উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। ঠাকুরের সেই ছবি মাথায় ঠেকিয়ে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন অনন্ত-রাধিকা। এরপর ফের মোদির পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিতে দেখা যায় অনন্তকে। মোদির আগমন তার জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তকে আরও বিশেষ করে তুলেছে স্বভাবতই খুশিতে ডগমগ আম্বানির ২৯ বছরের পুত্র।

ছেলে-বউমাকে যখন মোদি আশীর্বাদ দিচ্ছেন তখন মঞ্চের আরেক পাশে হাতজোর করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন নীতা ও মুকেশ। এরপর মোদী এগিয়ে আসেন তাদের দিকে। প্রধানমন্ত্রীর হাতে মাথা ঠেকিয়ে তাকে ধন্যবাদ জানান এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। শুধু পাত্রের বাবা-মাকেই নয়, নিজে এগিয়ে গিয়ে রাধিকার বাবা-মার সঙ্গেও সৌজন্য বিনিময় করেন মোদি। 

এরপর মঞ্চ থেকে নেমে ধর্মগুরুদের দিকে হেঁটে যান প্রধানমন্ত্রী। এরপর শঙ্করাচার্যের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেন মোদি। এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য ধর্মগুরুদের থেকে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। 

মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে এই আশীর্বাদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানেও উপস্থিত হয়েছেন বলিউডের প্রথম সারির তারকারা। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান থেকে নতুন প্রজন্মের তারকারা, বাদ নেই কেউই। ফ্যাশন, গ্ল্যামার আর আভিজাত্যে মোড়া এই অনুষ্ঠানের দিকে নজর গোটা দেশের। 

শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনন্ত ও রাধিকাকে আশীর্বাদ দিতে পৌঁছেছিলেন। বিয়ের আসরে দেখা মিলেছে রাজনীতির দুনিয়ার রথী-মহারথীদের।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ওপার বাংলায় চরকির কার্যক্রম বন্ধ

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ১৩ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি, যা বিভিন্ন দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র ও সিরিজ উপহার দিয়েছে, স্বকীয় পরিচয় তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। গত বছর অক্টোবরে ভারতে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। ওপার বাংলার শিল্পী-কলাকুশলীদের নিয়ে কনটেন্ট তৈরিরও ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, সেখানে বন্ধ হয়ে গেছে চরকির কার্যক্রম। বিস্তারিত জানাচ্ছেন কামরুল ইসলাম।

২০২১ সালের ১২ জুলাই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল চরকি। গতকাল প্রতিষ্ঠানটির তিন বছর পূর্ণ হলো। স্বাভাবিকভাবেই দিনটিতে খুশিতে মেতে ছিল চরকি পরিবার। কিন্তু আনন্দের মধ্যেই একটি নিরানন্দের খবর পাওয়া গেল। গত বছরের ৪ অক্টোবর কলকাতায় যে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তা বন্ধ হয়ে গেছে। গুঞ্জনটা বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, যা গতকাল চরকির হেড অব কনটেন্ট অনিন্দ্য ব্যানার্জি নিশ্চিত করলেন।

‘ওপারে দাপিয়ে এপারে’ স্লোগানে শুরু হওয়া চরকির কলকাতা কার্যক্রমে দুই বাংলার অনেক তারকা অভিনয়শিল্পী ও নির্মাতা অংশ নিয়েছিলেন। বাংলা কনটেন্টের নতুন দ্বার উন্মোচনের আশায় বুক বেঁধেছিলেন দুই বাংলার নির্মাতা-শিল্পীরা। কিন্তু সেই যাত্রা শুরু হতেই থেমে গেল।

অনিন্দ্য জানান, পশ্চিমবঙ্গে সিনে টেকনিশিয়ানদের সংগঠন থেকে বাধা এসেছে। তাদের চাওয়া, স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে চার গুণ বেশি পারিশ্রমিক। তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম, টালিগঞ্জে পারিশ্রমিকের ভাগ ভাষাগত দিক বিবেচনায় হয়। বাংলা কাজের এক রকম দর, হিন্দি, ইংরেজি বা অন্য ভাষার ক্ষেত্রে আরেক রকম দর। যেহেতু চরকির কাজগুলো বাংলায়, তাই বিষয়টা নিয়ে ভাবিনি। পরে ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া জানায়, বাংলাদেশ তো অন্য দেশ, সুতরাং পারিশ্রমিক বেশি দিতে হবে, যা দুই থেকে চার গুণ পর্যন্ত!’

অনিন্দ্যর মতে, ফেডারেশনের চাহিদা মেটাতে বাজেট এতটাই বাড়বে যে, তা কনটেন্ট মুক্তি দিয়ে তোলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা নিয়ে তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। তবে সমাধানের কোনো পথ দেখা যাচ্ছে না। কলকাতার ফেডারেশন বেশ শক্তিশালী। তারা তাদের স্বার্থ দেখছে, যা যৌক্তিক নাকি অযৌক্তিক, সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ।’

চরকি ঘোষণা দিয়েছিল, তিন বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ৩০টি কনটেন্ট নির্মাণ করবে। এর মধ্যে ‘লহু’ নামের একটি সিরিজের কাজও শুরু হয়েছিল। রাহুল মুখার্জির সিরিজটিতে চুক্তিবদ্ধ হন বাংলাদেশের আরিফিন শুভ ও পশ্চিমবঙ্গের সোহিনী সরকার। ডিসেম্বরে সিরিজটির শুটিং শুরু হয়েছিল। কিন্তু ফেডারেশন বেঁকে বসায় কাজ থামাতে হয় টিমকে।

অনিন্দ্য বলেন, ‘আমরা এখন ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ অবস্থায় আছি। দেখা যাক কী হয়। একটা কাজ (লহু) শুরু হয়েছিল, মাঝপথে বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কার্যক্রমটা আদতে শুরুই করা যায়নি।’

এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য আরেকটি প্রতিষ্ঠান হলো হইচই। পশ্চিমবঙ্গের এই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশেও পরিচালিত হচ্ছে। তাদের ক্ষেত্রে ঢাকায় এমন কোনো সমস্যার কথা শোনা যায়নি। এ বিষয়ে অনিন্দ্যর ব্যাখ্যা, “ঢাকায় হইচই-এর সমস্যা হয়নি, কারণ ‘হইচই বাংলাদেশ’ এখানকারই প্রতিষ্ঠান। আমরাও যদি ‘চরকি ইন্ডিয়া’ হতাম, তাহলে হয়তো এমন সমস্যার মুখে পড়তাম না। ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠান চালু করা যত সহজ, ভারতে ততটা নয়। প্রতিটি সরকারের ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম থাকে। সেসব বিবেচনায় আমরা ‘চরকি ইন্ডিয়া’ করতে পারিনি।”

সব শেষে অনিন্দ্য আশা প্রকাশ করেন, এই জটিলতার সমাধান হবে। এতে দুই বাংলার কাজের পরিধি ও বাজার বড় হবে। বাজার বড় হওয়া মানেই বেশি কাজ এবং ইন্ডাস্ট্রি বড় হওয়া।


চরকি   ওটিটি   কন্টেন্ট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন