ইনসাইড ইকোনমি

অর্থনৈতিক সংকট: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশ: ১০:৫১ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং মূল্যস্ফীতিতে নাকাল দেশবাসী। এ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে। বিশ্বের প্রায় সব দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পদক্ষেপে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপ দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমাতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার কার্যকর হাতিয়ার খুঁজে বের করতে দেশের অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার ও সাংবাদিকদের সঙ্গে পরামর্শের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

বৈঠকে নতুনভাবে টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক শেষে মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ খুবই জরুরি। তাই আমরা অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেসব পরামর্শ আসবে সে অনুযায়ী আগামী মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হবে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও অন্যান্য দেশের তুলনায় মূল্যস্ফীতি আমরা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। আমরা যে এখনও সংকটের মধ্যে আছি তা সত্য। তবে সেই সংকট নিরসনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। যেমন, আমদানি নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি বাড়ানো ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি এবং সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় আমাদের দেশও তার মাশুল গুনছে।

গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বর্তমান মুদ্রানীতির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং নতুন করে টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ঋণ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন মুখপাত্র।

ভবিষ্যতে আরও অর্থনীতিবিদ, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, চেম্বার অব কমার্স এবং অর্থনৈতিক খাতের বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা পর্যায়ক্রমে চলতে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৈশ্বিক এ সংকটের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) ঝুঁকি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির প্রধান পাঁচটি ঝুঁকি চিহ্নিত করেছে তারা। বাংলাদেশের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনীতির প্রধান ঝুঁকি।

ঝুঁকির পাঁচটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে ডব্লিউইএফ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে আরও যে চারটি ঝুঁকির খাত তারা চিহ্নিত করেছে, সেগুলো হলো ঋণ সংকট, উচ্চ পণ্য মূল্যের ধাক্কা, মানবসৃষ্ট পরিবেশগত ক্ষতি ও সম্পদের জন্য ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা।

গত জুন ও জুলাই মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমার পর আগস্ট মাসে তা আবার বেড়েছে। গত মাসে (আগস্ট) মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে। এই সময় দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হঠাৎ অনেকটা বেড়ে গেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার উঠেছিল ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে।

সরকারের প্রত্যাশা ছিল, আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতির হার কমবে। ২৯ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভার (একনেক) পর পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘মূল্যস্ফীতি জোর করে কমানো যায় না। কার্যকর নীতি নিতে হবে। আমি ঝুঁকি নিয়ে বলতে পারি, চলতি আগস্টে মূল্যস্ফীতি ২ থেকে ৪ পয়েন্ট কমবে।’ কিন্তু গত মাসে তা উল্টো বেড়েছে।

এদিকে গত মঙ্গলবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেছেন, মূল্যস্ফীতির হার আগের পর্যায়ে নামতে এক বছর সময় লাগবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক ওয়ার্কিং পেপার বা কার্যপত্রে বলা হয়েছে, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হলে ধারাবাহিকভাবে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি প্রণয়নের পাশাপাশি দেশীয় মুদ্রার দরপতনের হার কমাতে হবে।

আইএমএফের কার্যপত্রে বাংলাদেশ সম্পর্কে অবশ্য সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলা নেই। তবু এটা পরিষ্কার যে বাংলাদেশ উল্লিখিত দুটি ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে আছে। বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি ডলারের আন্তঃব্যাংক বিনিময় হার ছিল ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা, যা এখন ১১০ টাকা; অর্থাৎ এই সময়ে স্থানীয় টাকার দরপতন হয়েছে ২৮ দশমিক ২১ শতাংশ। এর মধ্যে নীতি সুদ হার বাড়ানো হলেও ব্যাংক ঋণের সুদহার অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৯ শতাংশেই রয়ে গেছে। ফলে নীতি সুদহার বৃদ্ধির প্রভাব তেমন একটা অনুভূত হয়নি, অন্তত এখন পর্যন্ত।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে মুদ্রার বিনিময় হার কৃত্রিমভাবে ধরে রেখেছিল। যে কারণে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যখন ডলারের বিনিময় হার অনেকটা বৃদ্ধি পায়, তখন স্বাভাবিকভাবেই আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। এটি মূল্যস্ফীতির অন্যতম কারণ।

যদিও এখন বিশ্লেষকেরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি কেবল বৈশ্বিক কারণে হচ্ছে না, নিজস্ব বাজার ব্যবস্থাপনাও এর জন্য দায়ী।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত জ্বালানি তেল, এলএনজি, সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির দায় মেটানোর জন্য ডলার বিক্রি করছে। পাশাপাশি সরকারের বিদেশি ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্যও ডলার বিক্রি করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে রেকর্ড সাড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখনো বিক্রি করে চলেছে, যা মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির অন্যতম একটি কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

১৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯৮ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৯:৫১ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিনে দেশে ৯৭ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্র‌তি ডলার ১১৮ টাকা ধ‌রে) ১১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। ফলে প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ৫২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (১৪ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৩ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব ও বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।

হালনাগাদ প্রতিবেদনে আরও জানায় সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের জুন মাসে দেশে ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছিল ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল যথাক্রমে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার, ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার, ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ও ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।


রেমিট্যান্স   প্রবাসী   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: ০৮:৩৩ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা। 

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৬২২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৮ হাজার ২৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১ হাজার ২২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।


স্বর্ণ   আউন্স   ডলার   সোনা   বাজুস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান রোববার

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ১৩ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে রপ্তানিকারকদের পরিশ্রম ও তাদের কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি জানাতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২১-২২ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। এই স্বীকৃতি প্রদান করা হবে আগামীকাল রোববার।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের টিসিবি অডিটোরিয়ামে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম উদ্দিন ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থেকে ট্রফি প্রদান করবেন।

আসসানুল ইসলাম টুটু বলেন, জাতীয় রপ্তানি ট্রফি নীতিমালা-২০১৩ অনুসরণে প্রাথমিক ও চূড়ান্ত বাছাই কমিটির মাধ্যমে মোট ৩২টি খাতের রপ্তানিকারকদের মধ্য হতে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের রপ্তানি আয়, আয়গত প্রবৃদ্ধি, নতুন পণ্যের সংযোজন, নতুন বাজারে প্রবেশ, কমপ্লায়েন্স প্রতিপালন ইত্যাদি মূল্যায়ন করে ট্রফি বিজয়ী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে।

প্রতিটি খাতের জন্য কৃতি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়া সব খাতের মধ্যে হতে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি’ শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফিসহ (স্বর্ণ) মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি দেশের কৃতি ব্যবসায়ীরা সরকারি পর্যায়ের এ স্বীকৃতির মাধ্যমে আরও উজ্জীবিত হবেন এবং অধিক পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবেন। রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন, পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, বহুমুখী পণ্যের উদ্ভাবন ও অব্যবহৃত বাজাররে বাজারজাতকরণ এখন সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ, নতুন বাজার অন্বেষণ ও বাজার গবেষণা ইত্যাদি কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

আগামীকালের ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন-বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম উদ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ট্রফি বিজয়ীদের মধ্য হতে ২ জনের (১ জন নারী ও ১ জন পুরুষ) ট্রফি লাভের অনুভূতি ব্যক্ত করার সুযোগ থাকছে। 


জাতীয়   রপ্তানি   ট্রফি   প্রদান   অনুষ্ঠান   রোববার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না কিছুতেই

প্রকাশ: ১০:৪০ এএম, ১২ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না কিছুতেই। একটি পণ্যের দাম কমলে, অন্যটির বাড়ে কয়েক গুণ। কাঁচাবাজারে এমনটাই অভিযোগ ভোক্তাদের। সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়ে গেছে মাছ, মাংস ও শাক-সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল থেকেই ঝুম বৃষ্টির কারণে বাজারগুলোতে তেমন ক্রেতা নেই। তার পরও সবজির চড়া দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টি, বন্যা ও ছাত্রদের আন্দোলনের (বাংলা ব্লকেড) কারণে বাড়ছে সবজির দাম।  

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৮০-১২০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, ধন্দুল ৮০ টাকা, শসা ৭০-৮০ টাকা ও লতি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি কেজি পেঁপে ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৮০ টাকা ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়।

কমেনি কাঁচা মরিচেরও ঝাঁজও। খুচরা পর্যায়ে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪০ টাকায়। আর দাম বেড়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। তবে সামান্য দাম কমে রসুন ২২০ টাকা ও আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকায়।

এছাড়া, প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়; প্রতি পিস লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। আর বাজারে লালশাকের আঁটি ১৫ টাকা, পাটশাক ১৫ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, লাউশাক ৩০-৪০ টাকা, কলমিশাক ১৫ টাকা ও পালংশাক ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সবজিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম। এখনই লাগাম না টানলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বাজার।

এদিকে, গত সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কমলেও চলতি সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৬০-২৮০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকায়। এছাড়া প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়।

এদিকে, স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। প্রায় সব ধরনের মাছেরদাম কেজিতে বেড়ে গেছে ২০-৫০ টাকা। মাছ ব্যবসায়ীরাও দাম বাড়ার পেছনে বৃষ্টিকেই দায়ী করে বলছেন, মাছের সরবরাহ কমেছে বাজারে, তাই বাড়তি দাম।

বিক্রেতারা বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধুদের দৌরাত্ম্য কমবে।


লাগামহীন   নিত্যপণ্য   বাজার   স্বস্তি   ফিরছে   কিছুতেই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

দেশের জিডিপির আকার কমতে পারে ৯০০ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৯:২৮ এএম, ১০ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বিদায়ী অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের রপ্তানির হিসাবেরঅসামঞ্জস্যদূর করার পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ওলটপালট করতে চলেছে। কেবল ১০ মাসের সংশোধিত তথ্যেই প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিআয়উধাও হয়ে গেছে। দুই বছরের হিসাবে উধাও হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার। ফলে রপ্তানি আয়ের এই চুপসে যাওয়া পরিসংখ্যান বিবেচনায় নিলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার কমে যেতে পারে।

প্রাথমিকভাবে হিসাব করে দেখা গেছে, রপ্তানি আয়ের সংশোধনের ফলে বাংলাদেশের জিডিপির আকার কমবেশি শতাংশ কমতে পারে। পরিমাণের দিক থেকে তা প্রায় বিলিয়ন বা ৯০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলারের দাম ১১৫ টাকা ধরে) জিডিপির আকার লাখ কোটি টাকার বেশি কমে যেতে পারে। জিডিপির আকার কমলে স্বাভাবিকভাবে মাথাপিছু আয়ও কমবে। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ সালের সাময়িক হিসাবে জিডিপির আকার ছিল ৪৫৯ বিলিয়ন ডলার।

এত দিন ধরে রপ্তানি আয় অনেক বেশি দেখানো হয়েছে। ফলে এর প্রতিফলন ঘটেছে জিডিপি, মাথাপিছু আয়সহ সংশ্লিষ্ট সব খাতে। এখন ভুলটি ঠিক করা হয়েছে। এটিই চূড়ান্ত নয়; আরও পর্যালোচনা করা উচিত।

সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে। গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের (জুলাই-এপ্রিল) রপ্তানিরপ্রকৃত তথ্যপ্রকাশ করে। সেখানে ইপিবির প্রকাশ করা তথ্যের সঙ্গে প্রায় ১৪ বিলিয়ন বা হাজার ৪০০ কোটি ডলারের ফারাক পাওয়া গেছে। এর পর থেকে রপ্তানির তথ্যের গরমিল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, যদিও ব্যবসায়ীরা অনেক দিন ধরেই অভিযোগ করছিলেন যে ইপিবি রপ্তানি আয়ের ফোলানো-ফাঁপানো তথ্য দিচ্ছে।

একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে উৎপাদিত পণ্য সেবার সামষ্টিক মূল্যই হলো জিডিপি। আগের বছরের তুলনায় পরের বছর যে মূল্য সংযোজন হয়, তাকে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বলা হয়। একইভাবে মূল্য সংযোজন কমে গেলে অর্থনীতি সংকুচিত হয় বা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির আকার, প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়এসব বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করে থাকে। জিডিপির গণনায় ভোগ বিনিয়োগের পাশাপাশি রপ্তানি খাতের মূল্য সংযোজন যুক্ত হয়। গত মে মাসে প্রথম ছয়-সাত মাসের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিদায়ী অর্থবছরের জিডিপির সাময়িক হিসাব দেয় বিবিএস।

সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ১০ মাসে ইপিবির হিসাবে, আর্থিক মূল্যে পণ্য সেবা রপ্তানির পরিমাণ ৪৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ( হাজার ৭৪৭ কোটি) ডলার। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ওই সময়ে ৩৩ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ( হাজার ৩৬৭ কোটি) ডলারের রপ্তানি হয়েছে। দুই হিসাবের পার্থক্য ১৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ( হাজার ৩৮০ কোটি) ডলার।

রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণে কীভাবে কতটা জিডিপির আকার কমতে পারে, তা হিসাব করে দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশ থেকে যত পণ্য রপ্তানি হয়, তার ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক। বাকি রপ্তানি আয় আসে চামড়া চামড়াজাতীয় পণ্য, চা, পাট পাটজাতীয় পণ্য, প্লাস্টিক, খাদ্যপণ্যসহ অন্যান্য পণ্য থেকে।

ইপিবির হিসাবে, ১০ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪০ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ( হাজার ৩৫ কোটি) ডলারের। রপ্তানি করা পোশাকের সুতা, কাপড়সহ অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি করতে খরচ হয় খাতের মোট রপ্তানির প্রায় ৪০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ। সেই হিসাবে ওই সময়ে ১৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ( হাজার ৬১৪ কোটি) ডলারের কাঁচামাল আমদানি করতে হয়েছে। বাকি ২৪ দশমিক ২১ বিলিয়ন ( হাজার ৪২১ কোটি) ডলার স্থানীয়ভাবে করা মূল্য সংযোজন। জিডিপির হিসাবে এই পরিমাণ অর্থই যুক্ত হয়।

জুলাই থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত সময়ে পোশাক ছাড়া অন্যান্য পণ্য রপ্তানি দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ছিল বলে ইপিবি জানিয়েছে। তবে পোশাকের তুলনায় এসব পণ্যে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের হার অনেক বেশি। এসব পণ্যে প্রায় ৯০ থেকে শতভাগ দেশীয় মূল্য সংযোজন হয়। কম হার, অর্থাৎ ৯০ শতাংশ মূল্য সংযোজন ধরা হলে এসব পণ্যের রপ্তানি থেকে জিডিপিতে যুক্ত হয়েছে দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার।

ইপিবির দেওয়া রপ্তানি হিসাব বিবেচনায় নিলে, জুলাই-এপ্রিল সময়ে পোশাক অন্যান্য পণ্য রপ্তানি করে জিডিপিতে মোট মূল্য সংযোজন হয়েছে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন বা হাজার ৬১ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে আসা রপ্তানি আয়ের তথ্য-উপাত্ত বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে, এই তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত রপ্তানি আয়েরতেমন পার্থক্য থাকে না গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রকৃত রপ্তানির তথ্য প্রকাশ করে। এই তথ্যে দেখা গেল, সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৩৩ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ( হাজার ৩৬৭ কোটি) ডলারের পণ্য সেবা। অর্থাৎ ইপিবির সঙ্গেপ্রকৃত রপ্তানি আয়েরপার্থক্য ১৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই রপ্তানিরপ্রকৃত তথ্যজিডিপির আকারে প্রভাব রাখবে। যেহেতু মোটাদাগে মোট রপ্তানির ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক, তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১০ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২৮ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ( হাজার ৮৬২ কোটি) ডলারের। কাঁচামাল আমদানির জন্য ৪০ শতাংশ অর্থ বাদ দিলে স্থানীয় মূল্য সংযোজন হয়েছে ১৭ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা হাজার ৭১৭ কোটি ডলারের।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বিবেচনায় পোশাক ছাড়া অন্যান্য পণ্য রপ্তানি হয়েছে দশমিক শূন্য বিলিয়ন ডলার। ৯০ শতাংশ মূল্য সংযোজন ধরা হলে জিডিপিতে যুক্ত হবে দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানি হিসেবে জুলাই-এপ্রিল সময়ে পোশাক অন্যান্য পণ্য রপ্তানি করে জিডিপিতে মোট মূল্য সংযোজন হয়েছে ২১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ( হাজার ১৭১ কোটি) ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রপ্তানির তথ্য চূড়ান্ত হিসেবে ধরা হয়। তাই রপ্তানি খাত থেকে জিডিপিতে অবদান কমে যাবে। হিসাব করে দেখা গেছে, ইপিবি বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ফারাক থাকায় এখন জিডিপিতে রপ্তানি খাতের অবদান প্রায় বিলিয়ন বা ৯০০ কোটি ডলার কমে যেতে পারে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) টাকার পাশাপাশি ডলারেও জিডিপির আকার কত, তা প্রকাশ করে থাকে। বিবিএসের সাময়িক হিসাবে, সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির আকার প্রায় ৪৫ হাজার ৯০০ কোটি বা ৪৫৯ বিলিয়ন ডলার। ফলে রপ্তানির নতুন তথ্যে জিডিপির আকার কমতে পারে দশমিক ১৩ শতাংশ।

বিষয়ে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘এত দিন ধরে রপ্তানি আয় অনেক বেশি দেখানো হয়েছে। ফলে এর প্রতিফলন ঘটেছে জিডিপি, মাথাপিছু আয়সহ সংশ্লিষ্ট সব খাতে। এখন ভুলটি ঠিক করা হয়েছে। এটিই চূড়ান্ত নয়; আরও পর্যালোচনা করা উচিত।তাঁর মতে, রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় জিডিপির আকার কমপক্ষে - বিলিয়ন (৮০০-৯০০ কোটি) ডলার কমতে পারে।

আহসান এইচ মনসুর পরামর্শ দেন, শিগগিরই লেনদেনের ভারসাম্য (ব্যালান্স অব পেমেন্টস) পর্যালোচনা করা উচিত। এই কাজের জন্য প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে। তবে ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করার দরকার নেই। রপ্তানি আয়ের প্রকৃত তথ্য ঠিক করেই সব হিসাব-নিকাশ চূড়ান্ত করা উচিত।

 (তথ্যসূত্র: প্রথমআলো, ১০ জুলাই ২০২৪)


দেশ   জিডিপি   আকার   কমতে   কোটি ডলার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন