ইনসাইড বাংলাদেশ

উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেয়া হবে: শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ০২:২৩ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়  রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-বাঁধ মেরামত শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেয়া হবে। আওয়ামী লীগ সরকার এসেছে বলেই এই উপকূলীয় অঞ্চলে শান্তি এসেছে। অনেকেই ক্ষমতায় ছিল কিন্তু কেউ তা পারেনি। এই অঞ্চলের বাংলাদেশের কেউ ভূমিহীন থাকবে না। 

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ত্রাণ বিতরণের পরে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হচ্ছে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। এই অঞ্চলের (উপকূলের) মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে জীবনযুদ্ধে লিপ্ত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবেই, সেটাকে মোকাবিলা করে মানুষের জীবনমান রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য এবং সেটাই আমরা করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে যে সমস্ত রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে, সেগুলো মেরামত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যে বাঁধগুলো ভেঙে গেছে, সেগুলোও মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে আমরা শুরু করে দিয়েছি। যাতে বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারি।

এবারের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস খুবই অস্বাভাবিক হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সাইক্লোন শেল্টার করেছি, সেখানে মানুষ আশ্রয় পেয়েছে। যারা গৃহহীন, তাদের দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দিয়েছি। যে কারণে মানুষ অন্তত আশ্রয়ের জায়গা পেয়েছে। পশুপাখি আশ্রয়ের ব্যবস্থা পেয়েছে।’

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২ হাজার লোকদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।


উপকূলীয় অঞ্চল   দুর্যোগ   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাবির পর এবার ঢাকা মেডিকেলের সামনে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশ: ০৬:০৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগ। সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া যায়।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ছাত্রলীগের বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা লাঠি-সোটা নিয়ে সড়কের অবস্থান করছেন। তবে কারা এসব ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এছাড়া ক্যাম্পাস জুড়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা থাকলেও এখন পর্যন্ত দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা, শিক্ষক কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাউকে দেখা যায়নি।

তবে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে পরবর্তী ৩ মিনেটে আরও ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এই মুহূর্তে ছাত্রলীগের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী শহীদুল্লাহ হলের সামনে লাঠি সোটাসহ অবস্থান নিয়েছেন। ঘটানাস্থলে রয়েছেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার ঢাকা মেডিকেলের সামনেও বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

এর আগে, দুপুরের পর সরকারি চাকরিতে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বক্তব্যের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

পরে বিকেল ৩টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিজয় ৭১ হলের ভেতর থেকে ও বিভিন্ন তলা থেকে জুতা ও ইট নিক্ষেপ করে। প্রথমে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পাল্টা জবাব না দিলেও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মুহুর্মুহু ইট নিক্ষেপ শুরু হলে পাল্টা জবাব দেয় আন্দোলনকারীরা। সে সময় মূল আন্দোলনকারীরাও সেখানে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

একই সময় বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের সঙ্গে যোগ দেয় জিয়া হল, বঙ্গবন্ধু হল ও জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় দুই পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়া হয়। হঠাৎ বঙ্গবন্ধু হলের পকেট গেট দিয়ে ঢুকে ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ, ঢাকা জেলা উত্তর, দক্ষিণ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একযোগে হামলা চালালে পিছু হটে আন্দোলনকারীরা। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলাকালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ধরে রড, স্টাম্প, হকিস্টিক দিয়ে পেটায়। পরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন ছেড়ে পিছু হটতে বাধ্য হলে ক্যাম্পাস দখলে নেয় ছাত্রলীগ।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়   ঢাকা মেডিকেল   সংঘর্ষ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রভোস্ট কমিটি নিয়ে জরুরি বৈঠকে ঢাবি উপাচার্য

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রভোস্ট কমিটি। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার পর তারা বৈঠকে বসেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল সোয়া ৫টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রাধ্যক্ষদের বৈঠক চলছিল।

বৈঠকে উপস্থিত জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।



প্রভোস্ট কমিটি   ঢাবি উপাচার্য   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিবিরের উত্থান যেভাবে

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

‌‌‘আমরা রাজাকারের সন্তান, রাজাকারদের চাকরি চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে গতকাল অন্তত ১০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে। রাতে একযোগে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ একটি নাটকীয় পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। আর এর মাধ্যমে এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেপথ্যে কারা তা প্রকাশিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে কোটা আন্দোলনের আড়ালে আসলে ইসলামী ছাত্রশিবির একটি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রকাশ্যে ছাত্র শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ। কিন্তু ছাত্র শিবির সেখানে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। যারা ছাত্র শিবিরের কর্মী তাদের পরিচয় তারা গোপন করেছে। দাঁড়ি, টুপি বা পাজামা পাঞ্জাবি না পরে তারা জিন্স এবং অন্যান্য আধুনিক পোশাক পরে ফ্রেঞ্চকাট দাঁড়ি বা আধুনিক স্টাইলের দাঁড়ি রেখে বা না রেখে তারা সাধারণ ছাত্র শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে গেছে। 


কোটা সংস্কার আন্দোলনের মূল লক্ষ্য যে আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আঘাত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা সেটি গতকালকের ছাত্র বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সারাদেশে গত এক দশকে ছাত্র শিবির যে নেটওয়ার্ক ছিল সেই নেটওয়ার্কটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ঘটেছে। 

উল্লেখ্য যে, কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে গণ জাগরণ মঞ্চ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্র শিবির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে। ছাত্র শিবির এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি জামায়াত মনে করত যে, এই গণজাগরণ মঞ্চের কারণেই কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়েছে এবং এ কারণে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সরকার শক্ত ভিত্তি পেয়েছে। আর এই কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী একটি অবস্থান তৈরি করার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে গোপনে কাজ করেছে। 


ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে, তাদের বিভিন্ন লোভ এবং ক্ষমতা কেন্দ্র থেকে প্রায় নেতাদের আখের গোছানোর মনোভাবের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রলীগ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। বিভিন্ন জায়গায় হল দখল, ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিরক্ত। আর এই সুযোগে ডালপালা বিস্তার করে ইসলামী ছাত্র শিবির। ইসলামী ছাত্র শিবির তাদের মূল রাজনৈতিক বিষয় না নিয়ে একটা পরিকল্পিত পদ্ধতি গ্রহণ করে। তারা কোটাবিরোধী আন্দোলন শুরু করে এবং ২০১৮ সালের কোটা বিরোধী আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধ কোটা বাতিল করা। মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করাটা তাদের ছিল আসলে উপরিভাগ পাত্র। এর মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী একটি আবহ তৈরি করাটাই ছিল তাদের লক্ষ্য। এ কারণে বিভিন্ন কোটা নিয়ে তাদেরকে উৎসাহ দেখা যায়নি। তারা শুধু মাত্র মুক্তিযুদ্ধের কোটা নিয়ে কথা বলছে। 

২০১৮ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব কোটা বাতিল করে দেন, তখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে আসে। আবার যখন মুক্তিযুদ্ধের পরিবারের সন্তানরা কোটা বাতিলের পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন করে তখন ছাত্র শিবির আবার সংগঠিত হতে হতে শুরু করে। আবার তারা মুক্তিযুদ্ধের কোটাকে টার্গেট করে। সাম্প্রতিক সময়ে যে কোটা বিরোধী আন্দোলন ছিল, সেই কোটাবিরোধী আন্দোলনটি মুখোশ মাত্র বলে মনে করা হচ্ছে। আসলে তাদের মূল লক্ষ্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা, মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা।


পয়লা জুলাই থেকে শুরু হওয়া কোটা বিরোধী আন্দোলনে এই বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রধান হয়ে এসেছে। দেখা যাচ্ছে যে, কোটা আন্দোলনের নামে আসলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একটি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। আর এই প্ল্যাটফর্ম যদি শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে তাহলে জামায়াত শিবিরের মূল লক্ষ্যটি অর্জিত হবে। ক্যাম্পাসগুলোকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী করার মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ গ্রহণ করতে চায়। তবে আশার কথা হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং গতকাল যে শিবিরের নারকীয় উত্থান সেই উত্থানে হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

কোটা আন্দোলন   ছাত্র শিবির   বিশ্ববিদ্যালয়   রাজাকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘নিজেকে রাজাকার বলে স্লোগান দেওয়া রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল’

প্রকাশ: ০৫:২৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার, রাজাকার’-স্লোগান দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি গভীর অসম্মান প্রদর্শন। এ ধরনের স্লোগানধারীদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’।

সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‌‘নিজেকে রাজাকার, রাজাকার স্লোগান দেয়া-মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার হিসেবে কাজ করেছে তাদের পক্ষে দাঁড়ানো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল। এই ধরনের কার্যকলাপ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল, কারণ এটি জাতির সংহতি এবং মূল্যবোধের ওপর আঘাত হানে।’

তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজাকারদের সমর্থনকারী কার্যকলাপ আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এজন্য সরকার এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলির উচিত এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং জাতীয় সংহতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

নেত্রবৃন্দ বলেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি বেশ কিছুদিন যাবত কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে ৭১’ এর পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা গোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদেরকে পরিবারকে নানা ভাবে অপমান অপদস্থ করছে। বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনিও এ বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন।’

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় থেকে রাতের আঁধারে পরিত্যক্ত ও প্রত্যাখ্যাত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়ায় কতিপয় বিভ্রান্ত শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শবিরোধী বালখিল্য কর্মকাণ্ড এবং রাজাকার রাজাকার স্লোগান আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এরা সময়ে-অসময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে জাতিকে বিভক্ত করছে, ঐতিহাসিক ভাবে মীমাংসিত বিষয়কে অমিমাংসিত করার চেষ্টা করছে। এখানে আমরা দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন নেতৃবৃন্দ। 

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা অবিলম্বে রাজাকারের তালিকা প্রণয়ন করে এদের পরবর্তী প্রজন্মকে সরকারি-বেসরকারি সকল চাকরিতে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।’

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান   রাজাকার   কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নতুনবাজার ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, যানচলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশ: ০৫:০১ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এতে নতুন বাজার থেকে রামপুরাগামী রাস্তায় যান চলা চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ঐ রাস্তায়।

তবে বিকেল ৪টার দিকে রাস্তা ছেড়ে চলে যান শিক্ষার্থীরা। এতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে রাস্তা ছেড়ে চলে যায়। এরপর নতুন বাজার থেকে রামপুরাগামী রাস্তায় আবারো যান চলাচল শুরু হয়েছে।

এর আগে বিকেলে ৪টা থেকে নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে আটকে থাকা যানবাহন ধীরে ধীরে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তার দিকে এগোচ্ছে। 


কোটা আন্দোলন   বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়   সড়ক অবরোধ   যানচলাচল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন