ইনসাইড বাংলাদেশ

নাশকতার অভিযোগে আমীর খসরুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১:২৯ পিএম, ০৫ অগাস্ট, ২০১৮


Thumbnail

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে নাশকতায় উস্কানি ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানায় নগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন ।

কোতোয়ালি থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন জানিয়েছেন, ‘ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়া এবং ষড়যন্ত্রমূলক আলোচনার অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ (২) ধারা ও বিশেষ ১৫(৩) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।’

মামলার বাদি জাকারিয়া দস্তগীর জানান, ‘আমির খসরুর কথার জেরেই ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি মামলা দায়ের করেছি।’

আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশিত হয়। অডিও ক্লিপটিতে শোনা যায়, কুমিল্লায় অবস্থানরত নওমি নামে এক কর্মীর সঙ্গে কথা বলছেন বিএনপির এই নীতিনির্ধারক। নওমিকে ঢাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে লোকজন নামানোসহ নাশকতার কথা বলেন তিনি।


বাংলা ইনসাইডার/বিকে/জেডএ 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে’: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্যদিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।

আজ শনিবার (২৭ নভেম্বর) ‘শহীদ ডা. মিলন দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলমের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ডা. মিলন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন যুগ্ম-মহাসচিব ছিলেন। তিনি ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে শহীদ হন।

বাণীতে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ সংগ্রামে ডা. মিলন ছাড়া যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার রাজপথ। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ভোট ও ভাতের অধিকার। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাদের অবদান জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আমি ডা. শামসুল আলম খান মিলনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ ডা. মিলনের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশ: ০৮:১৫ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্যদিয়ে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে।শহীদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ এসব বীর শহীদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

আজ শনিবার (২৭ নভেম্বর) ‘শহিদ ডা. মিলন দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ ২৭ নভেম্বর। শহীদ ডা. মিলন দিবস। ১৯৯০ সালের এ দিনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে পুরোভাগে থাকা শহীদ ডা. সামসুল আলম খান মিলন পুলিশের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন। আমি শহীদ ডা. মিলনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকেও বেগবান করতে হবে। নতুন প্রজন্ম ডা. মিলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে এ প্রত্যাশা করি। আমি শহীদ ডা. সামসুল আলম খান মিলমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ডা. মিলনের রক্তে স্বৈরাচারের পতন

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আজ শহীদ ডা. মিলন দিবস। । নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলেন জাসদ নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন। স্বৈরাচারি সরকারের পতনে তার আত্মদান ছিল একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। সে কারণেই এই দিনটিকে ডা. মিলন দিবস হিসেবে পালন করে থাকেন গণতন্ত্রকামী মানুষ।

স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের উত্তাল পর্বে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি সংলগ্ন রাস্তায় ছাত্র-গণআন্দোলন দমনে স্বৈরশাসক এরশাদ লেলিয়ে দিয়েছিলেন সন্ত্রাসী বাহিনী। সেই বাহিনীর গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় প্রাণ হারান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) নেতা ও তৎকালীন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন।

ডা. মিলনের শহিদ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্র-গণআন্দোলন উত্তাল রূপ ধারণ করে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়। এরশাদ সামরিক স্বৈরাচার কারফিউ জারি করে গণঅভ্যুত্থান দমন করার শেষ অপচেষ্টা চালায়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী ২৮ নভেম্বর কারফিউ ও সেনাবহিনী-বিডিআর-আর্মড পুলিশের বাঁধা ভেঙে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নগরীর রাজপথে মিছিল করে। শিক্ষার্থীদের বাধভাঙা দুঃসাহসিক মিছিলের মধ্য দিয়ে এরশাদ সামরিক স্বৈরাচারের শাসন ও নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়ে। রাজপথ ছাত্র-জনতার দখলে চলে যায়। গণঅভ্যুত্থানের মুখে পরাজয় স্বীকার করেন সামরিক শাসক এরশাদ। ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হয় এরশাদ সরকার।

১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি গণআন্দোলনের উত্তাল দিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা তৎকালীন ইপিআর বাহিনীর পশ্চিম পাকিস্তানি ক্যাপ্টেনের নির্দেশে গুলিতে নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গণআন্দোলন পরিণত হয়েছিল গণঅভ্যুত্থানে। সেই আন্দোলনের মুখে পতন হয়েছিল স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের। ঠিক তেমনই ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর ডা. মিলনের আত্মদান গণআন্দোলনকে এরশাদ সামরিক স্বৈরাচার পতনের গণঅভ্যুত্থানে পরিণত করেছিল।

ডা. মিলন স্কুল জীবন থেকেই জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগ ও সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে ছাত্র-গণআন্দোলনে যুক্ত হন। তিনি জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পেশাজীবনে প্রবেশ করার পরও জাসদের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

পেশাগত সততা, দক্ষতা, সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় ডা. মিলন ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ডা. মিলন তৎকালীন বিএমএ’র নির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদক, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ এবং ঢাকা কলেজের বায়োকেমিস্ট বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। সামরিক শাসনবিরোধী গণআন্দোলনের সমান্তরালে গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে ধারাবাহিকভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে। বরাবরের মতো এবারও আওয়ামী লীগ দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি নিয়েছে। এ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ চত্বরে ডা. শামসুল আলম খান মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচি পালন করবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘আমি মুজিব কোট খুইল্লা ওসিকে কয়েকটা কেনু দিছিলাম’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:১৫ পিএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

‘গত নির্বাচনে এই থানায় ওসি ছিল একজন খারাপ লোক, এবার যিনি আছেন তিনি নামাজি লোক, ইউএনও ভালো লোক। গত নির্বাচনে ওসি মাহবুব আমার ভোট কেটেছে। আমি মুজিব কোট খুইল্লা ওসিকে কয়েকটা কেনু দিছিলাম। এবার আর সেই সুযোগ নাই। এবার ওসি-ইউএনও ভালো লোক, প্রশাসন আমার পক্ষে। গতবার আমি অসহায় ছিলাম, এবার আমি অসহায় নই।’

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মৃধা. মু. আক্তার উজ জামান ওরফে মিলন মৃধা তাঁর একটি উঠান বৈঠকে এমন বক্তব্য দেন। ওই বক্তৃতার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আক্তার উজ জামান বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বুধবার রাতে ইউনিয়নের রাজগুরু গ্রামে উঠান বৈঠকটি হয়।

‘বাবুগঞ্জ দর্পণ’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ হওয়া ৪১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, উঠান বৈঠকে বক্তব্য দিচ্ছেন আক্তার উজ জামান। তিনি এই ইউনিয়নে গতবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বর্তমান চেয়ারম্যান সরোয়ার মাহমুদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। সরোয়ার মাহমুদ এবারও এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়েছেন।

ভিডিওতে আক্তার উজ জামানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা আতাহার আলী মৃধার ছেলেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করে বিনা টাকায় চাকরি দিয়েছি।’

ভিডিওতে আক্তার উজ জামান আরও বলেন, ‘বাবুগঞ্জের সাবেক ওসি মাহাবুব গৌরনদীর জামাই ছিল। সে গত নির্বাচনে সরোয়ার মাহমুদের (বর্তমান চেয়ারম্যান) পক্ষ নিয়ে বিভিন্ন সেন্টারে আমার ভোট কেটেছে। সেন্টারে সেন্টারে গুলি করেছে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে ওসি মাহাবুবের চেম্বারে গিয়ে তাকে চার-পাঁচটি কেনু দিছি।’

আক্তার উজ জামানের বক্তৃতাকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন মঞ্চে বসা ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আক্তার উজ জামান বলেন, ‘বক্তব্যে আমি পুলিশে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলাম, হতে পারে সেভাবে বুঝাতে পারিনি। আমি বলতে চেয়েছি, আমি ছাত্রলীগের সভাপতি থাকাবস্থায় যারা আমার কাছ থেকে প্রত্যয়ন নিয়েছে, তাদের কারোর কাছ থেকে আমি একটা টাকাও নিইনি।’

ওসিকে মারধরের বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, বক্তব্যে মানুষ অনেক কথাই বলে। বক্তব্য আর বাস্তবতা এক নয়। ভোট পাওয়ার জন্য এটুকু বলতে হয়েছে।

প্রশ্ন করা হলে আক্তার উজ জামান বলেন, ‘গত নির্বাচনের সময় ওসি মাহাবুব আমার তিনটি কেন্দ্রে গুলি করেছে। সেই তিনটি কেন্দ্রে আমি বিজয়ী হতাম। ওসি টাকা খেয়ে আমাকে হারিয়ে দিয়ে গেছে।’

আক্তার উজ জামান বলেন, ‘পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনা সত্য নয়। তবে নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব নিয়ে আমার লোকজনের সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয়েছিল।’


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভূমিকম্পে হেলে থাকা ভবন ঠেকলো পাশের ভবনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৩৬ পিএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ভূমিকম্পের পর আরও হেলে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা এলাকার একটি চারতলা ভবন। রহমান ভিলা নামের ওই ভবনটি আগেই কিছুটা হেলে ছিল। শুক্রবার সকালের ভূমিকম্পের পর সেটি আরও হেলে পাশের আরেকটি পাঁচতলা ভবনের গায়ে ঠেকেছে। তবে বিকেল নাগাদ হেলে পড়া ভবনের বিষয়ে ভবন মালিক বা সংশ্লিষ্টদের কোনো পদক্ষেপ নজরে আসেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, থানার কাপাসঘোলা এলাকায় অবস্থিত ভবনটির মালিকের নাম মো. ফরিদ উদ্দিন। আগে থেকে ভবনটি সামান্য হেলানো ছিলো। তবে শুক্রবার ভোরে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ভবনটি আরও হেলে পড়ে এবং পাশের আরেকটি ভবনের সঙ্গে ঠেকে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত হেলে পড়া ভবনটির বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি ভবন মালিক বা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে। আর এতে দুই ভবনের বাসিন্দারাই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

পাশের ভবনের বাসিন্দা এনামুল হক বলেন, দুটি ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এখনও সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ভবনের মালিক ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমার ভবন মোটামুটি শক্ত আছে। আগে থেকে একটু হেলানো ছিলো। ভূমিকম্পের পর আরেকটু হেলে পড়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ  বলেন, আমরা একটু আগে শুনেছি। কালুরঘাট ফায়ার স্টেশন থেকে একটি টিম ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। বিষয়টির খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৮ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ৪১ সেকেন্ড স্থায়ী মাঝারি মাত্রার এ ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ঢাকার আগারগাঁও ভূমিকম্প পরিমাপক কেন্দ্র থেকে ৩৪৭ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে। আর চট্টগ্রাম থেকে উৎসস্থলের দূরত্ব ছিল ১৭৪ কিলোমিটার।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন