ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

আলভিকেই কেন বেছে নিলেন ইমরান?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫:২১ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮


Thumbnail

পাকিস্তানের ১৩ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ড. আরিফুর রেহমান আলভি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ৩২০টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলুর রেহমান ও আইতজাজ আহসান পেয়েছেন যথাক্রমে ১৫৯ ও ১২০ ইলেকটোরাল ভোট।

আলভি পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রার্থী ছিলেন। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দন্ত চিকিৎসক আলভিকেই কেন বেছে নিলেন ইমরান, এমন প্রশ্ন করছেন অনেকেই।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন আরিফ আলভি। ছাত্রজীবনে তিনি লাহোরের একটি ডেন্টাল কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৬৯ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসনামলে ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন তিনি।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আলভি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের একজন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। ২০০১ সালে দলটির সহ সভাপতি হন তিনি। এরপর ২০০৬ এ পিটিআইয়ের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আলভি। ১৯৯৭ ও ২০০২ সালের সাধারণ নির্বাচনে সিন্ধুর প্রাদেশিক পরিষদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও হেরে যান তিনি। পরে ২০১৩ সালের নির্বাচনে করাচি থেকে জয় পান এই নেতা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আলভি নি:সন্দেহে একজন পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ। দলের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। একারণে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইমরান যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নিয়েছেন। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে আলভি ও পাক সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক নিয়েই আলোচনা হচ্ছে বেশি।

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের সেনা কর্মকর্তাদের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বিষয়টিই আলভিকে পাক রাষ্ট্রপ্রধান হতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।   

বাংলা ইনসাইডার/এএইচসি/জেডএ

 



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

২২ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন

প্রকাশ: ০৬:৩২ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ডেল্টার আঘাতে এমনিতেই লন্ডবন্ড সারা বিশ্ব। করোনার টিকা আবিষ্কারের পর কিছুটা স্বাভাবিক পর্যায়ে যখন বিশ্ব ঠিক তখনি ডেল্টার চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিশালী ওমিক্রন আঘাত হানতে শুরু করেছে সারা বিশ্বব্যাপী। ইতিমধ্যে করোনার এই নতুন ভ্যারিয়েন্টটি প্রায় ২২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন ধরন ছড়ানো শুরুর পর থেকে আফ্রিকার দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে বিভিন্ন দেশ।

সর্বশেষ ওমিক্রন ধরা পড়ে মধ্যপ্রাচ্যর দেশ সৌদি আরবে। বিখ্যাত মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে এ নিয়ে সারা বিশ্বে ২২ দেশে ছড়িয়ে পড়ল করোনার নতুন এই ধরন।

অন্যদিকে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ওমিক্রন ধরন প্রথম শনাক্ত হয় আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায়। এরপর আফ্রিকার আরও কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ইসরায়েল, ইতালি, জাপান, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, নাইজেরিয়া। ।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, এই রেজিমেন্টের বিস্তার ঠেকাতে কমপক্ষে ৭০টি দেশ ও অঞ্চল আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, করোনার নতুন ধরন নিয়ে উদ্বেগ থেকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) করোনার নতুন এ ধরনকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

এই ধরন প্রসঙ্গে আফ্রিকার সেন্টার ফল এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশনের পরিচালক টুলিও টি আলজেরিয়া বলেন, অস্বাভাবিকভাবে এটি রূপান্তরিত হয়েছে এবং অন্য যেকোনো ধরন থেকে এটি আলাদা। তিনি বলেন, ‘এই ধরন আমাদের হতবাক করেছে।’

টি আলজেরিয়া বলেন, সব মিলে ৫০ বারের মতো জিনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়ে নতুন ওমিক্রন ধরন রূপ পেয়েছে। আর এর স্পাইক প্রোটিনের বৈশিষ্ট্য বদলেছে ৩০ বারের বেশি।


ওমিক্রন   সৌদি আরব   ডেল্টা   ভ্রমণ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন সংক্রমণে পর্যটনখাতে দুই লাখ কোটি ডলার ক্ষতির শঙ্কা

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সারা বিশ্বে গত দুই বছরে যেকটি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মক্ষিন হয়েছিলো তার অন্যতম ছিলো পর্যটন শিল্প। এখাত সংশ্লিষ্টরা গত বছর কোটি কোটি ডলারের ক্ষতির সমক্ষিন হন। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রভাবে এখাতে আবার নতুন করে বিশাল অংকের ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। গেল বছরের মতো ২০২১ সালে এসেও অর্থনীতির পুনরুদ্ধার তো দূরের কথা আবারও পর্যটন খাতে ধস নামতে যাচ্ছে। 

দক্ষিণ আফ্রিকার এ ধরন ঠেকাতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ আবারও সীমান্তে নিষেধাজ্ঞা, লকডাউন ও বিধিনিষেধে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি লোকসানের মুখে রয়েছে পর্যটনখাতের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো।

সম্প্রতি জাতিসংঘের পর্যটনবিষয়ক সংগঠনের (ইউএনডব্লিউটিও) এক প্রতিবেদনে পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০২১ সালেও বৈশ্বিক পর্যটন খাত রাজস্ব হারাবে ২ লাখ কোটি মার্কিন ডলার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যখাতে তৈরি হওয়া সংকট সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ইতোমধ্যে ওমিক্রনের প্রভাব পড়েছে বিশ্বের তেলের বাজার ও বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও। ইউএনডব্লিউটিওর সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, বৈশ্বিক পর্যটক সংখ্যা ২০১৯ সালের চেয়ে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কমে যাবে। একই অবস্থা ছিল ২০২০ সালেও।

তবে পর্যটন খাতের ধস ঠেকাতে তিনি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ইউএনডব্লিউটিওর প্রধান জুরাব পলিলিকাশভিলি।

জুরাব পলিলিকাশভিলি বলেন, সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করা, ভ্রমণ প্রক্রিয়া সমন্বয় করা, টিকার ডিজিটাল সনদ ব্যবস্থা করা এবং এই খাতে সহায়তা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে।


পর্যটন   জাতিসংঘ   লকডাউন   অর্থনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

অস্ট্রেলিয়াকে সাবমেরিন দেয়ার চুক্তি বিপজ্জনক পদক্ষেপ: উত্তর কোরিয়া

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আমেরিকা, ব্রিটেন অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিকেএকটি বিপজ্জনক সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতারসূত্রপাত বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া।

সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ওই নিরাপত্তা চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক যুদ্ধের কারণ হতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এই বিপজ্জনক অনাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপের ফলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্য ধ্বংস করে দেবে এবং বিশ্বব্যাপী সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতার একটি বিপদজ্জনক চেইন তৈরি হবে।

গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি নিরাপত্তা প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে আমেরিকা ব্রিটেন মিলে। চুক্তি অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিচালিত কয়েকটি সাবমেরিন পাবে অস্ট্রেলিয়া। ওই চুক্তির জের ধরে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের কাছ থেকে ,০০০ কোটি ডলারের সাবমেরিন কেনার চুক্তি বাতিল করে দেয়।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর তেল আবিব

প্রকাশ: ০২:১১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থানে উঠেছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য শহরকে পেছনে ফেলে তেল আবিব সবার ওপরে উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের ইকোনোমিস্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বুধবার প্রকাশিত এক জরিপের ফলে এই তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের ওই শহরটি গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে পাঁচ ধাপ লাফিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের পণ্য এবং সেবার মূল্যমানের ভিত্তিতে ব্যয়বহুল শহরের এই তালিকা তৈরি করেছে ইআইইউ।

ডলারের বিপরীতে ইসরায়েলের মুদ্রা শেকেলের অবস্থান, তেল আবিবে পরিবহন এবং মুদি পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে শহরটি বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠেছে বলে ইআইইউ জানিয়েছে। এই তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছে প্যারিস এবং সিঙ্গাপুর।

এরপরই তৃতীয় চতুর্থ স্থানে আছে জুরিখ এবং হংকং। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ষষ্ঠ এবং সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ৭ম ব্যয়বহুল শহরের স্থানে আছে। এছাড়া শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় কোপেনহেগেন ৮ম, লস অ্যাঞ্জেলস ৯ম এবং জাপানের ওসাকা ১০ম স্থানে রয়েছে।

ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের গত বছরের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় যৌথভাবে প্রথম স্থানে ছিল প্যারিস, জুরিখ এবং হংকং।

চলতি বছর বিশ্বের ১৭৩টি শহরের গত আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এই তালিকা তৈরি করেছে ইআইইউ। এতে দেখা গেছে, ওই সময়ে বিশ্বজুড়ে জাহাজে পরিবহনকৃত পণ্য অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্থানীয় মুদ্রায় গড়ে সাড়ে শতাংশ দাম বেড়েছে পণ্যসামগ্রীর। এর ফলে গত পাঁচ বছরের মধ্যে দ্রুততম মুদ্রাস্ফীতির হারের রেকর্ড হয়েছে।

ইআইইউয়ের বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রধান উপাসনা দত্ত বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জারি হওয়া সামাজিক বিধি-নিষেধ বিশ্বজুড়ে পণ্য পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। যে কারণে পণ্য-সামগ্রীর ঘাটতি এবং মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কারাকাস, দামেস্ক, বুয়েন্স আয়ার্স এবং তেহরানে মুদ্রাস্ফীতির উচ্চ হারের রেকর্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এবারের তালিকায় ইরানের রাজধানী তেহরান গত বছরের ৭৯তম অবস্থান থেকে ২৯তম স্থানে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে তেহরানে মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্যঘাটতি চলছে বলে জানিয়েছে ইআইইউ।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এক মাসেই তাইওয়ানের আকাশে চীনের ১৫৯ যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ

প্রকাশ: ০২:০৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

গত মাসে (নভেম্বরে) চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ানে ১৫৯টি চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল লঙ্ঘন করেছে বেইজিং। নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো তাইওয়ানের আকাশে রেকর্ড সংখ্যক চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। এএফপির এক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে।

গণতান্ত্রিক এই দ্বীপ রাষ্ট্রে বেইজিং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে চীন। কিছুদিন পর পরই তাইওয়ানের আকাশে চীনের সামরিক বিমানের মহড়া করতে দেখা গেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে। গত এক বছর ধরেই তাইওয়ান বলে আসছে, চীনা যুদ্ধবিমান বার বার তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে।

চীনের এমন কর্মকাণ্ডের কারণে স্ব-শাসিত তাইওয়ান ক্রমাগত হুমকির মধ্যে বাস করছে। বলপ্রয়োগ করে এই দ্বীপরাষ্ট্রের দখল নিতে চায় বেইজিং।

২০১৬ সালে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাই ইং-ওয়েং। তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তাইওয়ানের ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে বেইজিং। তাইওয়ান চীনের অংশ নয় বলে প্রথম থেকেই জোর দাবি করে আসছেন তাই ইং।

এক বছরের বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (এডিআইজেড) চীনা যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। অথচ কয়েক বছর আগেও বেইজিংকে এতটা তৎপর দেখা যায়নি।

গত তিন মাস ধরেই তাইওয়ানের আকাশে শতাধিক যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। গত মাসে চীনের ১০০ যুদ্ধবিমান এবং নয়টি পারমাণবিক সক্ষম এইচ৬ বোমারু বিমান অনুপ্রবেশ করেছে।

গত অক্টোবরে সবচেয়ে বেশি চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে তাইওয়ানের আকাশসীমায়। সে সময় ১৯৬টি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশে অনুপ্রবেশ করেছে।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন