ইনসাইড গ্রাউন্ড

রোড টু সেমিফাইনাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:০৮ এএম, ১১ Jun, ২০১৭


Thumbnail


এ যেন ১৬ কোটি প্রাণের স্বপ্নপূরণ। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে খেলছে বাংলাদেশ। আর এই সুবাদে প্রথম কোনো আইসিসি’র টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে খেলবে টাইগাররা।

১১ বছর পর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। আর সে সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে দুর্দান্তভাবে। গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় করেছে ২০১৫ বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে। ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ `এ` রানার্সআপ হিসেবে সেমিতে উঠেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির `এ` গ্রুপের লড়াই। টানা তিন জয়ে ইংল্যান্ড পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। সেমিফাইনালে পৌঁছানো বাংলাদেশের অর্জন ৩ পয়েন্ট। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২ পয়েন্ট। আর বাংলাদেশের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া নিউজিল্যান্ডের অর্জন ১ পয়েন্ট।

শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। সে ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ। এরপর অপেক্ষা ছিল ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ফলাফলকে ঘিরে। শনিবার ইংল্যান্ড বৃষ্টি আইনে ৪০ রানে হারিয়েছে অজিদের। তাতে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আর বাংলাদেশ অর্জন করেছে শেষ চারে খেলার যোগ্যতা।

প্রথমবারের মতো আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে ওঠার সাফল্য নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পা রেখেছিল বাংলাদেশ। তবে শুরুটা খুব ভালো হয়নি টাইগারদের। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে হেরে যায় স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট জমা হয় বাংলাদেশের ঝুলিতে। টিকে থাকে সেমিতে খেলার আশা। এরপর তো কিউইদের ৫ উইকেটে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।

ইংল্যান্ড-বাংলাদেশ
আসরের প্রথম ম্যাচেই টাইগাররা মুখোমুখি হয় স্বাগতিকদের বিপক্ষে। সেটা ছিল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল টাইগারদের। তামিম-মুশফিকের জুটির ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশ ৩০৫ রান করতে সক্ষম হয়। যদিও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে খেলেছে, রান হওয়ার কথা ছিল ৩৪০ এর বেশি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে, টাইগারদের বাজে বোলিংয়ে খুব সহজেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় ইংলিশরা। বাংলাদেশ ম্যাচটা হারে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মাশরাফির কন্ঠেও শোনা যায় ব্যাটিংয়ে ২০-৩০ রানের আক্ষেপের কথা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ:
 ৫০ ওভারে ৩০৫/৬ (তামিম ১২৮, সৌম্য ২৮, ইমরুল ১৯, মুশফিক ৭৯, সাকিব ১০, সাব্বির ২৪, মাহমুদউল্লাহ ৬*, মোসাদ্দেক ২*; ওকস ০/৪, উড ০/৫৮, বল ১/৮২, স্টোকস ১/৪২, প্লানকেট ৪/৫৯, মইন ০/৪০, রুট ০/১৮)

ইংল্যান্ড: ৪৭.২ ওভারে ৩০৮/২ (রয় ১, হেলস ৯৫, রুট ১৩৩*, মর্গ্যান ৭৫*; মাশরাফি ১/৫৬, সাকিব ০/৯২, মুস্তাফিজ ০/৫১, সৌম্য ০/১৩, মোসাদ্দেক ০/৪৭, রুবেল ০/৬৪, সাব্বির ১/১৩।

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এই ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই ম্যাচেই হারলেই বিদায় নিতে হতো টুর্নামেন্ট থেকে। সেই সমীকরণ নিয়েই টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু এদিনের শুরুটা মনে হয় বাংলাদেশে নামে লেখা ছিল না। ব্যাটিং বিপর্যয়ে মাত্র ১৮২ রানে অলআউট হয়ে টিম বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে জয়ের বন্দরের দিকেই যাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ১৬ ওভার শেষে বাদ সাধে বৃষ্টি। পরিশেষে বৃষ্টির আশীর্বাদেই ম্যাচটি পরিত্যাক্ত হয়ে যায়। বাংলাদেশ নিশ্চিত হেরে যাওয়া ম্যাচ থেকে পায় ১ পয়েন্ট। আর সেই সঙ্গে সেমিতে যাওয়ার আশাও টিকে থাকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:বাংলাদেশ: ৪৪.৩ ওভারে ১৮২ (তামিম ৯৫, সৌম্য ৩, ইমরুল ৬, মুশফিক ৯, সাকিব ২৯, সাব্বির ৮, মাহমুদউল্লাহ ৮, মিরাজ ১৪, মাশরাফি ০, রুবেল ০, মুস্তাফিজ ১*; স্টার্ক ৪/২৯, হেইজেলউড ১/৪০, কামিন্স ১/২২, হেড /৩৩, হেনরিকেস ১/৩০, জ্যাম্পা ২/১৩, ম্যাক্সওয়েল ০/৯)

অস্ট্রেলিয়া: ১৬ ওভারে ৮৩/১ (ওয়ার্নার ৪০*, ফিঞ্চ ১৯, স্মিথ ২২*; মুস্তাফিজ ০/২৭, মাশরাফি ০/৩০, রুবেল ১/২১, মিরাজ ০/৪)


বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড
সেমিফাইনালে যেতে হলে এই ম্যাচটাতে জিততেই হতো বাংলাদেশকে। টসে হেরে ফ্লিন্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। বোলারদের নৈপুন্যে নিউজিল্যান্ডকে ২৬৫ রানের মধ্যে বেধে রাখতে সক্ষম হয় টাইগাররা। জবাবে ২৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারও বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৩ রানের মাঝে পরে যায় ৪ উইকেট। কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচটাকে নতুনভাবে শুরু করলেন সাকিব-মাহমুদুল্লাহ। এক রেকর্ড পার্টনারশিপে ধুকতে থাকা দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে। বাংলাদেশ ম্যাচটা জিতে নেয় ৫ উইকেটে।   

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড:
৫০ ওভারে ২৬৫/৮ (গাপটিল ৩৩, রনকি ১৬, উইলিয়ামসন ৫৭, টেইলর ৬৩, ব্রুম ৩৬, নিশাম ২৩, অ্যান্ডারসন ০, স্যান্টনার, মিলন ৭, সাউদি; মাশরাফি ০/৪৫, মুস্তাফিজ ১/৫২, তাসকিন ২/৪৩, রুবেল ১/৬০, সাকিব ০/৫২, মোসাদ্দেক ৩/১৩)

বাংলাদেশ: ৪৭.২ ওভারে ২৬৮/৫ (তামিম ০, সৌম্য ৩, সাব্বির ৮, মুশফিক ১৪, সাকিব ১১৪, মাহমুদউল্লাহ ১০২*, মোসাদ্দেক ৭*; সাউদি ৩/৪৫, বোল্ট ১/৪৮, মিলন ১/৫৮, নিশাম ০/৩০, স্যান্টনার ০/৪৭, অ্যান্ডারসন ০/১৯, উইলিয়ামসন ০/১৯)।


ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশের সেমিতে যাওয়ার কথা উঠলে, এই ম্যাচের কথা আসবেই। বাংলাদেশ তাদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছিল ঠিকই কিন্তু সেমিতে যাওয়া নিশ্চিত ছিল না। সেমিতে যাওয়ার ভাগ্য নির্ভর করছিল এই একটি ম্যাচের ওপর। ইংল্যান্ড জিতলে বা ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যাক্ত হলে বাংলাদেশই চলে যাবে সেমিফাইনালে। তবে ইংল্যান্ড হারলে অস্ট্রেলিয়া চলে যাবে সেমিতে।

ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে ইংল্যান্ড অসিদের ব্যাটিংয়ে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ভালো সূচনার পরও, ইংলিশ বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ২৭৭ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩৫ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড। কিন্তু বেন স্টোকস ও অধিনায়ক মরগ্যানের অসাধারণ এক জুটিতে ম্যাচে ফেরে ইংল্যান্ড। ইংলিশদের সংগ্রহ যখন ৪০.২ ওভারে ২৪০ রান তখন বাধা দেয় বৃষ্টি।  আর থ্রি-লায়ন্সদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫৮ বলে ৩৮ রান। পরে বৃষ্টির কারণে আর খেলা মাঠে না গড়ালে ইংল্যান্ড বৃষ্টি আইনে ৪০ রানে জয় লাভ করে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ চলে যায় চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে। বাদ পড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।

কে হতে পারে সেমির প্রতিপক্ষ?
সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কে হতে পারে, তা আজই জানা যাবে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা বা ভারতের মধ্যে কোনো এক দল হবে তা নিশ্চিত। কারণ গ্রুপ `বি`তে চারদলের পয়েন্ট সমান হলেও রান রেটে এগিয়ে প্রথম স্থানে ভারত আর দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা। আর আজ বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩.৩০ মিনিটে মুখোমুখী হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

বাংলা ইন্সাইডার/ডিআর   



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লাটভিয়াকে ২০ গোলে বিধ্বস্ত করলো ইংল্যান্ডের মেয়েরা

প্রকাশ: ০৭:০৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইউরোপ অঞ্চলের বাছাইপর্বে অনন্য রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ড নারী ফুটবল দল। লাটভিয়াকে ২০-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে তারা। এর আগে নারীদের ফুটবলে এত বড় ব্যবধানে কোন দলই কোন প্রতিযোগিতায় জিততে পারেনি।

এ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে ইংল্যান্ডের নারী ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার উপরে উঠে এসেছেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার এলেন হোয়াইট। এ রেকর্ড গড়ার পথে কেলি স্মিথকে পিছনে ফেলেছেন তিনি।

জাতীয় দলের জার্সিতে এলেন হোয়াইটের গোল সংখ্যা ৪৮। ম্যাচে তিন গোল করে কেলি স্মিথকে পিছনে ফেলেছে হোয়াইট। কালকের ম্যাচের বিরতির পরপরই তিনি হ্যাটট্রিক পূরণ করেন।

এলেন হোয়াইট ছাড়াও আরো হ্যাটট্রিক করেছেন লুরেন হেম্প, বেথ মিড ও বদলি ফুটবলার আলেসিয়া রুসে। এর মধ্যে হেম্প হ্যাটট্রিকসহ চার গোল করেছেন। স্কোরশিটে নাম লেখানো অন্য খেলোয়াড়রা হলেন এলা টুনে, জর্জিয়া স্ট্যানওয়ে, জেস কার্টার, জিল স্কট ও জর্ডান নোবস।

এর আগে ২০০৫ সালে হাঙ্গেরিকে ১৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল থ্রি লায়ন্সরা। কাল সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেল হোয়াইট বাহিনী। 

এর আগে এ বাছাইপর্বে রিগাতে স্বাগতিক লাটভিয়াকে ১০-০ গোলে পরাজিত করেছিল ইংল্যান্ড। এ নিয়ে ডি-গ্রুপে ছয় ম্যাচে ষষ্ঠ জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। এ ম্যাচগুলোতে ইংল্যান্ড ৫৩ গোল করলেও একটি গোলও হজম করেনি। বাছাইপর্বে তারা অস্ট্রিয়া ও নর্দান আয়ারল্যান্ডকে পাঁচ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

রাতে পিএসজির মাঠে মেসির ব্যালন ডি’অর প্রদর্শন

প্রকাশ: ০৫:৫১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ফরাসি ক্লাব পিএসজির প্রথম ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন লিওনেল মেসি। ব্যক্তিগত অর্জনে এটি তার সপ্তম ব্যালন ডি’অর হলেও ক্লাবের জন্য প্রথম। আর তাই ক্লাবের কাছে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই বুধবার রাতে (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) নিসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ব্যালন ডি’অরটি প্রদর্শন করবেন মেসি।  

লিগ ওয়ানে নিসের বিপক্ষে ম্যাচটির জন্য ইতোমধ্যে ২২ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পিএসজি। ইনজুরিতে পড়া নেইমার জুনিয়র নেই স্কোয়াডে। স্কোয়াডে রয়েছে সদ্য ব্যালন ডি’অরজয়ী লিওনেল মেসি। তবে  গত ম্যাচে ক্লাবটির হয়ে অভিষেক হওয়া সার্জিও রামোস নেই এই ম্যাচের স্কোয়াডে।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম রাউন্ডে রানারআপ হওয়া পিএসজি লিগে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৫ ম্যাচ খেলে ১৩টিতে জিতেছে পিএসজি। অন্যদিকে, নিস তাদের ১৫ ম্যাচের ৮ জিতেছে, ৪টিতে হেরেছে, বাকি ৩টি ম্যাচ করেছে। পয়েন্ট তালিকায় পিএসজি শীর্ষে, নিস তিনে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

জয়ের ধারা অব্যাহত বাংলাদেশের যুবাদের

প্রকাশ: ০৫:৩১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের যুবারা। ভারতের ‘এ’ দলের পর ‘বি’ দলকেও হারাল বাংলাদেশ। বুধবার (১ ডিসেম্বর) কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে ১১৩ রানের বিশাল জয় পেয়েছে রাকিবুল হাসানের দল। ১০১ রান করে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেওয়া প্রান্তিক নওরোজ নাবিল হয়েছেন ম্যাচসেরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভারতের যুব ‘এ’ দলের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান করে। জবাবে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ভারতের যুব ‘বি’ দল। ৪৫.৩ ওভারে ১৯২ রানে অলআউট তারা।

প্রান্তিকের সেরা ইনিংস ১০৮ বলে ১৪ চারে সাজানো ছিল। ওপেনার ইফতেখার হোসেন করেন ৫৭ রান। শেষ দিকে মেহরব হাসানের ৪৮ বলে ৭০ রানের সুবাদে তিনশ পেরোয় সফরকারীরা। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ২ ছয়। ভারতের পক্ষে কৌশল এস তাম্বে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারানোর ধাক্কা কাটাতে পারেনি ভারত। ৬৩ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট তারা হারায়। মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরিয়ে ভারতের ব্যাটিং ধসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আরিফুল ইসলামের। চার উইকেট নেন তিনি। তাম্বে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিড পেলো ক্যারিবিয়রা

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শ্রীলঙ্কার গালে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিড পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ২০৪ রানে অল আউট হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে সুযোগ ছিল বড় লিড নেয়ার। কিন্তু সেই সুযোগ পুরোপুরিভাবে কাজে লাগাতে পারেনি তারা। শ্রীলঙ্কার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ২৫৩ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে, ৪৯ রানের লিড নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। 

এদিকে, নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানেই করুণারত্নের উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ৯ রান। 

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ব্যাট হাতে সর্বাধিক রান করেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। ব্র্যাথওয়েটের ৭২, ব্ল্যাকউডের ৪৪ ও মায়ার্স এর অপরাজিত ৩৬  রানের উপর ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে ২৫৩ রান করে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত বাটলার

প্রকাশ: ০৪:৪৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আর কিছুদিন পরই মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী  অ্যাশেজ সিরিজ। আসন্ন অ্যাশেজে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে চান ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার। বাটলার আরও জানান, ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত তিনি। 

এ বছর ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি টেস্ট ম্যাচে খেলেননি বাটলার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ও  ওভালে ভারতের বিপক্ষে টেস্টটি খেলেননি তিনি। আইপিএলের কারনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৭২ রান করেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন বাটলার। তবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে চান তিনি।

তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে এই মুহূর্তে আমি ভয়ডরহীন থাকার এবং সুযোগটি লুফে নেওয়ার চেষ্টা করছি। জানি, নিজের  সেরার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারি তাহলে ভালো কিছু হতে পারে।’

গেল মাসে শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কোয়ারেন্টিন শেষে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের দ্বিতীয় গ্রুপের স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন বাটলার। তবে ইংল্যান্ডের প্রস্তুতি ভালো হচ্ছে না। বৃষ্টির কারনে নিজেদের মধ্যে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ২৯ ওভার খেলা হয়।

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত বাটলার। কারন প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবেন বাটলার। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার হারানোর কিছু নেই। গত বছর (মৌসুম) এখন অতীত। ভালো-খারাপ  সময় সবার ক্যারিয়ারেই থাকে। এই প্রথম আমি অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে যাচ্ছি, তাই সব রকম চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ভালো-খারাপ যাই হোক না কেন, আমি রোমাঞ্চিত।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০টি টেস্ট খেলেছেন বাটলার। সবগুলো ঘরের মাটিতে। কিন্তু পারফরমেন্স ভালো করতে পারেননি তিনি। ১৮ ইনিংসে ২০ দশমিক ৫০ গড়ে ৩৬৯ রান করেছেন বাটলার। মাত্র একটি হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন