ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:০৭ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১


Thumbnail

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করা শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন। এমনটিই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর কংগ্রেসে তালেবান প্রসঙ্গ উত্থাপন করে একথা বলেন তিনি।

আফগানিস্তান ইস্যুতে দেশটির ভূমিকা পর্যালোচনা করে তৈরি হবে ন্যাটো–বহির্ভূত (এমএনএন) মিত্র পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে বিবেচনা করে দেখবে যুক্তরাষ্ট্র। আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে সমালোচনার মুখে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে এমনটাই জানিয়েছেন ব্লিঙ্কেন।

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে উত্তপ্ত শুনানি চলাকালে এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল।

কংগ্রেসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সামনে ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘আফগানিস্তানে পাকিস্তানের একাধিক স্বার্থ রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়াশিংটনের স্বার্থের বিরোধী। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করার প্রশ্ন উঠলে ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘মার্কিন প্রশাসন শিগগিরই তেমনটা করতে চলেছে।’

কংগ্রেসম্যান জোয়াকুইন ক্যাস্ট্রো ব্লিঙ্কেনকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘তালেবানকে দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন ও গোষ্ঠীটির নেতাদের আশ্রয় দেওয়ার কারণে এখন কি যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন ও ন্যাটো-বহির্ভূত প্রধান মিত্র হিসেবে ইসলামাবাদের অবস্থানকে পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে?’

ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘আপনারা যেসব কারণ উল্লেখ করেছেন, সেগুলো বিবেচনার কথা আমরাও ভাবছি। পাকিস্তান গত বিশ বছর ধরে যে ভূমিকা পালন করেছে, আগামী দিনগুলোতে আমরা তা পুনর্মূল্যায়নের সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে আমরা পাকিস্তানকে যে ভূমিকায় দেখতে চাই, তার সবকিছু বিবেচনা করা হবে।’

পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ, মার্কিন সমর্থিত আফগান সরকারের বিরুদ্ধে তালেবানের লড়াইয়ে মদত জুগিয়েছে পাকিস্তান। একাধিকবার এই অভিযোগ উঠলেও ইসলামাবাদ অবশ্য বারবারই তা উড়িয়ে দিয়েছে। তবে তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের সূত্র অনেক গভীর বলেই দাবি কূটনীতিকদের।

 



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন সংক্রমণে পর্যটনখাতে দুই লাখ কোটি ডলার ক্ষতির শঙ্কা

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সারা বিশ্বে গত দুই বছরে যেকটি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মক্ষিন হয়েছিলো তার অন্যতম ছিলো পর্যটন শিল্প। এখাত সংশ্লিষ্টরা গত বছর কোটি কোটি ডলারের ক্ষতির সমক্ষিন হন। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রভাবে এখাতে আবার নতুন করে বিশাল অংকের ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। গেল বছরের মতো ২০২১ সালে এসেও অর্থনীতির পুনরুদ্ধার তো দূরের কথা আবারও পর্যটন খাতে ধস নামতে যাচ্ছে। 

দক্ষিণ আফ্রিকার এ ধরন ঠেকাতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ আবারও সীমান্তে নিষেধাজ্ঞা, লকডাউন ও বিধিনিষেধে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি লোকসানের মুখে রয়েছে পর্যটনখাতের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো।

সম্প্রতি জাতিসংঘের পর্যটনবিষয়ক সংগঠনের (ইউএনডব্লিউটিও) এক প্রতিবেদনে পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০২১ সালেও বৈশ্বিক পর্যটন খাত রাজস্ব হারাবে ২ লাখ কোটি মার্কিন ডলার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যখাতে তৈরি হওয়া সংকট সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ইতোমধ্যে ওমিক্রনের প্রভাব পড়েছে বিশ্বের তেলের বাজার ও বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও। ইউএনডব্লিউটিওর সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, বৈশ্বিক পর্যটক সংখ্যা ২০১৯ সালের চেয়ে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কমে যাবে। একই অবস্থা ছিল ২০২০ সালেও।

তবে পর্যটন খাতের ধস ঠেকাতে তিনি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ইউএনডব্লিউটিওর প্রধান জুরাব পলিলিকাশভিলি।

জুরাব পলিলিকাশভিলি বলেন, সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করা, ভ্রমণ প্রক্রিয়া সমন্বয় করা, টিকার ডিজিটাল সনদ ব্যবস্থা করা এবং এই খাতে সহায়তা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে।


পর্যটন   জাতিসংঘ   লকডাউন   অর্থনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

অস্ট্রেলিয়াকে সাবমেরিন দেয়ার চুক্তি বিপজ্জনক পদক্ষেপ: উত্তর কোরিয়া

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আমেরিকা, ব্রিটেন অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিকেএকটি বিপজ্জনক সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতারসূত্রপাত বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া।

সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ওই নিরাপত্তা চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক যুদ্ধের কারণ হতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এই বিপজ্জনক অনাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপের ফলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্য ধ্বংস করে দেবে এবং বিশ্বব্যাপী সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতার একটি বিপদজ্জনক চেইন তৈরি হবে।

গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি নিরাপত্তা প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে আমেরিকা ব্রিটেন মিলে। চুক্তি অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিচালিত কয়েকটি সাবমেরিন পাবে অস্ট্রেলিয়া। ওই চুক্তির জের ধরে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের কাছ থেকে ,০০০ কোটি ডলারের সাবমেরিন কেনার চুক্তি বাতিল করে দেয়।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর তেল আবিব

প্রকাশ: ০২:১১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থানে উঠেছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য শহরকে পেছনে ফেলে তেল আবিব সবার ওপরে উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের ইকোনোমিস্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বুধবার প্রকাশিত এক জরিপের ফলে এই তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের ওই শহরটি গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে পাঁচ ধাপ লাফিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের পণ্য এবং সেবার মূল্যমানের ভিত্তিতে ব্যয়বহুল শহরের এই তালিকা তৈরি করেছে ইআইইউ।

ডলারের বিপরীতে ইসরায়েলের মুদ্রা শেকেলের অবস্থান, তেল আবিবে পরিবহন এবং মুদি পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে শহরটি বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠেছে বলে ইআইইউ জানিয়েছে। এই তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছে প্যারিস এবং সিঙ্গাপুর।

এরপরই তৃতীয় চতুর্থ স্থানে আছে জুরিখ এবং হংকং। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ষষ্ঠ এবং সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ৭ম ব্যয়বহুল শহরের স্থানে আছে। এছাড়া শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় কোপেনহেগেন ৮ম, লস অ্যাঞ্জেলস ৯ম এবং জাপানের ওসাকা ১০ম স্থানে রয়েছে।

ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের গত বছরের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় যৌথভাবে প্রথম স্থানে ছিল প্যারিস, জুরিখ এবং হংকং।

চলতি বছর বিশ্বের ১৭৩টি শহরের গত আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এই তালিকা তৈরি করেছে ইআইইউ। এতে দেখা গেছে, ওই সময়ে বিশ্বজুড়ে জাহাজে পরিবহনকৃত পণ্য অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্থানীয় মুদ্রায় গড়ে সাড়ে শতাংশ দাম বেড়েছে পণ্যসামগ্রীর। এর ফলে গত পাঁচ বছরের মধ্যে দ্রুততম মুদ্রাস্ফীতির হারের রেকর্ড হয়েছে।

ইআইইউয়ের বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রধান উপাসনা দত্ত বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জারি হওয়া সামাজিক বিধি-নিষেধ বিশ্বজুড়ে পণ্য পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। যে কারণে পণ্য-সামগ্রীর ঘাটতি এবং মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কারাকাস, দামেস্ক, বুয়েন্স আয়ার্স এবং তেহরানে মুদ্রাস্ফীতির উচ্চ হারের রেকর্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এবারের তালিকায় ইরানের রাজধানী তেহরান গত বছরের ৭৯তম অবস্থান থেকে ২৯তম স্থানে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে তেহরানে মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্যঘাটতি চলছে বলে জানিয়েছে ইআইইউ।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এক মাসেই তাইওয়ানের আকাশে চীনের ১৫৯ যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ

প্রকাশ: ০২:০৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

গত মাসে (নভেম্বরে) চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ানে ১৫৯টি চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল লঙ্ঘন করেছে বেইজিং। নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো তাইওয়ানের আকাশে রেকর্ড সংখ্যক চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। এএফপির এক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে।

গণতান্ত্রিক এই দ্বীপ রাষ্ট্রে বেইজিং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে চীন। কিছুদিন পর পরই তাইওয়ানের আকাশে চীনের সামরিক বিমানের মহড়া করতে দেখা গেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে। গত এক বছর ধরেই তাইওয়ান বলে আসছে, চীনা যুদ্ধবিমান বার বার তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে।

চীনের এমন কর্মকাণ্ডের কারণে স্ব-শাসিত তাইওয়ান ক্রমাগত হুমকির মধ্যে বাস করছে। বলপ্রয়োগ করে এই দ্বীপরাষ্ট্রের দখল নিতে চায় বেইজিং।

২০১৬ সালে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাই ইং-ওয়েং। তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তাইওয়ানের ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে বেইজিং। তাইওয়ান চীনের অংশ নয় বলে প্রথম থেকেই জোর দাবি করে আসছেন তাই ইং।

এক বছরের বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (এডিআইজেড) চীনা যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। অথচ কয়েক বছর আগেও বেইজিংকে এতটা তৎপর দেখা যায়নি।

গত তিন মাস ধরেই তাইওয়ানের আকাশে শতাধিক যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। গত মাসে চীনের ১০০ যুদ্ধবিমান এবং নয়টি পারমাণবিক সক্ষম এইচ৬ বোমারু বিমান অনুপ্রবেশ করেছে।

গত অক্টোবরে সবচেয়ে বেশি চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে তাইওয়ানের আকাশসীমায়। সে সময় ১৯৬টি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশে অনুপ্রবেশ করেছে।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের ওষুধ কার্যকর: প্রধান নির্বাহী

প্রকাশ: ০২:০৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের মুখে খাওয়ার ওষুধ কার্যকর বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলবার্ট বোরলা। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এই ওষুধ যে কোনো পরিচিত মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে। এমনকি ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও এটি কার্যকর। তবে একই সঙ্গে অন্যান্য ওষুধ নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন বোরলা।

তিনি বলেন, ফাইজারের মুখে খাওয়ার ওষুধ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা সব ধরনের মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের হালকা থেকে মাঝারি লক্ষণের চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরের ১৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ওষুধ প্রশাসনের কাছে অনুমোদন চেয়েছে। ফাইজার বলছে, তাদের করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধ প্যাক্সলোভিড ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সক্ষম। ৭৭৪ জন অংশগ্রহণকারীর ওপর গবেষণা চালিয়েছে প্রতিষ্ঠাটি।

ওমিক্রন কতটা সংক্রামক বা এর তীব্রতার মাত্র কি সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষকরা প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত করেন। এরপর অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, বতসোয়ানা, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, জার্মানি, হংকং, ইসরায়েল, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স কানাডা, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়।

করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ তৈরির জন্য শুধু ফাইজারই কাজ করছে না। আরেক ফার্মাসিউটিক্যালস মার্কও যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ওষুধ প্রশাসনের কাছে করোনা প্রতিরোধী মুখে খাওয়া অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পিলও করোনা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি মৃত্যু ঝুঁকি কমায়।

ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের ওষুধ কার্যকর: প্রধান নির্বাহী

সারাবিশ্বে এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে ধরা দিয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের এই ধরনটি অন্তত ৩২টি মিউটেশন (জিনগত গঠনের পরিবর্তন) ঘটিয়েছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়েছে বি...৫২৯।

এটি অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে ছড়াতে পারে এবং মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়াতে পারে। যার ফলে এর বিরুদ্ধে টিকা কম কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই ওমিক্রন নিয়ে বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে গত ২৪ নভেম্বর প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন করোনাভাইরাস শনাক্তের খবর পৌঁছায়। এরপর নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে অনেক দেশ সীমান্ত বন্ধসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এর আগে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং কিছু অঞ্চলে এটিমারাত্মক পরিণতিডেকে আনতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন