ইনসাইড আর্টিকেল

বাংলাদেশ কি প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঠেকাতে প্রস্তুত?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:১০ এএম, ০৯ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

প্রাকৃতিক বিপর্যয় আপনার পারমিশন নিয়ে আসবে না। আপনাকে পরিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এখন সারা বিশ্বে বৈশ্বিক উষ্ণতা চরম মাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। যার ফলশ্রুতিতে পৃথিবীর কোথাও না কোথাও একের পর এক ভয়াবহ মাত্রায় ভূমিকম্প জলচ্ছাস দাবানল বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে যা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। প্রতিদিন পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চল এন্টার্কটিকা আর গ্রীনল্যান্ডের গড়ে ৯০০ টন করে বরফ গলে যাচ্ছে যেটা কেউ ঠেকাতে পারছে না। যার কারণে পৃথিবীর সব সমুদ্রের পানির উচ্চতা আর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর সমুদ্রের তাপমাত্রার অস্থিরতার কারণে প্রতিদিন পৃথিবীর কোনো না কোনো সমুদ্র সৈকতে গভীর সমুদ্রের বিশাল বিশাল সব মাছেদের মরে পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। সমুদ্রের ইকো সিস্টেম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসব পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সম্প্রতি আমরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নজিরবিহীন বন্যা পরিস্থিতি দেখছি বিশেষ করে ইউরোপের মাটিতে। যেমন ব্রিটেন জার্মানী অস্ট্রিয়া বেলজিয়াম ক্রুয়েশিয়া ইতালি লাক্সেমবার্গ নেদারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড নিউজিল্যান্ড তুরস্ক আবার এদিকে চীন ইন্ডিয়া আর মধ্য প্রাচ্য রয়েছে। ছবিতে টর্নেডোর আঘাতে তছনছ হওয়া মাসকাট আর ইউরোপের বন্যার অবস্থা দেয়া হয়েছে। একই ভাবে বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পানিরো উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু আমরা এর জন্য কতটা প্রস্তুত? আমরা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ভয়াবহ দাবানলে আমেরিকা ব্রাজিল চিলি কলম্বিয়া বুলগেরিয়া ফ্রান্স ইতালি ইজরায়েল গ্রিস তুরস্ক সহ অসংখ্য দেশ কে জ্বলে পুড়ে ছারখার হতে দেখেছি। ছবিতে তুরস্কের দাবানলের ভয়াবহতা দেখতে পারেন। একই ভাবে আমাদের চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলে খুলনার সুন্দরবন সহ সিলেটের একটা অংশে বনাঞ্চল রয়েছে। কিন্তু এমন পরিস্থিতির জন্য আমরা ঠিক কতটা প্রস্তুত? যেখানে রাজধানীর কোনো বিল্ডিং বা কারখানায় আগুন লাগলে দশ তলার সমান সামান্য ক্রেন পর্যন্ত আমাদের দেশে থাকে না। আর এমার্জেন্সি সময়ে আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার হাইড্রেন্টের না থাকার কথাটা বলে আর লজ্জা দিতে চায় না। এসবের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে উচ্চ মাত্রা সম্পন্ন সব ভূমিকম্প বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিনিয়ত আঘাত হানছে। যেমন পেরু জর্ডান লেবানন ইরান ইজরায়েল পাকিস্তান তুরস্ক মিশর তিউনেশিয়া স্পেন নেপাল সহ আরো অনেক দেশে ইতিমধ্যে বিশ্ব ভূমিকম্পের তান্ডব দেখেছে। কিন্তু এই উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প প্রতিহত করতে আমরা কতটা প্রস্তুত কেউ বলতে পারবেন? যেখানে কিছুদিন আগে সিলেট একের পর এক ভূমিকম্পের সম্মুখীন হয়েছিলো। যদি ভাবেন এমন আর হবে না তাহলে বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন আপনারা। আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে সম্প্রতি ঢাকা ভার্সিটির ভূ - তত্ত্ব বিভাগের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে বাংলাদেশে আট মাত্রার মানে অতি উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প যে কোনো সময় আঘাত হানতে প্রস্তুত আছে। কারণ ভূমিকম্পের জন্য দায়ী মাটির চৌম্বকীয় তত্ত্বের যে প্লেট রয়েছে যার সংঘর্ষে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয় সেখানে বাংলাদেশ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ একটা স্থানে অবস্থান করছ। বাংলাদেশ ইউরেশিয়া আর বার্মা প্লেটের মাঝামাঝি পর্যায়ে অবস্থান করছে। আর এই যৌথ প্লেট হাজার বছর ধরে একটা শক্তি সঞ্চয় করে রেখেছে যেটা যে কোনো সময় ধাক্কা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারে। যার ছোট ছোট কিছু পূর্বাভাস আপনারা সিলেটের ভূমিকম্পের মাধ্যমে পরিলক্ষিত করেছেন। আর আমাদের দেশে মাশাল্লাহ কয়টা বিল্ডিং ভূমিকম্প প্রতিরোধ হিসাবে গড়ে তোলা হয় দেখাতে পারবেন আপনারা? এদেশে তো অবৈধ ঘুষের টাকা দিলে বিল্ডিংএর নকশা দূরে থাক! বালু দিয়ে ভরাট করা রিস্কি জমির উপরেও আলিশান অট্টালিকা বা তাসের ঘর বানানোর পারমিশন বের করা যায় তাই না? এভাবেই দুর্নীতি নামের ক্যান্সার আমাদের সোনার দেশটাকে একদম মাটির নিচ থেকে শেষ করে দিচ্ছে। আর জাদুর শহর রাজধানী ঢাকার কথা আর কি লিখার আছে। সেখানে একটু উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প হলেই এক তৃতীয়াংশ বিল্ডিং আর স্থাপনা মাটির সাথে মিশে যাবে। কয়েক বছর আগে জাপানের একটা শহরে এমন ভূমিকম্পের আশঙ্কা দেখা দিলে জাপান সরকার গোটা শহরের সেফটির জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় মাটির নিচের ভূমিকম্প সৃষ্টি করা প্লেটের চৌম্বকীয় তত্ত্বের পরিবর্তন ঘটিয়েছিলো। আমাদেরও সময় আছে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য। দরকার শুধু সঠিক রোডম্যাপ গঠন করা আর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার। এদিকে বাংলাদেশের একাধিকবার বিষাক্ত জলবায়ুর দেশ হিসাবে স্বীকৃতি অর্জন করার রেকর্ড পর্যন্ত রয়েছে। আরব বিশ্বের সব দেশে তেল বিক্রি করে গাছ কিনে তারা মরুভূমিতে বনাঞ্চল সৃষ্টি করছে। অথচ আফসোস আমরা আমাদের দেশে গাছ কেটে কেটে দেশটাকে মরূদ্যান বানিয়ে দিচ্ছি। আর গাছ কাটার কারণে যে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটার গরম থেকে বাচার জন্য আবার গাছ কেটে ঘরে এসি লাগাচ্ছি হাস্যকর। আচ্ছা আপনাদের এই এসি কি বেচে থাকার জন্য অক্সিজেন দিতে পারবে যেটা গাছ আপনাদে দিচ্ছে? আজ দেশের শহরাঞ্চলের ঘরে ঘরে একাধিক মানুষ বিভিন্ন ধরনের শারিরীক অসুস্থতায় ভুগছে। কারণ পর্যাপ্ত গাছ থাকলে গাছ পরিবেশ থেকে বিষাক্ত সব ধরনের জীবাণু শোষণ করে নেয়। আর গাছ কেটে ফেলার কারণে এসব জীবাণু মানব দেহে প্রবেশ করে করে বিভিন্ন কঠিন রোগের সৃষ্টি করছে। আবার পুষ্টিকর খাদ্য খেয়ে যে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক রাখবেন সেটারো অপশন নাই। কারণ খাদ্যে ভেজাল যেটা আপনাকে উল্টা আরো অসুস্থ করে ফেলছে । এসব সমস্যা একদিনে সমাধান সম্ভব না। বাংলাদেশের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব বিষয় নিয়ে যথেষ্ট সচেতন আছেন। তিনি একের পর বিভিন্ন ফান্ড গঠন করে বরাদ্দ দিয়ে সবকিছু ঠিক করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু ঐ যে দুর্নীতি সব শেষ করে দিচ্ছে। বাস্তবে দিনশেষে এসব প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভিকটিম কিন্তু আমরাই হচ্ছি কোনো না কোনো ভাবেই। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে সৎ হয়ে যায় যদি এসব ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে দেশটাকে বাচাতে চাই। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের যারা প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধে কাজ করেন তারা ইচ্ছা করলে আমরা একসাথে দেশের জন্য কাজ করতে পারি। দেশের জন্য অবদান রাখতে চাই। সবাই মিলে সঠিক প্লানিংএর মাধ্যমে আমরা এসব অনিবার্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিহত করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

হৃদরোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় হাঁটা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:১৯ এএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

যে কোনো বয়সের মানুষের শরীর ঠিক রাখতে হলে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সব ব্যায়াম সব বয়সের জন্য উপযোগী নয় এবং সব ব্যায়াম করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। হাঁটা এমন একটি ব্যায়াম, যা সব বয়সের জন্য মানানসই। সহজে করা যায়। হাঁটার উপকারিতাও অনেক। এর চেয়ে সহজ ব্যায়াম আর নেই। সব বয়সের মানুষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এ ব্যায়াম কম খরচে শরীর ভালো রাখা যায়। ঘরে-বাইরে যে কোনো জায়গায় করা যায়। ব্যক্তির শারীরিক ক্ষমতা অনুযায়ী এর তীব্রতা বাড়ানো-কমানো যায়। উপযুক্ত পোশাক এবং এক জোড়া ভালো জুতা ছাড়া কোনো অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন পড়ে না।

ডায়াবেটিস রোগীর উপকার

ডায়াবেটিস রোগীর ব্যায়ামের বিকল্প নেই। সকাল-সন্ধ্যা নিয়মিত হাঁটাচলা, হাট-বাজারে কোথাও গেলে অল্প দূরত্বে রিকশা বা গাড়ি ব্যবহার না করা। অল্প কয়েক তলার জন্য লিফট ব্যবহার না করে হেঁটে ওঠা বা নামার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিন বা সপ্তাহে মোট ১৫০ মিনিট হাঁটলে এবং শরীরে ওজন সাত শতাংশ কমালে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা কমে প্রায় ৫৮ ভাগ। যদি ডায়াবেটিস হয়েই থাকে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও হাঁটা বিশেষ কার্যকর। হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে এবং রক্তের সুগার কমে, ওষুধ কম লাগে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোকের অন্যতম একটি রিস্ক ফ্যাক্টর হচ্ছে অলস জীবনযাপন করা, স্থূলতা বা অতিরিক্ত মোটা হওয়া। হাঁটাচলা বা ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মেদ কমে যায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে আসে। দৈনিক এক ঘণ্টা করে সপ্তাহে পাঁচ দিন হাঁটার মাধ্যমে স্ট্রোকের ঝুঁকি শতকরা ৫০ ভাগ কমে যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ

অনেকেই শরীরের ওজন কমাতে শুধু ডায়েটিং করেন। কিন্তু হাঁটাহাঁটি না করে বা অলস জীবনযাপন করে শুধু ডায়েট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব নয়। দীর্ঘ মেয়াদি ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মূল চাবিকাঠি স্বাস্থ্যকর সুষম খাবার এবং নিয়মিত হাঁটাচলা।

হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা

নিয়মিত হাঁটার ফলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। হৃদযন্ত্র স্বল্প চেষ্টায় শরীরে বেশি পরিমাণে রক্ত সরবরাহ করতে পারে এবং ধমনির ওপরও চাপ কম পড়ে। উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশংকা কম থাকে। হাঁটার মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত হাঁটলে শরীরে জমে থাকা মেদ কমে। রক্তে মন্দ কোলেস্টেরল বা লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন কমে যায়। এই মন্দ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ধমনির গায়ে জমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। যারা সপ্তাহে অন্তত তিন ঘণ্টা অথবা দৈনিক আধা ঘণ্টা করে হাঁটেন, তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম। হাঁটার ফলে ভালো কোলেস্টেরল বা হাই ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন বাড়ে। ফলে রক্তনালিতে ব্লক সহজেই হয় না। রক্তনালির দেয়াল শক্ত হয়ে যায় না। তাই হৃদরোগের কারণে মৃত্যু ঝুঁকি কমে প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ কমে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

হাঁটা ও কর্মক্ষমতা

হাঁটার সময় হৃৎস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি এবং রক্ত সরবরাহ বাড়ে। এগুলো বেশি কর্মক্ষম থাকে। হাঁটার ফলে পেশিতে রক্ত সরবরাহ বাড়ে ফলে পেশির শক্তি বাড়ে। শরীরের ওজন কমে। শরীর থাকে ফিট। নিজেকে বেশি শক্তিশালী মনে হয়। সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটাচলা অনেকটা উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধের মতো কাজ করে। হাঁটার ফলে উচ্চরক্তচাপ হয় না এবং আগে থেকেই উচ্চরক্তচাপ থাকলে তা কমিয়ে রাখে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে

কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি হাঁটা চলার মাধ্যমে কমানো সম্ভব বলে অনেক গবেষণায় দেখা গেছে। ব্রিটিশ জার্নাল অব ক্যান্সার স্টাডিতে প্রকাশিত আরেক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে হাঁটার ফলে খাদ্যনালির নিন্মাংশের ক্যান্সারের ঝুঁকি ২৫ শতাংশ হ্রাস পায়। দীর্ঘমেয়াদি কোষ্টকাঠিন্য দূর হয়। কোলন বা বৃহদান্ত্রের ক্যান্সারের আশংকাও কমে যায়।

হাড়ের ক্ষয়রোগ রোধে

পোস্ট মেনপোজাল (রজঃনিবৃত্তি পরবর্তী) নারী এবং বয়স্ক পুরুষদের সাধারণ রোগ হচ্ছে অষ্টিও পোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়রোগ। এ রোগে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। সামান্য আঘাত বা অল্প উচ্চতা থেকে পড়ে গিয়ে হাড় ভেঙে যেতে পারে। নিয়মিত হাঁটাচলা এ ক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, রজঃনিবৃত্তি-পরবর্তী বয়সে যেসব নারী প্রতিদিন অন্তত এক মাইল হাঁটেন, তাদের হাড়ের ঘনত্ব কম হাঁটা নারীদের তুলনায় বেশি। হাঁটার ফলে যেমন হাড় ক্ষয়ের প্রবণতা হ্রাস পায়, তেমনি আর্থ্রাইটিসসহ হাড়ের নানা রোগ হওয়ার আশংকাও কমে যায়।

মানসিক স্বাস্থ্য

হাঁটলে মস্তিষ্কে ভালো লাগার কিছু পদার্থ এনড্রফিন, ডোপামিন, সেরেটোনিন নিঃসরণ হয়। ফলে মন-মেজাজ ভালো থাকে। হাঁটার ফলে মনে ভালো লাগার অনুভূতি জাগে, মানসিক চাপ কম বোধ হয়। এনড্রফিন নামক রাসায়নিকের ক্রিয়া বেড়ে গেলে ঘুম আরামদায়ক হয়। প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ দিন হাঁটার ফলে বিষণœতার উপসর্গ ৪৭ শতাংশ হ্রাস পায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা সপ্তাহে অন্তত দেড় ঘণ্টা হাঁটেন তাদের বোধশক্তি ৪০ মিনিটের কম হাঁটা নারীদের তুলনায় বেশি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০১ এএম, ২৫ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আজ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষেরও। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পর্যন্ত পৃথিবীর দেশে দেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এ পক্ষ পালিত হবে। বাংলাদেশের নারী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়েছে।

নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে ১৯৮১ সালে লাতিন আমেরিকায় নারীদের এক সম্মেলনে ২৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালনের ঘোষণা দেয়া হয়। ১৯৯৩ সালে ভিয়েনায় বিশ্ব মানবাধিকার সম্মেলন দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয়। জাতিসংঘ দিবসটি পালনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর। বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস উদযাপন কমিটি ১৯৯৭ সাল থেকে এই দিবস ও পক্ষ পালন করছে।

বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, পরিবর্তিত হচ্ছে সমাজ কাঠামো, বিকশিত হচ্ছে সভ্যতা। পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে মানুষের জীবনযাত্রায়। কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য, বন্ধ হয়নি নারী নির্যাতন। নারী শব্দটি প্রাচীন কাল থেকে প্রতিটি দিন, প্রতিটি ক্ষণ নানাভাবে নির্যাতিত ও শোষিত হচ্ছে। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী এবং সমাজের উন্নয়নে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু তারপরও সাধারণভাবে তারা শান্তি, নিরাপত্তা ও অধিকারের দিক দিয়ে এখনো পুরুষের সমকক্ষ নয়। অথচ এই নারীর কারণেই একটি সন্তান পৃথিবীর আলো দেখতে পায়, একটি সুন্দর জীবনের শুভ সুচনা হয়।

আধুনিক কালে নারীর ক্ষমতায়ন ঘটলেও নারী নির্যাতন বন্ধ হয় নি। অথচ দেশে আইনের সঠিক ব্যবহার নেই বললেই চলে। তাই নারী নির্যাতন কমছে না। বরং বাড়ছে। তবে সবচেয়ে বিবেক অপমানিত হয় তখন যখন আমরা দেখি নারী দ্বারা নারী নির্যাতিত হচ্ছে। মানবসভ্যতা গড়ে ওঠার পেছনে নারীর অবদানকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই।   লাখ লাখ বছর আগে গুহাবাসী নারী-পুরুষ যৌথ প্রচেষ্টায় যে জীবন শুরু করেছিল, তা ক্রমেই বিকশিত হয়ে আজকের সভ্যতার সৃষ্টি। নারী-পুরুষের স্বার্থ এক ও অভিন্ন। 

তাই নারীকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে না দেখে তার সঠিক মর্যাদা তাকে দিতে হবে। সকল অভিশাপ থেকে নারীকে মুক্ত করতে হবে। নারীরা প্রতিনিয়ত কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হন। নির্যাতিত নারীদের অধিকাংশই নীরবে নির্যাতন সহ্য করেন। এই নির্যাতন নারীর অগ্রগতির পথে একটি মারাত্মক হুমকি বা বাধা। নারীর ওপর নির্যাতনের প্রভাব সমাজের সব ক্ষেত্রে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তাই নারীর প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধ করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।  একসাথে হাতে হাত রেখে সামাজিক এই দুষ্ট ক্ষতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

আজকের এই দিনে জন্ম-মৃত্যু ও ঘটনাবলী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই ভবিষ্যৎপানে এগোয় মানুষ। বলতেই হয় ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে। আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর), ০৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।

জন্ম
১৮৬০- গণিতজ্ঞ কালীপদ বসু।
১৮৬৪- উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর অঁরি দ্য ত্যুল্যুজ্-লোত্রেক।
১৯০৪- যুক্তফ্রন্ট দলীয় রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য হাতেম আলী খান। তার জন্মভূমি ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলায়। তার পিতা নায়েব আলী খান ছিলেন স্থানীয় জমিদার। হাতেম আলী খান তার সংগ্রামী জীবনে একাধিক বার কারানির্যাতন ভোগ করেছেন। কলকাতা থেকে ‘সর্বহারা’ পত্রিকা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি ‘চাষি-মজুর’, ‘দিন-মজুর’ নামে দুইটি পত্রিকা প্রকাশ করেন।
১৯৩০- বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার কেন ব্যারিংটন।
১৯৩১- বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা রবি ঘোষ। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে বাংলা চলচ্চিত্রের জগতে তিনি সবচেয়ে পরিচিত তার হাস্যরসাত্মক চরিত্র রূপায়নের জন্য। চলচ্চিত্র ছাড়াও তিনি বাংলা নাট্যমঞ্চ এবং টেলিভিশন তথা ছোট পর্দায় অভিনয় করেছেন। সত্যজিৎ রায় পরিচালিত গুপী গাইন বাঘা বাইন চলচ্চিত্রে বাঘা চরিত্রে অভিনয় করার জন্য তিনি সবচেয়ে বিখ্যাত হয়ে আছেন।

মৃত্যু
১৯৩৪- ভারতের বাঙালি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা বীরেন্দ্রনাথ শাসমল।
১৯৬৩- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি’র আততায়ী লি হার্ভে অসওয়াল্ড।
১৯৮২- কেনিয়ার অর্থনীতিবিদ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বাবা।
২০১৭- সাধক সংগীত শিল্পী ও নন্দিত বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী।

ঘটনা
১৬৩৯- ডেরিনিয়ার হরফ প্রথমবারের মত শুক্রগ্রহের গতিবিধি লক্ষ্য করেন।
১৬৪২- আবেল তাসম্যান তাসমানিয়া আবিষ্কার করেন।
১৭১৫- টেমস নদীর পানি জমে বরফ হয়ে গিয়েছিল।
১৭৫৯- বিসুভিয়াসে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়।
২০১২- বাংলাদেশের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের নিশ্চিন্তপুর এলাকার তাজরীন পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১২ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আহত হন আরও তিন শতাধিক শ্রমিক।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

অ্যাসিডিটির সমস্যা দূরে রাখতে করণীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৪২ এএম, ১৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

হজম প্রক্রিয়াতে ভূমিকা থাকলেও অ্যাসিডের ভারসাম্যহীনতা থেকে শরীর খারাপ করতেই পারে। আর অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেননি এরকম মানুষ হয়ত খুঁজেও পাওয়া যাবে না।

চিকিৎসা-বিজ্ঞানের ভাষায়, ‘হাইপারঅ্যাসিডিটি’ সারা পৃথিবীতে হওয়া সবচেয়ে সাধারণ রোগগুলোর মধ্যে একটি। এতে অতিরিক্ত পিত্তরস বা অ্যাসিড দেহে উৎপন্ন হয়ে আবার খাদ্যনালীতেই ফিরে আসে।

এই সমস্যা এড়াতে কী খাওয়া হচ্ছে, কতটা খাওয়া হচ্ছে এবং কতবার খাওয়া হচ্ছে সেদিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি বলে মনে করেন ভারতের ‘ভারতের ফুড বাই আনাহাতা’র প্রতিষ্ঠাতা রাধিকা আইয়ার তালাতি।

তার পরামর্শ অনুসারে ‘ফেমিনা ডট ইন’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে অ্যাসিডিটি কমানোর উপায় সম্পর্কে জানানো হল। 

অতিরিক্ত মসলা এড়িয়ে চলা: অতিরিক্ত মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, সরিষা বা অন্য যে কোনো গরম মসলার গুঁড়ার তৈরি খাবার হজম করা কঠিন এবং তা অ্যাসিডিটি বাড়ায়।

জিরা বা মৌরি পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে চমৎকার কাজ করে। এক টেবিল-চামচ মৌরি বা জিরা এক জগ পানিতে ভিজিয়ে রেখে প্রতিবার খাওয়ার পরে পান করা অথবা চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে, এতে অ্যাসিড হ্রাস পাবে।

নোনতা ও টক-জাতীয় খাবার এড়ানো: মসলাদার ভাজা পোড়া বা চটকদার স্বাদের খাবারে বাড়তি লবণ ও টক যোগ করা থাকে। যা খেলে পাকস্থলিতে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়।

পর্যাপ্ত পানি পান: প্রচুর পানি, আঁশ-জাতীয় ফল, মৌসুমি সবজি প্রতিদিনকার খাবার তালিকায় যোগ করা উপকারী। এসবের পাশাপাশি ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর।

বেখাপ্পা খাবার সম্পর্কে জানা: ভুল খাবারের সংমিশ্রণ হজমের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। যে কারণে অ্যাসিড বাড়ে ও বদহজম হতে পারে।

খাবারের ভুল সংমিশ্রণ যেমন- দুধের সঙ্গে ফল, দই-দুধের মিশ্রণ বা পেঁয়াজ ও দই পরপর খাওয়া এরকম বিসদৃশ খাবার সমস্যা বাড়াতে পারে।

ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমানো: খাবার তালিকা থেকে চা ও কফি পরিমাণ কমাতে হবে। অতিরিক্ত চা বা কফি পান বুক জ্বালা-পোড়া করা ও অ্যাসিডির মাত্রা বাড়ায়।

খাবারের সময় নির্দিষ্ট করা: দিনে কমপক্ষে তিন বার খাওয়ার চেষ্টা করা এবং সন্ধ্যার পরে খাবার কম খাওয়া উপকারী। এতে হজম ক্রিয়া উন্নত হয় এবং অ্যাসিড হ্রাস পায়।

মন খারাপ বা মানসিক চাপে খাওয়া ঠিক না: মানসিক অবস্থার কারণে অনেক সময় বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। আর এই সময় পাকস্থলীর খাবার হজম করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

একটু সময় নিয়ে এবং চিবিয়ে খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। দাঁড়িয়ে খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই বসে, শান্ত মনে ও ধীরে খাবার খাওয়া উচিত।

খাওয়ার পরে হাঁটা: প্রতিবার খাওয়ার পরে অন্তত দশ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা উপকারী। এটা খাবারকে পাকস্থলীতে পৌঁছাতে ও দ্রুত হজমে সহায়তা করে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড আর্টিকেল

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০১ এএম, ১৬ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আজ আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস। ইউনেস্কো ঘোষিত এই দিবস পালনের লক্ষ্য হচ্ছে, বহুমুখী সমাজে সহনশীলতা শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর সব মানুষের সুষম ও শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন নিশ্চিত করা।

ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয়, ১৯৯৫ সাল থেকে ‘আন্তর্জাতিক সহনশীলতা বর্ষ’ উদযাপন করা হবে। ১৯৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর ২৮তম অধিবেশনে ‘সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণা’ গৃহীত এবং প্রতিবছরের ১৬ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ইউনেস্কো মনে করে, মানব সমাজ স্বাভাবিকভাবেই বৈচিত্র্যময় এবং এ বৈচিত্র্যময় পৃথিবীতে ভিন্ন মত ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে মানুষের মধ্যে সহনশীল মনোভাব প্রয়োজন। সমাজে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার উপস্থিতি সংঘাতের পথকে প্রশস্ত করে না। বরং সহনশীল পরিবেশ এ সামাজিক বাস্তবতাকে সঠিক পথে পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের অন্তর্নিহিত সক্ষমতা বাড়ায়।

সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহনশীলতাকে বাস্তবায়ন করা। সহনশীলতা হচ্ছে সবার অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদাকে উন্নত করার অপরিহার্য নীতি।’

প্রসঙ্গত, করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালন উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো নানা কর্মসূচি নিয়েছে।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন