ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মমতার উত্থানে কার লাভ, কার ক্ষতি?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১১:০৬ এএম, ১৩ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার উপনির্বাচনে জয় পেয়ে বেশ কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার আবারও পাকাপোক্ত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার ভাগীদার হতে বিজেপি থেকে অনেক নেতাই যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে, এমনকি  যারা বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির ডেরায় ভিড়েছিল তারাও ফিরছেন প্রাক্তন টিএমসি শিবিরে। এক সময় মমতার পর তৃণমূলের সব চেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। পরে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে, কিছুদিন আগে তিনিও পুত্রসহ আবার তৃণমূলে ফিরেছেন। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া সব্যসাচী দত্তর আবারও তৃণমূলে ফেরার আভাসও পাওয়া যাচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে মনে হতেই পারে, মমতা বুঝি ভাঙছেন বিজেপির ঘর। তবে একটু গভীরভাবে লক্ষ্য কেরলে দেখা যাবে এ দৃশ্য কেবল পশ্চিমবঙ্গের জন্যই প্রযোজ্য। অন্য রাজ্যগুলোতে বিজেপি নয়, মূলত কংগ্রেসকে ভাঙছে তৃণমূল। আসামের বাঙালি–অধ্যুষিত তিন জেলায় কংগ্রেসের প্রধান মুখ সুস্মিতা দেব ছিলেন জাতীয় স্তরে কংগ্রেসের মহিলা সংগঠনের প্রধান। তাঁকে তৃণমূল শুধু নিয়েই আসেনি, রাজ্যসভাতেও পাঠিয়েছে। সুস্মিতার সঙ্গে বেশ কিছু সংগঠকও কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। ত্রিপুরায় তৃণমূলের প্রায় পুরো নেতৃত্বটাই কংগ্রেস থেকে এসেছে।

পশ্চিম ভারতের গোয়ায় কংগ্রেসের দুবারের মুখ্যমন্ত্রী (মেয়াদ পূর্ণ করেননি) লুইজিনহো ফেলেইরো ও তাঁর সঙ্গী–সাথিদের দলে নিয়েছে তৃণমূল। আগামী নির্বাচনে গোয়ায় কংগ্রেসের জেতার সম্ভাবনাও আছে। সেখানে কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার অর্থ বিজেপিবিরোধী ভোট ভাগ করে দেওয়া। এতে লাভ বিজেপিরই।

তবে কংগ্রেস ভাঙার দায় যে কেবল মমতার একার তা কিন্তু নয়, বরং কংগ্রেস ভাঙার জন্য কংগ্রেসের নেতারা প্রধান ভূমিকা পালন করছে। অনেক রাজ্যেই কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের মধ্যে অভ্যন্তরীন কোন্দল চরমে। রাজস্থান কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোটের সঙ্গে রাজ্যটির আরেক নেতা শচীন পাইলটের প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব চলছে। পাঞ্জাবে দল ছেড়ে দিয়েছেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং।

কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। উত্তর প্রদেশে কৃষক হত্যার পর তৃণমূলসহ অন্যান্য দলকে বিজেপি সরকার কৃষকদের সঙ্গে দেখা করতে দিলেও কংগ্রেসকে বাধা দিয়েছে। এমনকি কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে গ্রেফতারের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

তবে কংগ্রেস-তৃণমূল রেষারেষিতে আখেরে লাভ যে বিজেপির হচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে ভারতের রাজনীতির মাঠে। কংগ্রেস এখনো ভারতে ২৮টির মধ্যে অন্তত অর্ধেক রাজ্যে ক্ষমতাসীন বা প্রধান বিরোধী দল। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসকে ভেঙে বিজেপির আবারও ক্ষমতায় যাবার রাস্তা পাকাপোক্ত করছেন এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে রাহুল গান্ধীর এখনো কোনো বড় রাজনৈতিক সাফল্য নেই। অথচ মমতা ৩৪ বছরের কমিউনিস্ট সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। দুবার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়েছেন। তাই সবার কাছেই দিনকে দিন মমতার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। স্থানীয় রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে ধীরে ধীরে মমতা প্রবেশ করছেন জাতীয় রাজনীতিতে। মমতার এবারের নির্বাচনের স্লোগান ‘খেলা হবে” জাতীয় রাজনীতিতে খেলতে নামছেন দিদি, এমনটাই ধারনা সবার।

ভারতীয় রাজনীতিতে বিজেপি ও কংগ্রেসের পরে তৃতীয় স্থানে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই মমতাকে ভারতের মসনদে বসতে হলে আগে কংগ্রেনসকে সরাতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মতো জাতীয় পর্যায়ে তাই মমতার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নয়, কংগ্রেস। তাই কংগ্রেসকে সরাতে মমতার বিজেপির সাথে হাত মেলানো তার রাজনৈতিক কৌশলে হিসেবেই দেখছেন সবাই। আর তা সত্যি হলে, মমতার এই উত্থানে আপাতত যে বিজেপিই লাভবান হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রন সংক্রমণে পর্যটনখাতে দুই লাখ কোটি ডলার ক্ষতির শঙ্কা

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সারা বিশ্বে গত দুই বছরে যেকটি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মক্ষিন হয়েছিলো তার অন্যতম ছিলো পর্যটন শিল্প। এখাত সংশ্লিষ্টরা গত বছর কোটি কোটি ডলারের ক্ষতির সমক্ষিন হন। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রভাবে এখাতে আবার নতুন করে বিশাল অংকের ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। গেল বছরের মতো ২০২১ সালে এসেও অর্থনীতির পুনরুদ্ধার তো দূরের কথা আবারও পর্যটন খাতে ধস নামতে যাচ্ছে। 

দক্ষিণ আফ্রিকার এ ধরন ঠেকাতে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ আবারও সীমান্তে নিষেধাজ্ঞা, লকডাউন ও বিধিনিষেধে ফিরতে শুরু করেছে। ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি লোকসানের মুখে রয়েছে পর্যটনখাতের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো।

সম্প্রতি জাতিসংঘের পর্যটনবিষয়ক সংগঠনের (ইউএনডব্লিউটিও) এক প্রতিবেদনে পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০২১ সালেও বৈশ্বিক পর্যটন খাত রাজস্ব হারাবে ২ লাখ কোটি মার্কিন ডলার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যখাতে তৈরি হওয়া সংকট সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ইতোমধ্যে ওমিক্রনের প্রভাব পড়েছে বিশ্বের তেলের বাজার ও বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও। ইউএনডব্লিউটিওর সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, বৈশ্বিক পর্যটক সংখ্যা ২০১৯ সালের চেয়ে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কমে যাবে। একই অবস্থা ছিল ২০২০ সালেও।

তবে পর্যটন খাতের ধস ঠেকাতে তিনি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ইউএনডব্লিউটিওর প্রধান জুরাব পলিলিকাশভিলি।

জুরাব পলিলিকাশভিলি বলেন, সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করা, ভ্রমণ প্রক্রিয়া সমন্বয় করা, টিকার ডিজিটাল সনদ ব্যবস্থা করা এবং এই খাতে সহায়তা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে।


পর্যটন   জাতিসংঘ   লকডাউন   অর্থনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

অস্ট্রেলিয়াকে সাবমেরিন দেয়ার চুক্তি বিপজ্জনক পদক্ষেপ: উত্তর কোরিয়া

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আমেরিকা, ব্রিটেন অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিকেএকটি বিপজ্জনক সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতারসূত্রপাত বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া।

সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ওই নিরাপত্তা চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক যুদ্ধের কারণ হতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এই বিপজ্জনক অনাকাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপের ফলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্য ধ্বংস করে দেবে এবং বিশ্বব্যাপী সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতার একটি বিপদজ্জনক চেইন তৈরি হবে।

গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি নিরাপত্তা প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে আমেরিকা ব্রিটেন মিলে। চুক্তি অনুযায়ী পারমাণবিক শক্তিচালিত কয়েকটি সাবমেরিন পাবে অস্ট্রেলিয়া। ওই চুক্তির জের ধরে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের কাছ থেকে ,০০০ কোটি ডলারের সাবমেরিন কেনার চুক্তি বাতিল করে দেয়।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর তেল আবিব

প্রকাশ: ০২:১১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষ স্থানে উঠেছে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য শহরকে পেছনে ফেলে তেল আবিব সবার ওপরে উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যের ইকোনোমিস্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বুধবার প্রকাশিত এক জরিপের ফলে এই তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের ওই শহরটি গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে পাঁচ ধাপ লাফিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের পণ্য এবং সেবার মূল্যমানের ভিত্তিতে ব্যয়বহুল শহরের এই তালিকা তৈরি করেছে ইআইইউ।

ডলারের বিপরীতে ইসরায়েলের মুদ্রা শেকেলের অবস্থান, তেল আবিবে পরিবহন এবং মুদি পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে শহরটি বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠেছে বলে ইআইইউ জানিয়েছে। এই তালিকায় যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছে প্যারিস এবং সিঙ্গাপুর।

এরপরই তৃতীয় চতুর্থ স্থানে আছে জুরিখ এবং হংকং। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ষষ্ঠ এবং সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ৭ম ব্যয়বহুল শহরের স্থানে আছে। এছাড়া শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় কোপেনহেগেন ৮ম, লস অ্যাঞ্জেলস ৯ম এবং জাপানের ওসাকা ১০ম স্থানে রয়েছে।

ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের গত বছরের জরিপে বিশ্বের শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় যৌথভাবে প্রথম স্থানে ছিল প্যারিস, জুরিখ এবং হংকং।

চলতি বছর বিশ্বের ১৭৩টি শহরের গত আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে এই তালিকা তৈরি করেছে ইআইইউ। এতে দেখা গেছে, ওই সময়ে বিশ্বজুড়ে জাহাজে পরিবহনকৃত পণ্য অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্থানীয় মুদ্রায় গড়ে সাড়ে শতাংশ দাম বেড়েছে পণ্যসামগ্রীর। এর ফলে গত পাঁচ বছরের মধ্যে দ্রুততম মুদ্রাস্ফীতির হারের রেকর্ড হয়েছে।

ইআইইউয়ের বিশ্বব্যাপী জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রধান উপাসনা দত্ত বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে জারি হওয়া সামাজিক বিধি-নিষেধ বিশ্বজুড়ে পণ্য পরিবহনে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। যে কারণে পণ্য-সামগ্রীর ঘাটতি এবং মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কারাকাস, দামেস্ক, বুয়েন্স আয়ার্স এবং তেহরানে মুদ্রাস্ফীতির উচ্চ হারের রেকর্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এবারের তালিকায় ইরানের রাজধানী তেহরান গত বছরের ৭৯তম অবস্থান থেকে ২৯তম স্থানে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে তেহরানে মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্যঘাটতি চলছে বলে জানিয়েছে ইআইইউ।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

এক মাসেই তাইওয়ানের আকাশে চীনের ১৫৯ যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ

প্রকাশ: ০২:০৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

গত মাসে (নভেম্বরে) চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ানে ১৫৯টি চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল লঙ্ঘন করেছে বেইজিং। নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো তাইওয়ানের আকাশে রেকর্ড সংখ্যক চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। এএফপির এক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে।

গণতান্ত্রিক এই দ্বীপ রাষ্ট্রে বেইজিং সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে চীন। কিছুদিন পর পরই তাইওয়ানের আকাশে চীনের সামরিক বিমানের মহড়া করতে দেখা গেছে। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে। অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে। গত এক বছর ধরেই তাইওয়ান বলে আসছে, চীনা যুদ্ধবিমান বার বার তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে।

চীনের এমন কর্মকাণ্ডের কারণে স্ব-শাসিত তাইওয়ান ক্রমাগত হুমকির মধ্যে বাস করছে। বলপ্রয়োগ করে এই দ্বীপরাষ্ট্রের দখল নিতে চায় বেইজিং।

২০১৬ সালে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাই ইং-ওয়েং। তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই তাইওয়ানের ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে বেইজিং। তাইওয়ান চীনের অংশ নয় বলে প্রথম থেকেই জোর দাবি করে আসছেন তাই ইং।

এক বছরের বেশি সময় ধরে তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (এডিআইজেড) চীনা যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। অথচ কয়েক বছর আগেও বেইজিংকে এতটা তৎপর দেখা যায়নি।

গত তিন মাস ধরেই তাইওয়ানের আকাশে শতাধিক যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। গত মাসে চীনের ১০০ যুদ্ধবিমান এবং নয়টি পারমাণবিক সক্ষম এইচ৬ বোমারু বিমান অনুপ্রবেশ করেছে।

গত অক্টোবরে সবচেয়ে বেশি চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে তাইওয়ানের আকাশসীমায়। সে সময় ১৯৬টি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশে অনুপ্রবেশ করেছে।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের ওষুধ কার্যকর: প্রধান নির্বাহী

প্রকাশ: ০২:০৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের মুখে খাওয়ার ওষুধ কার্যকর বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলবার্ট বোরলা। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এই ওষুধ যে কোনো পরিচিত মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে। এমনকি ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও এটি কার্যকর। তবে একই সঙ্গে অন্যান্য ওষুধ নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন বোরলা।

তিনি বলেন, ফাইজারের মুখে খাওয়ার ওষুধ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা সব ধরনের মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের হালকা থেকে মাঝারি লক্ষণের চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠানটি চলতি বছরের ১৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ওষুধ প্রশাসনের কাছে অনুমোদন চেয়েছে। ফাইজার বলছে, তাদের করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধ প্যাক্সলোভিড ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সক্ষম। ৭৭৪ জন অংশগ্রহণকারীর ওপর গবেষণা চালিয়েছে প্রতিষ্ঠাটি।

ওমিক্রন কতটা সংক্রামক বা এর তীব্রতার মাত্র কি সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি বিজ্ঞানীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষকরা প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত করেন। এরপর অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, বতসোয়ানা, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, জার্মানি, হংকং, ইসরায়েল, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স কানাডা, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে ওমিক্রন শনাক্ত হয়।

করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ তৈরির জন্য শুধু ফাইজারই কাজ করছে না। আরেক ফার্মাসিউটিক্যালস মার্কও যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ওষুধ প্রশাসনের কাছে করোনা প্রতিরোধী মুখে খাওয়া অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পিলও করোনা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি মৃত্যু ঝুঁকি কমায়।

ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের ওষুধ কার্যকর: প্রধান নির্বাহী

সারাবিশ্বে এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে ধরা দিয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের এই ধরনটি অন্তত ৩২টি মিউটেশন (জিনগত গঠনের পরিবর্তন) ঘটিয়েছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া হয়েছে বি...৫২৯।

এটি অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে ছড়াতে পারে এবং মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়াতে পারে। যার ফলে এর বিরুদ্ধে টিকা কম কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই ওমিক্রন নিয়ে বিজ্ঞানীরা সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে গত ২৪ নভেম্বর প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন করোনাভাইরাস শনাক্তের খবর পৌঁছায়। এরপর নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে অনেক দেশ সীমান্ত বন্ধসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এর আগে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং কিছু অঞ্চলে এটিমারাত্মক পরিণতিডেকে আনতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন