ইনসাইড গ্রাউন্ড

ফাইনালে যেতে কলকাতার দরকার ১৩৬ রান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ১৩ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

শেষ ওভারে শিবম মাভি ১৫ রান দেওয়াতে দিল্লির স্কোর এক লাফে ১২০ থেকে ১৩৫ রানে পৌঁছে যায়। ২৭ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকলেন শ্রেয়াস আইয়ার। শিখরের ৩৬ আর আইয়ারের ৩০ বাদ দিলে টিমের বাকিরা কেউ ২০-র গণ্ডিই টপকাতে পারেননি। ২ উইকেট নিয়েছেন বরুণ এবং ১টি করে উইকেট নিয়েছেন লকি ফার্গুসন এবং শিবম মাভি। ফাইনালে যেতে হলে কলকাতাকে ১৩৬ রান করতে হবে। লক্ষ্যটা খুব কঠিন, এমনটা নয়। 

এর আগে টসে জিতে ফিল্ডিং-নিইয়েছেন নাইট অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। পন্তও টসে জিতলে বোলিং নিতেন বলেই জানিয়েছিলেন। কারণ, রান তাড়া করে নাইট রাইডার্স জয় পাচ্ছে। শারজাতেও রান তাড়া করেই তারা জয় পেয়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

জয়ের ধারা অব্যাহত বাংলাদেশের যুবাদের

প্রকাশ: ০৫:৩১ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশের যুবারা। ভারতের ‘এ’ দলের পর ‘বি’ দলকেও হারাল বাংলাদেশ। বুধবার (১ ডিসেম্বর) কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে ১১৩ রানের বিশাল জয় পেয়েছে রাকিবুল হাসানের দল। ১০১ রান করে বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেওয়া প্রান্তিক নওরোজ নাবিল হয়েছেন ম্যাচসেরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ভারতের যুব ‘এ’ দলের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০৫ রান করে। জবাবে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ভারতের যুব ‘বি’ দল। ৪৫.৩ ওভারে ১৯২ রানে অলআউট তারা।

প্রান্তিকের সেরা ইনিংস ১০৮ বলে ১৪ চারে সাজানো ছিল। ওপেনার ইফতেখার হোসেন করেন ৫৭ রান। শেষ দিকে মেহরব হাসানের ৪৮ বলে ৭০ রানের সুবাদে তিনশ পেরোয় সফরকারীরা। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ২ ছয়। ভারতের পক্ষে কৌশল এস তাম্বে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারানোর ধাক্কা কাটাতে পারেনি ভারত। ৬৩ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট তারা হারায়। মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরিয়ে ভারতের ব্যাটিং ধসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আরিফুল ইসলামের। চার উইকেট নেন তিনি। তাম্বে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিড পেলো ক্যারিবিয়রা

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শ্রীলঙ্কার গালে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিড পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে ২০৪ রানে অল আউট হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে সুযোগ ছিল বড় লিড নেয়ার। কিন্তু সেই সুযোগ পুরোপুরিভাবে কাজে লাগাতে পারেনি তারা। শ্রীলঙ্কার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ২৫৩ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে, ৪৯ রানের লিড নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। 

এদিকে, নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৭ রানেই করুণারত্নের উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ১ উইকেট হারিয়ে ৯ রান। 

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ব্যাট হাতে সর্বাধিক রান করেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট। ব্র্যাথওয়েটের ৭২, ব্ল্যাকউডের ৪৪ ও মায়ার্স এর অপরাজিত ৩৬  রানের উপর ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে ২৫৩ রান করে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত বাটলার

প্রকাশ: ০৪:৪৭ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আর কিছুদিন পরই মাঠে গড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী  অ্যাশেজ সিরিজ। আসন্ন অ্যাশেজে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে চান ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার। বাটলার আরও জানান, ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত তিনি। 

এ বছর ইংল্যান্ডের বেশ কয়েকটি টেস্ট ম্যাচে খেলেননি বাটলার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ও  ওভালে ভারতের বিপক্ষে টেস্টটি খেলেননি তিনি। আইপিএলের কারনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৭২ রান করেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করেন বাটলার। তবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে চান তিনি।

তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে এই মুহূর্তে আমি ভয়ডরহীন থাকার এবং সুযোগটি লুফে নেওয়ার চেষ্টা করছি। জানি, নিজের  সেরার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারি তাহলে ভালো কিছু হতে পারে।’

গেল মাসে শেষ হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কোয়ারেন্টিন শেষে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের দ্বিতীয় গ্রুপের স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন বাটলার। তবে ইংল্যান্ডের প্রস্তুতি ভালো হচ্ছে না। বৃষ্টির কারনে নিজেদের মধ্যে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ২৯ ওভার খেলা হয়।

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ নিয়ে রোমাঞ্চিত বাটলার। কারন প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলবেন বাটলার। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার হারানোর কিছু নেই। গত বছর (মৌসুম) এখন অতীত। ভালো-খারাপ  সময় সবার ক্যারিয়ারেই থাকে। এই প্রথম আমি অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে যাচ্ছি, তাই সব রকম চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ভালো-খারাপ যাই হোক না কেন, আমি রোমাঞ্চিত।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০টি টেস্ট খেলেছেন বাটলার। সবগুলো ঘরের মাটিতে। কিন্তু পারফরমেন্স ভালো করতে পারেননি তিনি। ১৮ ইনিংসে ২০ দশমিক ৫০ গড়ে ৩৬৯ রান করেছেন বাটলার। মাত্র একটি হাফ-সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ক্যারিয়ার সেরা র‍্যাংকিংয়ে লিটন দাস

প্রকাশ: ০৩:৫৬ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

চট্টগ্রামে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছিলেন লিটন দাস। শুধু পাকিস্তানের বিপক্ষেই নয়, টেস্টেই সময়টা ভালো যাচ্ছে লিটনের। চট্টগ্রাম টেস্টে ভালো করার ফল পেতে দেরি হয়নি লিটনের। আইসিসির নতুন টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় ২৬ ধাপ এগিয়েছেন তিনি। 

বুধবার (১ ডিসেম্বর) আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিং হালনাগাদ করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। হালনাগাদকৃত ব্যাটারদের র‍্যাংকিংয়ে ২৬ ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৩১তম স্থানে উঠে এসেছেন লিটন।

লিটন ছাড়াও উন্নতি হয়েছে মুশফিকুর রহিমের। চার ধাপ এগিয়ে তার অবস্থান এখন ১৯তম। এছাড়া বল হাতে দ্যুতি ছড়ানো তাইজুল ইসলামের উন্নতি হয়েছে বোলারদের ক্যাটাগরিতে। দুই ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে উঠে এসেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইএসপিএনের সেরা ফরোয়ার্ড মেসি, পাঁচে নেইমার

প্রকাশ: ০৩:০০ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড সপ্তম বারের মতো ব্যালন ডি'অর জেতার একদিন পরই আরও একটি সু-সংবাদ পেলেন লিওনেল মেসি। ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন এফসি বর্ষসেরা ফুটবলারদের তালিকা প্রকাশ করেছে যেখানে সেরা ফরোয়ার্ড নির্বাচিত হয়েছেন মেসি। এবং সেরা স্ট্রাইকার নির্বাচিত হয়েছেন রবার্ট লেভানদোভস্কি।  

ফরোয়ার্ডদের তালিকায় মেসির পরেই আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মোহামেদ সালাহ এবং পাঁচে নেইমার জুনিয়র। স্ট্রাইকারদের তালিকায় লেভানদোভস্কির পর দুইয়ে আছেন আরলিং হারলান্ড এবং তিনে করিম বেনজেমা। চারে রুমেলু লুকাকু আর পাঁচে হ্যারি কেইন। ছয়ে জায়গা পেয়েছেন লুইস সুয়ারেস।

এদিকে উইঙ্গারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন লিভারপুলের সেনেগালিজ ফুটবলার সাদিও মানে। দুইয়ে চেলসির ইতালিয়ান উইঙ্গার ফেদেরিকো চিয়েসা এবং তিনে ম্যানচেস্টার সিটির ইংলিশ ফুটবলার রহিম স্টার্লিং। তালিকার পাঁচে জায়গা পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং দশে পিএসজির আর্জেন্টাইন ফুটবলার আনহেল দি মারিয়া।

অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারদের তালিকায় শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটির বেলজিয়তান তারকা কেভিন ডি ব্রুইনা, দুইয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর্তুগিজ ফুটবলার ব্রুনো ফার্নান্দেস এবং তিনে বায়ার্ন মিউনিখের জার্মান তারকা টমাস মুলার। সেন্টার মিডফিল্ডারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন চেলসির ফরাসি তারকা এনগোলো কঁতে, দুইয়ে বায়ার্নের জশুয়া কিমিচ এবং তিনে চেলসির জর্জিনহো। তালিকার ছয়ে জায়গা পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কাসেমিরো। সাতে বার্সেলোনার পেদ্রি এবং আটে রিয়ালের লুকা মদ্রিচ।

লেফট-ব্যাকে শীর্ষে আছেন লিভারপুলের স্কটিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি রবার্টসন, দুইয়ে বায়ার্নের আলফোনসো ড্যাভিস এবং তিনে এসি মিলানের ফরাসি ডিফেন্ডার থিয়ো হার্নান্দেস। সেন্টার-ব্যাক পজিশনে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির পর্তুগিজ তারকা রুবেন দিয়াস, দুইয়ে পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কুইনহোস এবং তিনে জুভেন্টাসের জর্জিও চিয়েল্লিনি।  

রাইট-ব্যাক পজিশনে শীর্ষে স্থান পেয়েছেন পিএসজির মরক্কান ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি। দুইয়ে আছেন লিভারপুলের ইংলিশ তারকা ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আরনল্ড এবং তিনে ম্যানচেস্টার সিটির পর্তুগিজ তারকা হুয়াও কানসেলো।  

গোলরক্ষকদের তালিকায় শীর্ষে আছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের স্লোভেনিয়ান তারকা ইয়ান অবলাক। তালিকার দুইয়ে পিএসজির ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডুনারুম্মা এবং তিনে বায়ার্নের জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। চারে জায়গা পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের থিবাউ কুর্তোয়া।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন