ইনসাইড ট্রেড

বিএনপির পেছনে সুশীল সমাজ?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭:০১ পিএম, ১৪ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

নির্বাচন কমিশন গঠনকে ঘিরেই আন্দোলনে যেতে চায় বিএনপি। আর সেই আন্দোলনে বিএনপিকে পিছন থেকে মদদ দিচ্ছে দেশের সুশীল সমাজের একটি অংশ। গত কিছুদিন ধরেই রাজনীতির মাঠে বিএনপি চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপি নতুন করে আন্দোলন শুরু করার হুমকি দিচ্ছে, এমনকি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সরকার ছাড়া আগামী কোন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না বলেও ঘোষণা দিয়েছে। এরকম একটি পরিস্থিতির মধ্যেই আওয়ামী লীগ পাল্টা আঘাত হেনেছে। আওয়ামী লীগ বলছে যে, নির্বাচন যথাসময়ে হবে, সংবিধান অনুযায়ী হবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি মৃত ইস্যু। কথার এই বাহাসের মধ্যে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে যাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে এখন সরকার ব্যস্ত। সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা হয়েছে যে, সার্চ কমিটির মাধ্যমেই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। আইনমন্ত্রী বলেছেন যে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নতুন আইন প্রণয়ন সম্ভব না। আগামী নির্বাচন কমিশন আইন করে নতুন আইনের মাধ্যমে করা হবে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন সার্চ কমিটির মাধ্যমেই করা হবে।

কিন্তু এর মধ্যেই সুশীল সমাজ সার্চ কমিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে এ নিয়ে বেশ সমাজকে নিয়ে বেশ সরব দেখা যাচ্ছে। তারা বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে সার্চ কমিটির প্রচ্ছন্ন বিরোধিতা করছে। বরং আইন প্রণয়নের উপর গুরুত্ব দিতে চাইছে। ফলে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সার্চ কমিটি গঠনের আগেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং এই বিতর্কে একই বিন্দুতে দাঁড়িয়ে আছে সুশীল সমাজ এবং বিএনপি। দেশের সুশীল সমাজ সবসময় রাজনৈতিক দুটি দলের মধ্যে বিভক্তি এবং বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়। রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে চায়। যেখান থেকে সুশীল সমাজের গুরুত্ব বাড়বে এবং সুশীল সমাজ রাজনীতির লাটাই হাতে নিতে পারবে। সে রকম একটি পরিকল্পনা থেকেই দেশের সুশীল সমাজের একাংশ তৎপর কিনা সে প্রশ্ন নতুন করে উঠেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে, রাজনৈতিক অঙ্গনে যখন বিএনপির প্রায় একা, ২০ দলীয় জোট নেই বললেই চলে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যাপারে বিএনপি নেতাদের মধ্যে এখন নেতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেরকম একটি পরিস্থিতিতে বিএনপি হঠাৎ করে আন্দোলনের এত উত্তেজনা এবং আগ্রহ পাচ্ছে কোত্থেকে সেটি একটি বড় প্রশ্ন। আর এই সময় দেখা যাচ্ছে যে দেশের সুশীল সমাজ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে অত্যন্ত সরব এবং সক্রিয় হয়েছেন। তারা একের পর এক নানা রকম ইস্যুতে বিবৃতি দিচ্ছেন। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, নির্বাচন কমিশন নিয়ে সুশীল সমাজ সোচ্চার শক্ত অবস্থান নিতে চায়। আর সেই শক্ত অবস্থানের সুবিধা ভোগ করবে বিএনপি। তবে সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তারা বলছেন যে, তারা একটি অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। এজন্য নির্বাচন কমিশন গঠনটি গুরুত্বপূর্ণ, বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু সমান্তরাল ধারায় যখন নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি এবং সুশীল সমাজ প্রায় একই ভাষায় কথা বলছে তখন এই দুজনের নেপথ্যে কোন ঐক্য আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা দেখা দরকার বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, হয়তো সার্চ কমিটি গঠনের পরপরই সুশীল সমাজ এ ব্যাপারে সোচ্চার হবে আর বিএনপি আন্দোলনের ঘোষণা দেবে। তাহলে বিএনপির আন্দোলনকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেওয়ার জন্যই কি সুশীল সমাজের বর্তমান তৎপরতা?



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

সায়েম সোবহান আনভীর বাজুস সভাপতি নির্বাচিত

প্রকাশ: ০৬:১১ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতে গোল্ড রিফাইনারি স্থাপনকারী এবং শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিটেড ও আরিশা জুয়েলার্স লিমিটেডের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপ্ন দেখছেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে উৎপাদিত সোনার গহনা অচিরেই বিশ্ববাজারে রফতানি হবে। দেশের খ্যাতনামা উদ্যমী শিল্পোদ্যোক্তা সায়েম সোবহান আনভীর তার নেতৃত্বাধীন পুরো প্যানেলকে নির্বাচিত করায় সারাদেশের সকল জুয়েলারি ব্যবসায়ীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এই নির্বাচনে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার বিকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেটের বাজুস কার্যালয়ে সংগঠনটির ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির ২০২১-২০২৩ মেয়াদে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রিহ্যাব সভাপতি ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই পরিচালক আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল। নির্বাচন বোর্ডের সদস্য ছিলেন এফবিসিসিআইর আরেক পরিচালক ইকবাল হোসেন চৌধুরী ও ঢাকা চেম্বারের পরিচালক হোসেন এ শিকদার। তাদের স্বাক্ষরিত নির্বাচনের চূড়ান্ত লিখিত ফলাফল সংগঠনটির নোটিশ বোর্ডে আজ প্রকাশ করা হয়।

বাজুস নির্বাচনে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এফবিসিসিআইর সহসভাপতি আমিন হেলালী। আপিল বোর্ডের দুই সদস্য ছিলেন এফবিসিসিআইর দুই পরিচালক ড. কাজী এরতেজা হাসান ও এমজিআর নাসির মজুমদার।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) নির্বাচন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, সংগঠনটির ২০২১-২০২৩ মেয়াদে নবনির্বাচিত সভাপতি বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে নির্বাচিত ৭ জন সহসভাপতি হলেন মেসার্স দি আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার গুলজার আহমেদ, নিউ জেনারেল জুয়েলার্স লিমিটেডের আনোয়ার হোসেন, অলঙ্কার নিকেতন (প্রা.) লিমিটেডের এমএ হান্নান আজদ, জড়োয়া হাউজ (প্রা.) লিমিটেডের বাদল চন্দ্র রায়, সিরাজ জুয়েলার্সের ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, এল রহমান জুয়েলার্সের আনিসুর রহমান দুলাল এবং দি আমিন জুয়েলার্সের কাজী নাজনীন ইসলাম নিপা।

বাজুসের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এফবিসিসিআই পরিচালক এবং সংগঠনটির সাবেক সহসভাপতি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।

কমিটিতে নির্বাচিত ৯ জন সহসম্পাদক হলেন ক্রমানুসারে গোল্ড ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার মাসুদুর রহমান, ফেন্সী ডায়মন্ডের সমিত ঘোষ অপু, ভেনাস ডায়মন্ড কালেকশনের বিধান মালাকার, মেসার্স রিজভী জুয়েলার্সের জয়নাল আবেদীন খোকন, নিউ সোনারতরী জুয়েলার্সের লিটন হাওলাদার, মেসার্স বৈশাখী জুয়েলার্সের নারায়ান চন্দ্র দে, মনি মালা জুয়েলার্সের তাজুল ইসলাম লাভলু, গোল্ড কিং জুয়েলার্সের এনামুল হক ভুঞা লিটন এবং পূরবী জুয়েলার্স (প্রা.) লিমিটেডের মুক্তা ঘোষ।

নবনির্বাচিত কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মেসার্স কুন্দন জুয়েলারি হাউজ ও জায়া গোল্ডের কর্ণধার উত্তম বণিক। একই সঙ্গে নবনির্বাচিত কমিটিতে ১৬ জন সদস্য হলেন গ্রামীণ ডায়মন্ড হাউজের কর্ণধার ও বাজুসের সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়, শারমিন জুয়েলার্স ও ডায়মন্ড অ্যান্ড ডিভাসের কর্ণধার এবং বাজুসের বিদায়ী সভাপতি এনামুল হক খান দোলন, সুলতানা জুয়েলার্স (প্রা.) লিমিটেডের মোহাম্মদ বাবুল মিয়া, দি ডায়মন্ড সীর ইমরান চৌধুরী, পিসি চন্দ্র জুয়েলার্সের পবিত্র চন্দ্র ঘোষ, জুয়েলারি হাউজের রিপনুল হাসান, রহমান জুয়েলার্সের আলহাজ্ব মজিবুর রহমান খান, মেসার্স লিলি জুয়েলার্সের বাবলু দত্ত, রজনীগন্ধা জুয়েলার্স লিমিটেডের শহিদুল ইসলাম (এমডি), দি পার্ল ওয়েসিস জুয়েলার্সের জয়দেব সাহা, মেসার্স সাজনী জুয়েলার্সের ইকবাল উদ্দিন, শতরূপা জুয়েলার্সের কার্তিক কর্মকার, আফতাব জুয়েলার্সের উত্তম ঘোষ, শৈলী জুয়েলার্সের ফেরদৌস আলম শাহীন, জারা গোল্ডের কাজী নাজনীন হোসেন জারা এবং রয়েল মালাবার জুয়েলার্স (বিডি) লিমিটেডের আসলাম খান।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, কমতে পারে দেশেও

প্রকাশ: ০৬:৩৩ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

তেলের পাশাপাশি গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এক সপ্তাহেই আউন্সে স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ ডলার। অবশ্য এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তবে গত সপ্তাহের দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)

বাজুস সূত্রে জানা গেছে, দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করা সমিতি আগামী সোমবার বিশ্ববাজারের চিত্র দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। যদি আগামী সোমবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানো হতে পারে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্বর্ণের পাশাপাশি গতে সপ্তাহে প্লাটিনাম রুপার দামেও বড় পতন হয়েছে। গত সপ্তাহে রুপার দাম কমেছে প্রায় শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে শতাংশের ওপরে।

গত সপ্তাহে লেনদেন শুরু হওয়ার আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮৪৩ দশমিক শূন্য ডলার। সপ্তাহ শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৯২ দশমিক ৬৯ ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহে আউন্সে স্বর্ণের দাম কমেছে ৫০ দশমিক ৩৭ ডলার বা দুই দশমিক ৮১ শতাংশ।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে রুপার দাম দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ১৩ ডলারে। আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে দশমিক ৫২ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

এদিকে এই দরপতনের আগে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ১৩ নভেম্বর ভরিতে দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে বাজুস।

এতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম হয়েছে ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৭১ হাজার ১৫০ এবং ১৮ ক্যারেটের ৬২ হাজার ৪০২ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ৫২ হাজার ৮০ টাকা।

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর বিষয়ে বাজুস সভাপতি এনামুল হক খান সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালারে সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে করোনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট নানা জটিল সমীকরণের কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা চলছিল। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিকভাবে তেলের দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। এছাড়া চাহিদার বিপরীতে জোগান কম থাকায় বিশ্ববাজার দেশীয় বুলিয়ন বা পোদ্দার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম অনেকাংশে বেড়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি দেশের বাজারে স্বর্ণ রুপার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বলে জানায় বাজুস। অবশ্য স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিশ্ববাজারে দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে কি না জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা সোমবার বিশ্ববাজারের চিত্র দেখতে চাই। যদি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশেরও বাজারেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বিশ্ববাজারে কফির দাম বাড়ার রেকর্ড

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্ববাজারে কফির দাম বেড়েই চলছে। অ্যারাবিকা কফির ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য বেড়েছে। ৭ বছরের মধ্যে গত সোমবার পানীয় পণ্যটির দাম বেড়ে  সর্বোচ্চে হয়েছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে রোবাস্তা কফির দাম ১০ বছরে মধ্যে সর্বোচ্চ বেড়েছে। 

গত মার্চে সরবরাহ চুত্তিতে প্রতি পাউন্ড অ্যারাবিকা কফির দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়ে। লেনদেন হয় ২ ডলার ২৮ সেন্টে। ২০১৪ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ দাম।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, চলমান সরবরাহ সংকট কফির বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ কফি উৎপাদক। খরা ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতার কারণে দেশটি থেকে রসদ সরবরাহ বিলম্বিত হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক বাজারে কফির দাম বাড়াতে সহায়তা করছে। এর বাইরে চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশা, অ্যারাবিকা কফির মজুদ হ্রাস এবং সম্ভাব্য শুষ্ক আবহাওয়াও দাম বৃদ্ধিতে প্রভাব রাখছে।

কমার্জ ব্যাংক এক নোটে জানায়, বর্তমানে কার্গো সংকট চরমে। এর মধ্যেই ব্রাজিলে ধর্মঘট পালন করছে ট্রাকচালকরা। ফলে চলতি বছর ব্রাজিলের ৩৭ লাখ ব্যাগ (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি) কফি রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সূত্র : বিজনেস রেকর্ডার, ইকোনমিক টাইমস



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের কারণ ওমিক্রন

প্রকাশ: ০৪:৫৩ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রনের' প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতন হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত। ২০২০ সালের এপ্রিলের পর এবারই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের এত বড় দরপতন হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ বিশ্বনেতারা এত দিন বেশ চেষ্টা করেও যা করতে পারেননি, তা কেবল দুই দিনেই করে দিয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি। 

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, শুক্রবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ১০ শতাংশেরও বেশি। মার্কিন তেলের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১৩ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ৬৮ দশমিক ১৫ ডলার। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১২ শতাংশ কমেছে, যার প্রতি ব্যারেলের বর্তমান দর ৭২ দশমিক ৭২ ডলার।

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম কমাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারতসহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বিশ্ববাজারে ছাড়ার আহ্বান জানান। এই আহ্বানে সারা দেয় দেশগুলো। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। এই পদক্ষেপের পরেও বিশ্ববাজারে তেলের দরপতনের প্রভাব ছিল খুবই সামান্য। তবে আফ্রিকার দক্ষিণের দেশগুলো থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯-এর নতুন ধরন ওমিক্রনের খবর আসতেই কমতে শুরু করে জ্বালানি তেলের দাম।




মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

পুঁজিবাজারে টানা পতনের ধারা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বেশ কদিনের তেজি ভাবের পরে পরিবর্তন দেখা গিয়েছে পুজিবাজারে। তেজি থাকা পুঁজিবাজার আবারও দরপতনের মুখে পড়েছে। টানা সাত কার্যদিবস ধরে অব্যাহত রয়েছে সূচকের পতন। ফলে অজানা আতঙ্ক বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের মনে। গতকাল এক দিনেই সূচক কমেছে ৮৯ পয়েন্ট। ফলে সার্বিক সূচক কমে ৭ হাজার ৯৭ পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনসহ বেশ কয়েকটি কারণে বাজারে পতন চলছে। সহসাই বাজার স্থিতিশীল হবে বলে আশা তাঁদের। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল ১৮ অক্টোবর দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের বড় পতন হয়। সেই সঙ্গে শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের। লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের পাঁচ মিনিট না যেতেই বদলে যায় বাজারের পুরো চিত্র।

একপর্যায়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হতে থাকে। ফলে ২০ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ৪৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। এরপর সূচক কিছু বাড়লেও বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে টানা নিচের দিকে নামতে থাকে সূচক, পরবর্তী সময়ে এ পতন ১৩০ পয়েন্ট গিয়ে পৌঁছায়। টানা সূচক পতনে উদ্বিগ্ন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। গতকাল কয়েকজন বিনিয়োগকারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাজারে কী হচ্ছে তাঁরা বুঝতে পারছেন না। অব্যাহতভাবে সূচকের পতনে তাঁরা উদ্বেগে আছেন। এ ব্যাপারে বিএসইসির কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মার্চেন্টস ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছায়েদুর রহমান বলেন, বিনিয়োগ নিয়ে কয়েকটি ব্যাংকের ওপর চাপ ছিল। এ ছাড়া তিনি মার্জিন রেশিও নিয়ে বিএসইসির একটি নির্দেশনার বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বিএসইসি আট হাজার ইনডেক্স পর্যন্ত মার্জিন রেশিও পয়েন্ট ৮ থাকবে বলে জানিয়েছিল। আট হাজার পার হলে এ রেশিও কমে যাবে। এটাও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। সত্যিকার অর্থে বাজারে পয়েন্ট ৮ নেই। এটা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। আমরা এ ব্যাপারে আগে থেকেই সতর্ক আছি। তিনি আরও বলেন, ‘বাজার নিজস্ব গতিতেই দাঁড়াচ্ছে। মার্জিননির্ভর বাজার আমরা চাই না। মার্জিন আমাদের ব্যবসা নয়। এই সব কিছু মিলিয়েই বাজারের গতি একটু কমেছে। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। গতকালের বাজার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, লেনদেনের শেষ দিকে এসে কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ে। এতে সূচকের পতনের মাত্রা কিছুটা কম হয়। তারপরও ধসের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শেয়ারবাজার। প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি কমেছে ডিএসইর অপর দুই সূচক। এর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ২৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়লেও কমেছে ৩২৪টির দাম। আর অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির দাম। বাজারে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৯৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ওরিয়ন ফার্মা, ডেলটা লাইফ, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ফরচুন সুজ, বেক্সিমকো, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, জিনেক্স ইনফোসিসি এবং পাওয়ার গ্রিড।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই কমেছে ৩১৪ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩০৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫৭টির। আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন