ইনসাইড গ্রাউন্ড

জয় দিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে প্রস্তুত টাইগাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:০৯ এএম, ১৭ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

আজ ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনি (পিএনজি)। একই দিনে দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডর বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। এই `স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয় দিয়েই বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করতে প্রস্তুত টাইগাররা’। শনিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এই জয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। 

সাম্প্রতিক পারফরমেন্স বেশ আশা জাগানিয়া। জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে শুরু করে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে টিম বাংলাদেশ। টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় পেয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশকে ‌`ডার্ক হর্স‌` বলার পেছনে সাম্প্রতিক ফর্মকে একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে উইজডেন ইন্ডিয়া। সবশেষ ১৩ টি-টোয়েন্টির ৯টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আর টাইগারদের এই ফর্মই বিশ্বকাপের মঞ্চে এগিয়ে রাখবে বলে ধারণা সংবাদমাধ্যমটির।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের উদ্বোধনী জুটির ভাবনায় আছেন বাঁহাতি ব্যাটার সৌম্য সরকার। প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো করা এই ব্যাটিং অলরাউন্ডারের বোলিং দক্ষতাকেও বিশ্বকাপে কাজে লাগাতে চায় দল। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দলীয় অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ জানিয়েছেন, এই ম্যাচে দলের ব্যাটিং অর্ডারে কোনো চমকের সম্ভাবনা নেই। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজের ওপর ভিত্তি করেই সাজানো হবে একাদশ। 

দিকে, মাঠের খেলা শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী সব দলের সম্ভাবনা-সামর্থ্য নিয়ে প্রতিবেদন করেছে আইসিসি। শুক্রবার প্রকাশিত বাংলাদেশ দলের প্রিভিউ প্রতিবেদনের শিরোনাম করা হয়েছে ‘এখন আর আন্ডারডগ নয়, বিশ্বকাপে দানব শিকারে প্রস্তুত বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দল যে এখন আর শুধুই অংশগ্রহণের জন্য বিশ্বকাপ খেলতে যায় না, সে বিষয়টিই উল্লেখ করেছে আইসিসি। পাশাপাশি বিশ্বকাপে টাইগারদের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আইসিসির প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে ক্রমাগত উন্নতির মাধ্যমে নিজেদের ওপর থাকা আন্ডারডগ তকমাটি সরানোর কাজটি সফলভাবেই করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি তাদের জন্য বড় একটি সুযোগ, এই ফরম্যাটে নিজেদের অগ্রযাতা ও উন্নতি প্রদর্শনের।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ব্রাজিলিয়ান সুন্দরীকে 'ব্লক মেরে'ও শান্তিতে নেই মেসি

প্রকাশ: ০৭:২৪ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আর্জেন্টাইন ফুটবল সুপারস্টার লিওনেল মেসির অন্ধভক্ত হিসেবেই পরিচিত সুজি কর্টিজ। ব্রাজিলিয়ান মডেল হিসেবে লিওনেল মেসি তার চিরশত্রু হওয়ার কথা। কিন্তু অনেক ব্রাজিলিয়ান মেসিভক্তের মতো তিনিও একজন। ইতোমধ্যেই নিজের শরীরে মেসির একাধিক ট্যাটু এঁকেছেন। কিছুদিন আগে আর্জেন্টিনা কোপা জয়ের পর এঁকেছেন আরেকটি। তবে এবার যা করলেন, তাতে মেসির সহধর্মীনী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো রেগে যেতে বাধ্য।

মেসির প্রতি 'ভালোবাসা' প্রদর্শনে তিনি অনেকদিন ধরেই নানা কাণ্ড কারখানা ঘটাতেন। নিজের দেহের বিশেষ স্থানে মেসির ট্যাটু আঁকা থেকে শুরু করে মেসির জার্সিতে 'বডি পেইন্টিং'- সবই করেছেন। একটা সময় মেসিকে এসব ছবি তিনি সোশ্যাল সাইটে ট্যাগও করতেন। এমন কাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে মেসি এবং তার স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জো সোশ্যাল সাইটে সুজি কর্টিজকে ব্লক মেরে দেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম 'ডেইলি স্টার'।

এতেও দমে যাননি সুজি কর্টিজ। আজ সোমবার ব্যালন ডি'অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। লিওনেল মেসি যদি এই পুরস্কার জিতে যান, তাহলে প্যারিসের রাস্তায় বিবসনা হয়ে উল্লাস করার ঘোষণা দিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী সুজি! তিনি বলেছেন, 'আমার স্বপ্ন মেসির জন্য নগ্ন হওয়া। মেসি আমার কাছে সব কিছু।' মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে সুজি বলেন, 'তাকে খারাপ লাগে না। কিন্তু মাঠের খেলায় মেসি তার থেকে অনেক অনেক ভালো। পাশপাশি আমি কল্পনায় যা দেখি, তাতেও মেসি অনেক এগিয়ে।'

মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ভ্যাকসিন না নিয়ে বিপাকে জকোভিচ

প্রকাশ: ০৬:৫০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নাও খেলতে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা নোভাক জকোভিচ। আসরে খেলতে হলে অবশ্যই ভ্যাকসিন দেওয়া থাকতে হবে। অস্ট্রেলিয়া সরকারের এমন বাধ্যবাধকতায় ভ্যাকসিনের ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করা জকোভিচ পড়েছেন মহা বিপাকে।

মেলবোর্নে রেকর্ড ২১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে কোর্টে নামার কথা রয়েছেন এ সার্বিয়ান তারকার। তবে অস্ট্রেলিয়া ওপেনে জকোভিচের না খেলার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন তার বাবা সারজান জকোভিচ।

জকোভিচের বাবা বলেছেন, ‘অবশ্যই সে মন থেকেই মেলবোর্নে যেতে চায়। কারণ, সে একজন ক্রীড়াবিদ এবং সার্বিয়াসহ তার ভক্তরা অবশ্যই গ্র্যান্ড স্ল্যামে তার অংশগ্রহণ আশা করে। কিন্তু আমি জানি না আদৌ কী হতে যাচ্ছে।’'

তিনি আরও বলেন, ‘এমনও হতে পারে সে না খেলার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত নিতে পারে। কারণ, এভাবে একজন খেলোয়াড়কে জোড় করে কিছু করানো ঠিক হচ্ছে কি-না আমি বলতে পারবো না।’

বিষয়টি একান্তই জকোভিচের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করেন সারজান। এ ক্ষেত্রে তিনি কার্যত ছেলের পক্ষ নিয়েই কথা বলেছেন। এমনকি জকোভিচ ভ্যাকসিন নিবেন কি-না এ ব্যপারে সারজান নিজেও কিছুই জানেন না।

এদিকে, টুর্নামেন্ট পরিচালক ক্রেইগ টিলে জানিয়েছেন, ‘জকোভিচকে আমরা সবাই এখানে দেখতে চাই। তবে এখানে খেলতে হলে তাকে অবশ্যই ভ্যাকসিনেটেড হতে হবে।’

মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

নাটকীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে হার এড়ালো নিউজিল্যান্ড

প্রকাশ: ০৬:০৪ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

টেস্ট ক্রিকেটের উত্তেজনা যে হারিয়ে যায়নি সেটি যেনো আবার মনে করিয়ে দিলো ভারত-নিউজিল্যান্ড টেস্ট। কানপুর টেস্টে রোমাঞ্চকর ড্র করেছে নিউজিল্যান্ড। বলতে গেলে হারতে হারতে ড্র করেছে তারা। ভারতের ছুড়ে দেওয়া ২৮৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনে ১ উইকেট হারিয়ে ৪ রান তুলে দিন শেষ করেছিল কিউইরা। আজ (২৯ নভেম্বর) পঞ্চম শেষ দিনে ভারতের ঘূর্ণি জাদুর বিপক্ষে পুরোটা সময় ব্যাটিং করে তারা। তাতে ৯ উইকেট হারিয়েও শেষ মুহূর্তে করে ড্র। আর সেটা সম্ভব হয় টেল এন্ডারদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার সুবাদে। বিশেষ করে অভিষিক্ত রাচিন রীবন্দ্রর ব্যাটে। দুই টেল এন্ডারদের কল্যাণেই মূলত হার এড়াতে পারে নিউজিল্যান্ড। 

৯১ বলে ২ চারে অপরাজিত ১৮ রান করে নিউজিল্যান্ডকে রোমাঞ্চকর ড্র উপহার দেন রাচিন। তার সঙ্গে ২৩ বল খেলে ২ রান করে অপরাজিত থেকে দারুণ সঙ্গ দেন টেল এন্ডার আইজাজ প্যাটেল। ৮৯.২ ওভারের মাথায় নবম উইকেট হারানোর পর আরও ৮.৪ ওভার ক্রিজে টিকে থাকেন রাচিন ও আইজাজ। দুর্ভাগ্য ভারতের। শত চেষ্টা করেও শেষ ৫২ বলে আর কোনো উইকেট নিতে পারেনি তারা। 

আজ পঞ্চম দিনের চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান তোলে উইলিয়ামসন বাহিনী। আউট হন উইলিয়াম সামারভিল (৩৬), টম লাথাম (৫২) ও রস টেলর (২)। 

চা বিরতির পর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। ১২৬ রানে ফেরেন হেনরি নিকোলস (১), ১২৮ রানে কেন উইলিয়ামসন (২৫), ১৩৮ রানে টম ব্লানডেল। তিনি ৩৮ বল খেলে ২ রান করে যান। এরপর ১৪৭ রানে কাইল জেমিসন ও ১৫৫ রানে টিম সাউদিকে হারিয়ে জয়োৎসব শুরু করে ভারত।

কিন্তু জমাট ব্যাটিং করে তাদের জয়োৎসব থামিয়ে দেন রাচিন ও আইজাজ। টপ ও মিডল অর্ডারের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের আউট করেও শেষ ৫২ বলে ভারতের বোলাররা ফেরাতে পারেননি তাদের দুজনকে। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলে দিন শেষ করে ড্র করে রাচিন-আইজাজ।

রোমাঞ্চকর ড্রয়ের ম্যাচে ম্যাচসেরা হন একমাত্র ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করা শ্রেয়াস আইয়ার।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

হতাশার এক দিন পার করলো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৪:৫৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছিলেন আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক। পাকিস্তানের দুই ওপেনার দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তাদের দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম টেস্টে হারের শঙ্কায় আছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনটি তাই হতাশায়ই কাটলো টাইগারদের। 

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৪৪ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস থামে মাত্র ১৫৭ রানে। এতে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রান।

প্রথম ইনিংসে শতক হাঁকানো লিটন দাস এই ইনিংসেও ছিলেন উজ্জ্বল। তবে ৮৯ বলের মোকাবেলায় করা তার ৫৯ রানের ইনিংস ছাড়া আর কেউই প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেননি। এতে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা টাইগাররা মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে শেষ ৪ উইকেট হারায়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের ব্যাটে। দুইজনই হাঁকিয়েছেন অর্ধশতক। চতুর্থ দিন শেষে আবিদ ১০৫ বলে ৫৬ ও শফিক ৯৩ বলে ৫৩ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। জয়ের জন্য শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন আর মাত্র ৯৩ রান।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

উদ্বোধনী জুটিতেই পাকিস্তানের শতরান

প্রকাশ: ০৪:৩০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশের দেওয়া টার্গেট চেজ করতে পাকিস্তানের হাতে অনেকটা সময় আছে। তারা শুরুও করেছে ধীরে সুস্থে। চতুর্থ দিনের হিসেবে উইকেট কিছুটা হলেও ক্ষতবিক্ষত হওয়ার কথা। তবে বাংলাদেশি বোলারদের নির্বিষ বোলিং সেই পিচ থেকে সুবিধা নিতে পারছে না। তাইজুল-মিরাজ ভালো করলেও উইকেট নিতে পারেননি। আর দুই পেসার রাহি-এবাদত তো নামেমাত্র বোলিং করছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের অবিচ্ছিন্ন ওপেনিং জুটি হয়ে গেছে ১০১ রানের।

নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে অল-আউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসই একমাত্র বড় রান করেন। ৮ম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৮৯ বলে ৫৯ রান। যাতে ছিল ৬টি বাউন্ডারি। শেষদিকে কোনো সঙ্গী পাননি লিটন। এছাড়া সাদমান ইসলাম (১), সাইফ হাসান (১৮), শান্ত (০), মুমিনুল (০), মুশফিক (১৬), ইয়াসির (৩৬), মিরাজ (১১), নুরুল (১৫), তাইজুল (০), আবু জায়েদ (০) এবং এবাদত হোসেন (০*) রান করেন। ইয়াসির আলী অবশ্য মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়ার আগে ভালোই খেলছিলেন। লিটনের সঙ্গে জুটি হয়েছিল ৪৭ রানের। টাইগারদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ২০২ রানের।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন