ইনসাইড এডুকেশন

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন নজরদারিতে থাকবে ফেসবুক-টুইটার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৫৩ পিএম, ২৭ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

প্রশ্নপত্র ফাঁস করা বা তার গুজব রোধে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সকল ধরণের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপের উপর কড়া নজরধারি করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো আইডিতে সন্দেহ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার উপর বিশেষ নজরদারিও করবে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর এক সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া নজরদারি শুরু করা হবে। কেউ যেন প্রশ্নপত্র ফাঁস করা বা তার গুজব ছাড়াতে না পারে সেসব বিষয় মনিটরিং করা হবে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপরও নজরদারি করা হবে। কোনো অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে সেটি বন্ধ করে খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি বসানো হবে। কোনো আইডি থেকে গুজব ছাড়ালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে কোনো আইডিতে সন্দেহ হলে তাকে নজরদাবির আওতায় আনা হবে।

পরে এ পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, এসএসসি-সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সভা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে কেউ যদি প্রশ্নফাঁস ও তার চেষ্টা করে অথবা এ ধরনের গুজব ছড়ায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আমাদের কঠোর নজরদাবি থাকবে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আরেক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় অভিভাবকরা এসে পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ভিড় জমান, এবার সেটি হতে দেওয়া যাবে না। পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে একা আসলে ভালো হয়। নতুবা অভিভাবক আসলেও একজন আসবেন। সন্তানকে কেন্দ্রের ভেতরে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরে অপেক্ষা করতে হবে। কোনোভাবে গেটের সামনে ভিড় করা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিন ফুট দূরত্ব বাজায় রেখে শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে বসতে হবে। কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না বলে জানান তিনি।

 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

হাফ পাসের দাবিতে নীলক্ষেত ও শান্তিনগরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাসে অর্ধেক ভাড়া (হাফ পাস) ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীর নীলক্ষেত ও শান্তিনগরে সড়কে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। আজ সোমবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরের দিকে নীলক্ষেত ও শান্তিনগরের সড়কে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। শান্তিনগরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় ও হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ দেখান। 
 
শতাধিক শিক্ষার্থী প্রথমে শান্তিনগর মোড় অবরোধ করেন। পরে তারা মিছিল নিয়ে কাকরাইল মোড় হয়ে আবার শান্তিনগর এসে অবস্থান নেন। বেলা পৌনে দুইটার দিকে তারা সড়ক থেকে সরে যান।

দুপুর ১২টার দিকে নীলক্ষেত মোড়ে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন বলে জানায় পুলিশ। সেখানে বেশ কিছু শিক্ষার্থী আধা ঘণ্টার মতো অবস্থান করেন। পরে তারা সড়ক ত্যাগ করেন।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলছেন, ৯ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।
 
প্রসঙ্গত, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর ৭ নভেম্বর থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে বাসের ভাড়া ২৬ থেকে ২৭ শতাংশ বাড়ানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ নভেম্বর অর্ধেক ভাড়ার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

আগামীকালের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে বিআরটিএ ঘেরাও

প্রকাশ: ০১:৩৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে হাফ পাস সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি না হলে বিআরটিএ ভবন ঘেরাও ও ফের অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (২৯ নভেম্বর) এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিস্তরিত আসছে...


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

বরগুনায় ৭৩১৬ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে করোনার টিকা

প্রকাশ: ০১:২০ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বরগুনা জেলায় গত ২৪ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের ৭ হাজার ৩১৬ জন শিক্ষার্থীকে করোনা প্রতিরোধে ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগের বরগুনা জিলা স্কুলে টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

টিকা গ্রহণকারীদের মধ্য ৩ হাজার ৩৯৬ জন ছাত্র এবং ৩ হাজার ৯২০ জন ছাত্রী রয়েছে। একটি কক্ষে ৬টি গ্রুপে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টিকা প্রদান করা হয়।

সিভিল সার্জন অফিসের ইপিআই সুপার ভাইজার আলমগীর হোসেন বলেন, কলেজ পর্যায়ে ৫ হাজার ৬৭৯, কারিগরি ৭৮৫, মাদ্রাসার ৭৫২ জন এবং উদ্বোধনী পর্বে ১০০ জনসহ মোট ৭ হাজার ৩১৬ জনকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ: ০৮:২৭ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আজ সোমবার (২৯ নভেম্বর) প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে।

 পিএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার হলে বই-পুস্তক, সব প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে জনসমাগম পরিহারের অনুরোধ করেছে পিএসসি।

লিখিত পরীক্ষার প্রার্থীদের যেসব নির্দেশনা মানতে হবে-

১) পরীক্ষা হলে বই-পুস্তক, সব প্রকার ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

২) পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

৩) পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএস বার্তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

৪) পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ পূর্বাহ্নে কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

৫) পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর কাছে বর্ণিত নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪ এর বিধি ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে কর্ম কমিশন কর্তৃক গৃহীতব্য সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য উক্ত প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৯শে মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন স্বপদে বহাল

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনকে স্বপদে বহাল রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সাথে তিনটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

গতকাল রোববার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে রবির একাডেমিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে রেজিস্টার সোহরাব আলী স্বাক্ষরিত এ অফিস আদেশ প্রকাশ করা হয়। 

অফিস আদেশে বলা হয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের পাঠদান-পরীক্ষা গ্রহণসহ অন্যান্য যাবতীয় একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে প্রভাষক ফারহানা ইয়াসমিন বিরত থাকবেন। অফিস আদেশটি রবিবার বিকেলে একাডেমিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে টানানো হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ২১ নভেম্বর এতে স্বাক্ষর করেছেন। 

অন্যদিকে, এমন সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, এমন সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে অনেক আগেই নেয়া যেত। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃর্পক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তারা দাবি করছেন। 

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভিসি আব্দুল লতিফ জানান, চুল কাটার ঘটনাটি তদন্তের জন্য জুনিয়র শিক্ষকদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির তদন্ত প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার পাশাপাশি সিনিয়র শিক্ষকদের দিয়ে আরেকটি তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবেন। ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

প্রসঙ্গত, গত ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যায়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় কাচি দিয়ে ১৪ জন শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন ওই বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন। সেই থেকেই ফারহানার স্থায়ী বরখাস্তের দাবিতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে নামেন। প্রায় এক মাস আন্দোলন করেন। 


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন