কালার ইনসাইড

পুরো ট্রেনখানাই ভাড়া নিয়ে হলো শুটিং

প্রকাশ: ০৯:৩৩ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের এক বাস্তব পটভূমির উপর নির্মিত টেলিছবি ‘শ্বাপদের শুটিং চলছে দিনাজপুরে। সিনেমা বা নাটকের গল্পের প্রয়োজনে ট্রেনের একটি বগি কয়েক ঘণ্টার জন্য ভাড়া নিতে দেখা যায় হরহামেশাই। কেউবা আবার একটি আস্ত বগিই ভাড়া নিয়ে চলতি ট্রেনে শুটিং সম্পন্ন করেন। তবে বাংলাদেশের নাটকে আস্ত এক ট্রেন ভাড়া নেওয়ার ঘটনা ঘটলো এই প্রথম। তাও কয়েক ঘণ্টা বা দিন নয় পাক্কা তিন দিনের জন্য ভাড়া নেওয়া হল একটি ট্রেন।

গতকাল শনিবার (২৭ নভেম্বর) পার্বতীপুর রেলস্টেশন ও দিনাজপুরে বিভিন্ন রেল স্থাপনায় নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে।

তিন দিনের জন্য এভাবে ট্রেন ভাড়া নেওয়া প্রসঙ্গে টেলিছবিটির প্রযোজক পিকলু চৌধুরী বলেন, ‘পুরো গল্পটাই রেলস্টেশন ও রেলগাড়িতে। সুতরাং গল্পের বাস্তবতা আনতেই এভাবে করা। এটি একটি ব্যয়বহুল কাজ। টেলিভিশন ও ইউটিউবের জন্য নির্মিত ৬০ মিনিটের একটি কনটেন্টের জন্য এত বড় বাজেটে কাজ সাধারণত আমাদের এখানে দেখা যায় না। প্রযোজক জানালেন, এ টেলিছবিতে সব মিলে প্রায় দেড় শ শিল্পী কাজ করেছেন।

স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাসদস্যদের হুকুমে ট্রেনের বগিতে করে লাশ বহন করার আগে কুমিল্লা রেলস্টেশনের পরিচালক ও রেলের ড্রাইভারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বাস্তব ঘটনা নিয়ে এ টেলিছবির গল্প।

গল্পের ঘটনাস্থল কুমিল্লা। দিনাজপুর ও পার্বতীপুরে শুটিং করলেন কেন? জানতে চাইলে প্রযোজক বলেন, ‘ঘটনার সময়কাল ১৯৭১ সাল। পার্বতীপুর ও দিনাজপুরের রেলস্টেশন ও স্থাপনাগুলো অনেক পুরনো। গল্পের ঘটনার সময়কালের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যায়। এ কারণেই।

মাসুম শাহরিয়ারের রচনায় টেলিছবিটি পরিচালনা করেছেন গোলাম মুক্তাদির। টেলিছবিটিতে স্টেশন পরিচালক ও ট্রেনের ড্রাইভার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান ও শতাব্দী ওয়াদুদ। ‘শ্বাপদ-এ আরও অভিনয় করেছেন শম্পা রেজা, শবনম ফারিয়া ও নাঈম।

এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে অভিনেতা তারিক আনাম খান জানালেন, ‘আমার চরিত্রটি ভয় জয় করে উঠে আসা প্রতিবাদী এক স্টেশন পরিচালক। রেলস্টেশনে তিন রাত জেগে ঠাণ্ডার মধ্যে কাজ করেছি। টেলিছবিটির গল্প ও শুটিংয়ের আয়োজনে মন ভরে গেছে। এ কারণে শীতের মধ্যে এত কষ্ট সহ্য করেও কাজটি করেছি। আমার জন্য এ এক নতুন অভিজ্ঞতা।



মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শিল্পী সমিতির আগাম রায়: সভাপতি কাঞ্চন, সম্পাদক জায়েদ!

প্রকাশ: ০২:৫৩ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাত পোহালেই বহুল আলোচিত শিল্পী সমিতির নির্বাচন। তবে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশের  কয়েক ঘণ্টা আগে আগাম রায় প্রকাশ হলো। এতে দেখা গেছে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেন ইলিয়াস কাঞ্চন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হলেন জায়েদ খান! এমনকি নির্বাচিত হলেন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়া পরীমনিও!

আর এই রায় প্রকাশ করলো ‘অবুঝ মন’ নামের একটি টিয়া পাখি। যে পাখিটি ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারে চিঠির খামের সূত্র ধরে। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে এমনই এক চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ হলো। যেখানে দেখা গেল, অভিনেতা-সঞ্চালক শাহরিয়ার নাজিম জয় টিয়া পাখির মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছেন নির্বাচনের ফলাফল আগাম জানার। আর টিয়া পাখিটির মালিকের নাম আরমান হোসেন শাহ।

নির্বাচনের আগে পৃথিবীজুড়েই চলে নানা জরিপ আর ভবিষ্যৎবাণী। জয়ের উদ্যোগে এবার সেই ট্রেন্ড যুক্ত হলো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনেও। যেখান থেকে জানা গেল শুক্রবারের (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচনের আগাম ফলাফল।


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শিল্পী সমিতির নির্বাচন: কার পাল্লা ভারী?

প্রকাশ: ১০:০৪ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আগামী ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এবার নির্বাচনে লড়ছেন দুইটি প্যানেল। একটি ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল ও অন্যটি মিশা-জায়েদ প্যানেল। এ নির্বাচন ঘিরে ঘিরে উত্তাল হাওয়া বইছে চলচ্চিত্রপাড়ায়। এক প্যানেল অন্য প্যানেলকে প্রশ্ন বানে জর্জরিত করে রেখেছে। 

প্যানেল বদল করেছেন যারা

২০১৭-১৯ এবং ২০১৯-২১। এই দুই মেয়াদে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ক্ষমতা সামলেছেন মিশা সওদাগর (সভাপতি) ও জায়েদ খানরা (সাধারণ সম্পাদক)। প্রথম নির্বাচনে তাদের সঙ্গে ছিলেন চিত্রনায়িকা নূতন, পপি, পূর্ণিমা, রোজিনা, অঞ্জনা, নায়ক রিয়াজ, মামনুন ইমন, বাপ্পারাজ, নিরব হোসেন, সাইমন সাদিক, আলীরাজ এবং খল অভিনেতা ডন ও নানা শাহর মতো তারকারা। সেবার ওমর সানি (সভাপতি প্রার্থী) ও অমিত হাসান (সাধারণ সম্পাদক) প্যানেলকে তারা বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিল্পী সমিতিতে বসেছিলেন।

এরপর গত নির্বাচনে মিশা-জায়েদরা বলতে গেলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের সমিতির ক্ষমতায় আসেন। কারণ, ওই নির্বাচনে তাদের বিপক্ষে ছিল না কোনো প্যানেল। একমাত্র প্রতিপক্ষ ছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তিনি স্বতন্ত্র থেকে সভাপতি পদে লড়েছিলেন। কিন্তু টিকতে পারেননি। যদিও গতবারের নির্বাচনে মিশা-জায়েদদের সঙ্গে ছিলেন না ২০১৭-১৯ নির্বাচনের রিয়াজ, পপি ও পূর্ণিমার মতো তারকারা। তাতে ক্ষমতায় বসতে মোটেও বেগ পেতে হয়নি। কারণ রিয়াজ, পপি, পূর্ণিমাদের শূন্যস্থান পূরণ করেছিলেন রুবেল ও ডিপজল।

কিন্তু এবারের চিত্রটা বোধহয় একটু হলেও ভিন্ন। কারণ, এবার মিশা-জায়েদদের বিরুদ্ধে নির্বাচন করছেন একটি শক্তিশালী প্যানেল। যেটির সভাপতি পদে রয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চনের মতো নন্দিত অভিনেতা। সাধারণ সম্পাদক পদে দাঁড়িয়েছেন নিপুণ আক্তারের মতো জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। এছাড়া আছেন রিয়াজ, ফেরদৌস, ডিএ তায়েব, শাহনূর, নিরব হোসেন, মামনুন ইমন, সাইমন সাদিক, অমিত হাসান, শাকিল খান, নানা শাহ, আফজাল শরীফ, জেসমিন, কেয়া, পরীমনি ও গাঙ্গুয়ার মতো অভিনয়শিল্পীরা। এদের মধ্যে নিরব, ইমন, সাইমন, নান শাহ, আফজাল শরীফ, কেয়া ও জেসমিনরা গতবার মিশা-জায়েদদের প্যানেল থেকে নির্বাচন করেছিলেন। এবার তারা ভিড়েছেন কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলে। পাশাপাশি এবার মিশা-জায়েদদের বিরুদ্ধে শিল্পীদের রয়েছে নানা রকম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। 

১৮৪ জন শিল্পীর সদস্যপদ বাতিল 

এই কমিটি গত দুই মেয়াদে ১৮৪ জন শিল্পীর পূর্ণ সদস্যপদ কেড়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই সব শিল্পীদের করে রেখেছেন সহযোগী সদস্য। যার ফলে তারা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না। সে সব শিল্পীরা রীতিমতো ক্ষীপ্ত মিশা-জায়েদদের প্রতি।

পূর্ণ সদস্যপদ হারানো শিল্পীরা গত দুই বছর দফায় দফায় আন্দোলন করেন এফডিসির ভেতরে এবং বাইরে। করেন মানববন্ধনও। সেখানে মিশা-জায়েদদের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। এছাড়া সে সময় তাদেরকে নিষিদ্ধ করার হুমকিও দিয়েছিল চলচ্চিত্রের কয়েকটি সংগঠন। সম্প্রতি আবার সদস্যপদ হারানো শিল্পীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন এবারের নির্বাচন স্থগিত করার জন্য। যদিও হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। তবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া শিল্পীদের রুল প্রস্তুত হলে তা শুনবেন বলেও জানান আদালত।

পপির প্রকাশ্যে আসা 

দেড় বছর পর আড়াল ভেঙে বুধবার প্রকাশ্যে এসেছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। তিনি মিশা-জায়েদ কমিটিকে ইঙ্গিত করে খুবই ভয়ংকর অভিযোগ করেছেন। দাবি করেছেন, তার মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন নায়িকাকেও নাকি সদস্যপদ বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।

গান নিয়ে বিপত্তি

এদিকে আসন্ন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণার অংশ হিসেবে দুই প্যানেল বেশ কয়েকটি গান তৈরি করেছেন। ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ প্যানেলের একটি গান বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে নোট দিয়ে ভোট কেনার দিন শেষ। গানের এই লাইনটি নিয়েই ইতোমধ্যে নানা বিপত্তি দেখা দিয়েছে। 

কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন, এবারের নির্বাচনে আমি কষ্ট পেয়েছি। ‘নোট দিয়ে ভোট কেনার দিন শেষ’ গান দিয়ে জুনিয়র শিল্পীরা নাচানাচি করেছেন। বিষয়টি আমার কাছে ভালো লাগেনি। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে টাকার কথা আসবে কেন? এত বছরের অভিনয় জীবনে এসব দেখিনি। আমার কাছে মনে হয়, আমরা জোকারে পরিণত হচ্ছি। আমাদের সবার বুঝে শুনে ভোট দেয়া প্রয়োজন।

আনোয়ারা আরও বলেন, মিশা-জায়েদ প্যানেল শিল্পীদের জন্য করোনার সময়ে যথেষ্ট কাজ করেছে। অনেক বড় বড় নায়ক আছেন, কোথায় তারা? খোঁজ তো নেয়নি। শিল্পী সমিতির কমিটিতে যারা ছিলেন তারাই খোঁজ নিয়েছেন। যাই হোক নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবে। দুই প্যানেলের জন্য শুভ কামনা রইলো।

আনোয়ারার পাশাপাশি আরও অনেক সিনিয়র শিল্পী মিশা-জায়েদ প্যানেলকে সরাসরি সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী  অস্ট্রেলিয়া থেকে এই প্যানেলকে সমর্থন জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী শিমুর মৃত্যুতে জায়েদ খানকে অভিযুক্ত করা 

অভিনেত্রী শিমুকে পূর্ণ সদস্য থেকে সহযোগী সদস্য করে ছিলেন মিশা-জায়েদ প্যানেল। কিছুদিন আগে এই অভিনেত্রীকে হত্যা করা হয়। তাঁর লাশ পাওয়া যায় কেরানীগঞ্জে বস্তাবন্দী অবস্থায়। শুরুতে তাঁর হত্যার জন্য অনেকেই আঙ্গুল তুলেছিলেন জায়েদ খানের দিকে। কিন্তু একদিনের মাঝেই হত্যাকাণ্ডের জন্য গ্রেফতার করা হয় শিমুর স্বামী নোবেলকে। তিনি নিজেই হত্যার কথা স্বীকার করেন। নির্বাচনের আগে অভিনেত্রী হত্যায় জায়েদ খানের দিকে আঙ্গুল তোলায় অনেকেই তা নিয়ে সমালোচনা করেন। অনেকেই বলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন নোংরামির কোন মানে হয়না। 

ইলিয়স কাঞ্চন যুক্ত হওয়ায়

এদিকে সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে আসন্ন নির্বাচনে নিপুন প্যানেলে ইলিয়াস কাঞ্চন যুক্ত হওয়ায় অনেকেই এই দলকে সমর্থন করছেন। পাশাপাশি ইলিয়াস কাঞ্চনকে তারা সভাপতি হিসেবে চাচ্ছেন। শুধু তাই নয় অনেকেই আবার রিয়াজ, ফেরদৌসকে নিয়েও তুলেছেন নানা প্রশ্ন। অনেকেই বলছেন এত বড় বড় অভিনেতা তাঁরা কিন্তু করোনার এই মহামারিতে শিল্পীদের পাশে কোথাও দেখা যায়নি তাদের। এখন নির্বাচনের এসে নানা ধরণের কথা বলছে কেন? 

এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ উত্তেজনা কাজ করছে সবার মাঝে। শুধু চলচ্চিত্র কর্মীদেরই নয় দেশের গ্রাম পর্যায়েও চলে গেছে এই নির্বাচনের খবর। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সমর্থন জানাচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চকে। আবার অনেকেই জানাচ্ছেন জায়েদ খানকে। তবে এটা বলাই যেতে পারে এব আরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বেশ। কেননা দুই প্যানেলেই আছে হেবি ওয়েট তারকারা। এখন দেখার অপেক্ষায় কোন প্যানেল কিংবা কার মুখে ফোঁটে শেষ বিজয়ের হাসি। কে আবার আসেন শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে তা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষায়?


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

চরকিতে চলচ্চিত্র, এফডিসিতে ভোট!

প্রকাশ: ১০:০২ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

চলচ্চিত্র দেখতে এখন হলে যেতে হয়না। উন্নয়নের জোয়ারে হাতের স্মার্টফোনে চরকিতেই ঘুরছে চলচ্চিত্র। বছর ঘুরলেই মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র এখন হাতেগোনা। এফডিসির শিল্পী সমিতি চলচ্চিত্র নির্মাণে উন্নয়ন ঘটাতে না পারলেও উন্নয়ন করেছে নির্বাচনী প্রচারণার! গত কয়েক বছরে শিল্পী সমিতি চলচ্চিত্রের মান এবং নির্মাণে উন্নয়ন ঘটাতে না পারলেও নির্বাচনে উন্নয়ন করেছে এতে কোন সন্দেহ নেই।

এফডিসিতে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভালো-মন্দের দেখাশোনা করা শিল্পী সমিতির এরকম ভূমিকায় মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশের চলচ্চিত্র। গত ১ বছরে বাংলাদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের সংখ্যা ৩২ টি, যার মধ্যে আবার দুটি সিনেমা আমদানি করা। অন্যদিকে, সিনেমা হল এখন জাদুঘরের পথে হাঁটছে। আগামী প্রজন্ম সিনেমা হল দেখতে হয়তো জাদুঘরেই যাবে! স্বাধীনতার পরে ৭০ ও ৮০’র দশকে চলচ্চিত্র শিল্পের রমরমা অবস্থার সময়ে সারাদেশে সিনেমা হলের সংখ্যা ছিল ১৪০০ টির মত, যা এখন ১৪০টিতে এসে ঠেকেছে। এক দশক আগেও ৪০টি সিনেমা হল ছিলো রাজধানীতে। বর্তমানে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। সেগুলোর মধ্যে আবার চালু আছে মাত্র ৮টি!

এইতো গেলো চলচ্চিত্র এবং হলের বেহাল দশা! কিন্তু তাতে কি? শিল্পী সমিতির উন্নয়ন তো হয়েছে! শিল্পী সমিতি এখন বেশ জাঁকজমক করেই নির্বাচন করছে। জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও এখানে রয়েছে টান টান উত্তেজনা। নির্বাচনকে ঘিরে ঘটছে এবং ঘটানো হচ্ছে নানা রকম বিতর্কিত কর্মকাণ্ড যেন চলচ্চিত্র নয়, শিল্পী সমিতিই তাদের একমাত্র চাওয়া-পাওয়া।

চলচ্চিত্র এবং হলের বেহাল দশায় চরকির মত ওটিটি প্লাটফরম হাতেগোনা কয়েকটি ভালো কনটেন্ট ছাড়া অধিকাংশ বস্তাপঁচা কন্টেন্ট তৈরি করছে। সেই কন্টেন্টে যারা অভিনয় করছেন তাদের অনেকেই চিনেন না! কিন্তু চলচ্চিত্র না করে এমন কয়েকটি কন্টেন্টে চেহারা দেখিয়ে ফোক্সওয়াগেন কিংবা বিএমডাব্লিউ নিয়ে ঘুরছে, শিল্পী সমিতির অন্তর্ভূক্ত হতে চলে লবিংও। এমন বেহাল চলচ্চিত্র জগতে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শিল্পী সমিতির নির্বাচন কেবলই গোদের উপর বিষফোঁড়া!


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসা দরকার: ইলিয়াস কাঞ্চন

প্রকাশ: ০৯:১৮ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে চিত্রপাড়া এখন বেশ সরগরম। এবার দুটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দুই প্যানেলে একটির সভাপতি হিসাবে লড়বেন অভিনেতা মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে জায়েদ খান। আরেকটি প্যানেলের সভাপতি হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে চিত্রনায়িকা নিপুণ।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমার আসলে নির্বাচনে আসার কথা ছিল না। এ দেশের মানুষ আমাকে অনেক ভালবাসেন এবং সম্মান করেন। চলচ্চিত্রের মানুষরাও আমাকে অনেক ভালবাসেন। কাজেই এখান থেকে নতুন করে চাওয়া বা পাওয়ার কিছু নেই। নতুন করে সম্মান বাড়ারও কিছু নেই। আমার প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ বেশ কয়েকদিন আমার কাছে এসেছেন। সভাপতি পদে নির্বাচন করার কথা বলেছেন। তারপর আমাকে কনভিন্স করতে পেরেছেন।

তিনি আরও বলেন, নিপুণের কথা আমার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। একটা পরিবর্তন আসতে হবে। শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসা দরকার। তাই সব ভেবে স্থির করি সভাপতি পদে আমি নির্বাচন করব। তারপরই করেছি। এছাড়া আমার ছেলে জয় ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। আমার ছেলে বলে –সারাদেশের জন্য এতকিছু করছ, এত মানুষ তোমাকে চেনে-ভালোবাসে, এখন তোমার উচিত চলচ্চিত্রের জন্য কিছু করা। এটা আমাকে বড় একটা সাহস জুগিয়েছে।

শিল্পীদের কাজ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিল্পীরা থাকবেন সম্মানের জায়গায়। শিল্পীরা কাজ করবেন। শিল্পীদের জন্য চাল ডাল বিতরণের দৃশ্য লাইভ করে সবাইকে দেখানোটা দুঃখজনক। এজন্য সিনেমা নির্মাণ যদি বাড়ে তাহলে কিন্তু শিল্পীদের সাহায্যের আশায় থাকতে হবে না। তারা কাজ করতে পারবেন। সাহায্য নিয়ে চললে ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াবে না।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলে সহ-সভাপতি হিসাবে নির্বাচন করছেন ফেরদৌস ও রিয়াজ। সহ- সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন সাইমন সাদিক। সঙ্গে রয়েছেন নায়ক ইমনও। অন্যদিকে, মিশা-জায়েদ প্যানেলে আগে যারা ছিলেন তাদের বেশিরভাগই এবারও প্রার্থী হয়েছেন। বিশেষ করে তাদের সঙ্গে রয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল, চিত্রনায়ক রুবেল। আর এতে চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন পীরজাদা হারুন। দুজন সদস্য হলেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে আপিল বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।

ইলিয়াস কাঞ্চন  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

মনোমালিন্য থাকলে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন হবে না: নিপুণ

প্রকাশ: ০৮:৩১ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে চিত্রপাড়া এখন বেশ সরগরম। এবার দুটি প্যানেল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দুই প্যানেলে একটির সভাপতি হিসাবে লড়বেন অভিনেতা মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে জায়েদ খান। আরেকটি প্যানেলের সভাপতি হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে চিত্রনায়িকা নিপুণ।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ বলেন, দীর্ঘদিন যারা এই সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই নেতৃত্বের মধ্যে অন্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে একটা রেষারেষি হচ্ছে, মনোমালিন্য হচ্ছে। এই মনোমালিন্য যদি চলচ্চিত্রে থাকে তাহলে তো উন্নয়ন হবে না। আমি বিষয়গুলো ভেবে নির্বাচনে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি আশাবাদী এবারের নির্বাচনে ভোটাররা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সঠিক মানুষকে নির্বাচিত করবে।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলে সহ-সভাপতি হিসাবে নির্বাচন করছেন ফেরদৌস ও রিয়াজ। সহ- সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন সাইমন সাদিক। সঙ্গে রয়েছেন নায়ক ইমনও। অন্যদিকে, মিশা-জায়েদ প্যানেলে আগে যারা ছিলেন তাদের বেশিরভাগই এবারও প্রার্থী হয়েছেন। বিশেষ করে তাদের সঙ্গে রয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল, চিত্রনায়ক রুবেল। আর এতে চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন পীরজাদা হারুন। দুজন সদস্য হলেন বিএইচ নিশান ও বজলুর রাশীদ চৌধুরী। আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোহানুর রহমান সোহানকে। মোহাম্মদ হোসেন জেমী ও মোহাম্মদ হোসেনকে আপিল বোর্ডের সদস্য করা হয়েছে।

নিপুণ   শিল্পী সমিতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন