ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শ্রেণিকক্ষে গান ছেড়ে ধূমপান, চার ছাত্রছাত্রী বহিষ্কার

প্রকাশ: ০৪:০৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শ্রেণিকক্ষে সিগারেট টানছে শিক্ষার্থীরা। এক ছাত্রী ধোঁয়া দিচ্ছে আরেক ছাত্রের মুখে। সুখটানের পাশাপাশি অশ্লীল অঙ্গিভঙ্গি চলছে। মোবাইলে বাজছে পছন্দের গান। হাসাহাসি, খুনসুঁটির সেই ভিডিওই এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শুক্রবার এমনই একটি ভিডিও পশ্চিমবঙ্গের চন্দ্রকোনা এলাকায় ভাইরাল হয়েছে। নিন্দার ঝড় ওঠতেই চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তবে এর আগেও স্কুলের ভেতরে ক্লাস চলাকালীন ছাত্রীদের মদপানের বিষয়ও প্রকাশ্যে এসেছিল। বার বার এমন ঘটনা শিক্ষকদের গাফিলতির কারণেই ঘটছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা নম্বর ব্লকের জাড়া হাইস্কুলে শুক্রবার ক্লাস ইলেভেনের ছাত্র-ছাত্রীদের ধূমপানসহ অশ্লীল আচরণের ছবি ভাইরাল হতে শনিবার থেকে এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ঘটনায় ক্লাস ইলেভেন টুইলেভ মিলিয়ে জন ছাত্রছাত্রী যুক্ত রয়েছে। করোনা লকডাউনে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পরেও স্কুল খুললে ছাত্র-ছাত্রীরা এখনও উশৃঙ্খল জীবনযাপন থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি বলে মনে করছেন একাংশ।

তারপরও বিষয়টাকে ছোট করে দেখতে চায়নি বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটি। শনিবারই পরিচালন কমিটির বৈঠকে বসে এক বছরের জন্য ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেছে। তবে তাদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে যেন পরীক্ষা দিতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে গ্রামবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়ে ওই ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও এতে খুশি নয় শাসকদলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। সবাই চাচ্ছেন এই ঘটনা প্রথম নয় এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে শুধুমাত্র এর জন্য দায়ী স্কুলের শিক্ষকরা।

ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, খারাপ এই ঘটনাটি ঘটেছে বিদ্যালয়ের মধ্যে। এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আরও সতর্ক হবো যেন ভবিষ্যতে ধরনের ঘটনা পুনরায় না ঘটে। একইসঙ্গে ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে শাস্তিযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনে হামলা করলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন পুতিন

প্রকাশ: ০৯:০৮ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাশিয়ার হস্তক্ষেপ থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ এককাট্টা হয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। মস্কোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে তারা। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বলেছেন, ইউক্রেনে হামলা চালালে রাশিয়ার ওপর নানা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হবে। বিবেচনায় আসবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টিও। এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গন। রাশিয়ার হস্তক্ষেপ থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব মস্কোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। অন্যদিকে, রাশিয়া বলছে, ইউক্রেনে হামলার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই, বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশই উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেন সীমান্তে লাখো সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। দেশটি সম্প্রতি এ এলাকায় সামরিক মহড়াও শুরু করেছে। এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং উড়োজাহাজ প্রতিরোধী ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। সব মিলিয়ে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুতিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উল্লেখ করেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউক্রেনে হামলা হলে বিশ্বজুড়ে এর ‘পরিণতি হবে ব্যাপক’, যা হতে পারে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় আক্রমণের ঘটনা।’

এ ছাড়া জো বাইডেন বলেন, ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। তবে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, চলমান উত্তেজনার বিষয়টি মাথায় রেখে সাড়ে আট হাজার সেনাকে সতর্কতায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনে প্রায় ৯০ টন অস্ত্র-গোলাবারুদ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য ‘অভিনব রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতেও প্রস্তুত।’

ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আপনি এ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বাণিজ্য বিধিনিষেধ হিসেবে ভাবতে পারেন।’

অবশ্য রাশিয়া ক্রিমিয়া দখলের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা মস্কোর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল, এবং উপদ্বীপটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণেই থেকে যায়।

বাইডেন   ইউক্রেন   রাশিয়া   যুক্তরাষ্ট্র   পুতিন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত বাড়লো

প্রকাশ: ০৮:২৭ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় সোয়া ৩২ লাখে।

আজ বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ হাজার ৪০২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৫৮ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও স্পেন। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৫ কোটি ৮৯ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৬ লাখ ৩৩ হাজার।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৭ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১২ লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ৪০ হাজার ৫৫৮ জনে।

করোনা   মৃত্যু   শনাক্ত   বিশ্ব  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

প্রজাতন্ত্র দিবস: দিল্লির রাজপথে চমক

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের মতোই ২৬ জানুয়ারিও প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গর্বের দিন। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত ইংরেজ শাসনের থেকে স্বাধীনতা পায়। কিন্তু সে সময় ভারতের নিজস্ব কোনও স্থায়ী সংবিধান না থাকায় ব্রিটিশ সরকারের ১৯৩৫ সালের সংবিধান অনুযায়ী শাসিত হত স্বাধীন ভারত। ২৯ আগস্ট ভারতে স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে একটি খসড়া কমিটি গড়ে তোলা হয়। এরপর ৪ নভেম্বর ভারত খসড়া কমিটি সংবিধান সভায় তাদের সংবিধান জমা দেয়। ঐ বছরের ২৬ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধান সভায় গৃহীত হয়। ২৪ জানুয়ারি সংবিধান সভার ৩০৮ জন সদস্য সংবিধানের হস্তলিখিত কপিগুলিতে সই করেন। এর মাত্র দু’দিন পর ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয় আর সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে ভারত। এই দিনটিই ভারতের রিপাবলিক ডে বা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসাবে পালিত হয়।

বিভিন্ন কার্যক্রমে এ দিনটি সাজিয়ে তোলে ভারতীয়রা। দিনের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ রাজপথে দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। তারপর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো কুচকাওয়াজ। কুচকাওয়াজ শুরু হয় দিল্লির রাজপথ থেকে। আট কিলোমিটারের এ কুচকাওয়াজ শেষ হয় ইন্ডিয়া গেটে এসে। প্যারেডে অংশগ্রহণ করে ভারতীয় সেনা, নৌ ও বায়ুসেনা। এটি একটি বড় আকর্ষণ দেশের মানুষের কাছে। দিবসটি উপলক্ষে কাজাখিস্তান, কিরগিস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তান থেকে বিশিষ্টজনেরা আসবেন এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। তবে করোনা সংক্রমণের কারণে ২৪ হাজারের বদলে রাজপথে মাত্র আট হাজার মানুষকে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ বছরের নীচে কোনও শিশু এবং ভ্যাকসিন নেননি এমন মানুষ কুচকাওয়াজে অংশ নিতে পারবেন না।

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে প্রতি বছর বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলো অংশগ্রহণ করে। ট্যাবলোগুলি দেশের ভিন্ন সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। ভিন্ন ধরনের সংস্কৃতির সঙ্গে দেশবাসীকে পরিচয় করায়। এদিন সেনাবাহিনীতে বীরত্বের জন্য পরম বীর চক্র, অশোক চক্র এবং বীর চক্র দেওয়া হয়। আর রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন বিখ্যাত পদ্মশ্রী পুরস্কার।

উল্লেখ্য, এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিশিষ্ট অতিথিদের ওপর হামলার ছক কষেছে আতঙ্কবাদীরা, এমনই তথ্য পেয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার তরফে একটি নয় পাতার রিপোর্ট তৈরি করা হয়। ফলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ভারত   প্রজাতন্ত্র দিবস  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউরোপ যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬:৪৯ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ ইতালির ল্যাম্পেদুসা যাওয়ার পথে নৌকায় হাইপোথার্মিয়ায় (শরীরের তাপমাত্রা হ্রাস) আক্রান্ত হয়ে সাত বাংলাদেশি অভিবাসী মারা গেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ইতালির অ্যাগ্রিজেনটো শহরের প্রসিকিউটর লুইগি প্যাট্রোনাজ্জিও এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, কোস্টগার্ডের সদস্যরা ল্যাম্পেদুসার কাছে জনবসতিহীন দ্বীপ ল্যাম্পিওনের উপকূল থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরে অভিবাসীদের নৌকাটি সারারাত ভাসতে দেখেছেন। পরে অভিবাসীদের উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। তার কার্যালয় অবৈধ অভিবাসন এবং অভিবাসীদের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ল্যাম্পেদুসার মেয়র স্যালভাতোরে মার্তেল্লো ওই সাত বাংলাদেশি অভিবাসীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, অভিবাসীদের বহনকারী ওই নৌকায় অন্তত ২৮০ জন ছিলেন; যাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ এবং মিসরের নাগরিক।

হাজার হাজার আশ্রয়প্রার্থী এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম প্রধান রুট ইতালি। গত কয়েক মাস ধরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইউরোপ যাওয়ার প্রবণতা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে সোমবার পর্যন্ত ইতালির বিভিন্ন বন্দরে এক হাজার ৭৫১ জন অভিবাসী পৌঁছেছেন।

সূত্র: রয়টার্স।


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ঐতিহাসিক সফরে তিন দশক পর সৌদি যাচ্ছেন থাই প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০১:৪৭ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ব্লু ডায়মন্ড অ্যাফেয়ার নামে পরিচিত সৌদি আরব এবং থাইল্যান্ডের মাঝে বিরোধের প্রায় তিন দশক পর এক ঐতিহাসিক সফরে সৌদি যাচ্ছেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা। 

আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুইদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তাঁর সৌদি যাওয়ার কথা রয়েছে। 

এর মধ্য দিয়ে প্রায় ৩০ বছর আগে দামি রত্ন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক বিরোধের পর দুই দেশের মধ্যে এই প্রথমবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হতে যাচ্ছে। 

এক বিবৃতিতে থাই সরকার জানিয়েছে, সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা দুই দিনের সফরে সৌদি যাচ্ছেন। ঐ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ বছরের বেশি সময় পর থাইল্যান্ড সরকারের প্রধান সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় সফরে যাচ্ছেন। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আরো শক্তিশালী করতে থাই প্রধানমন্ত্রী এমবিএস খ্যাত সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে সৌদি প্রিন্সের প্রাসাদে কাজ করা এক থাই রক্ষী ২ কোটি ডলারের রত্ন চুরির পর ব্যাংককের সঙ্গে সৌদির কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ব্লু ডায়মন্ড অ্যাফেয়ার নামে পরিচিত যে বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল, তা এখনো সমাধান করা যায়নি। পরে থাই পুলিশ বেশ কিছু রত্ন সৌদিকে ফিরিয়ে দিলেও দেশটির কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন যে, এগুলো আসল নয়। সে সময় একটি বিরল ৫০ ক্যারেটের নীল হীরাসহ সবচেয়ে মূল্যবান বেশ কিছু রত্নের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। 

সৌদি আরব   থাইল্যান্ড   ডায়মন্ড  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন