ইনসাইড হেলথ

টিকা না নিলে সেবা পাওয়া যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাসের টিকা নেয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে অনাগ্রহ দেখা দেওয়ায় ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ অর্থাৎ ‘টিকা না নিলে সেবা পাওয়া যাবে না’ ব্যবস্থায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাসের আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলার প্রস্তুতি সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে এক কোটি ডোজ টিকা দেয়া হয়ে গেছে। এরমধ্যে সিঙ্গেল ডোজ ৬ কোটির মতো, ডাবল ডোজ ৪ কোটির কাছাকাছি হয়ে গেছে। আমরা স্কুলের ছাত্র, বস্তিবাসী, সব পর্যায়ের লোকজনকে টিকা দেয়ার জন্য একেবারে কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত গিয়েছি। ফাইজারের টিকাও আমরা বিভিন্ন জেলা উপজেলায় নিয়ে গেছি। তারপরও দেখা যায় অনেকে টিকা এখনও টিকা নেননি। আগে যে আগ্রহটা পেয়েছি টিকা নেয়ার সেই আগ্রহটা একটু কম।

তিনি বলেন, আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেটা সবাই একমত হয়েছেন- আগে যেমন ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ ছিল ছিল, এখন আমরা বলতে চাচ্ছি ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’। এটা আমাদের পরামর্শ রইল। এটা করতে পারলে আমাদের টিকা কার্যক্রমটা আরও বেগবান হবে, টিকা নেয়ার জন্য লোক এগিয়ে আসবে।

কীভাবে এটা বাস্তবায়ন হবে- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এখানে বসেই ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ স্লোগানটা তৈরি হয়েছে। আমরা এটা চিঠির মাধ্যমে সব মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দেব। তারা এটাকে যার যার মতো করে এনফোর্স করবে। টার্গেট লেভেলে আমরা ব্যবসায়িক সংস্থাকে জানিয়ে দেব। সরকারিভাবে সরকারি সংস্থাকে জানিয়ে দেব।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী   সচিবালয়   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ০৭:১২ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

সারা দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সারাদেশে ১৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৮ মে) সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ১৫ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এই সময়ে ঢাকার বাইরের কোনো হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো রোগী ভর্তি হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন ১৫ জনসহ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ জনে। তাদের মধ্যে ৪২ জন ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকার বাইরে রয়েছেন মাত্র একজন রোগী।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ মে পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩১০ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৬৭ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যু নেই।

এর আগে ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। সেই বছর এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মারা যান ১৪৮ জন। করোনা মাহামারির মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে কিছুটা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করে ডেঙ্গু।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

রোবারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা

প্রকাশ: ০৪:২০ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail রোবারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা

‘অবৈধ’ অর্থাৎ অনিবন্ধিত ও নবায়নবিহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের ৭২ ঘন্টা বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হতে যাচ্ছে রোববার( ২৯ মে)। এই সময়ের মধ্যে যেসব অবৈধ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হবে না, সেসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে নিয়মিত আমাদের অভিযান চলছে। ৭২ ঘণ্টা শেষ হলে আমরা বসব। নিবন্ধনের কতটা অগ্রগতি হয়েছে, অবৈধ কতগুলো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হয়েছে, আমরা তা দেখব। এরপর সে অনুযায়ী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের সঙ্গে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা নেব। 

এ পর্যন্ত কতগুলো ক্লিনিক বন্ধ হয়েছে জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, রোববার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের পর সে তথ্য আমরা জানিয়ে দেব।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই।  নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে, সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি যে, এতগুলো আবেদন এসেছে, এতগুলো লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, এতগুলো ওয়েটিংয়ে আছে। তবে যারা আবেদনই করেনি, তাদের তথ্য আমরা জানব কী করে?

তালিকা ছাড়া অভিযান কোন উপায়ে পরিচালনা করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, অবৈধগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা না থাকলেও বৈধদের তালিকা জেলা সিভিল সার্জনদের কাছে রয়েছে। ধরুন নরসিংদী জেলায় ৫০টি নিবন্ধিত ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, সেই তালিকটি কিন্তু ওই জেলার সিভিল সার্জনের কাছে রয়েছে। এর বাইরে যেগুলো রয়েছে,  সেগুলর সম্পর্কে অবশ্যই সিভিল সার্জন বলতে পারেন। সে অনুযায়ী আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। অভিযানের ক্ষেত্রে সিভিল সার্জনের বড় একটি ভূমিকা রয়েছে।

গত বুধবার (২৫ মে) অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মনিটরিং ও সুপারভিশন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

সিদ্ধান্তগুলো হলো

১. আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করতে হবে। অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

২. যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন  নিয়েছে কিন্তু নবায়ন করেনি, তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য একটি সময়সীমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন না করলে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

৩. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অপারেশন করার সময় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ও ওটি অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ডাক্তার ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেসব প্রতিষ্ঠান ও জড়িতদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছে তাদের লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্স পাওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

উল্লেখ্য, অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দেশে অনুমোদিত ও আবেদন করা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর   অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনা চিকিৎসায় জড়িত নারী স্বাস্থ্যকর্মীরা মানসিক রোগে আক্রান্ত বেশি

প্রকাশ: ০৭:৪১ পিএম, ২৭ মে, ২০২২


Thumbnail করোনা চিকিৎসায় জড়িত নারী স্বাস্থ্যকর্মীরা মানসিক রোগে আক্রান্ত বেশি

করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবার সাথে যুক্ত নারী স্বাস্থ্যকর্মীরা মানসিক রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।  

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম) কর্তৃপক্ষ ‘বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারিকালে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব, কুশলবস্থা, সংশ্লিষ্ট ফ্যাক্টরসমূহ এবং মানিয়ে নেবার কৌশল’ বিষয়ক গবেষণার এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের অর্থায়নে এই গবেষণা পরিচালনা করে নিপসম। গবেষণা দলের প্রধান নিপসম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ ফলাফল তুলে ধরেন।  

গবেষণায় স্বাস্থ্যসেবা যুক্ত পেশাদারদের মানসিক সুস্থতায় কাউন্সেলিং প্রোগ্রামের ব্যবস্থা জোরদার ও প্রবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়। করোনা রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত মেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা মানসিক রোগে বেশি আক্রান্ত হয় বলে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশে করোনা মহামারির সময় ১ হাজার ৩৯৪ জন স্বাস্থ্যকর্মীর ওপর গবেষণাটি ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে পরিচালিত হয়।  

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীদের পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (পিটিএসডি) ঝুঁকি ছিল বেশি। যাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশেরই পিটিএসডি ছিল। তাদের মধে ৮৩ দশমিক ৬ শতাংশ ছিলেন বিবাহিত। স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের কাজের চাপ অনেক বেশি ছিল, তারা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সামগ্রীর (পিপিই) অপ্রতুলতায় ছিলেন এবং করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে ছিলেন।  

বাংলাদেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে ২৩ দশকি ৫০ শতাংশ পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারে (পিটিএসডি) আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে সরকারি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে। স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের মধ্যে চিকিৎসকদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হয়েছিল। এরপরেই ছিলেন টেকনোলজিস্ট ও নার্স। পিটিএসডিতে আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসক ২৪ দশমিক ৩০ শতাংশ, টেকনোলজিস্ট ২৩ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং নার্স ২২ দশমিক ৮০ শতাংশ।  

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন প্রমুখ।


নারী   স্বাস্থ্যকর্মীরা   মানসিক   রোগে   আক্রান্ত   বেশি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

২৩ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশ: ০৫:৩৫ পিএম, ২৭ মে, ২০২২


Thumbnail

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৯ জনে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ সময়ে দেশে ভাইরাসটিতে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩০ অপরিবর্তিত থাকল। 

শুক্রবার (২৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২২১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ২ হাজার ১৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮৯৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৩ হাজার ৮৮৯টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।


করোনা   শনাক্ত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

সেবা বাড়াতে ২ জায়গায় অফিস করবেন ঢামেক পরিচালক

প্রকাশ: ০৩:০৪ পিএম, ২৭ মে, ২০২২


Thumbnail সেবা বাড়াতে ২ জায়গায় অফিস করবেন ঢামেক পরিচালক

রোগীদের চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালের নির্দিষ্ট কার্যালয় ছাড়াও আরও দুই স্থানে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক। 

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক। 

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ঢামেক হাসপাতাল সারাবছর রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে। সব পরিস্থিতিতে এখানে রোগী ভর্তি হয়। ধারণক্ষমতার চেয়েও বেশি রোগী ভর্তি আছে এখানে। শয্যা নেই বলে কোনো রোগীকে বিনা চিকিৎসায় ফেরত পাঠানো হয় না। ফ্লোরে, সিঁড়ির নিচে- যেভাবেই হোক রোগীদের ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এরপরেও হাসপাতালে মাঝে মাঝে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এগুলো বেশিরভাগ বাইরের লোকেরা করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে হাসপাতালের নার্সসহ স্টাফদের ডিউটির সময় তাদের খোঁজ নেওয়া এবং অন্যান্য বিষয় মাথায় রেখে হাসপাতালের আরও দুই জায়গায় আমি অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসনিক ব্লকের মূল কার্যালয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অফিস করবো। এরপর দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত জরুরি বিভাগ ও নতুন ভবনে বসবো।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন ব্যক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, ২০-২৫ বছর ধরে দেখে আসছি হাসপাতালের পরিচালকেরা সবসময় প্রশাসনিক ব্লকে তাদের নির্দিষ্ট কার্যালয়ে অফিস করেন। এখন শোনা যাচ্ছে বর্তমান পরিচালক আরও দুই স্থানে দুপুরের পরে অফিস করবেন। এটা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, যা আগের পরিচালকদের মধ্যে দেখা যায়নি।



২ জায়গায়   অফিস   করবেন   ঢামেক   পরিচালক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন