ইনসাইড গ্রাউন্ড

গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেল মোহামেডান

প্রকাশ: ০৮:৪২ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেল মোহামেডান

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ড্রয়ে মোহামেডানের জন্য সমীকরণটা হয়ে গিয়েছিল আরও কঠিন। সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে যোগ করা সময়ের গোলে তা মিলিয়ে নেওয়া কিছুটা ইঙ্গিত অবশ্য দিয়েছিল শন লেনের দল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শঙ্কাই হলো সত্যি। স্বাধীনতা কাপের গ্রুপ পর্ব থেকে এবারও ছিটকে গেল ২০১৪ সালে সবশেষ এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জেতা দলটি।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সোমবার ‘সি’ গ্রুপে সাইফ স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে ১-১ ড্র করে মোহামেডান। কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠতে জয় দরকার ছিল তাদের।

তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছে সাইফ স্পোর্টিং। মোহামেডান ও সেনাবাহিনীর পয়েন্ট ৪ করে, কিন্তু মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাবে ছিটকে গেছে লেনের দল।

দিনের প্রথম ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সঙ্গে ১-১ ড্র করে কোয়ার্টার-ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখে ‘অপেশাদার দল’ সেনাবাহিনী। ওই ম্যাচের ফলেই কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যায় সাইফ স্পোর্টিংয়ে।

মোহামেডান   বিপিএল ফুটবল   সাইফ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

দুর্দান্ত কোর্তোয়ার অবিশ্বাস্য সেভ!


Thumbnail দুর্দান্ত কোর্তোয়ার অবিশ্বাস্য সেভ!

গতরাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে যেনো অতিমানব হয়ে উঠেছিলেন বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। লিভারপুলের সব আক্রমণ যেন এই কোর্তোয়া নামক দেয়ালেই গিয়েই আটকে গিয়েছে বারবার। তাই তো পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসেও চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ১-০ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ লিভারপুলের। এর পুরো কৃতিত্বই গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার। তাতে ভর করেই রিয়াল মাদ্রিদ জিতল তাদের ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। গোলপোস্টের নিচে যেন চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন থিবো কোর্তোয়া। কখনও ঝাঁপিয়ে পড়ে, কখনওবা পা দিয়ে, আবার কখনও হাত বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দিলেন প্রতিপক্ষের একের পর এক শট। গোটা ম্যাচে হয়ে থাকলেন দলের নির্ভরতার প্রতীক হয়ে।

গোলের খেলা ফুটবলে গোলই হয়তো শেষ কথা। তবে গোল না করেও তো হয়ে ওঠা যায় ম্যাচের নায়ক। যেমনটা করে দেখালেন কোর্তোয়া। পুরো ম্যাচে মোট ৯টি সেভ করেন রিয়ালের গোলবারে অতন্দ্র এই প্রহরী। ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে সবচেয়ে বেশি সেভ করার রেকর্ড এটি। শুধু সেভ করার সংখ্যা দিয়েই নয়, পুরো বক্সে তিনি আধিপত্য করেছেন। এতে দলের ডিফেন্ডারদের ওপর কমেছে চাপ, তারা রক্ষণ সামলেছেন কিছুটা নির্ভার হয়ে। আগে একবারই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিলেন কোর্তোয়া। তবে আতলেতিকো মাদ্রিদের জার্সিতে ২০১৪ সালে লিসবনের সেই ফাইনালে হারতে হয়েছিল রিয়ালের বিপক্ষেই। এবার রিয়ালের হয়ে প্রথমবার ইউরোপ সেরার ফাইনালে খেলতে নামার আগের দিন তিনি বলেছিলেন, প্যারিসে শিরোপা জিতে ভুলতে চান আট বছর আগের দুঃখ।



২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এডউইন ফন ডার সারের পর এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ‘ম্যান অব দা ম্যাচ’ হলেন কোনো গোলরক্ষক। এতেই ফুটে উঠেছে ম্যাচে কোর্তোয়ার দাপট! কিন্তু গোল ডটকম জানিয়েছিল, কেবল সন্তানদের টানে মাদ্রিদে গিয়েছিলেন রাশিয়া বিশ্বকাপের সেরা এই গোলরক্ষক। চেলসির সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে যেত থিবো কোর্তোয়ার। কিন্তু তার আগেই রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে যান বেলজিয়ান এই গোলরক্ষক। সে সময় তিনি এও জানিয়েছিলেন, তার সন্তানরা লন্ডনে থাকলে কখনও চেলসি ছেড়ে রিয়ালে যেতেন না তিনি। কিন্তু চেলসির সঙ্গে কোর্তোয়ার ৭ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন ক্লাবে এসেও তিনি বাজিমাত করলেন এবং রিয়ালের জয়ের নায়ক বনে গেলেন। সে সময় যারা সমালোচনা করেছিল কোর্তোয়ার, এই জয় তাদের জন্যও বটে।

বিশ্লেষকদের মতে, একজন ফুটবলার  যে দলেই যাক না কোনো সেই দলের হয়েই সে আস্তে আস্তে মানিয়ে নেয়। গতকালের কোর্তোয়ার এই পারফরমেন্স তাই বলে দেয়। যদিও সে তার সন্তানদের সঙ্গে থাকতেই রিয়াল বেছে নিয়েছিল, তারপরও চেলসির মতোই তিনি রিয়ালকেও সমান ভালোবাসেন এবং খেলাতেই তার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। এখানে সমালোচকদের সমালোচনার উত্তরও দিয়েছেন তিনি। হয়েছেন রিয়ালেন ১৪তম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয়ের নায়ক। আসলেই দুর্দান্ত কোর্তোয়া, অবিশ্বাস্য কোর্তোয়া।

কোর্তোয়া   চ্যাম্পিয়নস লিগ   লিভারপুল   রিয়াল মাদ্রিদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কোর্তোয়া আর ভিনিসিয়াসে ভর করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ১৪তম শিরোপা রিয়ালের

প্রকাশ: ০৭:৩০ এএম, ২৯ মে, ২০২২


Thumbnail কোর্তোয়া আর ভিনিসিয়াসে ভর করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ১৪তম শিরোপা রিয়ালের

কচ্ছপ ‘ইয়েলো’র সেই ভবিষ্যৎ বাণী শেষ পর্যন্ত মিথ্যা হলো। ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে দলটির বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া যে কথাগুলোই বলছিলেন সেগুলোই সত্য প্রমাণিত হলো। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বলেছিলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদ যখন ফাইনালে খেলে, রিয়ালই জেতে’। সে কথাটা প্রমাণ নিজেই দিলেন কোর্তোয়া। সর্বস্ব উজার করে দিলেন। রীতিমতো অতিমানব বনে গিয়ে পুরো ম্যাচে করলেন ৯টি সেভ। আর তার এই অতিমানবীয় পারফর্ম্যান্সের মাঝেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র করলেন ম্যাচের একমাত্র গোলটি। তাতে ভর করেই রিয়াল মাদ্রিদ জিতলো তাদের ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

লিভারপুলের এমন নিয়তির আভাস যেন ভক্ত-সমর্থকরা পাচ্ছিলেন আগে থেকেই। ফাইনাল দেখতে দেশ ছেড়ে ফ্রান্সের পথ ধরার আগেই বাধা, ফ্লাইট হলো বাতিল, অনেক ভক্তের বাস যাত্রাও গেলো ভেস্তে। শেষমেশ স্পিডবোটে করে ফ্রান্সে পৌঁছালেন কেউ কেউ। ফ্রান্সে পৌঁছেও শান্তি নেই, টিকিট কেটে যখন মাঠে ঢোকার পালা, তখন কর্তৃপক্ষের নিয়মের কড়াকড়ি, আর তার ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা বাধ সাধল তাতে। ইংলিশ সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, পুলিশ এক পর্যায়ে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ল সমর্থকদের ওপর, যাদের মাঝে উপস্থিতি ছিল শিশুদেরও। আর বাইরে এমন বিশৃঙ্খলার কারণে মাঠের খেলাও দুই দফা পিছিয়ে শুরু হলো ৩৮মিনিট দেরিতে।

এরপরের গল্পটা লিভারপুল আক্রমণভাগ আর রিয়াল রক্ষণভাগের। আরেকটু স্পষ্ট করে বললে, লিভারপুল আক্রমণভাগ আর থিবো কোর্তোয়ার। শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিচ্ছিল লিভারপুল। ১৬ মিনিটে এলো প্রথম সুযোগটা। বক্সের ভেতর থেকে সালাহর করা শটটা ঠেকালেন কোর্তোয়া, সেই সালাহ, যিনি শেষ কিছু দিনে প্রতিশোধের কথাটা মনে করিয়ে দিয়েছেন বহুবার। তার শট সেভ করে হলো কোর্তোয়ার অগুনতি সেভের বউনি। পরের পাঁচ মিনিটে করলেন আরও দুটো সেভ। যার শেষটা তার আঙুল ছুঁয়ে কাঁপাল রিয়ালের বারপোস্ট। শুরুর ২৮ মিনিটে লিভারপুল প্রতিপক্ষ গোলমুখে করেছিল ৬টা শট। বিরতির আগ পর্যন্ত করে আরও দুটো শট। তবে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কোর্তোয়া। গোলের দেখা আর তাই পায়নি লিভারপুল। 



প্রথমার্ধের শেষ দিকে রিয়ালও অবশ্য ম্যাচে কিছুটা ভালো সময় কাটিয়েছিল। তবে লিভারপুলের জমাট রক্ষণ ভেঙে গোলটা আর করা হয়নি। একবার যখন ভেঙেছিল রক্ষণ, সে গোলটাও কাটা পড়ল অফসাইডের কাটায়। বিরতির একটু আগে লুকা মড্রিচের বাড়ানো বল থেকে বক্সের ভেতরে গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন বেনজেমা। শট করতে পারেননি, বলটাও হারালেন। লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার বলটা ঠেকালেও তার হাত ছেড়ে বেরিয়ে গেল বলটা। সেটা ফেদে ভালভার্দের পা হয়ে আবার ফিরল বেনজেমার কাছে, বলটা তিনি জালেও পাঠান, তবে গোলের দেখা আর পাননি তিনি। কারণ তিনি যে ছিলেন অফসাইড অবস্থানে! ফলে বিরতিতে রিয়াল যায় গোল ছাড়াই।

বিরতির পরও লিভারপুল শুরুটা করেছিল দারুণভাবে। তবে এবার কোর্তোয়ার সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদ রক্ষণও যোগ দেয় সালাহদের আক্রমণভাগকে ভোঁতা করে দিতে। সে বার্তাটা ঠিকঠাক যেন বুঝতে পারেনি অল রেডরা। ৬০ মিনিটের মাথায় যখন রিয়াল গোলটা করল, লিভারপুল রক্ষণ যেন ঘুমিয়েই পড়েছিল। ডান পাশ দিয়ে আক্রমণে উঠে এসে ফেদে ভালভার্দে রক্ষণ আর গোলরক্ষকের মাঝে দিয়ে পাস বাড়ান দূরের পোস্টে থাকা ভিনিসিয়াসকে। সেই পাস থেকেই এলো মহামূল্য গোলটা। করলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।

এর আগ পর্যন্ত আক্রমণের প্রাচুর্যে থাকা লিভারপুল গোলের পর হলো আরও মরিয়া। তবে রিয়ালের গোলবারের নিচে সাক্ষাৎ অতিমানব যে নেমে এসেছিলেন, সেই কোর্তোয়ার কল্যাণে সমতাসূচক গোলটা আর হলো না অল রেডদের। পুরো ম্যাচে সালাহ করেছেন ৫ শট, তার প্রতিটি শটই ফিরিয়েছেন কোর্তোয়া। এক পর্যায়ে লিড ধরে রাখতে রক্ষণে আরও বেশি মনোযোগ দেয় রিয়াল। এক লিভারপুল আক্রমণে দেখা যাচ্ছিল, রীতিমতো বেনজেমাও নেমে এসেছেন রক্ষণে!  

তবে রিয়ালের এমন চেষ্টা শেষমেশ বৃথা যায়নি। সাদিও মানে, মোহামেদ সালাহদের আক্রমণ থামিয়ে শেষমেশ কার্লো অ্যানচেলত্তির দল জেতে শিরোপা। ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ   শিরোপা   রিয়াল   লিভারপুল   রিয়াল মাদ্রিদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি?


Thumbnail চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি?

২৬ মে, ২০১৮, ইউক্রেনের কিয়েভ। ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল। মুখোমুখি লিভারপুল-রিয়াল মাদ্রিদ। গোলরক্ষক লরিস ক্যারিয়াসের শিশুতোষ ভুলে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে সেদিন দাঁড়াতেই পারেনি লিভারপুল। সাদামাটা ফাইনালে ৩-১ গোলে জিতে যায় লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। তিন গোলের দুইটিতেই ছিল অলরেড গোলরক্ষকের অবদান। নিজ দলের এমন একতরফা পরাজয় মাঠে থেকে দেখতে পারেননি দলের সেরা তারকা মোহাম্মদ সালাহ। ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে আহত হয়ে বাধ্য হয়ে মাঠ থেকে উঠে যেতে হয়েছিল তাকে। এই ইনজুরির কারণেই পরবর্তীতে রাশিয়া বিশ্বকাপেও ফর্মে ছিলেন না মোহাম্মদ সালাহ। তাই প্রতিশোধ নিয়ে হয়তো সবসময়ই চেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাথে আবারও দেখা হোক। প্রতিশোধ কেবল সালাহরই নয়, প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ইয়ুর্গেন ক্লপ এমনকি লিভারপুলও। প্রতিশোধের সেই সুযোগ দিতে কার্পণ্য করেনি ফুটবল বিধাতা।

দু:সহ স্মৃতির চার বছর পর প্রতিশোধে বুধ হয়ে থাকা অলরেডদের সামনে ফ্রান্সের স্তাদ দো ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আবারও রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিশোধ নিতে উদগ্রীব মোহামেদ সালাহও। কাকে ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে চান, এমন প্রশ্নে যেমন বলেছেন স্প্যানিশ জায়ান্টদের নাম তেমনি রিয়াল ফাইনাল নিশ্চিত করার পরেই তিনি টুইট করেছিলেন, ‘We have a score to settle.’

অন্যদিকে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি’র মনেও। ২০০৫ সালে এসি মিলানের বিপক্ষে লিভারপুলের অবিশ্বাস্য কামব্যাকের কথা ভক্তদের ভুলে যাওয়ার কথা নয়। সেইদিন ইতালিয়ান ক্লাবটির ডাগআউটে ছিলেন স্বদেশী কার্লো। আর তাই মুখে কিছু না বললেও তিনি যে পুরনো ক্ষতে প্রলাপ দিতে চাইবেন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত ম্যাচে কি প্রতিশোধ নিতে পারবে অলরেডরা নাকি আবারও ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি দেখবে ফুটবল বিশ্ব, এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি? উত্তর জানা যাবে আজ (২৮ মে) রাত একটায় স্তাদ দো ফ্রান্সে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পরিসখ্যানে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল

প্রকাশ: ০৭:৩৪ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail পরিসখ্যানে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল

ক্লাব ফুটবলের বিশ্বকাপ হিসেবে খ্যাত চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল ১৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্তাদ দো ফ্রান্সে। রাত ১টায় শুরু হতে যাচ্ছে ম্যাচটি। তার আগে দেখে নেয়া যাক চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের পরিসখ্যান।

সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়ন
৬ ফ্রান্সিসকো হেন্তো (রিয়াল মাদ্রিদ)
৫ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ)
৫ পাওলো মালদিনি (এসি মিলান)
৫ আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (রিয়াল মাদ্রিদ)
৫ হোসে মারিয়া জারাগা (রিয়াল মাদ্রিদ)

চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে––––––––––
 ৫ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ গ্যারেথ বেল (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ করিম বেনজেমা (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ দানি কারভাহাল (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (বার্সেলোনা)
 ৪ ইসকো (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ মার্সেলো (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ লুকা মদরিচ (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ সের্হিও রামোস (রিয়াল মাদ্রিদ)
 ৪ ক্লারেন্স সিডর্ফ (আয়াক্স, রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান)
 ** আরও ছয়জন খেলোয়াড় চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তবে তাঁরা মাঠে নেমেছেন তিনটি ফাইনালে।

সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতার মতো সবচেয়ে বেশি ফাইনাল খেলার রেকর্ডও ফ্রান্সিসকো হেন্তোর। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত রিয়ালের হয়ে আটটি ফাইনাল খেলেছেন জেন্তো। এসি মিলানের পাওলো মালদিনি পরে ভাগ বসিয়েছেন হেন্তোর রেকর্ডে।

সবচেয়ে বেশি ফাইনাল
৮ ফ্রান্সিসকো হেন্তো (রিয়াল মাদ্রিদ)
৮ পাওলো মালদিনি (এসি মিলান)
৭ আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (রিয়াল মাদ্রিদ)
৬ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ)

চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে––––––––––
৬ পাওলো মালদিনি (এসি মিলান)
৬ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ)
৫ প্যাট্রিস এভরা (মোনাকো, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস)
৫ ক্লারেন্স সিডর্ফ (আয়াক্স, রিয়াল মাদ্রিদ, এসি মিলান)
৫ এডউইন ফন ডার সার (আয়াক্স, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)

ফাইনালে সবচেয়ে বেশি গোল সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার আলফ্রেডো ডি স্টেফানো ও ফেরেঙ্ক পুসকাসের। দুজনই ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সাতটি করে গোল করেছেন। ১৯৫৬ থেকে ১৯৫৯ পর্যন্ত প্রতিটি ফাইনালে একটি করে গোল করা ডি স্টেফানো ১৯৬০ সালে ফাইনালে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন। ওই ফাইনালেই চারটি গোল করেছিলেন হাঙ্গেরিয়ান মহাতারকা পুসকাস।

ফাইনালে সবচেয়ে বেশি গোল
৭ আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (রিয়াল মাদ্রিদ)
৭ ফেরেঙ্ক পুসকাস (রিয়াল মাদ্রিদ)
৪ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড/রিয়াল মাদ্রিদ)
৩ গ্যারেথ বেল (রিয়াল মাদ্রিদ)
৩ ইউসেবিও (বেনফিকা)
৩ সান্দ্র মাজোলা (ইন্টার মিলান)
৩ গার্ড মুলার (বায়ার্ন মিউনিখ)
৩ পিয়েরিনো প্রাতি (এসি মিলান)
৩ হেক্টর রিয়াল (রিয়াল মাদ্রিদ)

চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে––––––––––
৪ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ)
৩ গ্যারেথ বেল (রিয়াল মাদ্রিদ)
২ স্যামুয়েল ইতো (বার্সেলোনা)
২ ফিলিপ্পো ইনজাগি (এসি মিলান)
২ দানিয়েলে মাসারো (এসি মিলান)
২ লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা)
২ সের্হিও রামোস (রিয়াল মাদ্রিদ)
২ রাউল (রিয়াল মাদ্রিদ)
২ মারিও মানজুকিচ (বায়ার্ন মিউনিখ, জুভেন্টাস)
২ হেরনান ক্রেসপো (এসি মিলান)
২ দিয়েগো মিলিতো (ইন্টার মিলান)
২ কার্ল-হাইঞ্জ রিডল (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড)

এক ফাইনালে সবচেয়ে বেশি গোল
১৯৬০ সালের ফাইনালে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে চার গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদের ফেরেঙ্ক পুসকাস। ওই ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেন আলফ্রেডো ডি স্টেফানো। চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে কেউ হ্যাটট্রিক পাননি ফাইনালে।

ফাইনালে যত হ্যাটট্রিক––––––––––
৪ ফেরেঙ্ক পুসকাস (রিয়াল মাদ্রিদ-আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট, ১৮/০৫/১৯৬০)
৩ আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (রিয়াল মাদ্রিদ-আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট, ১৮/০৫/১৯৬০)
৩ পিয়েরিনো প্রাতি (এসি মিলান-আয়াক্স, ২৮/০৫/১৯৬৯)

কোচদের রেকর্ড

এবার রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়ন হলে কোচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতার রেকর্ড গড়বেন কার্লো আনচেলত্তি। দলকে তিনবার চ্যাম্পিয়ন করে বব পেইসলি ও জিনেদিন জিদানের সঙ্গে রেকর্ডটা এখন ভাগাভাগি করছেন ইতালিয়ান কোচ।

সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়ন
৩ বব পেইসলি (লিভারপুল ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৮১)
৩ কার্লো আনচেলত্তি (এসি মিলান ২০০৩, ২০০৭, রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৪)
৩ জিনেদিন জিদান (রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮)

* পঞ্চমবারের মতো দলকে ফাইনালে উঠিয়ে এরই মধ্যে নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন কার্লো আনচেলত্তি। ইয়ুর্গেন ক্লপ চতুর্থবার ফাইনালে উঠলেন।

সবচেয়ে বেশি ফাইনাল
৫ কার্লো আনচেলত্তি (এসি মিলান ২০০৩, ২০০৫, ২০০৭, রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৪, ২০২২)
৪ মার্সেলো লিপ্পি (জুভেন্টাস ১৯৯৬, ১৯৯৭, ১৯৯৮, ২০০৩)
৪ অ্যালেক্স ফার্গুসন (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৯৯৯, ২০০৮, ২০০৯, ২০১১)
৪ মিগুয়েল মুনোজ (রিয়াল মাদ্রিদ ১৯৬০, ১৯৬২, ১৯৬৪, ১৯৬৬)
৪ ইয়ুর্গেন ক্লপ (ডর্টমুন্ড ২০১৩, লিভারপুল ২০১৮, ২০১৯, ২০২২)

শিরোপার হ্যাটট্রিক
কোচ হিসেবে হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতার একমাত্র কীর্তি জিনেদিন জিদানের (রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮) । টানা দুই বছর শিরোপা জেতার কীর্তি আছে ৯ কোচের।

একাধিক ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়ন
পাঁচজন কোচ একাধিক ক্লাবের হয়ে ইউরোপ–সেরা হয়েছেন। প্রত্যেকেই দুটি ক্লাবকে জিতিয়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ।

কার্লো আনচেলত্তি (এসি মিলান ২০০৩, ২০০৭, রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৪)
আর্নস্ট হাপেল (ফেইনুর্ড ১৯৭০, হামবুর্গ ১৯৮৩)
ইয়ুপ হেইঙ্কেস (রিয়াল মাদ্রিদ ১৯৯৮, বায়ার্ন মিউনিখ ২০১৩)
ওটমার হিটজফিল্ড (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ১৯৯৭, বায়ার্ন মিউনিখ ২০০১)
জোসে মরিনিও (পোর্তো ২০০৪, ইন্টার মিলান ২০১০)

সবচেয়ে বেশি চ্যাম্পিয়ন

সবচেয়ে সফল দলটির দখলেই সবচেয়ে বেশি ফাইনাল খেলার রেকর্ড। এবারের আগে ১৬ বার ফাইনাল খেলে ১৩ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।

সবচেয়ে বেশি ফাইনাল (২০২১/২২ সহ)
১৭ রিয়াল মাদ্রিদ
১১ এসি মিলান
১১ বায়ার্ন মিউনিখ
১০ লিভারপুল
৯ জুভেন্টাস

১৯৫৬ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত ইউরোপিয়ান কাপের প্রথম পাঁচ আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয় রিয়াল মাদ্রিদ।

টানা চ্যাম্পিয়ন
৫ রিয়াল মাদ্রিদ (১৯৫৫/৫৬-১৯৫৯/৬০)
৩ আয়াক্স (১৯৭০/৭১-১৯৭২/৭৩)
৩ বায়ার্ন মিউনিখ (১৯৭৩/৭৪-১৯৭৫/৭৬)
৩ রিয়াল মাদ্রিদ (২০১৫/১৬-২০১৭/১৮)

টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথেই টানা ফাইনাল খেলার রেকর্ডটাও করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এরপর আর কোনো দল টানা তিনবারের বেশি ফাইনালে উঠতে পারেনি।

টানা ফাইনাল
৫ রিয়াল মাদ্রিদ (১৯৫৫/৫৬-১৯৫৯/৬০)
৩ এসি মিলান (১৯৯২/৯৩-১৯৯৪/৯৫)
৩ আয়াক্স (১৯৭০/৭১-১৯৭২/৭৩)
৩ বেনফিকা (১৯৬০/৬১-১৯৬২/৬৩)
৩ বায়ার্ন মিউনিখ (১৯৭৩/৭৪-১৯৭৫/৭৬)
৩ জুভেন্টাস (১৯৯৫/৯৬-১৯৯৭/৯৮)
৩ রিয়াল মাদ্রিদ (২০১৫/১৬-২০১৭/১৮)

সবচেয়ে বড় জয়
৭-৩ রিয়াল মাদ্রিদ-আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট (১৮/০৫/১৯৬০)
৪-০ বায়ার্ন মিউনিখ-আতলেতিকো মাদ্রিদ (১৭/০৫/১৯৭৪)
৪-০ এসি মিলান-স্টুয়া বুখারেস্ট (২৪/০৫/১৯৮৯)
৪-০ এসি মিলান-বার্সেলোনা (১৮/০৫/১৯৯৪)

অন্যান্য

সবচেয়ে বেশি বয়সে ফাইনাল
৪১ বছর ৮৬ দিন দিনো জফ (হামবুর্গ ১-০ জুভেন্টাস, ১৯৮২/৮৩)

সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল
৩৬ বছর ৩৩৩ দিন পাওলো মালদিনি (এসি মিলান ৩-৩, অতিরিক্ত; টাইব্রেকারে লিভারপুল জয়ী ৩-২, ২০০৪/০৫)

সবচেয়ে বেশি বয়সী চ্যাম্পিয়ন
৩৮ বছর ৩৩১ দিন পাওলো মালদিনি (এসি মিলান ২-১ লিভারপুল, ২০০৬/০৭)

ফাইনালে সর্বকনিষ্ঠ
১৮ বছর ১৩৯ দিন আন্তোনিও সিমোস (বেনফিকা ৫-৩ রিয়াল মাদ্রিদ, ১৯৬১/৬২)

সবচেয়ে কম বয়সে গোল
১৮ বছর, ৩২৭ দিন প্যাট্রিক ক্লাইভার্ট (আয়াক্স ১-০ এসি মিলান, ১৯৯৪/৯৫)

সবচেয়ে কম বয়সী চ্যাম্পিয়ন
১৮ বছর ১৩৯ দিন আন্তোনিও সিমোস (বেনফিকা ৫-৩ রিয়াল মাদ্রিদ, ১৯৬১/৬২)


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল: মাঠের ঘাস নিয়ে ক্লপের প্রশ্ন

প্রকাশ: ০৬:৩৪ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল: মাঠের ঘাস নিয়ে ক্লপের প্রশ্ন

ক্লাব ফুটবলের বিশ্বকাপ হিসেবে খ্যাত চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল ১৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্তাদ দো ফ্রান্সে, সেটাও ভাগ্যক্রমে। ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার হামলা ফাইনালের ভেন্যু মস্কো থেকে সরিয়ে প্যারিসে নেওয়াতেই এত বড় সুযোগ পেয়েছে ফ্রান্স। কিন্তু উপলক্ষের মর্ম স্তাদ দো ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ বুঝতে পেরেছে কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ম্যাচের ৭২ ঘণ্টার কম সময় আগে স্টেডিয়ামে নতুন ঘাস বসানো হয়েছে।

যে মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল হচ্ছে, সে মাঠে এত দেরিতে কেন নতুন ঘাস বসানো হচ্ছে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তির অবশ্য এ নিয়ে কোনো আপত্তি নেই।

গত মঙ্গলবার স্টেডিয়ামের পুরোনো সব ঘাস সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এরপরই নতুন ঘাস বসানোর কাজ শুরু হয়েছে, কিন্তু সেটা শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় লিভারপুল ও রিয়াল মাদ্রিদ—দুই দলই অনুশীলন করেছে মাঠে, কিন্তু অনুশীলনের পরও মাঠ নিয়ে ঠিক সন্তুষ্ট দেখা যায়নি ক্লপকে।

এর আগেও মাঠের ঘাস নিয়ে অসন্তুষ্টি দেখিয়েছেন ক্লপ। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের আগে এ নিয়ে আবার কথা বললে সবাই যে একে অজুহাত হিসেবে দেখবে, সেটা জানা আছে লিভারপুল কোচের। এ কারণে শুরুতে বলে নিয়েছেন, ‘আমি আশা করি, কেউ এমন গল্প বানাতে শুরু করবে না—ক্লপ ঘাস নিয়ে কান্নাকাটি করছে। কারণ, আমি তা করছি না। সব ঠিক আছে। আমি শুধু বলছি, ভিন্ন কিছুও করা যেত।’

চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের মাত্র দুই দিন আগে এভাবে ঘাস বসানো হলো কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্লপ, ‘আমি জানি না এটা কতটা ভালো বা খারাপ। মাত্রই দেখে এসেছি। রেফারিরা দেখলাম অনুশীলন করছে এবং বল বাউন্স করছে দেখলাম। হয়তো এটা একদম ঠিক আছে, কিন্তু দেখতে ঠিক আছে বলে মনে হচ্ছে না।’

তবে মাঠের অবস্থা নিয়ে খুব একটা যে চিন্তিত এমনও নয়, ‘গতকাল বসানো হয়েছে এটা, যা খুব একটা ভালো খবর না। কিন্তু এটা দুই দলের জন্যই একই হবে। তারা কোথায় কোথায় ঘাস বসিয়েছে, সে দাগও দেখা যাচ্ছে। আমরা এর সঙ্গে অভ্যস্ত নই। কেউ একজন যে ভেবেছে ম্যাচের এক দিন আগে স্টেডিয়ামে ঘাস বসানো যেতে পারে, এটা খুবই চিত্তাকর্ষক। কিন্তু এতে আমার কিছু যায় আসে না। এখানে আসতে পেরে আমি আসলেই খুশি। আমি এই ম্যাচ পেতঁকের (মার্বেল জাতীয় খেলা, যা যেকোনো জায়গায় খেলা যায়) মাঠেও খেলতাম।’

ওদিকে আনচেলত্তির কাছে মনে হচ্ছে নতুন ঘাস ম্যাচের ফলে প্রভাব ফেলবে না, ‘হ্যাঁ, আমি জানি ঘাস নতুন করে বসানো হয়েছে, কিন্তু আমরা এখনো পরীক্ষা করে দেখিনি। আমরা অনুশীলন করব, কিন্তু মনে হয় না কোনো সমস্যা হবে।’


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন