ঢাকা, সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

জয় বাংলার জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০১৮ শুক্রবার, ১২:৫৬ পিএম
জয় বাংলার জয়

আজ সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। জয় কেবল একজন সপ্রতিভ তরুণ নন, একজন আধুনিক স্বপ্নচারী মানুষ নন। ‘জয়’ যেন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার এক প্রতীক। ১৯৭১ সালের এই দিনে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে জন্ম হয় জয়ের। সারা বাংলাদেশ স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করছে। জাতির পিতা বন্দী পাকিস্তানের কারাগারে। বঙ্গবন্ধুর দুই সন্তান যুদ্ধে। বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানা বন্দী পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে, ধানমন্ডির এক বাড়িতে। বন্দী অবস্থায় শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যেখানে অপ্রতুল সুযোগ সুবিধার মধ্যেই জন্ম নেয় জয়। জয়ের বেড়ে ওঠা আর বাংলাদেশের বিকাশ তাই সমান্তরাল। সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্ম হয়নি জয়ের। তাঁর জন্ম হয়েছিল, এক বন্দী মায়ের কোলে। জয়ের জন্মের পাঁচ মাস পর অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। মাত্র ৪বছর বয়সে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকান্ডে নিহত হন জয়ের নানা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। একমাত্র খালা শেখ রেহানা ছাড়া তিনি হারান মাতৃকুলের সব স্বজনকে। মাত্র ১০ বছর বয়সে মায়ের সান্নিধ্য বঞ্চিত হন সজীব ওয়াজেদ জয়। দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য; দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য এক জীবন বাজি রাখা সংগ্রামে ঝাপিয়ে পরেন শেখ হাসিনা। জয়ের শৈশব কেটেছে বোর্ডিং স্কুলে, মায়ের প্রতীক্ষায়। কৈশোরেই জয় বুঝতে পেরেছে, তার মা জনগণের জন্য উৎসর্গীকৃত এক প্রাণ। এজন্য তার অভিমান হয়নি, বরং গর্ব হয়েছে। মাকে সহযোগিতা করার জন্য নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলেছেন। মায়ের কাছে দিয়েছেন তারুণ্যের ভাবনার রূপকল্প। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে ঘটেছে তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লব। জয় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, তারুণ্যের অহংকার, এসব ছাপিয়ে একজন আদর্শ সন্তান। যার মতো সন্তান প্রত্যেক মায়ের আরাধ্য।

জয় জন্মের আগেই জাতির পিতা জয়ের নাম ঠিক করে দিয়েছিলেন। জয় বাংলার প্রতীক হলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বাংলাদেশের বিজয়ের প্রতীক হলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। জয় বাংলা থেকে উৎসারিত যে জয়, সে তো কখনও হারে না।

বাংলা ইনসাইডার