ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

আস্থা শুধু শেখ হাসিনাতেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ আগস্ট ২০১৮ শুক্রবার, ০৩:০১ পিএম
আস্থা শুধু শেখ হাসিনাতেই

গত কয়েকদিন ব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অফিস-আদালতের কাজকর্ম প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। জনগণের মধ্যে কাজ করছে নানা রকম উদ্বেগ, উৎকন্ঠা ও অস্বস্তি। এছাড়াও রয়েছে চাপা উত্তেজনা। তবে এতোসব দুর্ভোগের মধ্যেও মানুষের মধ্যে যেন একটাই আশা, সেটা হলো প্রধানমন্ত্রী। তিনি থাকলেই সব সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছে জনগণ।

শিক্ষার্থীরা যারা বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করছে তাঁরাও আশা রাখছে প্রধানমন্ত্রীর ওপর। বাংলাদেশের যখনই কোন সংকট, সমস্যা বা নৈরাজ্যের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন মানুষ শুধুমাত্র একজনের ওপরই নির্ভর করতে পারে। তিনি হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেতুমন্ত্রী এত কথা বলেছেন, কারো কথাই কিন্তু বেশ একটা আমলে নেয়া হচ্ছে না। বরং গতকাল প্রধানমন্ত্রী যখন দুই পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের অনুদানের চেক প্রদান করেন ও চলমান আন্দোলনে একগুচ্ছ সমস্যা সমাধানের নির্দেশনা দেন, সেটিকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে মনে করছেন।

গতকাল প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দেয়ার পর পরই সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দাবি পূরণের এক আশার সঞ্চার হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা দিলে তা অবশ্যই রক্ষা করবেন, সেটিই এখন তাদের ভরসা।

যারা এই আন্দোলনকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে, তাঁরা বাদে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আশ্বস্ত হয়েছেন। শেখ হাসিনাকেই একমাত্র ভরসাস্থল মনে করা হচ্ছে। সকলেই আশা প্রকাশ করছে, প্রধানমন্ত্রী যদি কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন তাহলে হয়তো শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরে যাবে। দেশের বহু সংকটে এমনটাই পরিলক্ষিত হয়েছে।

বাংলাদেশে এখন জনগণের আশা আকাঙ্খার মূর্ত প্রতিকৃতি হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর কথাই দেশের মানুষ একমাত্র বিশ্বাস করে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, সরকারের বিশাল যে মন্ত্রীসভা রয়েছে তাদের কথায় মানুষের আস্থা নেই। জনগণের আস্থা অর্জন যে কোন রাজনীতিবিদের বড় অর্জন। বাংলাদেশে শুধুমাত্র একজন রাজনীতিবিদের ওপরই জনগণের আস্থা রয়েছে।

এদিকে আন্দোলনের চতুর্থ দিনে এই আন্দোলনকে সমর্থন জানায় বিএনপি। এতে সাধারণ মানুষের কাছে আরেকবার হাস্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে দলটি। কারণ বিএনপির সময়ে দেশে সড়কের অবস্থা ছিল আরো ভয়াবহ। সড়ক গুলোতে দুর্ঘটনার হারও ছিল অনেক বেশি। বিএনপির আমলে দেশে সিএনজি বাণিজ্য, সড়কে টেন্ডার বাণিজ্য ছিল। সড়কে মেরামতের কোন কাজ না করেই টাকা তুলে নেয়া হতো তাদের আমলেই। এই বিএনপি যখন নিরাপদ সড়কের দাবিতে যোগ দেয়, তখন সেটি হয়ে যায় ‘ভূতের মুখে রাম নাম’ এর সমান।

বাংলাদেশের জনগনের কাছে বিএনপির কর্মকান্ড যেন একটি কৌতুকের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সেজন্য জনগণ এখন তাকিয়ে আছেন শেখ হাসিনার দিকে। শুনতে চায় তাঁর একটা কন্ঠস্বর। তাঁর একটি কন্ঠস্বরই যেন শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরাতে পারবে।

বাংলা ইনসাইডার/জেডআই