ঢাকা, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৫ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

আওয়ামী লীগ কমিটিতে কুখ্যাত রাজাকারপুত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬ আগস্ট ২০১৮ সোমবার, ১১:১৫ এএম
আওয়ামী লীগ কমিটিতে কুখ্যাত রাজাকারপুত্র তাজুল ইসলাম রাজাকার আফসার করিমের পুত্র

ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকার কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদিত হয়েছে। সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক কর্তৃক প্রস্তাবিত ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নাঙ্গ কমিটির ২৬ জন বহাল রেখে বাকি ৪৫ জন নতুন মুখ দিয়ে কমিটি অনুমোদন করেছে। বেশীরভাগ অপরিচিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সদস্যপদ প্রদানের পূর্বে অবশ্যই পারিবারিক খোঁজ নিতে হবে। বিএনপি-জামাত পরিবারের সদস্যদের আওয়ামী লীগের সদস্যপদ দেওয়া যাবে না। নবগঠিত কদমতলী থানা কমিটির একজন স্থানীয় কুখ্যাত রাজাকারপুত্র। ১৯৯৪ সালে ঢাকায় দুটি বাড়িতে পাকিস্তানি পতাকা উড়ানো হয়েছিল। একটি জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেলের বাড়ী। অপরটি শ্যামপুরের তৎকালীন চেয়ারম্যান কুখ্যাত রাজাকার আফসার করিমের বাড়ী। এই কুখ্যাত রাজাকারের পুত্র তাজুল ইসলামকে থানা কমিটির সহ-সভাপতি পদ দেওয়া হয়েছে। কদমতলী থানার খ্যাতনামা বিএনপি পরিবারের সদস্যকে থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি করা হয়েছে। উল্লেখ্য ঐ ব্যক্তি বিএনপি-জামাতের নিয়মিত অর্থ যোগানদাতা এবং বাবলা সাহেবের  রাজনীতির সহযোগী। ২ জন যুগ্মসাধারন সম্পাদকই খাঁটি বিএনপি পরিবারের সদস্য। কখনই কদমতলী এলাকায় আওয়ামী রাজনীতির সাথে ছিলেন না। কোষাধক্ষও বিএনপি নেতা ছিলেন। বেশ কয়েকজন রয়েছে জামাত-বিএনপির সমর্থক ও জামাতের অর্থ যোগানদাতা। এরা সকলেই বড় ব্যবসায়ী। স্থানীয় এমপি বাবলা সাহেবের সাথে সম্পর্ক রেখে শিল্পএলাকা্য় ব্যবসা করে। এই লোকগুলি আওয়ামী লীগ হয়ে অপকর্ম করে আওয়ামী লীগের বদনাম করবে।

এলাকার উন্নয়ন ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাচিয়ে রাখার স্বার্থে, স্থানীয় আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে, মহাজোটের প্রার্থী পুনরাবৃত্তি চায় না, ঢাকা-৪ এ নৌকা প্রতিকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রার্থী চায়। স্থানীয়ভাবে প্রচারিত হচ্ছে যে, ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগ কেন/কোনস্বার্থে  স্থানীয় রাজাকার পরিবার, বিএনপি ও স্বাধীনতা বিরোধীদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে ষড়যন্ত্র করার সুযোগ করে দিয়েছে অথবা লুটপাট করার করে আওয়ামী লীগের ইমেজ নষ্ট করার জন্য অথবা আওয়ামী লীগের মধ্যে মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থক সৃষ্টি করার জন্য। সামনে নির্বাচন, এমনি পরিস্থিতিতে, এই জামাতীরা দলের ভিতরে থেকে আত্মঘাতিমুলক কাজ করে সরকারের ক্ষতি করবে। স্থানীয় রাজনীতির জন্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠন ও দেশের স্বার্থে, নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আশু ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। 

বাংলা ইনসাইডার/জেডএ