ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার, ০৮:৩৪ পিএম
৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ৩০ অক্টোবর পর যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা করা হবে। আজ সোমবার বিকেল ৫টার পরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। আমরা সবকিছু চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছি। ভোটার তালিকার সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) প্রস্তুত করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। কোনো ভুলত্রুটি থাকলে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে তাদের অবহিত করতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিনশ` আসনের সীমানা নির্ধারণের কাজও শেষ করা হয়েছে। ছি। ৪০ হাজার ১৯৯টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত রাখা হয়েছে যদি দুর্বিপাকের কারণে অনত্র সরাতে হয়। তফসিল ঘোষণার পর পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। সচিব বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭শ` কোটি টাকা। ইতোমধ্যে খাতভিত্তিক ব্যয়ের জন্য নির্বাচন কমিশন অনুমোদন দিয়েছে।

ইতোমধ্যে অনেক নির্বাচন সামগ্রী ক্রয় করে গুদামজাত করা হয়েছে। অবশিষ্টগুলো ৩০ অক্টোবরের মধ্যেই কেনা হবে।

তিনি আরও বলেন, এবারই প্রথমবারের মতো অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মনোনয়নপত্রে হিজড়াদের জন্য আলাদা কোনো কলাম থাকবে না। এক্ষেত্রে তাদের জন্য আগের নিয়মই বহাল থাকছে। নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং (ইভিএম) মেশিন ব্যবহারের প্রস্ততিও থাকবে। এক্ষেত্রে সরকারের কাছে আইন সংশোধনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আইন সংশোধন হলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

এজন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দেশের ৯টি স্থানে এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে দু`দিনব্যাপী ইভিএম মেলার আয়োজন করা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বৈঠকের এজেন্ডায় কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বলেছিলেন। সেগুলো অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় প্রথমে তিনি বৈঠকে যোগ দিলেও পরে বর্জন করেন। আশা করি আগামী বৈঠকগুলোতে সব কমিশনাররাই উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলেন, সংলাপের ওঠে আসা বিষয়গুলোর মধ্যে সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা প্রণয়নসহ যেসব বিষয় আমাদের এখতিয়ারভুক্ত সেসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করেছি।

এর আগে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে কমিশন সভা বর্জন করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি সভা বর্জন করেন। আজ সকালে আগারগাঁওয়ে কমিশনের ৩৬তম সভা শুরুর মাত্র ১০ মিনিট পরই তিনি বেরিয়ে যান। এ বছরের ৩০ আগস্ট ইভিএম কেনার বিরোধিতা করে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে কমিশনের ৩৫তম সভা বর্জন করেছিলেন মাহবুব তালুকদার। পরে অবশ্য সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছিলেন।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ