ঢাকা, রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

খালেদার দণ্ড স্থগিতের জন্য আদালতে যাবেন আইনজীবীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ নভেম্বর ২০১৮ শনিবার, ০৯:৪৬ এএম
খালেদার দণ্ড স্থগিতের জন্য আদালতে যাবেন আইনজীবীরা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে আদালত কর্তৃক দুটি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত। এর মধ্যে জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতের দেওয়া ৫ বছরের দণ্ড বাড়িয়ে হাইকোর্ট ১০ বছর করেছে। আবার এই রায়ের আগের দিনই গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের দণ্ড দিয়েছে নিম্ন আদালত। নিয়মানুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে না। তাই এই দুটি রায়ের দণ্ড স্থগিত না হলে বেগম খালেদা জিয়া আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির নীতিনির্ধারক মহল গত রাতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অনতিবিলম্বে দুটি রায়ের দণ্ড স্থগিত করার জন্য তারা আদালতের শরনাপন্ন হবেন এবং আগামীকাল রোববারই তারা আদালতে যাবেন।

আইন অনুযায়ী, রায়ের দণ্ড স্থগিত করার জন্য আপিল বিভাগের শরনাপন্ন হতে হয়। বিএনপির আইনজীবীদের আবেদনের পর আপিল বিভাগ যদি খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে তাহলেই তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য হবেন। কিন্তু জিয়া এতিমখানা মামলায় ৫ বছর দণ্ড বৃদ্ধি করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের সত্যায়িত কপি এখনো বিএনপি আইনজীবীদের হাতে আসেনি, হাতে আসেনি নিম্ন আদালতে কর্তৃক ঘোষিত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায়ের সত্যায়িত কপিও। রায়ের সত্যায়িত কপি পাওয়ার আগেই খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কীভাবে আপিল করবেন এই এ নিয়ে আদালত পাড়ায় প্রশ্ন উঠেছে।

এই প্রসঙ্গে বিএনপির অন্যতম আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘রায়ের সত্যায়িত কপি না পেলেও আমরা আপিল বিভাগে গিয়ে দণ্ড স্থগিত করার জন্য আবেদন করতে পারি। আমরা এর আইনগত দিক পর্যালোচনা করছি।’

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, আগামীকাল রোববার তারা বিএনপির পক্ষ খালেদা জিয়ার রায় স্থগিত করার জন্য আবেদন করতে পারেন। কারণ আগামী ১৯ নভেম্বর একাদশ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই সময়ের মধ্যে দণ্ড স্থগিত না হলে বেগম জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন না, যার ফলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া তাঁর জন্য অসম্ভব হয়ে যাবে।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচটি