ঢাকা, রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী না দেওয়ার প্রস্তাব ড. কামালের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার, ০৬:০০ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর আসনে প্রার্থী না দেওয়ার প্রস্তাব ড. কামালের

প্রধানমন্ত্রী এবং স্পিকারের আসনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার প্রস্তাব করবেন ড. কামাল হোসেন। এছাড়াও সুশাসন, সুস্থ গণতান্ত্রিক চর্চা এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য গণফোরামের পক্ষ থেকে ১১ দফা প্রস্তাব নির্বাচনী ইশতেহারে থাকবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে এই প্রস্তাবগুলো তাদের ইশতেহারে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব করা হবে বলে জানিয়েছেন গণফোরাম নেতারা। এই ১১ দফা প্রস্তাবই হবে গণফোরামের নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বক্তব্য। এই ১১ দফা প্রস্তাবে যা বলা হয়েছে সেগুলো হলো:

১. বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী এবং স্পিকারের আসনে কোনো রাজনৈতিক দল প্রার্থী দেবে না। তাঁরা সর্বসম্মতভাবে নির্বাচিত হবেন।

২. প্রধানমন্ত্রী পরপর দুবারের বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।

৩. প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে দলীয় পদ ছাড়বেন।

৪. রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৫. প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্বগ্রহণের পরপরই প্রকাশ্যে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করতে হবে।

৬. সংসদে যারাই বিরোধীদলে থাকবে, তারা ছায়া-মন্ত্রিসভা গঠন করবে। মন্ত্রী এবং ছায়া-মন্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত আলাপ-আলোচনার রীতি চালু করতে হবে।

৭. সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করতে হবে। 

৮. প্রয়াত রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার, কুৎসা প্রচারণা বাতিল করতে হবে।

৯. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সব বিতর্কিত আইন বাতিল করতে হবে।

১০. প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। বিরোধী পক্ষের ওপর যেকোনো নিপীড়ন ও নির্যাতন বন্ধ করতে হবে।

১১. সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদের আলোকে ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে।

গণফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, এছাড়াও তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে কালো টাকার দৌরাত্ম্য বন্ধ, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম বন্ধ, বৈষম্য মুক্ত অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি বন্ধে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা থাকবে। তিনি বলেন, ‘গণফোরাম চায়, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয়গুলো নিয়ে ঐক্যফ্রন্টে আলোচনা করতে। অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে আমরা একটা অভিন্ন নির্বাচনী ঘোষণা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, ‘বিএনপি থেকে আমরা আলাদা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবো। আবার ঐক্য ফ্রন্টের পক্ষ থেকেও আমরা নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঘোষণা করবো।’ তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য যা করা দরকার, তাঁর সবকিছুই আমাদের করতে হবে।’

বাংলা ইনসাইডার/জেডএ