ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার আ. লীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার, ০৯:০০ পিএম
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অঙ্গীকার আ. লীগের

‘এখানেই থেমো না বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে মূল উপজীব্য করেই এবার নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি  করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশে গত এক দশকে যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা’, তা সমাপ্ত করতে আরেকবার ‘নৌকা’ প্রতীকে ভোট চাইবে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, তাদের নির্বাচনী ইশতেহার চূড়ান্ত। মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম এইচ. টি. ইমাম বলেছেন, ‘গত এক দশকে’ আমাদের অর্জনগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি সামনের দিনগুলোতে আমরা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থির করেছি আমাদের ইশতেহারে।’ আওয়ামী লীগের খসড়া ইশতেহারে ১২ টি মূল বৈশিষ্ট্য এরকম:

১. ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশকে আধুনিক, উন্নত এবং মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সময় নির্দিষ্ট (টাইম বাউন্ড) কর্মসূচি থাকবে ইশতেহারে।

২. বিগত এক দশকে অর্জনগুলো তুলে ধরা হবে। যেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ইত্যাদি।

৩. ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে – তাঁর একটি রূপকল্প থাকবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

৪. আমার গ্রাম, আমার শহর, প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুযোগ সুবিধায় সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা থাকবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

৫. ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা থাকবে ইশতেহারে।

৬. দারিদ্রের হার শূন্যে নামিয়ে আনা এবং বৈষম্য হ্রাসের সুনির্দিষ্ট কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে, নির্বাচনী ইশতেহারে।

৭. নির্বাচনী ইশতেহারে থাকবে তরুণদের জন্য একগুচ্ছ উপহার। এর মধ্যে চাকরির বয়সসীমা ৩২ বছর করার প্রস্তাব থাকবে।

৮. মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ‘মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার থাকবে।

৯. দুর্নীতিকে না। দুর্নীতির ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কথা থাকবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

১০. সকল ধর্মের সমানাধিকার এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার অঙ্গীকার করা হবে নির্বাচনী ইশতেহারে।

১১. নারীর ক্ষমতায়নের ধারা অব্যাহত রাখা হবে। নারীর জন্য আরও উন্মুক্ত হবে কর্মক্ষেত্র।

১২. জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের রজত জয়ন্তী উৎসবমুখর করার রূপরেখা থাকবে ইশতেহারে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন, আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে যে অঙ্গীকার করেছিল তার সবগুলোই পূরণ করেছে। তাই জনগণ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে আস্থা রাখবেন বলেই তাদের বিশ্বাস।

বাংলা ইনসাইডার/জেডএ