ঢাকা, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ২ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

প্রথমবারের মতো একটি আসনে শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার, ০৪:০০ পিএম
প্রথমবারের মতো একটি আসনে শেখ হাসিনা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা সপরিবারে হত্যা করে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। শুরু হয় আরেক সংগ্রামী জীবন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগকে আজকের অবস্থানে দাঁড় করিয়েছেন শেখ হাসিনা।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালে। স্বৈরাচার এরশাদের অধীনে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি ৫ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তারপরে ১৯৯১ সালের নির্বাচনেও তিনি ৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০০১ এর নির্বাচনেও তিনি ৩ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ছিলেন ২টি আসনে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও ২ টি আসনের জন্য মনোনয়ন কিনেছিলেন। আসন দুটি হলো গোপালগঞ্জ ৩ ও রংপুর ৫ আসন। একটি হলো তার পৈত্রিক নিবাস ও অন্যটি হলো শ্বশুর বাড়ি। গতকাল শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ডেকে শেখ হাসিনা রংপুর ৬ আসনটি উপহার দেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী সভাপতি এই আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পরে এই আসন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ছেড়ে দেন। শেখ হাসিনার ছেড়ে দেয়ার পরে এই আসনে শিরীন শারমিন চৌধুরীও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত ৫ বছর ধরে শিরীন শারমিন চৌধুরী সেখানে কাজ করছিলেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন,‘বিভিন্ন সময় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের একাধিক আসনে যে একটা প্রয়োজনীয়তা ছিল, সেটা এখন আর প্রয়োজন নেই।’ এজন্যই তিনি ১ টি আসনে নির্বাচন করছেন।

উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জ ৩ আসন থেকে শেখ হাসিনা যতবারই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। কখনোই পরাজিত হননি। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।

বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ