ইনসাইড ট্রেড

তারেকের প্রতিনিধি সিঙ্গাপুরে, নজরদারিতে এরশাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:২২ পিএম, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮


Thumbnail

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চিকিৎসাজনিত কারণে এখন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে সোমবার সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যান আরও উন্নততর চিকিৎসার জন্য। বেশ কয়েকদিনের নাটকীয়তা শেষে এরশাদের সিঙ্গাপুরে যাওয়া নিয়ে নানা মহলে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এদিকে, যুক্তরাজ্য থেকে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশেষ দূত এখন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে এরশাদের সিঙ্গাপুরে যাবার সাথে তারেকের বিশেষ দূতের সিঙ্গাপুরে অবস্থান করার পেছনে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা?

জাতীয় পার্টির একাধিক সূত্র জানায়, সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই জাপার সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে যে অবিচার করা হয়েছে তা নিয়ে নয়া মহাসচিবের কাছে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এরশাদ। বিশেষ করে রংপুরে জাপাকে ক্ষমতাসীন দল কোনো ভাবেই ছাড় দেয়নি। এমনকি এরশাদের কাঙ্ক্ষিত ঢাকা-১৭ আসনও দেয়নি আওয়ামী লীগ। এরশাদকে বিদায় জানাতে তার দলের যারা বিমান বন্দরে ছিলেন তাঁদের মধ্যে এক প্রেসিডিয়াম সদস্য জানান, নির্বাচনের অনেক খেলা এখনো বাকি আছে। এরশাদ স্যার, শেষ খেলাটা খেলবেন বলে তাদের ধারণা। জাপা চেয়ারম্যান এর আগেও দু’বার সিঙ্গাপুরে গেছেন চিকিৎসার জন্য। তখনই গুঞ্জন রটে তারেক রহমানের সঙ্গে এরশাদের বিগ ড্রিল হচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেই এরশাদ চলে যান ভারতে। ভারত থেকে কাঙ্ক্ষিত সবুজ সংকেত না মেলায় মহাজোট ছাড়ার সাহস পাননি এরশাদ। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট না ছাড়লেও ভেতরে-ভেতরে সহোদর জিএম কাদের বিএনপির সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখেন। এই গোপন আঁতাতের খবর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে সরকারের কাছে পৌঁছে গেলে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড এতে নাখোশ হয়। কিন্তু জাপা চেয়ারম্যান সবসময়ই কৌশলী ভূমিকা নিয়ে সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে চলেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক আসন বণ্টন ইস্যু নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট হন এরশাদ। আর তার রেশ ধরে গত কয়েকদিন অসুস্থতার অজুহাতে সিএমএইচ হাসপাতালে অবস্থান করেন তিনি। বর্তমানে জাতীয় পার্টির ১৪২ প্রার্থী মাঠে লাঙ্গল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। অধিকাংশ প্রার্থীই দাবি করছেন, তাদের জন্য এখনো বিশেষ কোনো সংবাদ অপেক্ষা করছে। আর সে সংবাদটি হয়তোবা সিঙ্গাপুর থেকেই আসবে বলে তাদের ধারণা। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে কঠোর নজরদারিতে রয়েছেন এরশাদ। সেখানে দর্শনার্থীদের দেখা-সাক্ষাতের বিষয়ে কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তারই সফরসঙ্গী জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার।

সূত্রটি জানায়, জিয়াউদ্দিন বাবলুর সিঙ্গাপুরে যাওয়া রহস্যজনক। কারণ এর আগেও দুবার এরশাদের সঙ্গে জিয়াউদ্দিন বাবলু সিঙ্গাপুরে গেছেন। জিয়াউদ্দিন বাবলুর বিতর্কিত ভূমিকার কারণে এবার তাঁকে মহাজোট থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।

বাংলা ইনসাইডার/জেডএ  



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে সয়াবিন তেল

প্রকাশ: ১২:২৫ পিএম, ০৪ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে সয়াবিন তেল

বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম কমছে আজ মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) থেকে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা ও খোলা সয়াবিনে লিটারপ্রতি ১৭ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭৮ টাকা। আগের দাম ছিল ১৯২ টাকা। একইসঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের নতুন দাম হবে ১৫৮ টাকা। বর্তমানে বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সোমবার (৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মোল্লার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতারা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও ঋণপত্র খোলার জটিলতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠক শেষে ভোক্তাদের সুবিধার্থে ভোজ্যতেলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে খোলা সয়াবিনের দাম কমেছে লিটারপ্রতি ১৭ টাকা।

সংগঠনটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের নতুন দাম হবে ১৫৮ টাকা। বর্তমানে বাজারে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৪৫ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৮৮০ টাকা। তার মানে, বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিনে লিটারপ্রতি ১৩ টাকা কমেছে।

এর আগে, গত ১৭ জুলাই সয়াবিন ও পাম তেলের দাম কমায় তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো। এরপর গত ২৩ আগস্ট আবার সয়াবিনের দাম লিটারপ্রতি ৭ টাকা বৃদ্ধি করে। দেড় মাসের ব্যবধানে সেই দাম কমানো হলো।

সয়াবিন তেল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আধাঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন

প্রকাশ: ১১:৪০ এএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আধাঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারে লেনদেনের শুরুতেই কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে। মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। সেইসঙ্গে লেনদেনে ভালো গতি দেখা যাচ্ছে।

প্রথম আধাঘণ্টার লেনদেনে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ৪০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ১৪ পয়েন্ট। আর লেনদেনে হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।

ডিএসইর পাশাপাশি অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মূল্যসূচকে ঊর্ধ্বমূখী রয়েছে। এ বাজারটিতেও সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকার পাশাপাশি দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার।

অবশ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে বা কমেছে, তার তুলনায় দাম অপরিবর্তিত থাকার পরিমাণ বেশি। আর সিএসইর দাম বাড়ার সংখ্যা বেশি।

বাজার পর্যালোচনায করে দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরু হতেই ডিএসইর প্রধান সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। লেনদেনের ২০ মিনিটের মাথায় সূচকটি ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে এরপর সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কিছুটা কমতে দেখা যাচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০টা ৬ মিনিটে ডিএসইতে ১১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৭১টির। আর ১৩৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ১২ পয়েন্ট। তবে, অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৭ পয়েন্ট। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়েছে। এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

অপর শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ৭০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৭টির, কমেছে ১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।


বাংলাদেশ   শেয়ার বাজার   লেনদেন   ডিএসই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আগামীকাল দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ

প্রকাশ: ০২:৫৯ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আগামীকাল দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল (৩ অক্টোবর) দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান পূর্ণদিবস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোনা ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

রোববার (২ অক্টোবর) বাজুসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. তানভীর আহমেদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মহাঅষ্টমী পূজার দিন অর্থাৎ আগামীকাল (৩ অক্টোবর) সোমবার সারাদেশে সব জুয়েলারি দোকান পূর্ণদিবস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস। ঘোষণা অনুযায়ী আগামীকাল সব জুয়েলারি দোকান বন্ধ থাকবে।

এদিকে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হ‌য় গত ২৬ সেপ্টেম্বর। যা ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে কার্যকর আছে।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম কমানো হয়েছে ৯৩৩ টাকা, এখন বিক্রি হবে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে কমেছে ৭০০ টাকা, কাল থেকে বিক্রি হয়েছে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা।

রুপার দাম ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।

আগামীকাল   দেশের   সব জুয়েলারি   প্রতিষ্ঠান বন্ধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

সাপ্লাই কম, দাম চড়া

প্রকাশ: ১২:১৪ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সাপ্লাই কম, দাম চড়া

কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাজারের সবজির দামে। শীত কড়া নাড়লেও বাজারে শীতকালীন সবজির সাপ্লাই এখনও তুলনামূলক কম। তাই বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে মুরগিরও দাম বেড়েছে। অপরিবর্তিত আছে অন্য সব পণ্যের দাম।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।  

বাজারে সবজির কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। বাজারে শিমের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ৮০ টাকা, চাল কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকা, প্রতিটি লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বরবটির কেজি ৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচের প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচাকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।  

শান্তিনগর বাজারের শেখ আবদুল্লাহ বলেন, সাপ্লাই কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। এছাড়াও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কৃষকদের উৎপাদন ব্যায় বেড়েছে। তাই বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে সবজি। শীতকাল আসছে তখন বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে।  

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।  

বাজারে খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। আগে প্যাকেট চিনি কেজি ছিল ৯৫ টাকায়। এছাড়াও লাল চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়।  

এসব বাজারে দেশি মশুর ডালের কেজি ১৪০ টাকা। ভারতীয় মশুরের কেজি ১০০ টাকা। লবনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বাজারে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।  

এসব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা।  

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকায়।

মুরগি বিক্রেতা রুবেল বলেন, মুরগির উৎপাদন থাকলেও খাবারের অজুহাতে দাম বাড়তি। পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা দাম কমালেই কমবে মুরগির দাম।

সাপ্লাই কম   দাম চড়া   সবজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail এক ইলিশের দাম ৭ হাজার টাকা!

বরগুনায় একটি ইলিশ ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন হয়েছিল। 

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের এই ইলিশ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিষখালী নদীতে জাল ফেলে সদরের পরীরখাল গ্রামের জেলে অলি আহম্মেদ। দুপুরের দিকে জাল তুললে তিনি দেখতে পান বিশাল সাইজের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে। এরপর ইলিশটি বিকেলে বরগুনা মাছ বাজারের ইদ্রিস মিয়ার আড়তে নিয়ে আসেন। সেখানে ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটি নিলামের মাধ্যমে ৭ হাজার ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনার মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, সচরাচর এত বড় ইলিশ জালে ধরা পড়ে না। এখন মাঝে-মধ্যেই বড় বড় ইলিশ পাওয়ার খবর পাচ্ছি। জেলেরা নিষেধাজ্ঞার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে, তাই সুবিধাও ভোগ করছে। নিষেধাজ্ঞা মানায় সাগর ও নদীর ইলিশগুলো বড় হতে পারছে।

ইলিশ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন