ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

সাবেক মন্ত্রীদের দিনলিপি

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ১২:৫৯ পিএম
সাবেক মন্ত্রীদের দিনলিপি
অনেকটা শুয়ে-বসে বই পড়ে এবং স্বজন-শুভান্যুধায়ী ও দলের নেতা-কর্মীদের সাথে সময় পার করছেন সদ্য বিদায়ী মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা। বর্তমান মন্ত্রীসভায় স্থান না পেয়ে বড় ধকলের রেশ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি সিনিয়র এবং ডাকসাইটে আওয়ামী লীগের এসব নেতারা। দলীয় বড় কোন কর্মসূচিতে এখনো মানিয়ে নিতে পারছেন না অধিকাংশরা। মনোকষ্টে ভূগছেন অনেকেই। বিভিন্ন সূত্র মারফত বাংলা ইনসাইডারের কাছে এসব তথ্য এসেছে।

জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী অসুস্থতাজনিত কারণে তার ছোট ছেলে সাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর ধানমন্ডির বাসায় অবস্থায় করছেন। নিজ নির্বাচনী এলাকা নগরকান্দার নেতা-কর্মিদের মাঝে সময় দেবার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন।

সদ্য বিদায়ী কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী তাঁর বাসায় থাকছেন অধিকাংশ সময়। তবে তিনি বই পড়ে এবং দলের নেতা-কর্মীদের সাথে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বর্তমান মন্ত্রিসভায় স্থান না পেয়ে প্রথমদিকে মনোক্ষুন্ন থাকলেও এখন তার ইস্কাটন বাসভবনে ঝালকাঠি এবং ঢাকার বিভিন্ন নেতাদের সাথে খোশ-গল্প করে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ব্যতিক্রম বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদেরে ক্ষেত্রে। বর্ষীয়ান এ জননেতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি বই লেখার কাজে হাত দিয়েছেন। আসন্ন বইমেলায় তোফায়েল আহমেদের বইটি মেলায় আসতে পারে। এছাড়াও তিনি ভোলার নির্বাচনী এলাকার মানুষের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাসায় বসে নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন। তবে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে দফায়-দফায় বৈঠক করছেন তার বাসভবনে।

সদ্য বিদায়ী তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু মন্ত্রিসভায় জায়গা না পেয়ে হঠাৎই অসূস্থ্য হয়ে পড়েন। বর্তমানে তিনি সুস্থ। জাসদ কার্যালয়ে নিয়মিত সময় দিচ্ছেন। আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে নেতা-কর্মীদের সাথে বৈঠক করে সময় পার করছেন সাবেক এই মন্ত্রী।

একই চিত্র মন্ত্রীসভার আরেক সাবেক সদস্য বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের ক্ষেত্রেও। তিনিও দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত। সার্বিক বিষয়াদী চুলচেরা বিশ্লেষন করে আগামীর কর্মপরিকল্পনা ঠিক করছেন।

সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান নিজের পরিবহন ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি শ্রমিক নেতৃত্বে সময় দিচ্ছেন।

সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম আবারো আইন পেশায় সময় দেবার চিন্তাভাবনা করছেন।

সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোযার হোসেন মঞ্জু বর্তমানে বেশির ভাগ সময় ইত্তেফাক ভবনে থাকছেন এবং জাতীয় পার্টি  জেপির সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকি করার পাশাপাশি নিজ  নির্বাচনী এলাকার জনগণ ও ব্যক্তিগত বন্ধুদের সাথে সময় দিচ্ছেন।

বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ অধিকাংশ সময় চট্টগ্রামেই থাকছেন। 
 
বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ