ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘নির্বাচনে অনুমতি দেন, নইলে টাকা ফেরত’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার, ০১:০৫ পিএম
‘নির্বাচনে অনুমতি দেন, নইলে টাকা ফেরত’

দু’দিন আগেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করলে যে, বর্তমান সরকারে এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোন নির্বাচনি অংশগ্রহণ করবে না বিএনপি। কিন্তু এর পরপরই তাদের সিদ্ধান্ত আবার পাল্টে যাচ্ছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি টানাপোড়েনে পড়েছে। উল্টো সুরে কথা বলছেন এখন মির্জা ফখরুল। বিএনপি মহসাচিব বলছেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো কিনা সিদ্ধান্ত আসবে লন্ডন থেকে। 

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, তারেক জিয়াকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ঢাকা উত্তর নির্বাচনের মনোনয়ন কিনেছিলেন তাবিথ আউয়াল। সেসময় তার নির্বাচন করার কথা থাকলেও আইনী নিষেধাজ্ঞার কারণে তখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। এখন আদালতের নিষেধাজ্ঞা কেটে গেছে। মাঝখানে অনেক ঘটনাই ঘটেছে। জাতীয় নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি হয়েছে। কারচুপির অভিযোগে ওই নির্বাচনকে প্রত্যাখান করেছে বিএনপি। এরপর বিএনপির মহাসচিব ঘোষণা দেন যে, এই সরকারে অধীনে আর কোন নির্বাচনে বিএনপি যাবে না।

দলটির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, তাবিথ আউয়াল যেহেতু এই নির্বাচনে লড়ার জন্য লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছিলেন এবং তিনি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তাই তিনি তারেককে টেলিফোন করে বলেছেন যে, ‘হয় নির্বাচন করার অনুমতি দেন নাহলে টাকা ফেরত দেন।’ টাকা ফেরত না দেয়ার জন্য এই নির্বাচনের ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিএনপি। দুইদিনের মাথায় কথা পাল্টে ফেললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। আজ তিনি বলেছেন, নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান। তার সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর আমরা ঢাকা উত্তরের নির্বাচনের অংশ নেয়ার ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত জানাবো।

যেহেতু একটা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাবিথ আউয়াল মনোনয়ন পেয়েছিলেন তাই তারেক জিয়া তার টাকা ফেরত না দিয়ে তাকে নির্বাচনের অনুমতি দিতে পারেন বলে বলছে দলটির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো। টাকার কাছেই যে বিএনপি বার বার পরাজিত হচ্ছে সেটা আরেকবার প্রমাণিত হলো।

বাংলা ইনসাইডার/এমআর