ইনসাইড পলিটিক্স

শেখ হাসিনার সেরা দশ সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:০১ পিএম, ১৫ মে, ২০১৯


Thumbnail

আর মাত্র দুদিন পর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্নের ৩৮ বছর পূর্ণ হবে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন এক প্রতিকুল ঝঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ পরিবেশে। এই ৩৮ বছরে তাঁকে রাজনৈতিক জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাত চড়াই উৎরাই পার করতে হয়েছে। নানারকম বিপদসংকুল পরিবেশ অতিক্রম করেই আজকে তিনি বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আর যাই হোক শেখ হাসিনার নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ‘বাংলা ইনসাইডার’ এর  ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব আজ। আজকের পর্বে আমরা আলোচনা করবো রাজনীতিবিদ হিসেবে শেখ হাসিনার সেরা দশটি সিদ্ধান্ত। দেশবরেণ্য রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সহযোগিতা নিয়েই আমরা এই সেরা দশ সিদ্ধান্ত নির্বাচন করেছি। এই দশ সিদ্ধান্ত শুধু শেখ হাসিনার জীবনের রাজনৈতিক গতিপথ পরিবর্তন করেনি বাংলাদেশের রাজনীতিতেও এক নতুন মেরুকরণ ও বিন্যাস তৈরি করেছে। আসুন দেখা যাক ‘বাংলা ইনসাইডার’ বিবেচনায় শেখ হাসিনার সেরা দশ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত-

১. আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করাঃ  ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার পর আওয়ামী লীগ হয়ে পরেছিল বিদ্ধস্ত ও হতবিহ্বল। কোন্দলে আবদ্ধ দলের মনোবল হয়ে গিয়েছিল চূর্ণ। এরকম একটি পরিস্থিতিতে নেতৃত্বশূন্য আওয়ামী লীগের হাল ধরার জন্য আহ্বান জানানো হয় শেখ হাসিনাকে। তখন তিনি বিদেশে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু যখন তাঁকে নেতৃত্ব দেওয়া হয় তখন তিনি নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। শুধু শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনে নয় বলা হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক জীবনে এটি সবচেয়ে বড় এবং সাহসী সিদ্ধান্ত। যেখানে পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে সেখানে বাংলাদেশে ফিরে আসা শুধু মৃত্যুর ঝুকিই নয় বরং আত্মহত্যারও সামিল। এছাড়া তিনি নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন কতটা প্রতিকূল পরিবেশে তাঁকে এই দায়িত্ব নিতে হবে। আজ ৩৮ বছর পরও ফিরে তাকালে সেটা কল্পনা করাও দুঃসাধ্য ব্যাপার। তাই আমাদের বিবেচনায় এটি তাঁর সবচেয়ে সেরা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

২. সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনঃ  শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কিছুদিন পরই মারা যান জিয়াউর রহমান। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়ে ক্ষমতায় বসেন উর্দি পরা আরেক একনায়ক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তারপরই শুরু হয় স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আন্দোলনে এক পর্যায়ে যুক্ত হন বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ ৯ বছর আন্দোলনের পর স্বৈরাচারী এরশাদের পতন ঘটলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু ৯১এর নির্বাচনে অভাবনীয়ভাবে আওয়ামী লীগ পরাজিত হয় যা ছিল অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য। পরাজিত হলেও তিনি তাঁর নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবী করেন। সংসদীয় গণতন্ত্র আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অঙ্গীকার এবং ৭২ এর সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা প্রবর্তিত ছিল। পরবর্তীতে এই ব্যবস্থা থেকে আমরা সরে আসি এবং  জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি জানতেন সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই এবং বিরোধী দলে থেকেই সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা পুনপ্রবর্তনের ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। কাজেই এটা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

৩. প্রচলিত আইনে জাতির পিতা হত্যাকান্ডের বিচারঃ ৯৬ সালে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ অঙ্গীকার অনুযায়ী জাতির পিতার হত্যাকান্ডের বিচার শুরু করে। শেখ হাসিনা চাইলেই বিশেষ ট্রাইবুনাল করে বা দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল করে জাতির পিতার হত্যার বিচার করতে পারতেন কিন্তু তিনি সেসব না করে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করেন। যা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার এক  অনবদ্য নজির এবং যা দেশে বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। বলা হয় যে, শেখ হাসিনা যে গনতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল তাঁর প্রমাণ এটি।

৪. একাত্তরের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারঃ
৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে যেটা তিনি পারেননি এবং যা ছিল এদেশের মানুষের অনেক আকাংখিত বিষয় তা হলো একাত্তরের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার। ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে তিনি ৭১ এ যারা গনহত্যা , লুট, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগের সংগে জড়িত ছিল তাঁদের বিচার করা। ক্ষমতায় এসে আন্তার্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল অনুযায়ী তাঁদের বিচার শুরু করে দেশে পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুন:প্রতিষ্ঠায় তিনি সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

৫. কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠাঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল তৃণমূল পর্যন্ত দেশের সকল নাগরিকের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে তা করে যেতে পারেননি। শেখ হাসিনা প্রথমবার ক্ষমতা গ্রহণ করে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে অনেকদুর কাজ এগিয়ে নিলেও বিএনপি জামাত জোট সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা চালু করেন জনগণের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে। কমিউনিটি ক্লিনিক শুধু বাংলাদেশে নয় তৃণমূলের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একটি রোল মডেল হিসেবে কাজ করছে এবং সারাবিশ্বে একটি অনন্য স্বাস্থ্য মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে। কাজেই কমিউনিটি ক্লিনিক শেখ হাসিনার আরেকটি বিচক্ষণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন।

৬. ডিজিটাল বাংলাদেশঃ ২০০৮ সালে নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেয়। তখন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়টি ছিল অস্পষ্ট, এর রুপ কি হবে তা সম্পর্কে কারো কোনো ধারণা ছিল না। অনেকে এটিকে কৌতুকে পরিণত করে। কিন্তু আজকে বাংলাদেশ সত্যি সত্যি ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। গ্রামে গঞ্জে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা ভোগ করছে। শুধু তাই নয় ইন্টারনেটে দ্রুত বর্ধনশীল দেশের একটি হলো বাংলাদেশ। কাজেই  শেখ হাসিনার সেরা ১০ টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের একটি হলো বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রক্রিয়া গ্রহণ।

৭. জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতাঃ ৯৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগ ঘোষনা ক্রেছিল যে জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের শূন্য সহিষ্ণুতা রয়েছে। কিন্তু প্রথম মেয়াদে সেটি আওয়ামী লীগ সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে সেটি করে এবং তা হলো জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিরদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি। এই নীতি গ্রহণ করে বাংলাদেশে যে ভারতের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নিতাবাদী সংগঠনের আশ্রয়স্থল ছিল, যে পকেটুগুলো ছিল সেগুলো সমূলে উৎপাটন করেন শেখ হাসিনা। ফলে বাংলাদেশ যে জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণু সে বার্তাটি সারা বিশ্বে পৌঁছে যায়। যাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সাররাবিশ্বে উজ্জ্বল হয়। এটি আওয়ামী লীগ সভাপতির অন্যতম একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।

৯. ভারতের সংগে সুসম্পর্কঃ ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিবেশী। শুধু মায়ানমারের কিছু অংশ ছাড়া পুরোটাই ভারত বেষ্টিত। ভারতের সংগে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে গাঁথা। কিন্তু রাজনৈতিক টানাপোড়েনে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে একটি ভারত বিদ্বেষী মনোভাব জাগিয়ে তোলা হয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ভারতের সংগে রাজনোটিক আর্থিক বিভিন্ন খাতে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। ফলে ভারতের সংগে পার্বত্যচুক্তি, ট্রানজিট, ছিটমহল বিনিময়সহ বিভিন্ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফলে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি নতুন মাত্রা পায়। যার ফলে দুইদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলিতা এবং সামাজিক সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে যা আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

৯. উন্নয়নের গনতন্ত্রঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব গ্রহণ করেই বুঝেছিলেন গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না যদি মানুষের পেটে ভাত না থাকে। এজন্য উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্র যদি নিজের পায়ে দাঁড়াতে না পারে তাহলে কখনো গণতন্ত্র টেকসই হতে পারে না। সেজন্যই তিনি দেশকে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মডেল গ্রহণ করেন। গত দশ বছরে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হয়েছে।  গণতন্ত্রকে টেকসই করতে গেলে উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। এজন্যই তিনি স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছিলেন। তাই বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বের বিস্ময়। উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের দ্রুত বর্ধিষ্ণু আটটি দেশের একটি হলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উন্নয়নের গণতন্ত্রের মডেলের কারণেই বাংলাদেশে আজ স্থিতিশীল এবং উন্নয়ন যুগপতভাবে চলছে বলে মনে করা হয়।

১০. অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ চিরতরে রুদ্ধ করাঃ দ্বিতীয় মেয়াদে ২০০৯ সালে দায়িত্বগ্রহণ করেই আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেন। ৭২ সংবিধানের আলোকে সংবিধানকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু করেন। সেখানে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে সাংবিধানিকভাবে বৈধতা দেওয়ার সব প্রচেষ্টাই রোহিত করা হয়েছে। এটা একটা তৃতীয় বিশ্বের দেশের জন্য এক অনন্য সাংবিধানিক রক্ষাকবচ। ফলে বাংলাদেশে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির চির অবসান ঘটেছে। এটা শেখ হাসিনার সেরা দশ সিদ্ধান্তের একটি।

বাংলা ইনসাইডার/এসআর 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

তালতলীতে কৃষকলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন

প্রকাশ: ০১:৪৪ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail তালতলীতে কৃষকলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন

বরগুনার তালতলীতে বাংলাদেশ কৃষকলীগ তালতলী উপজেলা শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি হাজী আলম কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাড. গাজী জসিম উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুল হক স্বপন সভাপতি বরগুনা জেলা কৃষকলীগ।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেজবি উল কবির জোমাদ্দার সভাপতি তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা চেয়ারম্যান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ নিউ খেইন সহ সম্পাদক (ধর্ম বিষয়ক) কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

এছাড়াও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মনসুর আলী জোমাদার সাধারণ সম্পাদক কৃষক লীগ তালতলী উপজেলা শাখা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আজ থেকে ফের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি

প্রকাশ: ০১:৩৪ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে ফের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি

সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপ ফের সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। দুপুর ২টা গুলশান চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। 

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিএনপি পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত থাকবেন। আর কল্যাণ পার্টির পক্ষ থেকে দলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল অংশ নেবেন।

এর আগে চলতি বছরের ২৪ মে সরকার-বিরোধী বৃহত্তর যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। প্রথম দফার ওই সংলাপে ২৩টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল জেএসডি, গণফোরামের একাংশ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), লেবার পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় দল, মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক দল (ডিএল), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ইসলামিক পার্টি, পিপলস লীগ, ন্যাপ-ভাসানী ও বাংলাদেশ ন্যাপ।

বিএনপি   সমমনা দল   আন্দোলন   সংলাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আন্দোলন নিয়ে বিভক্ত বিএনপি

প্রকাশ: ১১:২০ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বিভক্ত বিএনপি

সরকারবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে গিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি। আন্দোলন সফল করতে দলটি জেলা, মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছে। এই মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা শুরু হয়। চলে রাত ৮টা পর্যন্ত। এতে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের জেলা, মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি এ বৈঠকে যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কিন্তু আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় উঠে আসে এক ভয়ংকর চিত্র। সভায় আবারও উঠে আসে দলের অভ্যন্তরীণ মত ভেদের কথা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির হাইকমান্ড থেকে আগামী দিনে সরকার পতনে চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় নেতারা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সব নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন-সংগ্রাম বেগবান করার কথা বলেন। বহিষ্কারসহ বিভিন্ন কারণে যারা এতদিন দল থেকে দূরে ছিলেন, তাদেরকেও দলে ফিরিয়ে এনে আন্দোলনে যুক্ত করার নির্দেশনা দেন।

তবে বহিষ্কৃত ও দল ছেড়ে যারা চলে গেছেন, তাদের ফেরানোর ব্যাপারে আপত্তি জানান তৃণমূলের নেতারা। তারা বলেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য বৃহত্তর ঐক্য দরকার। কিন্তু যারা দলের ক্ষতি করে গেছেন, তারা ফিরলে ত্যাগী নেতাকর্মীরা অস্বস্তিতে পড়বেন। তাদের জন্য ত্যাগীরা দলে জায়গা না পেলে বিশৃঙ্খলার ‍সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে, সরকার পতনের আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদি না করার ব্যাপারেও বিএনপির হাইকমান্ডকে পরামর্শ দেন তৃণমূলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা বলেছেন, বিভাগীয় গণসমাবেশ শেষ করে এক থেকে দেড়মাস মেয়াদি সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করতে হবে। তাহলে আন্দোলনে গতি আসবে। নেতাকর্মীরাও সক্রিয়ভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠে থাকবেন।

বৈঠক শেষে যশোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, সরকার পতনের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন যৌক্তিকপর্যায়ে নিয়ে যেতে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যেভাবে অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতিতে দেশ চলছে, তা চলতে দেওয়া যায় না। এজন্য আন্দোলন বেগবান করে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে বৈঠকের বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দলের ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতেই বিভাগীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করা হয়েছে। এ বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ ১০ বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশের ঘোষণা করেছে বিএনপি। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী- আগামী ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগে, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহে, ২২ অক্টোবর খুলনা, ২৯ অক্টোবর রংপুর, ৫ নভেম্বর বরিশাল, ১২ নভেম্বর ফরিদপুর, ১৯ নভেম্বর সিলেট, ২৬ নভেম্বর কুমিল্লা, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী ও ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণসমাবেশ করবে বিএনপি।

বিভক্ত   বিএনপি   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ম্লান হয়ে যাচ্ছে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ম্লান হয়ে যাচ্ছে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। শুরুতে বিএনপির এই দাবির সাথে অন্যান্য দলগুলো এ নিয়ে কথা বললেও এখন আর সেভাবে কোনো দলই সক্রিয় নয়। বরং সব দলগুলোই এখন নির্বাচনমুখী হয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে দলটির দাবি এখন পর্দার আড়ালে চলে যাচ্ছে। বিএনপির এই দাবি ম্লান হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই দাবি সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে দলটি ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন ম্লান হতে কসেছে। আর এর প্রমাণ পাওয়া যায় সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে। 

বিএনপি এখন আন্দোলন করছে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ভোলায় নুরে আলম ও আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জে শাওন প্রধান, মুন্সিগঞ্জে শহিদুল ইসলাম শাওন ও যশোরে আব্দুল আলিম হত্যাসহ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে। অথচ দলটির নেতারা নিজেরাই এতোদিন বলে আসছিল যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিই হলো  বিএনপির একমাত্র এবং এক দফা দাবি। কিন্তু দলটি এখন সে দাবি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। 

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সপক্ষে দেশের অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও তেমন সক্রিয় নয় বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্তমানে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি বিশেষ করে দলটির চেয়ারম্যান সরকারের নানা সমালোচনা করলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি নিয়ে তেমন কোনো কথা বলছেন না। বরং দলটি আগামী নির্বাচনে এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া কথা বলেছে। যেকারণে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন যে, বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন অনেকটা ম্লান হয়ে গেছে। আর বিএনপির নেতাকর্মীরাও এই নিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছেন।

শুধু জাতীয় পার্টি নয়, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচিত জোট সাতদলীয় ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ বিভাগে প্রতিনিধি সভা ও অক্টোবর-নভেম্বরে জেলায় জেলায় সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি বাড়ছে। এছাড়া ইসলামী দলগুলোর এখন নির্বাচনমুখী হচ্ছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে নিজেদের রোডম্যাপ তৈরি করছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবেই ৩০০ আসনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আসলে ম্লান হয়ে যাচ্ছে কিনা সেটা এখনই সুস্পষ্টভাবে বলা মুসকিল। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো এখন আর এই দাবি নিয়ে তেমন সক্রিয় আছে বলে পরিলক্ষিত হয় না। বরং তারা নির্বাচনমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করছে।

বিএনপি   তত্ত্বাবধায়ক সরকার   আন্দোলন   জাতীয় পার্টি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ফরিদপুর-২ আসনে নৌকার মাঝি হতে আগ্রহী ১৪ জন

প্রকাশ: ০৮:৪৩ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ফরিদপুর-২ আসনে নৌকার মাঝি হতে আগ্রহী ১৪ জন

জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা ও কৃষ্ণপুর) আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন তার দুই ছেলেসহ ১৪ জন। গেল ১১ সেপ্টেম্বর সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মারা যাওয়ার পর গত ১৩ সেপ্টেম্বর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা নেওয়া শুরু হয়। শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নগরকান্দা, সালথা উপজেলা ও সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী ৫ নভেম্বর।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ওই আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে ওই আসনে আসনে কে হবেন নৌকার মাঝি, তা নিয়ে নগরকান্দা, সালথা ও কৃষ্ণপুরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এর মধ্যে অনেক নেতাকে গণসংযোগ করতে দেখা গেছে।

দলীয় মনোনয়ন চেয়ে যারা আবেদন করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখিত ও আলোচিত জায়গায় রয়েছেন প্রয়াত সাজেদা চৌধুরী দুই ছেলে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আয়মন আকবর ওরফে বাবলু চৌধুরী ও শাহদাব আকবর চৌধুরী ওরফে লাবু।

ওই আসনে অন্য যারা দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন তাদের মধ্যে আছেন- আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বিপুল ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সরদার, ফরিদপুর জেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সহসভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান জুয়েল, নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিয়া, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মেজর (অব.) আতমা হালিম, সাব্বির হোসেন, নগরকান্দার চর যশোহরদী ইউনিয়নের আবু ইউসুফ মিয়া, জেলা মৎসজীবী লীগের আহ্বায়ক আব্দুস সোবহান, নগরকান্দার শশা গ্রামের বাসিন্দা বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এয়ার কমোডোর (অব.) কাজী দেলোয়ার হোসেন, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংবাদিক লায়েকুজ্জামান ও নগরকান্দা সদরের চৌমুখা মহল্লার বাসিন্দা কালাচাঁদ চক্রবর্তী।

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ১৪ জন নেতার আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।
 
গত ২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন এ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ইভিএম পদ্ধতিতে এ উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে। তফসিল অনুযায়ী মানোনয়নপত্র জমা আগামী ১০ অক্টোবর, বাছাই ১২ অক্টোবর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ১৯ অক্টোবর আর ভোটগ্রহণ হবে ৫ নভেম্বর।

ফরিদপুর-২   উপনির্বাচন   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন