ঢাকা, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ছিটকে পড়ছেন সাবেক ছাত্রনেতারা!

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০১ ডিসেম্বর ২০১৯ রবিবার, ০৩:২০ পিএম
বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ছিটকে পড়ছেন সাবেক ছাত্রনেতারা!

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটি থেকে ছিটকে পড়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। সাবেক ছাত্র নেতাদের প্রত্যাশা ছিলো অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কমিটিতে তাদের কাঙ্খিত ঠাঁই মিলবে। কিন্তু বিধিবাম তা হয়নি দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমলনামা থাকার কারণে।

বিশেষ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মোল্লা মোহাম্মদ আবু কায়সার, পংকজ দেবনাথ স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে ছিটকে পড়লেও অনেকের ধারনা ছিলো কাঙ্খিত পদ-পদবী পাবেন মহানগরের কমিটিতে কিন্তু ইতিমধ্যে দুজনেই নিশ্চিত হয়েছেন মহানগরে কোন কমিটিতে তাদের ঠাঁই মিলছে না। যুবলীগের কমিটিতে অনেকেরই প্রত্যাশা ছিলো পদ-পদবী পাবার। কিন্তু সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, বির্তকিতদের কোনভাবেই রাখা হবেনা কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটিতে। এখানে আশাহত হচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতারা। বিশেষ করে সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে শফি আহমেদ, লিয়াকত সিকদার, নজরুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন অপু, ইকবালুর রহিম, অজয় কর খোকন, বাহাদুর বেপারী, শাহজাদা মহিউদ্দিন,আমিনুর রহমান আমিন, বলরাম পোদ্দার, সুভাষ সিংহ রায়, জাকির হোসেন, মাহমুদ হাসান রিপন, মাহফুজুল হক রোটনসহ বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকা সত্ত্বেও আগামীতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং আওয়ামী লীগের কাউন্সিল পরবর্তী কমিটিতেও তাদের কাঙ্খিত পদ-পদবী মিলছে না বলে দলের অভ্যন্তরের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সরকারের একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ জরিপে দেখা গেছে, সাবেক এসব ছাত্রনেতারা প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিশেষভাবে লাভবান হয়েছেন এছাড়া তারা বিভিন্নভাবে সংগঠনের ভাবমুৃর্তি নষ্ট করে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরীতে বিশেষ অবদান রেখেছেন। আর এসব বিচেনায় এবার দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স নীতিতে বির্তকিত কর্মকান্ডে অভিযুক্ত সাবেক ছাত্রনেতাদের প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে পদ-পদবী থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তবে সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে যাদের ভূমিকা ভালো তাদের ব্যাপারে দলীয় সভানেত্রীর ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে বলে জানা গেছে। সাবেক দুই ছাত্রনেতা বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য এনামুল হক শামীম এবং খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আওয়ামী লীগের আগামী কাউন্সিলে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যেতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের এক প্রেসিডিয়াম সদস্য বাংলা ইনসাইডারকে জানান, বিতর্কিত এবং বহিরাগত কাউকেই আর আওয়ামী লীগ কিংবা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কমিটিতে আর দেখা যাবেনা। তার মতে, দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন।