ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১৬ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

খালেদার রিপোর্ট চূড়ান্ত; কাল যাচ্ছে কোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার, ১০:২৮ পিএম
খালেদার রিপোর্ট চূড়ান্ত; কাল যাচ্ছে কোর্টে

আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। দুপুর ১টা থেকে এক ঘন্টা ব্যাপী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন খালেদা জিয়ার জন্য নিয়োজিত পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড। চিকিৎসা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তারা একটি রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছেন।

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই মেডিকেল রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে মেডিকেল বোর্ড। এ ব্যাপারে তাদের কোনো হস্তক্ষেপ নেই আর তারা জানেনও না রিপোর্টে কি আছে। একটি খাম বন্দি রিপোর্ট আগামীকাল আপিল বিভাগে জমা দেওয়া হবে। কিন্তু একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, এই মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টে খালেদা জিয়ার গুরুতর কোনো অসুস্থতা নেই। আর চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতাল বা বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, মেডিকেল বোর্ডে খালেদা জিয়ার তিনটি অসুস্থতার কথা বলা হয়েছে। অসুস্থতাগুলো বার্ধক্যজনিত বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। আর এই অসুস্থতার মধ্যে রয়েছে বাতের সমস্যা। এটিই সবচেয়ে প্রকট। এছাড়া তার অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রয়েছে। যেটি ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রনে এসেছে। এছাড়া তার রয়েছে দাঁতের সমস্যা। যেটিও এখন নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, বঙ্গবন্ধ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সবচেয়ে আধুনিকতম এবং সুসজ্জিত হাসপাতাল। এই হাসপাতালেই যে কোনো ধরণের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। কাজেই চিকিৎসার ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং ডাক্তাররা গাফিলতি করছে না।

একাধিক সূত্র বলছে, রিপোর্টে এটাও নিশ্চিত করা হয়েছে বেগম খালেদা জিয়াও চিকিৎসকদের কাজে সন্তুষ্ট। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাশীল। এই পরিস্থিতিতে মেডিকেল বোর্ড মনে করে বেগম খালেদা জিয়ার এখন যেভাবে চিকিৎসা চলছে তা যথাযথ এবং তাকে আধুনিক চিকিৎসায় দেওয়া হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই রিপোর্টের ভিত্তিতে কি সিদ্ধান্ত নেবেন তা বোঝা যাবে আগামী ১২ ডিসেম্বর। ঐ দিনে বেগম খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আপিল বিভাগে।

এদিকে বিএনপি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ১২ ডিসেম্বর যদি বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না হয় তাহলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবে।

বাংলা ইনসাইডার/এমআরএইচ