ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangla Insider

তাঁরা পারেন কিন্তু নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০২০ সোমবার, ০৯:০০ পিএম
তাঁরা পারেন কিন্তু নেই

মন্ত্রী- এমপিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের এমন নিয়মে আওয়ামী লীগের অনেক হেভিওয়েট নেতাই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারছেন না। কিন্তু অনুসন্ধান করে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের এমন অনেক হেভিওয়েট নেতা আছেন যারা এমন নিয়ম মেনেই সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন কিন্তু তারা সক্রিয় নেই। প্রশ্ন উঠেছে কেন তারা নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেই। এমন কয়েকজনের কথা বলা হল;

কাজী জাফরউল্লাহ

টানা ৫ম বারের মত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েছেন। তিনি একজন সাবেক এমপি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির সদস্য হলেও তাকে সিটি নির্বাচনের মাঠে দেখা যাচ্ছে না। তিনি কোন এলাকার এমপি নন। তিনি মন্ত্রীও নন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক

২০০৮ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে। কিন্তু তিনিও এই সিটি নির্বাচনে সক্রিয় নেই। যদিও সদ্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়া সাবেক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী কবির নানক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার হার্টে রিং পড়ানো হয়েছে। তিনি বর্তমানে বিশ্রামেই আছেন। শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ার কারণে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারছেন না।

আব্দুর রহমান

সদ্য সভাপতি মন্ডলীতে স্থান পাওয়া আব্দুর রহমানও দলের বেশ গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি এমপি বা মন্ত্রী কিছুই নন। তারপরও এবারের সিটি নির্বাচনে তার কোন কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম

মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকেও নির্বাচনী প্রচারণায় তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। তিনি আওয়ামী লীগের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা।

বিএম মোজাম্মেল হক

আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন সাংগঠনিক সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন করা বিএম মোজাম্মেল হকও সক্রিয় নেই সিটি নির্বাচনে। তিনিও গত মেয়াদে আওয়ামী লীগের একজন সংসদ সদস্য। বর্তমানে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী না হলেও তাকে দেখা যাচ্ছে না সিটি নির্বাচনের প্রচার প্রচারণায়।

মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া

আওয়ামী লীগে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া। মেয়র হানিফ যখন সভাপতি ছিলেন তখন তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা মহানগরের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথমদিকে সিটি নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সরব থাকলেও ক্রমশ তিনি এই সিটি নির্বাচনের উত্তাপ থেকে হারিয়ে যাচ্ছেন।

প্রশ্ন উঠেছে; সুযোগ থাকলেও আওয়ামী লীগের এমন গুরুত্বপূর্ণ নেতারা কেন সিটি নির্বাচন থেকে দূরে আছেন? কেনইবা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জন্য মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন না। জানা যায়, দলের কৌশলগত কারণেই তারা দূরে বা নীরব আছেন।