ঢাকা, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

Bangla Insider

বিদেশে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল ২০২০ বুধবার, ০২:৪৮ পিএম
বিদেশে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

বিদেশে একটা শ্রেনী আছে যারা নিয়মিত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপ্রপচার করে। বিশেষ করে সংকটময় পরিস্থিতিতে তারা আরো মেতে ওঠে। এখন করোনা ভাইরাস, যেটা বিশ্বিক সংকট। সেই সংকট মোকাবিলায় সারা বিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশও করোনা মোকাবিলায় একটা জাতীয় ঐক্যমত গঠন করেছে।জনগণ সবাই মিলে এর মোকাবিলা করছে। সরকার তার সব রকম চেষ্টা করছে এর প্রতিরোধে।

সেখানে একটা শ্রেনী করোনা মোকাবিলায় জনগনের পাশে থাকার বদলে জনগনের মধ্যে নানা রকম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না্না রকম অপপ্রচার করে করোনা নিয়ে মানুষের মধ্যে অস্থিরতা তৈরী করার নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে।

এদের রাজনৈতিক পরিচয় সবাই জানে। এরা বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নানা রকম অপপ্রচার করছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক শামসুল আলম, তিনি এখন যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন। এর আগেও তিনি সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নোংরা অপপ্রচারে লিপ্ত ছিল। আছেন ডেভিড বার্গম্যান, যিনি যুদ্ধাপরাধীদের আইনজীবি এবং ড. কামাল হোসেনের জামাতা। এই মানুষটি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে জোরালে অবস্থান নিয়েছিলেন। পিনাকি ভট্টাচার্যও আছেন এই তালিকায়। তিনি চিকিৎসক এবং কিছুদিন আগে পর্যন্ত মৌলবাদীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে স্যোশাল মিডিয়াতে সরকারের বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচারে লিপ্ত ছিল।এছাড়াও আছেন মীর জাহান, তিনি একজন সাবেক সেনা অফিসার। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়েও নানা কটুক্তি করছেন ফেসবুকে। তাসনিম খলিল, যিনি সুইডিশ বাংলাদেশি সাংবাদিক। বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে তিনি বহুদিন ধরে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।বর্তমানে নেত্রা নিউজ নামে একটি অনলাইন পোর্টালকে ব্যবহার করছেন সরকারের বিরুদ্ধে অপ্রপচার চালাতে অস্ত্র হিসেবে। সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা। এছাড়াও এই তালিকায় আছেন মোহাম্মদ বশিরুল হক সিনহা, আসিফ আহমেদ ও আমান আবদুহুসহ আরো কয়েকজন।  

এই অপশক্তিই এখন পুরো জাতিকে যখন সচেতন করা এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা, মানুষকে নিয়ে এই জনসচেতনেতা তৈরী করা যখন জাতীয় দায়িত্ব তখন তারা করোনা অস্ত্র ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। এই সমস্ত অপপ্রচারকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে এই নোংরা খেলায় মেতেছে। অবিলম্বে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যে অপপ্রচার তা বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।