ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৪ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

এখনও বিদেশ যাবার সুযোগ আছে খালেদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার, ০৬:৫৮ পিএম
এখনও বিদেশ যাবার সুযোগ আছে খালেদার

 

বেগম জিয়ার জামিনের মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। আগামী বছরের ২৪ মার্চের আগে বেগম জিয়াকে জেলে যেতে হচ্ছে না। উল্লেখ্য, জিয়া এতিমখানা দূর্নীতি মামলা এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দন্ডিত হয়ে বেগম জিয়া ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মাস কারান্তরীণ ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুকম্পায় তার ছয় মাসের জামিন হয় গত ২৫ মার্চ। বেগম জিয়া জামিনের অন্যতম শর্ত হলো তাকে তার বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। বেগম জিয়ার পরিবার এবং বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। এটি দেশে সম্ভব নয়। কিন্তু জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য, বেগম জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার যে আবেদন করেছিলেন, তাতে বিদেশে যাত্রার কথা উল্লেখ নেই। অবশ্য বিএনপির কোন কোন নেতা না জেনেই বলেছেন ‘খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে না দিয়ে সরকার অমানবিক আচরন করেছে।’ কিন্তু বেগম জিয়ার পরিবারের আপত্তির পর বিএনপির নেতারা এবিষয়ে কথাবার্তা বন্ধ করেছেন।

বেগম জিয়ার পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, তারা আশা করছেন, বেগম জিয়ার বিদেশ যাওয়ার পথ এখনো বন্ধ হয়নি। বরং জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে, বেগম জিয়ার বিদেশ যাত্রার পথ আরো সুগম হলো বলে জানিয়েছেন বেগম জিয়ার পরিবারের অন্তত দুজন সদস্য। তারা বলেছেন, এখন খুব শীঘ্রই বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠিত হবে। এই মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে বেগম জিয়ার বেশ কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। ঐ পরীক্ষার রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা তার উন্নত চিকিৎসার কথা বলবেন।

বেগম জিয়ার পরিবারের একজন সদস্য বলেছেন, ‘তিনি (খালেদা) যে অসুখ এ নিয়ে সরকারের কোন সংশয় নেই। এটা হলো ইতিবাচক দিক। বেগম জিয়া তার অসুস্থতার যেযে চিকিৎসা নিতেন তা সবই বিদেশে। যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রে তার বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা হয়েছিল। আর যে কারনেই তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ নেয়ার বিকল্প নেই। তাই বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্যরা এখন চিকিৎসকের সুপারিশের জন্য কাজ করছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়া প্রয়োজন কিনা এটি একমাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই বলতে পারেন। এরকম সুপারিশ পেলে সরকার কি করবে জানতে চাইলে সরকারের একজন অন্যতম নীতি নির্ধারক বলেন ‘এরকম আবেদন আগে আসুক তারপর দেখা যাবে।’