ঢাকা, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ২ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

কাদের মির্জা-বাদল গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শুক্রবার, ০৮:০৪ পিএম
কাদের মির্জা-বাদল গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫০

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের কাদের মির্জা এবং বাদল গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক সংবাদকর্মীসহ উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, ফাঁকা গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে। 

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল বিকেল সাড়ে ৪টায় তার সমর্থকদের চাপরাশিরহাট দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলে। কিন্তু তার আগে চরফকিরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটনের (মির্জা কাদের সমর্থক) নেতৃত্বে তার সমর্থকরা ওই কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হয়। নির্ধারিত সময়ে বাদলের সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে আসলে লিটনের সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এর একপর্যায়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন সাংবাদিক।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ থেকে ১২ রাউন্ড টিয়াসেল নিক্ষেপ করা হয়েছে।

সংঘর্ষের পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে নিজের দলের নেতাকর্মীদের ওপর চাপরাশিরহাট বাজারে হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এতে অন্তত তার ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। কোনো নেতাকর্মী মারা গেলে তার দায়-দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন, সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী, নিজাম হাজারী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে নিতে হবে বলে জানান মির্জা। পুলিশের সহযোগিতায় তার নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন কাদের মির্জা।