ইনসাইড পলিটিক্স

নোয়াখালীতে তদন্তে যাবে শেখ হাসিনার টীম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬:৫৯ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১


Thumbnail

নোয়াখালীর ঘটনার তদন্তের জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতির একটি বিশেষ টীম সরেজমিনে সফরে যাচ্ছে। সেখানে কেন এধরনের ঘটনা ঘটছে, কার দায় কতটুকু এবং অন্তর্কলহ কিভাবে দুর করা যায়, সে বিষয়ে তদন্ত করবে ঐ টীম। আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। যেহেতু নোয়াখালী বিতর্কে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক একটি পক্ষ। তাই তাকে বাদ দিয়েই এই তদন্ত টীম পাঠানো হচ্ছে। এই টীমে থাকছেন আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির দুজন সদস্য। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি, নোয়াখালীর পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজস্ব উদ্যোগে সেখানকার ঘটনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এরপর তিনি একজন প্রেসিডিয়াম সদস্যকে এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে একটি রিপোর্ট দিতে বলেছেন। তদন্তকালীন সময়ে, আওয়ামী লীগ সভাপতির টীমটি সরেজমিনে নোয়াখালীতে যাবে, সেখানে বিবাদমান পক্ষ গুলোর সঙ্গে কথা বলবে। 

তাদের কাছে আওয়ামী লীগ সভাপতির বার্তা তুলে ধরবে। আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেছেন ‘নোয়াখালীতে দুপক্ষেরই দোষ রয়েছে। কার কত দায়, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ তবে ঐ নেতা বলেন ‘আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখনই সেখানে কঠোর অবস্থানে যেতে চায় না। বরং আমরা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে একটি সমঝোতায় আসতে চাই।’ তবে অন্য একটি সূত্র বলছে ‘বহিস্কার বা বড় ধরনের কোনও শাস্তি দেয়া না হলেও দুপক্ষকেই সতর্ক করা হবে। ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য নোয়াখালীর নেতৃত্বেও পরিবর্তন আনা হতে পারে।’ আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, কৌশলগত কারণে এখানে আওয়ামী লীগ কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে না। কারণ নোয়াখালীতে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। একপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে, ঐ পক্ষ নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে এতে দল ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সেই ঝুঁকি আওয়ামী লীগ নিতে চায় না। আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেছেন ‘নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের এই সমস্যা দীর্ঘদিনের পুরোনো। কিন্তু এই বিরোধ সত্ত্বেও সংগঠন শক্তিশালী। দুই পক্ষই তার পক্ষের শক্তি বৃদ্ধির জন্য জোর দেয়, ফলে সংগঠন শক্তিশালী হয়। আর তাই কাউকে দল থেকে বের করে দেয়া কোনও সমাধান নয়।

আওয়ামী লীগের একটি সূত্র বলছে, ইতিমধ্যে কাদের মির্জা এবং একরামুল করিম চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের নেতারা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাদের সতর্ক এবং সংযত হবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তের পর হয়তো তাদের ঢাকায় তলব করা হবে। এই ঘটনায় অতি উৎসাহী অনুপ্রবেশকারীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে বলে আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: নিক্সন চৌধুরীর ঐক্যের ডাক




মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার তদন্ত চায় বিএনপি

প্রকাশ: ০৭:৪৮ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার তদন্ত চায় বিএনপি

বিএনপি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার তদন্ত চায় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে স্বাধীন তদন্ত এবং জড়িতদের বিচার চাই।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারকে একটি আলাদা কমিশন গঠন করে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনাগুলো তদন্ত করার সুপারিশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। তাদের দেওয়া বিবৃতিতে যা উঠে এসেছে সেটা আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে স্বাধীন তদন্ত চাই, জড়িতদের বিচার চাই।

মানবাধিকার ইস্যুতে বিএনপি যতগুলো অভিযোগ করেছে সবকিছু রাজনৈতিক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা কি এ কথা স্বীকার করবে? ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গুম অপহরণের বিচার করার ক্ষমতা জাতিসংঘের নেই। এ বক্তব্যে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, এগুলো সংঘটিত হয়েছে। এতেই বোঝা যায় এই ঘটনাগুলো ঘটেছে। নেত্র নিউজের প্রতিবেদনে আরও বেশি প্রমাণিত হয়েছে।

বিশৃঙ্খল করলে বিএনপিকে রাজপথে মোকাবিলা করা হবে, আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এমন হুমকি সন্ত্রাসের শামিল।

দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এত দিন গুম-খুনের বিষয়ে বিএনপি যে কথাগুলো বলে আসছে, তারই প্রমাণ মিলেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের মন্তব্যে। এটাই দেশের বাস্তবতা।

বাংলাদেশে সংলাপের কোনো পরিবেশ নেই দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো সংলাপ হতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই সরকার পদত্যাগ না করবে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করবে, সংসদ বিলুপ্ত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সংলাপের প্রশ্নই ওঠে না।

‘যে বুলেট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে এতিম করেছে, খালেদা জিয়া আপনাকেও সেই বুলেট ছাড়বে না’, ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা তো ভয়ংকর কথা, এই বুলেটের কথা যদি তিনি বলে থাকেন তাহলে আমার সন্দেহ হয়, হয়ত তিনিও এ চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত আছেন। খালেদা জিয়াকে তারা রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে চায়। এবার জীবন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা সেই প্রশ্ন আসে। তাকে এটার অবশ্যই জবাব দিতে হবে।

জাতিসংঘ   বিচারবহির্ভূত   হত্যা   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মিশেলের বক্তব্য, বিএনপিতে হতাশা

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মিশেলের বক্তব্য, বিএনপিতে হতাশা

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট চারদিনের বাংলাদেশ সফর শেষ করে গতকাল চলে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ এবং তার অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কী ভাবেন সে সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায় তার বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে। এই সফর ছিলো নানাদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এ সফরে মিশেল ব্যাচেলেটের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলও সাক্ষাৎ করেছিলো কিন্তু এ নিয়ে বিএনপির মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। এ সাক্ষাতে বিএনপির পক্ষ থেকে মোটাদাগে পাঁচটি বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছিলো। তার মধ্যে একটি ছিলো বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। মুক্তিটিকে বিএনপি নেতারা তার মানবাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছিলো। বিএনপি নেতারা মিশেল ব্যাচেলেটের সাথে বৈঠকে সরাসরিভাবে বলেছিলো যে, বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ এবং তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া প্রয়োজন। এ জন্য জাতিসংঘ যেন এ ব্যাপারে সরকারকে সুস্পষ্ট একটি বার্তা দেয়। বিএনপি নেতৃবৃন্দ এছাড়াও বিএনপি নেতাদের গণহারে গ্রেফতার, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছিলেন এবং এ ব্যাপারেও জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন। বিএনপির তৃতীয় ইস্যুটি ছিলো গুম এবং সেখানে ইলিয়াস আলীর পুত্র তার বাবার গুম হওয়ার অভিজ্ঞতাটি বর্ণনা করেছিলেন। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো যে, সরকারের পক্ষ থেকে যে গুমের ঘটনা গুলোকে এক ধরনের অস্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে এ ব্যাপারে যেন জাতিসংঘ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিএনপির চতুর্থ বিষয় ছিলো অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন মানবাধিকারের একটি অংশ এবং এই লক্ষ্যে যেন জাতিসংঘ আগামী নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার ব্যাপারে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। বিএনপির পক্ষ থেকে সর্বশেষ দাবী সভা-সমাবেশ ইত্যাদি করার ক্ষেত্রে জন্য কোনরকম প্রতিবন্ধকতা না দেওয়া হয়। বিশেষ করে বিরোধী মত দমন প্রতিরোধে জাতিসংঘ যেন দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করে।

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মিশেল ব্যাচেলেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং সেই বৈঠকে মিশেল বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী তাকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ইতিহাসের নিকৃষ্টতম মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা এবং তারপর থেকে বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের সামরিক শাসনের ফলে যে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে সে সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন। এই সফরে মিশেলের সঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ছিলো সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে গত ১৫ আগস্ট। ওই দিন জাতীয় শোক দিবসে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল ওই বৈঠকে সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে মানবাধিকারের কিছু বিষয় উল্লেখিত হয়। এর মধ্যে ছিলো গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন। এই তিনটি পক্ষের বক্তব্যের পর মিশেল যে সংবাদ সম্মেলন করেন তাতে বিএনপি হতাশই হয়েছে। কারণ, বিএনপির যে প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিলো যে জাতিসংঘ বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে আহ্বান জানাবেন, মানবিক কারণে যেন তাকে সরকার অনুমতি দেয় সে সম্পর্কে একটি কথা থাকবে কিন্তু মিশেল তার সংবাদ সম্মেলনে বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গটি পুরোপুরি ভাবে এড়িয়ে গেছেন। বিএনপির আরেকটি প্রত্যাশা ছিলো যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির প্রতি জাতিসংঘের সমর্থন। তবে সেই সমর্থনও মিশেল দেননি। বরং মিশেল বাংলাদেশের নির্বাচনে জন-অংশগ্রহণ যেন নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে তারা আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যক্ত করেছেন। এই বৈঠকের জন্য তাই হতাশাজনক। তারা কোনোকিছুই অর্জন করতে পারেনি। বরং এই বৈঠকের মাধ্যমে সুশীল সমাজ লাভবান হয়েছে বলেই বিএনপির কোনো কোনো নেতা মনে করছেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টি গুজব: শায়রুল কবির

প্রকাশ: ০৬:১১ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টি গুজব: শায়রুল কবির

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন-এমন সংবাদের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি এটিকে নিছক গুজব বলে দাবি করেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বিকালে শায়রুল কবির খান জানান, উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে। দেশের মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরানোর ষড়যন্ত্রের অংশ এটি। 

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই প্রচার হতে থাকে খালেদা জিয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে। খবরে আরও বলা হয়, খালেদা জিয়ার শরীরের তাপমাত্রা ওঠানামা করছে এবং ডায়াবেটিসও আগের চেয়ে বেড়েছে। এ কারণে তাকে আজই হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে।

খালেদা জিয়া   অসুস্থ   শায়রুল কবির  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ফিরিয়ে আনা হচ্ছে জাহাঙ্গীরকে

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ফিরিয়ে আনা হচ্ছে জাহাঙ্গীরকে

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বহিস্কৃত মেয়র এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এবং গাজীপুরে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। গত ১৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকে বিভিন্ন জেলার সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়। এই আলাপ-আলোচনার মধ্যেই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনায় জাহাঙ্গীরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। উল্লেখ্য যে, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কটুক্তি এবং নানা রকম বিতর্কিত আপত্তিকর মন্তব্য অভিযোগে ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর দল থেকে প্রথমে বহিষ্কার করা হয়। ওই দিন অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এই বহিস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছিলেন।

ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছিল যে, জাহাঙ্গীর আলম যে অপরাধ করেছে তা অমার্জনীয় এবং অগ্রহণযোগ্য। যদিও জাহাঙ্গীর আলাম বারবার বলেছিলেন যে, নেতার বক্তব্য টেম্পারড করা হয়েছে এবং খণ্ডিতভাবে তার বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তাকে ফাঁসানোর জন্যই তথ্য বিকৃতি করা হয়েছে। এই বহিস্কারাদেশের পর পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জাহাঙ্গীর আলমকে সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের পদ থেকেও অব্যাহতি দেন এবং তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকে কটুক্তি করা কিংবা দুর্নীতির অভিযোগে কোনো মামলাই দায়ের করা হয়নি। বরং জাহাঙ্গীর আলম তার নিজস্ব গণ্ডির আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রেখেছেন। একাধিক সূত্র বলছে যে, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে জাহাঙ্গীর আলমের একটা প্রভাব বলয় রয়েছে এবং তার জনপ্রিয়তাও রয়েছে নেতাকর্মীদের মধ্যে। জাহাঙ্গীর আলম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হওয়ার আগে থেকেই এলাকায় আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করতেন এবং প্রচুর অর্থ ব্যয় করতেন। এ কারণে তার নিজস্ব একটি সমর্থক গ্রুপ তৈরি হয়েছিল। যেকারনে তার এলাকায় প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি।

আর এ কারণেই আজমত উল্লাহকে বাদ দিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মনোনয়ন দেয়ার পর জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম অভিযোগ উঠেছিল। তার প্রধান অভিযোগ হলো ক্ষমতার অপব্যবহার করা। আর এ প্রেক্ষিতেই একজন কর্মীর সঙ্গে তার কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়ে যায়। যে কথোপকথনের ভিত্তিতে তাকে সরে যেতে হয়। কিন্তু জাহাঙ্গীর আলাম সরে যাওয়ার পর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের প্রয়োজন বলেও কেউ কেউ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তবে আওয়ামী লীগের অন্য একটি সূত্র বলছে, জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকে কটুক্তি সংক্রান্ত যে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছিল তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং দেখা গেছে যে এই বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছিল। কিছু কিছু শব্দ বাদ দিয়ে শব্দ সংযোজন বিয়োজন করে সুপার এডিটিং এর মাধ্যমে এটিকে জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল। আর এ কারণেই জাহাঙ্গীর আলমকে এখন ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে কবে তাকে ফিরিয়ে আনা হবে সে সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি বলেই জানা গেছে।

গাজীপুর   আওয়ামী লীগ   জাহাঙ্গীর আলম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

'বিএনপির কাছে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার মতো কিছু নেই'

প্রকাশ: ০৪:৩৬ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail 'বিএনপির কাছে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার মতো কিছু নেই'

দেশে যাদের গুম করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকে ৬ মাস বা এক বছর পর বাড়ি ফিরে এসেছে। এদের অনেকে সামাজিক বা পারিবারিক কারণে আত্মগোপনে থাকেন। বিএনপি এটাকে গুম হিসেবে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আসলে বিএনপির কাছে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার মতো কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপির তথাকথিত আন্দোলনের সঙ্গে দেশবাসীর কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ বিএনপি ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের দুর্নীতিবাজ নেতা দেশের সম্পদ লণ্ঠুন, হত্যা ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বিদেশে পলাতক আছেন। সে পলাতক নেতার জন্য কি এদেশের মানুষ আন্দোলন করবে?

হানিফ বলেন, বলেন, বিএনপির ষড়যন্ত্র হলো দেশের মধ্যে নানা ধরণের অপপ্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং বিদেশের কাছে ধর্না দিয়ে সরকারের পতন ঘটানো যায় কিনা সেটাই তাদের স্বপ্ন। তাদের এ অপতৎপরতা বাংলাদেশে কোন দিন সফলতা লাভ করবে না।

জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরফাতের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহাবুবুর রহমানসহ আরও অনেকে।

আওয়ামী লীগ   যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক   মাহবুবউল আলম হানিফ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন