ঢাকা, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

আওয়ামী লীগের বিকল্প দেখছে না কূটনীতিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০২১ রবিবার, ০৬:৫৯ পিএম
আওয়ামী লীগের বিকল্প দেখছে না কূটনীতিকরা

হেফাজতের তাণ্ডবে আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা বেড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা কূটনীতিকদের।  তারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশ খুব সহজেই ইরান কিংবা আফগানিস্থানের মতো একটি উগ্র মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।  এই মূহুর্তে গণতন্ত্র, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ধর্মান্ধ জঙ্গী দমনে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই।  ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় দক্ষিণপন্থীদের আন্দোলনের নামে সহিংসতার প্রেক্ষিতে বিদেশি কূটনীতিকদের মধ্যে এরকম মনোভাব তৈরি হয়েছে।  ফলে, বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঠেকাতে আওয়ামী লীগের বিকল্প দেখছে না প্রভাবশালী দেশগুলো।

গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে অস্বস্তি ছিলো।  বিশেষ করে, মানবাধিকার পরিস্থিতি, ভোটে জনমতের প্রতিফলন না হওয়া, বিরোধী মত প্রকাশে বাধাদানের মতো বিষয়গুলো সামনে আসছিলো।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা এ নিয়ে কথাবার্তা বলছিলো।  সম্প্রতি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক মোশতাকের মৃত্যুর পর পশ্চিমা দেশের কূটনীতিকদের বেশ সোচ্চার দেখা যায়।  তারা এ নিয়ে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে কথাবার্তা বলাও শুরু করেন।  এসময় মানবাধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতার মতো ইস্যুগুলো সামনে আসে।  এসময় সরকারের ওপর এসব বিষয়ে চাপ প্রয়োগের কথাও শোনা যায়। কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা মোশতাকের মৃত্যুর পর প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনাও করে।

এর মধ্যে বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করে। মুজিবজন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে বাংলাদেশে সফরে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এসময় হেফাজত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে। কিন্তু বিরোধীতার নামে হেফাজত যা করেছে তাতে বিস্মিত কূটনীতিকরা। এমনকি হেফাজতের এসবের বিরুদ্ধে সুশীল সমাজের নীরবতায় তারা হতাশ হয়েছেন। বাংলাদেশে অবস্থানরত একাধিক কূটনীতিকের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, তারা আওয়ামী লীগ সরকার, বিশেষ করে শেখ হাসিনার দৃঢ়তার প্রশংসা করেছেন। জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীকে সরকার যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে, তা দৃষ্টান্ত মানছেন বিদেশী কূটনীতিকরা। আওয়ামী লীগের বিকল্প কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নেই, এই বোধদয় হয়েছে পশ্চিমা কূটনীতিকদের।