ইনসাইড পলিটিক্স

পাবনায় অস্ত্র হাতে ‘মহড়া’: আ.লীগের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:৪৩ পিএম, ১৬ জুন, ২০২১


Thumbnail

পাবনার গণপূর্ত ভবনে অস্ত্র হাতে ‘মহড়া’ দেওয়া আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ও সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে কেন বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই নোটিশের জবাব দেওয়া হয়েছে।

পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাবনা-৫ আসনের সাংসদ গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স বুধবার (১৬ জুন) ওই নোটিশ দেন। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকেও এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির উদ্দিন আহমেদ নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত তিন নেতা হলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম আর খান ও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালু।

সাংসদ গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, ৬ জুন পাবনা গণপূর্ত কার্যালয়ে অফিস চলাকালীন লাইসেন্সকৃত অস্ত্র নিয়ে বেআইনিভাবে প্রবেশের অভিযোগে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের কেন দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ও সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হলো।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুন দুপুরে লোকজন নিয়ে গণপূর্ত বিভাগের পাবনা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন ফারুক হোসেন। তার পেছনে শটগান হাতে ছিলেন এম আর খান ও শেখ লালু।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

এবার কে আর ইসলামকে অব্যাহতি দিলেন জিএম কাদের

প্রকাশ: ০৪:৩৩ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail এবার কে আর ইসলামকে অব্যাহতি দিলেন জিএম কাদের

ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. কে আর ইসলামকে পার্টি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। অব্যাহতি পাওয়া কে আর ইসলাম জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টাও।

রোববার (২ অক্টোবর) জাপার দপ্তর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলীয় গঠনতন্ত্রের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ময়মনসিংহ জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. কে আর ইসলামকে জাতীয় পার্টির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদপদবি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ আদেশ এরই মধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।

গত ৩০ আগস্ট জাপার পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ আগামী ২৬ নভেম্বর দলের জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করলে অস্বস্তি সৃষ্টি হয় দলটিতে। নিজেকে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক করে আট সদস্যের একটি কমিটিও ঘোষণা দেন তিনি। রওশন এরশাদের আচমকা এ ঘোষণায় জাপার শীর্ষ নেতৃত্ব অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে।

রওশন এরশাদের ঘোষণার পর দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দলের তিন নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছেন জিএম কাদের। শৃঙ্খলা নিশ্চিতে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ সব পদ থেকে মশিউর রহমান রাঙ্গাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর তিনদিন পর ১৭ সেপ্টেম্বর অব্যাহতি দেওয়া হয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধাকে।

এছাড়া গত ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান একেএম আব্দুর রউফ মানিককে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর জিএম কাদেরের উপদেষ্টা ও বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহসিন উল ইসলাম ওরফে হাবুলকে দল থেকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

তালতলীতে কৃষকলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন

প্রকাশ: ০১:৪৪ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail তালতলীতে কৃষকলীগের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন

বরগুনার তালতলীতে বাংলাদেশ কৃষকলীগ তালতলী উপজেলা শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে তালতলী উপজেলা শাখার সভাপতি হাজী আলম কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাড. গাজী জসিম উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুল হক স্বপন সভাপতি বরগুনা জেলা কৃষকলীগ।

সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেজবি উল কবির জোমাদ্দার সভাপতি তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা চেয়ারম্যান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ নিউ খেইন সহ সম্পাদক (ধর্ম বিষয়ক) কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

এছাড়াও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মনসুর আলী জোমাদার সাধারণ সম্পাদক কৃষক লীগ তালতলী উপজেলা শাখা।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আজ থেকে ফের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি

প্রকাশ: ০১:৩৪ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে ফের সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি

সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপ ফের সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি। দুপুর ২টা গুলশান চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। 

রোববার (২ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিএনপি পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত থাকবেন। আর কল্যাণ পার্টির পক্ষ থেকে দলের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল অংশ নেবেন।

এর আগে চলতি বছরের ২৪ মে সরকার-বিরোধী বৃহত্তর যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। প্রথম দফার ওই সংলাপে ২৩টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল জেএসডি, গণফোরামের একাংশ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), লেবার পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), জাতীয় দল, মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক দল (ডিএল), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ইসলামিক পার্টি, পিপলস লীগ, ন্যাপ-ভাসানী ও বাংলাদেশ ন্যাপ।

বিএনপি   সমমনা দল   আন্দোলন   সংলাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আন্দোলন নিয়ে বিভক্ত বিএনপি

প্রকাশ: ১১:২০ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বিভক্ত বিএনপি

সরকারবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে গিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি। আন্দোলন সফল করতে দলটি জেলা, মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করছে। এই মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা শুরু হয়। চলে রাত ৮টা পর্যন্ত। এতে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের জেলা, মহানগর ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি এ বৈঠকে যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

কিন্তু আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় উঠে আসে এক ভয়ংকর চিত্র। সভায় আবারও উঠে আসে দলের অভ্যন্তরীণ মত ভেদের কথা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির হাইকমান্ড থেকে আগামী দিনে সরকার পতনে চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় নেতারা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সব নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন-সংগ্রাম বেগবান করার কথা বলেন। বহিষ্কারসহ বিভিন্ন কারণে যারা এতদিন দল থেকে দূরে ছিলেন, তাদেরকেও দলে ফিরিয়ে এনে আন্দোলনে যুক্ত করার নির্দেশনা দেন।

তবে বহিষ্কৃত ও দল ছেড়ে যারা চলে গেছেন, তাদের ফেরানোর ব্যাপারে আপত্তি জানান তৃণমূলের নেতারা। তারা বলেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য বৃহত্তর ঐক্য দরকার। কিন্তু যারা দলের ক্ষতি করে গেছেন, তারা ফিরলে ত্যাগী নেতাকর্মীরা অস্বস্তিতে পড়বেন। তাদের জন্য ত্যাগীরা দলে জায়গা না পেলে বিশৃঙ্খলার ‍সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে, সরকার পতনের আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদি না করার ব্যাপারেও বিএনপির হাইকমান্ডকে পরামর্শ দেন তৃণমূলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা বলেছেন, বিভাগীয় গণসমাবেশ শেষ করে এক থেকে দেড়মাস মেয়াদি সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করতে হবে। তাহলে আন্দোলনে গতি আসবে। নেতাকর্মীরাও সক্রিয়ভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠে থাকবেন।

বৈঠক শেষে যশোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, সরকার পতনের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন যৌক্তিকপর্যায়ে নিয়ে যেতে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যেভাবে অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতিতে দেশ চলছে, তা চলতে দেওয়া যায় না। এজন্য আন্দোলন বেগবান করে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে বৈঠকের বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দলের ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতেই বিভাগীয় পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করা হয়েছে। এ বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ ১০ বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশের ঘোষণা করেছে বিএনপি। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী- আগামী ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগে, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহে, ২২ অক্টোবর খুলনা, ২৯ অক্টোবর রংপুর, ৫ নভেম্বর বরিশাল, ১২ নভেম্বর ফরিদপুর, ১৯ নভেম্বর সিলেট, ২৬ নভেম্বর কুমিল্লা, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী ও ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণসমাবেশ করবে বিএনপি।

বিভক্ত   বিএনপি   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ম্লান হয়ে যাচ্ছে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ম্লান হয়ে যাচ্ছে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। শুরুতে বিএনপির এই দাবির সাথে অন্যান্য দলগুলো এ নিয়ে কথা বললেও এখন আর সেভাবে কোনো দলই সক্রিয় নয়। বরং সব দলগুলোই এখন নির্বাচনমুখী হয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে দলটির দাবি এখন পর্দার আড়ালে চলে যাচ্ছে। বিএনপির এই দাবি ম্লান হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই দাবি সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে দলটি ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন ম্লান হতে কসেছে। আর এর প্রমাণ পাওয়া যায় সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে। 

বিএনপি এখন আন্দোলন করছে জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ভোলায় নুরে আলম ও আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জে শাওন প্রধান, মুন্সিগঞ্জে শহিদুল ইসলাম শাওন ও যশোরে আব্দুল আলিম হত্যাসহ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে। অথচ দলটির নেতারা নিজেরাই এতোদিন বলে আসছিল যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিই হলো  বিএনপির একমাত্র এবং এক দফা দাবি। কিন্তু দলটি এখন সে দাবি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। 

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সপক্ষে দেশের অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও তেমন সক্রিয় নয় বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্তমানে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি বিশেষ করে দলটির চেয়ারম্যান সরকারের নানা সমালোচনা করলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি নিয়ে তেমন কোনো কথা বলছেন না। বরং দলটি আগামী নির্বাচনে এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়া কথা বলেছে। যেকারণে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন যে, বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি এখন অনেকটা ম্লান হয়ে গেছে। আর বিএনপির নেতাকর্মীরাও এই নিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছেন।

শুধু জাতীয় পার্টি নয়, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচিত জোট সাতদলীয় ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ বিভাগে প্রতিনিধি সভা ও অক্টোবর-নভেম্বরে জেলায় জেলায় সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি বাড়ছে। এছাড়া ইসলামী দলগুলোর এখন নির্বাচনমুখী হচ্ছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে নিজেদের রোডম্যাপ তৈরি করছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবেই ৩০০ আসনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আসলে ম্লান হয়ে যাচ্ছে কিনা সেটা এখনই সুস্পষ্টভাবে বলা মুসকিল। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো এখন আর এই দাবি নিয়ে তেমন সক্রিয় আছে বলে পরিলক্ষিত হয় না। বরং তারা নির্বাচনমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করছে।

বিএনপি   তত্ত্বাবধায়ক সরকার   আন্দোলন   জাতীয় পার্টি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন