ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকরা বিভক্ত, পরস্পরকে আক্রমণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪ আগস্ট ২০২১ বুধবার, ০৬:০০ পিএম
আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকরা বিভক্ত, পরস্পরকে আক্রমণ

বেশ কিছুদিন ধরেই আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকরা দ্বিধা বিভক্ত। কয়েকটি দল এবং উপদলে বিভক্ত। আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকদের মূল সংগঠন ‘স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ’। এখন চিকিৎসকদের সংগঠন ‘মেডিকেল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ স্বাচিপ নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু বিএমএ এবং স্বাচিপ নিয়ে এখন আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকরা কোন্দলে জড়িয়ে পরেছেন। সম্প্রতি এই কোন্দল প্রকাশ্য হয়েছে। আজ দেশের কয়েকটি সংবাদপত্রে এই কোন্দলের প্রকাশ্য এবং কুৎসিত রূপ দেখা গেল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক চিকিৎসক কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দের পক্ষ থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মিথ্যা ও বানোয়াট রিপোর্টের জোরালো প্রতিবাদ’ শিরোনামে ঐ বিজ্ঞাপনে সরাসরি আক্রমণ করা হয়েছে স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক ডা: ইকবাল আর্সলানকে। ঐ বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে... “ প্রোভিসি প্রশাসন পদের জন্য বিএসএমএমইউ অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী একজন প্রার্থী ছিলেন। তিনি অধ্যাপক ডা. মো: ইকবাল আর্সলান সাহেবের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলে চেষ্টা তদবির চালান বলে জানা যায়। এই অধ্যাপক ডা. মো: ইকবাল আর্সলানের পিতা বিগত ১৯৯৩ সালে জামায়াত-বিএনপি সরকারের একজন এমপি ছিলেন। অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান নিজেও বিভিন্ন সময়ে জামায়াত-বিএনপি ও ছাত্র শিবিরের মতো দেশ ও স্বাধীনতা বিরোধী লোকজনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন ও করে চলেছেন। তার অনুসারী লোকদের হাত ধরেই বিগত প্রশাসন কুখ্যাত মোনায়েম খানের লোকজনকে (ডা. রবার্ট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী দিয়েছে। সম্প্রতি সচিব ও পুলিশদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন উস্কানিমূলক কথাবার্তা অনলাইনে ও প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রচার করেছেন।’

প্রশ্ন হলো, স্বাচিপ আওয়ামী লীগের স্বীকৃত সংগঠন। এই সংগঠনের প্রধান নেতা (সভাপতি) ডা: ইকবাল আর্সলান। আওয়ামী লীগের একজন নেতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গুরুতর। এই অভিযোগ কি দলীয় ফোরামে করা হয়েছে? এই অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, এরকম একজন ব্যক্তি কিভাবে দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের নেতা থাকেন? আর এই অভিযোগ যদি মিথ্যা হয়, তাহলে এধরনের অভিযোগ করার উদ্দেশ্য কি? এই প্রকাশ্য কোন্দল আওয়ামী লীগেরই ক্ষতি করছে।

বিষয়: চিকিৎসক