ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

বিএনপির পলায়নপর রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: কাদের

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২১ বুধবার, ০২:১৮ পিএম
বিএনপির পলায়নপর রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির পলায়নপর রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। নির্বাচনকে ভয় পায় বলেই বিএনপি প্রকাশ্য নির্বাচনে অংশ নেয় না। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নীতি একটি আত্মঘাতি নীতি, যা কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের সাথে প্রবঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ হঠকারিতার মাসুল তারা এখন দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও দিতে হবে।

আজ বুধবার (১৩ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ী-ডেমরা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

`সুষ্ঠু ভোট হলে সরকার পালানোর পথ খুঁজে পাবে না`- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, পালানোর রাজনীতি আওয়ামী লীগ নয় বিএনপি করে। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির পলায়নপর রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। নির্বাচনকে ভয় পায় বলেই বিএনপি প্রকাশ্য নির্বাচনে অংশ নেয় না। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নীতি একটি আত্মঘাতি নীতি, যা কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের সাথে প্রবঞ্চনা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ হঠকারিতার মাসুল তারা এখন দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও দিতে হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির মহাসচিবকে মনে করিয়ে দিতে চাই ২০০৮ সালে বিএনপি বলেছিল আওয়ামী লীগ ৩০ আসনও পাবে না, পরে দেখা গেল তাদেরই ৩০ আসন পেতে কত কষ্ট! এখনও বলছে আওয়ামী লীগ না কি ৩০ আসনও পাবে না। তাদের এ সংখ্যাতত্ত্বের হিসাব হাস্যকর। সংখ্যাতত্ত্বের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাসী নই।

তিনি বলেন, ব্যালটের মাধ্যমেই জনগণ নেতৃত্ব নির্বাচন করবে। জনরায় যা-ই আসুক, তা মেনে নেয়ার সৎসাহস শেখ হাসিনার আছে। কিন্তু নিজেদের আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার দিবাস্বপ্ন যারা দেখেন তারা কেন নির্বাচনকে ভয় পান? কেন নির্বাচনের দিন দুপুরে ভোটকেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান। এ পলায়নপরতার রাজনীতি যারা করেন মুখোশের আড়ালে তারাই গণতন্ত্রের শত্রু। তারাই ভোটার ও ভোটাধিকারের শত্রু। উন্নয়নের শত্রু।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে যেসব অভিযোগ সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হলে প্রয়োজনে সংশোধন করা হবে।

যাত্রাবাড়ী-ডেমরা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, যাত্রাবাড়ী-ডেমরা মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি এখনো পর্যন্ত ৬০ ভাগ। এই রাস্তার দৈর্ঘ্য হচ্ছে পাঁচ কিলোমিটার। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাস্তার দু`পাশে সার্ভিস লেন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে আরও এগারোটি আন্ডারপাস ২৬ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২২ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম মাসুদ, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ মুন্না ও ৪৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কালাম অনুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।