প্রেস ইনসাইড

আজ সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্তের জন্মবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ০৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail আজ সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্তের জন্মবার্ষিকী

দেশের সংবাদপত্র জগতে  এক উজ্জ্বল নক্ষত্র নাম সন্তোষ গুপ্ত। এই উজ্জ্বল  নক্ষত্রের আজকে ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর জন্মস্থান ১৯২৫ সালের ৯ জানুয়ারি ঝালকাঠির রুনসী গ্রামে। তিনি ছেলেবেলায় বাবা কাকাকে হারান মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে। সন্তোষ গুপ্ত ছিলেন তার পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান। তাঁর মা কিরণবালা একা তাকে  মানুষ করেন।

১৯৫৭ সালে শুরু করে প্রায় অর্ধশতাব্দী সাংবাদিকতা পেশায় ছিলেন তিনি। সন্তোষ গুপ্ত কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৪৪ সালে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং এর আইজি প্রিজন অফিসে। দৈনিক সংবাদের সিনিয়র সহকারী সম্পাদক হিসেবে কর্মজীবন শেষ হয় তার। কর্মজীবনে দৈনিক সংবাদ ছাড়াও দৈনিক আজাদে কাজ করেছেন। দেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে রাজনৈতিক চেতনায় অভিষিক্ত হয়েও সাংবাদিকতা পেশায় ভিন্নমাত্রা যোগ করেন তিনি। 

এই বস্তুনিষ্ঠ ব্যাক্তি সাংবাদিকতার পাশাপাশি কবিতা, শিল্পকলা, চিত্রকলা, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি ১৪টি বই লিখেছেন।বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার লেখাগুলো অনেক রাজনৈতিক নেতার জন্য ছিল এক ধরনের দিকনির্দেশনা। তার ‘অনিরুদ্ধের কলাম’ বিদগ্ধ মহলেও ব্যাপক সমাদৃত ছিল।  তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইতিহাসের ঝর্ণাধ্বনি এবং অনালোকে আলোকস্তম্ভ। 

সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর)সহ একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদক, মাওলানা তর্কবাগীশ পদক, জহুর হোসেন স্মৃতি পদকসহ বহু পুরস্কার, পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

সন্তোষ গুপ্ত  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

মার্কিন দূতাবাসে আওয়ামী-বিএনপিপন্থি সাংবাদিকদের মিলনমেলা

প্রকাশ: ০৯:২০ পিএম, ২৬ মে, ২০২২


Thumbnail মার্কিন দূতাবাসে আওয়ামী-বিএনপিপন্থি সাংবাদিকদের মিলনমেলা

মার্কিন দূতাবাসের আয়োজনে 'ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে' রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ ইএমকে সেন্টারে উদযাপিত হলো। গত মঙ্গলবার (২৪ মে) ওই অনুষ্ঠানের মঞ্চে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল। সেই সাথে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক নাসিমুন আরা হক মিনু, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, বিএফইউজের একাংশের সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদসহ অনেকেই। অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, কানাডিয়ান হাইকমিশনার লিলি নিকোলস, ব্রিটেনের উপ-হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেল, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।

দেখা যায়, অনুষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিপন্থি সাংবাদিকদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব এবং বিরাজনীতিকরণে সচেষ্ট দেশের অন্যতম শীর্ষ গণমাধ্যম প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনসহ আরও অনেকই একই অনুষ্ঠানে যেখানে তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পূর্ণ বিপরীত। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকে জিইয়ে রাখা, মদদ দেয়া, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্তকারী হিসেবেও প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ অনেকের নাম শোনা যায়। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে এমন ব্যক্তিদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাংবাদিকরাও একসাথে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। তাই প্রশ্ন উঠেছে যে, স্বাধীনতার চেতনার সাংবাদিকরা কেন এক-এগারোর কুশীলবদের সাথে?


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি’র সঙ্গে ক্র্যাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত; স্থায়ী কার্যালয় পাচ্ছে ক্র্যাব

প্রকাশ: ০৭:৪০ পিএম, ০৯ মে, ২০২২


Thumbnail ক্র্যাবকে স্থায়ী কার্যালয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বসুন্ধরা গ্রুপের

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জনাব সায়েম সোবহান আনভীর এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটি।

রোববার (৮ মে) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এমডি’র বাসভবনে ক্র্যাব সভাপতি জনাব মির্জা মেহেদী তমাল এর নেতৃত্বে ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ এই সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এসময় ক্র্যাব উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

সাক্ষাতকালে ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সংগঠনের প্রত্যাশা লিখিত আকারে উপস্থাপন করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনযোগ সহকারে তা শোনেন। এরপর ক্র্যাবের প্রধান উপদেষ্টা শংকর কুমার দে, উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান কামাল, এস এম আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মধুসূদন মন্ডল ও ফখরুল আলম কাঞ্চন বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে সাংবাদিকবান্ধব বসুন্ধরা গ্রুপের বিভিন্ন অবদানের কথা। সাংবাদিকদের প্রতি মানবিক এবং উদার থাকার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এসব সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ। 

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ ও উপদেষ্টাবৃন্দের বক্তব্য ও প্রত্যাশা গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করেন। ক্র্যাবের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, ‘সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির জন্যে নিবেদিত থাকায় বসুন্ধরা গ্রুপও সাংবাদিকদের কল্যাণে অবদান রেখে আসছে। সৎ-নির্ভীক প্রকৃত সাংবাদিকতা বিকশিত করতে বসুন্ধরা গ্রুপ ইতিমধ্যেই কয়েকটি মিডিয়া হাউজ প্রতিষ্ঠা করেছে- যাতে সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সাংবাদিকরা যখন যে সমস্যা বা সংকটে সহায়তা চেয়েছে- বসুন্ধরা গ্রুপ আন্তরিকতার সাথে পাশে থেকেছে। ভবিষ্যতেও যে কোনো পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা আমাকে পাশে পাবেন। বাংলাদেশের সাংবাদিকতা বিশ্বমানে উন্নীত হোক, সাংবাদিকরা তাদের প্রকৃত মর্যাদা লাভ করুক, ভালো থাকুক সকল সাংবাদিক- এই প্রত্যাশা রাখছি।’

তিনি ক্র্যাবের জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করেন। এছাড়া কোনো ক্র্যাব সদস্য মারা গেলে পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা প্রদান, কোনো ক্র্যাব সদস্য গুরুতর অসুস্থ বা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আহত হলে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। উপস্থিত সকলেই তার প্রতিশ্রুতিকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানান এবং তার প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠানে ক্র্যাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টা শংকর কুমার দে, উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান কামাল, এস এম আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মধুসূদন মন্ডল, ফখরুল আলম কাঞ্চন, ক্র্যাবের সহ-সভাপতি মুহঃ জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইমরান হোসেন সুমন, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুদ্র রাসেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম মিন্টু হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাহীন আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ জাকারিয়া, ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপু সরোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


ক্র্যাবকে   স্থায়ী কার্যালয়   দিচ্ছে   বসুন্ধরা গ্রুপ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিক, কবি ও খ্যাতিমান গীতিকার কে জি মোস্তফা আর নেই

প্রকাশ: ০৮:০৯ এএম, ০৯ মে, ২০২২


Thumbnail সাংবাদিক, কবি ও খ্যাতিমান গীতিকার কে জি মোস্তফা আর নেই

সাংবাদিক, কবি ও খ্যাতিমান গীতিকার কে জি মোস্তফা আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। রোববার (০৮ মে) রাত ৮টার দিকে আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কে জি মোস্তফার ছেলে মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন।

‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন’ কালজয়ী গান দুটির গীতিকার তিনি। দুটি গানের সুরকার ছিলেন রবিন ঘোষ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (০৯ মে) বাদ জোহর প্রেস ক্লাবে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে মরদেহের দাফন হবে। 

১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে জি মোস্তফা। তিনি ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। দৈনিক ইত্তেহাদে ১৯৫৮ সালে শিক্ষানবিশ হিসেবে সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি।

১৯৭৬ সালে তিনি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সম্পাদক (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবে অবসর নেন।

খ্যাতিমান এই গীতিকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত বিভাগ কৃর্তক পদক ‘দেশবরেণ্য গীতিকার’ পদকসহ আরো বহু পদকে ভূষিত হয়েছেন।

কে জি মোস্তফা   সাংবাদিক   কবি   গীতিকার  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

নোয়াবের বিবৃতি নাকচ, গণমাধ্যমকর্মী আইনের পক্ষে সাংবাদিকনেতৃবৃন্দ

প্রকাশ: ০৮:৫৭ পিএম, ২৫ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail নোয়াবের বিবৃতি নাকচ, গণমাধ্যমকর্মী আইনের পক্ষে সাংবাদিকনেতৃবৃন্দ

সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের 'গণমাধ্যমকর্মী আইনের প্রয়োজন নেই' এমন বিবৃতি নাকচ করে দিয়েছেন দেশের সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ। এ আইন তাদের দাবিতে হচ্ছে এবং দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজন, বলেন তারা।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজে আয়োজিত ইফতার ও আলোচনায় বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের দাবির প্রেক্ষিতেই গণমাধ্যমকর্মী আইন প্রণীত হচ্ছে। আইনের খসড়ার কিছু ধারা পরিবর্তন- পরিমার্জনের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার এ আইন যারা চান না, তাদের সাথে আমরা একমত নই। 

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের গণমাধ্যম অনেক ক্ষেত্রে অনেক স্বাধীনভাবে কাজ করে। সরকার চায় গণমাধ্যমের আরো বিকাশ হোক। গণমাধ্যমকর্মী আইন সাংবাদিকদের স্বার্থেই করা হয়েছে। এর খসড়া আরো পরিবর্তন-পরিমার্জন করার কাজ চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একসাথে চলবে, গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা চলবে, দেশ এগিয়ে যাবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

বাংলা কলেজে হামলার শিকার সাংবাদিক জাফরসহ দুজন

প্রকাশ: ০১:২১ পিএম, ১৩ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail বাঙলা কলেজে হামলার শিকার সাংবাদিক জাফরসহ দুজন

পেশাগত দা‌য়িত্ব পালন কর‌তে গি‌য়ে বাংলা ক‌লেজে ‘ছাত্রলীগ কর্মী‌দের’ হামলার শিকার হ‌য়ে‌ছেন বাংলা ক‌লেজ সাংবা‌দিক স‌মিত‌ির (বাকসাস) সাধারণ সম্পাদক ও দৈ‌নিক নয়া শতা‌ব্দীর সহ-সম্পাদক জাফর ইকবা‌ল- এমন অভিযোগ উঠেছে। এসম‌য় ক‌লেজ যুব থিয়েটার‌ের সম্পাদক ও বাকসাস’র সা‌বেক সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আতিকুর রহমা‌নের ওপরও হামলা চালা‌নো হয় বলে অভিযোগ।

হামলার শিকার এই দুজন জানান, মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কলেজ ক‌্যাম্পাসে এ হামলায় প্রত্যক্ষ অংশ নেন- পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-১৭) শিক্ষার্থী হা‌বিবুর রহমান, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৭-১৮) বিজয় মা‌হিদ, মৃ‌ত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-১৭) শিক্ষার্থী মিথুন হালদার আকাশ ও ম্যা‌নেজ‌মেন্ট বিভা‌গের (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৫-১৬) শিক্ষার্থী সুজন মিয়া। তারা প্র‌ত্যে‌কেই ক‌লেজ শাখা ছাত্রলী‌গের কর্মী।

জানতে চাইলে আতিকুর রাহিম বলেন, সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ ছাড়াই কলেজের বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্বশীলদের ওপর ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীদের এরকম হামলার বিষয়টি দুঃখজনক। সামান্য ফেসবুক গ্রুপকে কেন্দ্র করে যারা এ ধরণের অপকর্ম করতে পারে তারা ছাত্রলীগের সোনালী অর্জনগুলোকে নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে বলে মনে হচ্ছে। এ ধরনের কর্মীদের প্রতি সিনিয়রদের সতর্ক থাকা উচিত।

নাম প্রকা‌শে অনিচ্ছুক এক ছাত্রলীগ নেতা জানান, দীর্ঘ‌দিন ধ‌রে ক‌লেজ‌টি‌তে ছাত্রলী‌গের ক‌মি‌টি না থাকায় ভিন্ন গো‌ষ্ঠী অনুপ্র‌বেশ ক‌রে ছাত্রলী‌গের ভাবমূর্তি নষ্ট কর‌ছে। ক্যাম্পা‌সে প্র‌তি‌নিয়ত বিশৃঙ্খলা ক‌রে যা‌চ্ছে। যারা বিশৃঙ্খলা ক‌রে ছাত্রলী‌গে তা‌দের স্থান নেই। এদের শক্ত হা‌তে দমন করা হ‌বে।

আরেক নেতা ব‌লেন, সি‌নিয়র নেতৃবৃন্দের আলোচনার মাধ্য‌মে এ বিষ‌য়ে পদ‌ক্ষেপ নেওয়া হ‌বে। তারা আদৌ ছাত্রলী‌গের কর্মীরা কিনা সে‌টিও বি‌বেচনায় নেওয়া হ‌বে। অনেক অছাত্র ক্যাম্পা‌সে ঢু‌কে ছাত্রলী‌গের নাম দি‌য়ে সু‌যোগ হা‌সি‌লের চেষ্টা কর‌ছে, ঘটনা এমনও হ‌তে পা‌রে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিকটিম সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এবং সিনিয়র ছাত্রনেতা তোফাজ্জল হোসেন পলাশের সাথে ‘বাংলা কলেজ পরিবার’ নামক ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনশিপ বিষয়ে কথা বলার পাশাপা‌শি ক্যাম্পা‌সের নিউজ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ কর‌তে গেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম রাহুল ও অন্যান্য সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।  

উল্লেখ্য, এর আগেও সম্প্রতি কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী দ্বারা বাকসাস’র দুজন নেতা হামলার শিকার হয়েছিলেন ব‌লে জানা‌ গেছে। পরে ‘এমন আর হবে না’ বলে বিষয়টি মিটমাট করেছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খান।

ঘটনার বিষয়ে বাকসাস সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবা‌ল বলেন, আমি মূলত ‌বি‌কে‌লে ক‌লে‌জের নির্মাণাধীন ভব‌নের নিউজ সংগ্রহ করতে যাই। অনেকদিন ধ‌রে ভব‌নের কাজ বন্ধ র‌য়ে‌ছে। এর পাশাপা‌শি কলেজের একটি ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনশিপের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নি‌য়ে আমরা ছাত্রলীগ নেতা পলাশ ভাইয়ের সাথে কথা বলি। এক পর্যা‌য়ে পলাশ ভাই নামা‌জে চ‌লে যান এবং এর কিছুক্ষণ পর লাঠি‌সোটা দি‌য়ে আতিক ভাইয়ের ওপর হামলা করা হয়। বিষয়‌টি নি‌য়ে মিটমা‌টের চেষ্টা করা হ‌লে পেছন থেকে চার-পাঁচ জন লা‌ঠি দি‌য়ে আমার ওপর হামলা করে। 

জাফর বলেন, এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার বিরুদ্ধে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগ নামধারী এসকল দুর্বৃত্তদের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি। 

এ বিষয়ে জানতে বাংলা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খান’কে ফোন দিলে তিনি বলেন, এখন মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে ঝামেলা আছে। ১৮ তারিখ তাদের নিয়ে বসে বিষয়টা মিটমাট করবো।

বাংলা কলেজ   হামলা   শিকার   সাংবাদিক   জাফর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন