প্রেস ইনসাইড

সংবাদপত্রের অনলাইন ও সংবাদপোর্টাল টকশো-বুলেটিন প্রচার করতে পারে না: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:২৮ পিএম, ১২ জুন, ২০২২


Thumbnail সংবাদপত্রের অনলাইন ও সংবাদপোর্টাল টকশো-বুলেটিন প্রচার করতে পারে না: তথ্যমন্ত্রী

আইন অনুযায়ী সংবাদপত্রের অনলাইন ভার্সন ও সংবাদপোর্টালগুলো টক-শো ও সংবাদ বুলেটিন প্রচার করতে পারে না জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সম্প্রতি এসোসিয়েশন অভ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (এটকো) নেতৃবৃন্দ আমাদের নজরে এনেছেন যে, কিছু পত্রিকার অনলাইন ভার্সন ও সংবাদপোর্টাল অনলাইনে ‘টক শো’ এমন কি কেউ কেউ নিউজ বুলেটিনও প্রচার করছে যার কোনো অনুমতি নেই। আমরা আইনকানুন ঘেঁটে দেখেছি, আইন অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের দুই, চার ও ছয় উপধারার বিধান অনুসারে তারা এ ধরণের কিছু প্রচার করতে পারে না।’

রোববার (১২ জুন) সচিবালয়ে দুপুরে সাংবাদিকবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী নীতিমালার গেজেটটি তুলে ধরেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে সংবাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ক্লিপ দিলে আমি মনে করি সেটিতে নিয়মনীতির ব্যত্যয় হয় না, কিন্তু একেবারে টক শো কিংবা নিউজ বুলেটিন প্রচার করা নীতিমালা অনুমোদন করে না’ বলেন ড. হাছান। তিনি বলেন, আমরা কোনো তদন্ত ছাড়াই পত্রপত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোর নিবন্ধন দিয়েছিলাম এই শর্তে যে, পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশ পায় সেটিই অনলাইনে প্রকাশ পাবে, সেটিও ভিন্ন হওয়ার কথা নয়।

এটকো এ বিষয়ে তাদের উত্থাপিত মৌখিক আপত্তি লিখিত আকারে দিলে আমরা আইনের ধারা-উপধারা উল্লেখ করে আমরা সংশ্লিষ্টদের জানাবো, জানান সম্প্রচারমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে বিএনপি ও কিছু সংস্থার নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এটি আমাদের সরকারের একনাগাড়ে চতুর্দশ বাজেট পেশ, এর আগে আরো ১৩টি বাজেট পেশ হয়েছে। গত সাড়ে ১৩ বছর ধরে যখনই বাজেট পেশ করা হয়েছে, তখনই দেখা গেছে কিছু চেনা মুখ, চেনা সংগঠন সবসময় এই বাজেট নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে।’

তিনি বলেন, আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে যে বাজেট পেয়েছিলাম সেটি ৮০ হাজার কোটি টাকার কম ছিলো। এখন সেই বাজেট আট থেকে নয়গুণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকায়। মানুষের মাথাপিছু আয় ৬শ’ ডলার থেকে প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে সাড়ে ১৩ বছরে ২৮শ’ ২৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ৪১ থেকে ২০ শতাংশের নিচে নেমে এবং অতি দারিদ্র্যের হার প্রায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি বাস্তবতা। কিন্তু প্রতিবার বাজেটের পর চিহ্নিত কিছু ব্যক্তিবিশেষ, প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও বিএনপি এবং তাদের মিত্ররা কখনই প্রশংসা করেনি। তাহলে এই সাড়ে ১৩ বছরে দেশটা এতো এগিয়ে গেল কিভাবে -প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী।

এই বাজেট গরিববান্ধব বাজেট উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, কৃষিতে, বিদ্যুতে, গ্যাসে ভর্তুকি দেয়া, এসবই আপামর সাধারণ মানুষের জন্যে। শুধু তাই নয়, করোনা মহামারি এবং ইউরোপে যুদ্ধের কারণে সেখানকার দেশগুলোর যে মূল্যস্ফীতি, সেই তুলনায় বাংলাদেশে যে কম, সেটি সহজে গুগলেই দেখা যায়, এরপরও মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তারা বক্তব্য দেয়। গত ১৩ বছরে একটিবারও সিপিডি বাজেটের প্রশংসা করতে পারেনি আর বিএনপি তো আগের দিনই বিবৃতি লিখে রাখে, বাজেট ঠিকমতো না পড়েই বিবৃতি দেয়। কিন্তু বিশ্বব্যাংক, আইএফএম, জাতিসংঘ আমাদের প্রশংসা করে। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাধারণ মানুষের জন্যই বাজেট করে এবং সে কারণেই দেশটা এগিয়ে গেছে, দারিদ্র্য কমে গেছে।

এ সময় বেগম জিয়াকে বিদেশে নেয়ার জন্য বিএনপির দাবি প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘বিএনপি নেতারা যখন প্রতিদিন সকাল, বিকাল, সন্ধ্যাবেলা সমাবেশ করে বলতো, খালেদা জিয়াকে বিদেশ না নিলে তিনি বাঁচবেন কি না সন্দেহ। তখনও বেগম জিয়া দেশে চিকিৎসাতেই সুস্থ হয়েছেন, এবারও তাই। এই বিদেশ নেয়ার দাবি রাজনৈতিক। রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি থেকেই এই দাবি তারা উপস্থাপন করেন, আগেও তারা এ অপচেষ্টা করেছেন। বেগম জিয়াকে এভাবে তাদের বলির পাঁঠা বানানো উচিত নয়।’

মতবিনিময় শেষে উন্নয়ন গবেষক শামীম আহমেদ সংকলিত ‘শেখ হাসিনা ও ঘুরে দাঁড়ানোর বাংলাদেশ’ গ্রন্থের ৬ষ্ঠ সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। গ্রন্থকার এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কাঞ্চন কুমার দে ও মোতাহার হোসেন মোড়ক উন্মোচনে অংশ নেন।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০৯:৫৪ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বরেণ্য সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৮ সালের এই দিনে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। 

সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার ও গোলাম সারওয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গ্রামের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়ায় দোয়া মাহফিল ও এতিমখানায় খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। 

ষাটের দশকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন গোলাম সারওয়ার। মৃত্যুর আগে দৈনিক সমকালের সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।  

গোলাম সারওয়ার দেশের মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল মূল্যবোধ আর মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে সোচ্চার ছিলেন আজীবন। তিনি দৈনিক যুগান্তর ও সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাকের তিন দশকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন।  

গোলাম সারওয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্মানসহ এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদীর বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা হিসেবে তার সাংবাদিকতা পেশার সূচনা। একই বছর দৈনিক সংবাদের সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংবাদে কর্মরত ছিলেন। এরপর বানারীপাড়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের পর কয়েক মাস বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে সিনিয়র সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে প্রধান সহসম্পাদক, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও দীর্ঘ ২৭ বছর বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি।   

সাংবাদিকতায় অনন্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক।

সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার   মৃত্যুবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১২:১৯ পিএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে এ জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের মসজিদের ইমাম মাওলানা জসিম উদ্দিন।

জানাজায় অংশ নেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক সমকালের সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, ডিবিসি সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি হাসান হাবীব। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা এবং তার সহকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

এর আগে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে সাংবাদিক অমিত হাবিবের মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে নেওয়া হয়। জানাজা শেষে তার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে মারা যান সাংবাদিক অমিত হাবিব। শুক্রবার সকাল ১০টায় দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আনা হয়।

জাতীয় প্রেস ক্লাব   সাংবাদিক   অমিত হাবিব   জানাজা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১:৩৭ এএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলামটরে অবস্থিত দৈনিক দেশ রূপান্তর কার্যালয় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ রূপান্তরের সহকর্মীসহ অন্যান্যরাও জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শেষে সহকর্মীদের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের পক্ষ থেকে তার দপ্তরের পরিচালক- জনসংযোগ মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় দেশ রূপান্তরের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা মামুন, পত্রিকাটির প্রকাশক এবং রূপায়ন গ্রুপের কো চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাব্বী কথা বলেন অমিত হাবিবকে নিয়ে। 

তারা বলেন, সময়ের একজন নির্ভিক সাংবাদিক ছিলেন অমিত হাবিব। সত্য প্রকাশে কখনো আপোস করেননি তিনি। সহকর্মীদের দিয়েছেন অফুরান ভালোবাসা। কাজ শিখিয়েছেন ধরে ধরে। তার এ চলে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দেশ রূপান্তর কার্যালয়ে মরহুমের প্রথম জানাজা শেষে ২য় জানাজার জন্য মরদেহ জাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্পাদক   অমিত হাবিব   জানাজা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

প্রকাশ: ১২:২০ এএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক, প্রখ্যাত সাংবাদিক অমিত হাবিব আর নেই। রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টার পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অমিত হাবিবকে। দেশ রূপান্তরে অফিসে কাজ করা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করেন। এর আগেও তিনি একবার স্ট্রোক করেছিলেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তার হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়েছে। ওনার রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে ব্রেইনের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় সাব-এডিটর পদে যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটর হয়ে যোগ দেন। এর পরের বছর একই পদে যোগ দেন দৈনিক ভোরের কাগজে। অল্প দিনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পরে বার্তা সম্পাদক হন তিনি।

২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। তবে পত্রিকাটি বাজারে আসে ২০০৬ সালে। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দিয়ে পেইচিংয়ে কর্মরত থাকা অমিত হাবিব দেশীয় সাংবাদিকতার সঙ্গে দূরত্বের কথা বিবেচনায় তা ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন। পরের বছর দৈনিক সমকালে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি।

অমিত হাবিব এর আগে দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এর আগে দৈনিক সমকালের প্রধান বার্তা সম্পাদকের পদ ছেড়ে ২০০৯ সালে কালের কণ্ঠে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৩ সাল থেকে উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন অমিত হাবিব। সর্বশেষ ২০১৮ সাল থেকে তিনি দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় সম্পাদকের দায়িত্ব নেন।


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৮:২০ পিএম, ২২ জুলাই, ২০২২


Thumbnail সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন

দেশে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে সর্বাধিক প্রচারিত জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনটির স্ক্রিপ্ট থেকে শুরু করে সিনেমাটোগ্রাফির ভূয়সী প্রশংসা করছেন দর্শকরা।

সাড়া জাগানো এই বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছে বিজ্ঞাপন সংস্থা ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেড। ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার হেড অব ক্রিয়েটিভ মাহবুব মোর্শেদ রিফাতের পরিচালনায় এবং আমির হামজার সিনেমাটোগ্রাফিতে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করা হয়। বিজ্ঞাপনটির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন সমন্বয় পাঞ্জেরী।

বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করা হয়েছে একেবারে সাধারণ হকার এবং পাঠক নিয়ে। ফলে বিজ্ঞাপনটি ব্যতিক্রমী এবং হৃদয়গ্রাহী হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন