প্রেস ইনসাইড

গণমাধ্যমে মুখোমুখি: সংবাদপত্র বনাম টেলিভিশন


Thumbnail

সংবাদপত্র (প্রিন্ট মিডিয়া) শুধুমাত্র ছাপার মাধ্যমেই সংবাদ প্রচার করে থাকে। কিন্তু ডিজিটালাইজেশনের ফলে সংবাদপত্রগুলো এখন অনলাইন ভার্সনে সংবাদ প্রচার করছে। পাশাপাশি টক-শো, বুলেটিন, সাক্ষাৎকার, লাইভ অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরণের অডিও-ভিডিও কনটেন্ট ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচার করছে। অন্যদিকে, টেলিভিশন (ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া) মূলত এই ভিডিও কনটেন্ট প্রচার করে। এর ফলে টেলিভিশন চ্যানেল গুলোর সঙ্গে সংবাদপত্রের এক ধরণের মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়েছে। সংবাদপত্রগুলোর এই ধরণের অডিও-ভিডিও কনটেন্টের অনুমতি নেই বলে গত ৮ জুন তথ্যমন্ত্রীর সাথে এক বৈঠকে দাবি করেছে এসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)।

অ্যাটকো’র এমন দাবির প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পত্রিকা যদি টকশো করে তাহলে তো সেটি পত্রিকার ডিক্লারেশনের বরখেলাপ হয়। পত্রিকার ডিক্লারেশনে তো টকশো করার অনুমতি ছিল না। সেটি যদি একাঙ্কিকা বা নাটকও হয়, সেটিও তো ডিক্লারেশনে ছিল না। তবে হ্যাঁ, নিউজ সম্পর্কিত ভিডিও ক্লিপ যদি যায়, সেটিতে আমি তেমন সমস্যার কিছু দেখি না।

অ্যাটকো’র দাবি এবং তথ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সম্পাদক পরিষদ গত ১১ জুন এই বিষয়ে একটি বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে সম্পাদক পরিষদ মনে করে, সংবাদপত্রের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল কনটেন্ট (আধেয়) প্রচারের বিষয়ে নতুন করে বিতর্কের কোনো সুযোগ নেই বলে। বর্তমানে প্রিন্ট ও ডিজিটাল সমন্বয়ের মাধ্যমেই সংবাদপত্রের অগ্রযাত্রা নিহিত রয়েছে।

সম্পাদক পরিষদের বিবৃতির পর ১২ জুন অ্যাটকো তথ্যমন্ত্রীর সাথে আবারও একটি বৈঠক করে। বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের দুই, চার ও ছয় উপধারার বিধান অনুসারে অনলাইন ভার্সন ও সংবাদ পোর্টাল এ ধরনের কিছু প্রচার করতে পারে না বলে।

টক-শো, বুলেটিন, সাক্ষাৎকার, লাইভ অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরণের অডিও-ভিডিও কনটেন্ট ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারের নীতিমালা নিয়ে সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন এখন স্পষ্টতই মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণ করেছে।

বিভিন্ন সংবাদপত্রে দেখা যায়, নিউজ বুলেটিন, টক-শো ইত্যাদি অনুষ্ঠানের জন্য ক্যামেরা, লাইট, রুম সেটাপসহ সকল ধরণের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি অবকাঠামো দাড় করানো হয়েছে, যা অনেক ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ারও নেই। আর এটি ডিক্লারেশনের যে নীতি আছে তার বরখেলাপ বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। আইন এবং নীতিমালা থাকলেও সেদিকে ভ্রূক্ষেপ করছে না সংবাদপত্রগুলো। তারা নিউজ বুলেটিন, টক-শো, তারকা আড্ডাসহ ইত্যাদি প্রচার করে চলছে। আর এতে টেলিভিশন মিডিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করছে সংশ্লিষ্টরা।

গণমাধ্যম  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০৯:৫৪ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বরেণ্য সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৮ সালের এই দিনে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। 

সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার ও গোলাম সারওয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গ্রামের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়ায় দোয়া মাহফিল ও এতিমখানায় খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। 

ষাটের দশকে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন গোলাম সারওয়ার। মৃত্যুর আগে দৈনিক সমকালের সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।  

গোলাম সারওয়ার দেশের মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল মূল্যবোধ আর মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে সোচ্চার ছিলেন আজীবন। তিনি দৈনিক যুগান্তর ও সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও দৈনিক ইত্তেফাকের তিন দশকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন।  

গোলাম সারওয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্মানসহ এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদীর বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা হিসেবে তার সাংবাদিকতা পেশার সূচনা। একই বছর দৈনিক সংবাদের সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংবাদে কর্মরত ছিলেন। এরপর বানারীপাড়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের পর কয়েক মাস বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে দৈনিক ইত্তেফাকে সিনিয়র সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে প্রধান সহসম্পাদক, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও দীর্ঘ ২৭ বছর বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি।   

সাংবাদিকতায় অনন্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক।

সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার   মৃত্যুবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১২:১৯ পিএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে এ জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের মসজিদের ইমাম মাওলানা জসিম উদ্দিন।

জানাজায় অংশ নেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক সমকালের সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, ডিবিসি সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি হাসান হাবীব। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা এবং তার সহকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

এর আগে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে সাংবাদিক অমিত হাবিবের মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে নেওয়া হয়। জানাজা শেষে তার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে মারা যান সাংবাদিক অমিত হাবিব। শুক্রবার সকাল ১০টায় দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আনা হয়।

জাতীয় প্রেস ক্লাব   সাংবাদিক   অমিত হাবিব   জানাজা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১:৩৭ এএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলামটরে অবস্থিত দৈনিক দেশ রূপান্তর কার্যালয় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ রূপান্তরের সহকর্মীসহ অন্যান্যরাও জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শেষে সহকর্মীদের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের পক্ষ থেকে তার দপ্তরের পরিচালক- জনসংযোগ মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় দেশ রূপান্তরের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা মামুন, পত্রিকাটির প্রকাশক এবং রূপায়ন গ্রুপের কো চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাব্বী কথা বলেন অমিত হাবিবকে নিয়ে। 

তারা বলেন, সময়ের একজন নির্ভিক সাংবাদিক ছিলেন অমিত হাবিব। সত্য প্রকাশে কখনো আপোস করেননি তিনি। সহকর্মীদের দিয়েছেন অফুরান ভালোবাসা। কাজ শিখিয়েছেন ধরে ধরে। তার এ চলে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দেশ রূপান্তর কার্যালয়ে মরহুমের প্রথম জানাজা শেষে ২য় জানাজার জন্য মরদেহ জাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্পাদক   অমিত হাবিব   জানাজা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

প্রকাশ: ১২:২০ এএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক, প্রখ্যাত সাংবাদিক অমিত হাবিব আর নেই। রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টার পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অমিত হাবিবকে। দেশ রূপান্তরে অফিসে কাজ করা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করেন। এর আগেও তিনি একবার স্ট্রোক করেছিলেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তার হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়েছে। ওনার রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে ব্রেইনের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় সাব-এডিটর পদে যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটর হয়ে যোগ দেন। এর পরের বছর একই পদে যোগ দেন দৈনিক ভোরের কাগজে। অল্প দিনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পরে বার্তা সম্পাদক হন তিনি।

২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। তবে পত্রিকাটি বাজারে আসে ২০০৬ সালে। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দিয়ে পেইচিংয়ে কর্মরত থাকা অমিত হাবিব দেশীয় সাংবাদিকতার সঙ্গে দূরত্বের কথা বিবেচনায় তা ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন। পরের বছর দৈনিক সমকালে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি।

অমিত হাবিব এর আগে দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এর আগে দৈনিক সমকালের প্রধান বার্তা সম্পাদকের পদ ছেড়ে ২০০৯ সালে কালের কণ্ঠে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৩ সাল থেকে উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন অমিত হাবিব। সর্বশেষ ২০১৮ সাল থেকে তিনি দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় সম্পাদকের দায়িত্ব নেন।


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৮:২০ পিএম, ২২ জুলাই, ২০২২


Thumbnail সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন

দেশে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে সর্বাধিক প্রচারিত জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনটির স্ক্রিপ্ট থেকে শুরু করে সিনেমাটোগ্রাফির ভূয়সী প্রশংসা করছেন দর্শকরা।

সাড়া জাগানো এই বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছে বিজ্ঞাপন সংস্থা ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেড। ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার হেড অব ক্রিয়েটিভ মাহবুব মোর্শেদ রিফাতের পরিচালনায় এবং আমির হামজার সিনেমাটোগ্রাফিতে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করা হয়। বিজ্ঞাপনটির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন সমন্বয় পাঞ্জেরী।

বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করা হয়েছে একেবারে সাধারণ হকার এবং পাঠক নিয়ে। ফলে বিজ্ঞাপনটি ব্যতিক্রমী এবং হৃদয়গ্রাহী হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন