প্রেস ইনসাইড

প্রথম আলোর আরেকটি ইউটার্ন

প্রকাশ: ০৭:০৮ পিএম, ০২ জুলাই, ২০২২


Thumbnail

পদ্মা সেতু প্রকল্পের শুরু থেকেই দেশের প্রধান একটি জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো প্রকল্পটি নিয়ে বিভিন্ন ধরণের নেতিবাচক প্রতিবেদন করছিলো। পদ্মা সেতুতে কথিত দুর্নীতির কথা বলে বিশ্ব ব্যাংক যে অভিযোগ এনেছিলো তাতে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মদদ দিয়েছিলো প্রথম আলো যেন এই প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যায়। পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার সাথে সাথে প্রথম আলো এমনভাবে ধারাবাহিক প্রতিবেদন করতে থাকে যেন পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে! এমনকি ২০১১ সালের ১১ অক্টোবর ‘পদ্মা সেতু হচ্ছে না!’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। 

পদ্মা সেতু যেন বাস্তবতা না পায় সেজন্য প্রথম আলোর চেষ্টার কমতি ছিলো না। সেই প্রথম আলোই এখন পদ্মা সেতুর বন্দনায় পঞ্চমুখ। পদ্মা সেতুর ফলের দেশের অর্থনীতিসহ যে সকল ক্ষেত্রে একটি বিপ্লব হয়েছে তা এখন অকপটেই স্বীকার করছে প্রথম আলো। প্রথম আলো এখন পুরো ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন (২৫ জুন) প্রতিবেদন করেছে ‘আজি দখিন–দুয়ার খোলা’।

অবশ্য প্রথম আলোর এমন চরিত্র নতুন নয়। ওয়ান-ইলেভেনের সময় প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার চেষ্টায় আদাজল খেয়ে নেমেছিলো, যা মাইনাস টু ফর্মুলা হিসেবে পরিচিত। এই ফর্মুলার সর্বনাশা ঝড়ে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছিল এক অশুভ ছায়া। মাইনাস টু ফর্মুলার প্রবক্তা প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ২০০৭ সালের ১১ জুন ‘দুই নেত্রীকে সরে দাঁড়াতে হবে’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মাইনাস টু ফর্মুলার মাধ্যমে বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা করে প্রথম আলো। এছাড়াও  আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে দুর্নীতিসহ নানা ধরণের মিথ্যাচার, কুৎসা ছড়ায় পত্রিকাটি। কিন্তু জনগণ শেখ হাসিনার পাশে ছিলো বলে তাতে সফল হয়নি এক-এগারোর কুশীলবরা।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের বিপুল সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ক্ষমতায় আসার পরে আওয়ামী লীগ সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য প্রথম আলো নানাভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করে। কিন্তু তাদের এই ষড়যন্ত্র যখন জনগণের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়। সেই সাথে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জনগণের ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা যখন দেখতে পায় তখন আবারও ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে যায় প্রথম আলো, শুরু করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বন্দনা।

প্রথম আলো  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১২:১৯ পিএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে এ জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের মসজিদের ইমাম মাওলানা জসিম উদ্দিন।

জানাজায় অংশ নেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক সমকালের সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, ডিবিসি সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি হাসান হাবীব। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা এবং তার সহকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

এর আগে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে সাংবাদিক অমিত হাবিবের মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে নেওয়া হয়। জানাজা শেষে তার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে মারা যান সাংবাদিক অমিত হাবিব। শুক্রবার সকাল ১০টায় দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আনা হয়।

জাতীয় প্রেস ক্লাব   সাংবাদিক   অমিত হাবিব   জানাজা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১:৩৭ এএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম জানাজা সম্পন্ন

বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলামটরে অবস্থিত দৈনিক দেশ রূপান্তর কার্যালয় এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ রূপান্তরের সহকর্মীসহ অন্যান্যরাও জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা শেষে সহকর্মীদের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।  তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের পক্ষ থেকে তার দপ্তরের পরিচালক- জনসংযোগ মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় দেশ রূপান্তরের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা মামুন, পত্রিকাটির প্রকাশক এবং রূপায়ন গ্রুপের কো চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাব্বী কথা বলেন অমিত হাবিবকে নিয়ে। 

তারা বলেন, সময়ের একজন নির্ভিক সাংবাদিক ছিলেন অমিত হাবিব। সত্য প্রকাশে কখনো আপোস করেননি তিনি। সহকর্মীদের দিয়েছেন অফুরান ভালোবাসা। কাজ শিখিয়েছেন ধরে ধরে। তার এ চলে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

দেশ রূপান্তর কার্যালয়ে মরহুমের প্রথম জানাজা শেষে ২য় জানাজার জন্য মরদেহ জাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্পাদক   অমিত হাবিব   জানাজা  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

প্রকাশ: ১২:২০ এএম, ২৯ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আর নেই

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক, প্রখ্যাত সাংবাদিক অমিত হাবিব আর নেই। রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টার পরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অমিত হাবিবকে। দেশ রূপান্তরে অফিসে কাজ করা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করেন। এর আগেও তিনি একবার স্ট্রোক করেছিলেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, তার হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়েছে। ওনার রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে ব্রেইনের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় সাব-এডিটর পদে যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটর হয়ে যোগ দেন। এর পরের বছর একই পদে যোগ দেন দৈনিক ভোরের কাগজে। অল্প দিনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পরে বার্তা সম্পাদক হন তিনি।

২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। তবে পত্রিকাটি বাজারে আসে ২০০৬ সালে। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দিয়ে পেইচিংয়ে কর্মরত থাকা অমিত হাবিব দেশীয় সাংবাদিকতার সঙ্গে দূরত্বের কথা বিবেচনায় তা ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন। পরের বছর দৈনিক সমকালে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি।

অমিত হাবিব এর আগে দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এর আগে দৈনিক সমকালের প্রধান বার্তা সম্পাদকের পদ ছেড়ে ২০০৯ সালে কালের কণ্ঠে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৩ সাল থেকে উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন অমিত হাবিব। সর্বশেষ ২০১৮ সাল থেকে তিনি দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকায় সম্পাদকের দায়িত্ব নেন।


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৮:২০ পিএম, ২২ জুলাই, ২০২২


Thumbnail সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজ্ঞাপন

দেশে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে সর্বাধিক প্রচারিত জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনটির স্ক্রিপ্ট থেকে শুরু করে সিনেমাটোগ্রাফির ভূয়সী প্রশংসা করছেন দর্শকরা।

সাড়া জাগানো এই বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছে বিজ্ঞাপন সংস্থা ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেড। ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার হেড অব ক্রিয়েটিভ মাহবুব মোর্শেদ রিফাতের পরিচালনায় এবং আমির হামজার সিনেমাটোগ্রাফিতে বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করা হয়। বিজ্ঞাপনটির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন সমন্বয় পাঞ্জেরী।

বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করা হয়েছে একেবারে সাধারণ হকার এবং পাঠক নিয়ে। ফলে বিজ্ঞাপনটি ব্যতিক্রমী এবং হৃদয়গ্রাহী হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আইসিইউতে

প্রকাশ: ০৯:৪৪ এএম, ২২ জুলাই, ২০২২


Thumbnail দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিব আইসিইউতে

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক অমিত হাবিব গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) অফিসে কর্মরত অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখন সেখানকার আইসিইউতেই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দেশ রূপান্তরের নির্বাহী সম্পাদক মোস্তফা মামুন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অমিত হাবিব মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এখন তাকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিনদিন পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালেও স্ট্রোক করেছিলেন অমিত হাবিব। দেশ রূপান্তরে যোগ দেওয়ার আগে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক, সমকাল ও যায় যায় দিন পত্রিকার প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

দেশ রূপান্তর   সম্পাদক   অমিত হাবিব  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন