প্রেস ইনসাইড

বাংলাদেশে সংবাদপত্রগুলোর অর্জন অনেক বড়: সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ৩০ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেছেন, অর্জন বড় হয় যখন সীমাবদ্ধতা বেশি থাকে। সে বিচারে বাংলাদেশে সংবাদপত্রগুলোর অর্জন অনেক বড়। তারপরেও এ দেশের সংবাদপত্রগুলো সত্য প্রকাশে কতটা বস্তুনিষ্ঠ তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

আজ শনিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে `৫০ বছরের বাংলাদেশ: গণমাধ্যমের অর্জন ও আগামীর চ্যালেঞ্জ` শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের মুদ্রিত সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপকের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব সংবাদপত্রের নয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সংবাদপত্রগুলোকে জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার, সুশিক্ষা, পরিবেশ, নারী সুরক্ষা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে সচেতনতা তৈরির কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

এ ছাড়া সংবাদপত্রগুলোর মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রেস কাউন্সিলকে সক্রিয় করে তোলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে মত প্রকাশের জন্য একজন সাংবাদিককে আদালতে যেতে হবে, সেটা কখনও কাম্য নয়। এর সমাধান হতে পারে প্রেস কাউন্সিলকে সক্রিয় করা। এটা এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে এর ওপর সবার আস্থা থাকে। যারা অন্য কিছুতে প্রভাবিত হবেন না।

সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের তুলনামূলক অবস্থান নিয়ে অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম বলেন, সংবাদপত্র ও অনলাইনের মধ্যে বিরোধ থাকার কথা না। আমাদের দেশের সংবাদপত্রের সম্ভাবনা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। সংবাদপত্র টেলিভিশনের সঙ্গেও টিকে থাকছে। তরুণদের ভেতর সংবাদপত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ তৈরি হচ্ছে।

সাংবাদিকতায় দলীয় রাজনীতির প্রভাবের বিষয়ে মনজুরুল ইসলাম বলেন , সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের অভাব দেখতে পাচ্ছি। অনেকটা রাজনৈতিক দলের মতোই বিভাজন। যে কারণে দাবি আদায়সহ সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়গুলো অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পত্রিকা বিকল্প প্রতিনিধির ভূমিকা নিয়ে নিচ্ছে।

অধ্যাপক মনজুরুল ইসলামের কামনা করে বলেন, সাংবাদিকতা কখনো যেন হলুদ রঙ ধারণ না করে। বিদ্বেষ যেন প্রকাশিত না হয়।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের বক্তব্যের পর সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে কোনো বিভাজন থাকা উচিত না। সাংবাদিকতা করতে এসে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ দেখা যাবে না।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আরো বলেন, টিকে থাকারও একটা সংগ্রাম আছে। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। সবাই মিলে সত্যিকারের গণতন্ত্র তৈরি করতে হবে। তাহলেই সংবাদপত্র টিকে থাকবে।

সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য নিউ এজ এর সম্পাদক নুরুল কবীর, ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত ও সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। সঞ্চালনা করছে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। সভার শুরুতে সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গোলাম সারওয়ারসহ প্রয়াত অন্য সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।



মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি’র সঙ্গে ক্র্যাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত; স্থায়ী কার্যালয় পাচ্ছে ক্র্যাব

প্রকাশ: ০৭:৪০ পিএম, ০৯ মে, ২০২২


Thumbnail ক্র্যাবকে স্থায়ী কার্যালয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বসুন্ধরা গ্রুপের

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জনাব সায়েম সোবহান আনভীর এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটি।

রোববার (৮ মে) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এমডি’র বাসভবনে ক্র্যাব সভাপতি জনাব মির্জা মেহেদী তমাল এর নেতৃত্বে ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ এই সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এসময় ক্র্যাব উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

সাক্ষাতকালে ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সংগঠনের প্রত্যাশা লিখিত আকারে উপস্থাপন করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনযোগ সহকারে তা শোনেন। এরপর ক্র্যাবের প্রধান উপদেষ্টা শংকর কুমার দে, উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান কামাল, এস এম আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মধুসূদন মন্ডল ও ফখরুল আলম কাঞ্চন বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে সাংবাদিকবান্ধব বসুন্ধরা গ্রুপের বিভিন্ন অবদানের কথা। সাংবাদিকদের প্রতি মানবিক এবং উদার থাকার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এসব সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ। 

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ ও উপদেষ্টাবৃন্দের বক্তব্য ও প্রত্যাশা গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করেন। ক্র্যাবের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, ‘সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির জন্যে নিবেদিত থাকায় বসুন্ধরা গ্রুপও সাংবাদিকদের কল্যাণে অবদান রেখে আসছে। সৎ-নির্ভীক প্রকৃত সাংবাদিকতা বিকশিত করতে বসুন্ধরা গ্রুপ ইতিমধ্যেই কয়েকটি মিডিয়া হাউজ প্রতিষ্ঠা করেছে- যাতে সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সাংবাদিকরা যখন যে সমস্যা বা সংকটে সহায়তা চেয়েছে- বসুন্ধরা গ্রুপ আন্তরিকতার সাথে পাশে থেকেছে। ভবিষ্যতেও যে কোনো পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা আমাকে পাশে পাবেন। বাংলাদেশের সাংবাদিকতা বিশ্বমানে উন্নীত হোক, সাংবাদিকরা তাদের প্রকৃত মর্যাদা লাভ করুক, ভালো থাকুক সকল সাংবাদিক- এই প্রত্যাশা রাখছি।’

তিনি ক্র্যাবের জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করেন। এছাড়া কোনো ক্র্যাব সদস্য মারা গেলে পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা প্রদান, কোনো ক্র্যাব সদস্য গুরুতর অসুস্থ বা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আহত হলে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। উপস্থিত সকলেই তার প্রতিশ্রুতিকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানান এবং তার প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠানে ক্র্যাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টা শংকর কুমার দে, উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান কামাল, এস এম আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মধুসূদন মন্ডল, ফখরুল আলম কাঞ্চন, ক্র্যাবের সহ-সভাপতি মুহঃ জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইমরান হোসেন সুমন, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুদ্র রাসেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম মিন্টু হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাহীন আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ জাকারিয়া, ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপু সরোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


ক্র্যাবকে   স্থায়ী কার্যালয়   দিচ্ছে   বসুন্ধরা গ্রুপ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিক, কবি ও খ্যাতিমান গীতিকার কে জি মোস্তফা আর নেই

প্রকাশ: ০৮:০৯ এএম, ০৯ মে, ২০২২


Thumbnail সাংবাদিক, কবি ও খ্যাতিমান গীতিকার কে জি মোস্তফা আর নেই

সাংবাদিক, কবি ও খ্যাতিমান গীতিকার কে জি মোস্তফা আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। রোববার (০৮ মে) রাত ৮টার দিকে আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কে জি মোস্তফার ছেলে মাহমুদুল হাসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন।

‘তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ঐ মুখ দেখবে যখন’ কালজয়ী গান দুটির গীতিকার তিনি। দুটি গানের সুরকার ছিলেন রবিন ঘোষ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (০৯ মে) বাদ জোহর প্রেস ক্লাবে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে মরদেহের দাফন হবে। 

১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে জি মোস্তফা। তিনি ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। দৈনিক ইত্তেহাদে ১৯৫৮ সালে শিক্ষানবিশ হিসেবে সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি।

১৯৭৬ সালে তিনি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সম্পাদক (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবে অবসর নেন।

খ্যাতিমান এই গীতিকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত বিভাগ কৃর্তক পদক ‘দেশবরেণ্য গীতিকার’ পদকসহ আরো বহু পদকে ভূষিত হয়েছেন।

কে জি মোস্তফা   সাংবাদিক   কবি   গীতিকার  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

নোয়াবের বিবৃতি নাকচ, গণমাধ্যমকর্মী আইনের পক্ষে সাংবাদিকনেতৃবৃন্দ

প্রকাশ: ০৮:৫৭ পিএম, ২৫ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail নোয়াবের বিবৃতি নাকচ, গণমাধ্যমকর্মী আইনের পক্ষে সাংবাদিকনেতৃবৃন্দ

সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের 'গণমাধ্যমকর্মী আইনের প্রয়োজন নেই' এমন বিবৃতি নাকচ করে দিয়েছেন দেশের সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ। এ আইন তাদের দাবিতে হচ্ছে এবং দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজন, বলেন তারা।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন- বিএফইউজে আয়োজিত ইফতার ও আলোচনায় বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের দাবির প্রেক্ষিতেই গণমাধ্যমকর্মী আইন প্রণীত হচ্ছে। আইনের খসড়ার কিছু ধারা পরিবর্তন- পরিমার্জনের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার এ আইন যারা চান না, তাদের সাথে আমরা একমত নই। 

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের গণমাধ্যম অনেক ক্ষেত্রে অনেক স্বাধীনভাবে কাজ করে। সরকার চায় গণমাধ্যমের আরো বিকাশ হোক। গণমাধ্যমকর্মী আইন সাংবাদিকদের স্বার্থেই করা হয়েছে। এর খসড়া আরো পরিবর্তন-পরিমার্জন করার কাজ চলছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একসাথে চলবে, গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা চলবে, দেশ এগিয়ে যাবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

বাংলা কলেজে হামলার শিকার সাংবাদিক জাফরসহ দুজন

প্রকাশ: ০১:২১ পিএম, ১৩ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail বাঙলা কলেজে হামলার শিকার সাংবাদিক জাফরসহ দুজন

পেশাগত দা‌য়িত্ব পালন কর‌তে গি‌য়ে বাংলা ক‌লেজে ‘ছাত্রলীগ কর্মী‌দের’ হামলার শিকার হ‌য়ে‌ছেন বাংলা ক‌লেজ সাংবা‌দিক স‌মিত‌ির (বাকসাস) সাধারণ সম্পাদক ও দৈ‌নিক নয়া শতা‌ব্দীর সহ-সম্পাদক জাফর ইকবা‌ল- এমন অভিযোগ উঠেছে। এসম‌য় ক‌লেজ যুব থিয়েটার‌ের সম্পাদক ও বাকসাস’র সা‌বেক সাংগঠ‌নিক সম্পাদক আতিকুর রহমা‌নের ওপরও হামলা চালা‌নো হয় বলে অভিযোগ।

হামলার শিকার এই দুজন জানান, মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে কলেজ ক‌্যাম্পাসে এ হামলায় প্রত্যক্ষ অংশ নেন- পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-১৭) শিক্ষার্থী হা‌বিবুর রহমান, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৭-১৮) বিজয় মা‌হিদ, মৃ‌ত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-১৭) শিক্ষার্থী মিথুন হালদার আকাশ ও ম্যা‌নেজ‌মেন্ট বিভা‌গের (শিক্ষাবর্ষ: ২০১৫-১৬) শিক্ষার্থী সুজন মিয়া। তারা প্র‌ত্যে‌কেই ক‌লেজ শাখা ছাত্রলী‌গের কর্মী।

জানতে চাইলে আতিকুর রাহিম বলেন, সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ ছাড়াই কলেজের বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্বশীলদের ওপর ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীদের এরকম হামলার বিষয়টি দুঃখজনক। সামান্য ফেসবুক গ্রুপকে কেন্দ্র করে যারা এ ধরণের অপকর্ম করতে পারে তারা ছাত্রলীগের সোনালী অর্জনগুলোকে নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে বলে মনে হচ্ছে। এ ধরনের কর্মীদের প্রতি সিনিয়রদের সতর্ক থাকা উচিত।

নাম প্রকা‌শে অনিচ্ছুক এক ছাত্রলীগ নেতা জানান, দীর্ঘ‌দিন ধ‌রে ক‌লেজ‌টি‌তে ছাত্রলী‌গের ক‌মি‌টি না থাকায় ভিন্ন গো‌ষ্ঠী অনুপ্র‌বেশ ক‌রে ছাত্রলী‌গের ভাবমূর্তি নষ্ট কর‌ছে। ক্যাম্পা‌সে প্র‌তি‌নিয়ত বিশৃঙ্খলা ক‌রে যা‌চ্ছে। যারা বিশৃঙ্খলা ক‌রে ছাত্রলী‌গে তা‌দের স্থান নেই। এদের শক্ত হা‌তে দমন করা হ‌বে।

আরেক নেতা ব‌লেন, সি‌নিয়র নেতৃবৃন্দের আলোচনার মাধ্য‌মে এ বিষ‌য়ে পদ‌ক্ষেপ নেওয়া হ‌বে। তারা আদৌ ছাত্রলী‌গের কর্মীরা কিনা সে‌টিও বি‌বেচনায় নেওয়া হ‌বে। অনেক অছাত্র ক্যাম্পা‌সে ঢু‌কে ছাত্রলী‌গের নাম দি‌য়ে সু‌যোগ হা‌সি‌লের চেষ্টা কর‌ছে, ঘটনা এমনও হ‌তে পা‌রে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিকটিম সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এবং সিনিয়র ছাত্রনেতা তোফাজ্জল হোসেন পলাশের সাথে ‘বাংলা কলেজ পরিবার’ নামক ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনশিপ বিষয়ে কথা বলার পাশাপা‌শি ক্যাম্পা‌সের নিউজ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ কর‌তে গেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম রাহুল ও অন্যান্য সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।  

উল্লেখ্য, এর আগেও সম্প্রতি কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী দ্বারা বাকসাস’র দুজন নেতা হামলার শিকার হয়েছিলেন ব‌লে জানা‌ গেছে। পরে ‘এমন আর হবে না’ বলে বিষয়টি মিটমাট করেছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খান।

ঘটনার বিষয়ে বাকসাস সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবা‌ল বলেন, আমি মূলত ‌বি‌কে‌লে ক‌লে‌জের নির্মাণাধীন ভব‌নের নিউজ সংগ্রহ করতে যাই। অনেকদিন ধ‌রে ভব‌নের কাজ বন্ধ র‌য়ে‌ছে। এর পাশাপা‌শি কলেজের একটি ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনশিপের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নি‌য়ে আমরা ছাত্রলীগ নেতা পলাশ ভাইয়ের সাথে কথা বলি। এক পর্যা‌য়ে পলাশ ভাই নামা‌জে চ‌লে যান এবং এর কিছুক্ষণ পর লাঠি‌সোটা দি‌য়ে আতিক ভাইয়ের ওপর হামলা করা হয়। বিষয়‌টি নি‌য়ে মিটমা‌টের চেষ্টা করা হ‌লে পেছন থেকে চার-পাঁচ জন লা‌ঠি দি‌য়ে আমার ওপর হামলা করে। 

জাফর বলেন, এটি সম্পূর্ণ পূর্বপরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার বিরুদ্ধে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগ নামধারী এসকল দুর্বৃত্তদের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি। 

এ বিষয়ে জানতে বাংলা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খান’কে ফোন দিলে তিনি বলেন, এখন মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে ঝামেলা আছে। ১৮ তারিখ তাদের নিয়ে বসে বিষয়টা মিটমাট করবো।

বাংলা কলেজ   হামলা   শিকার   সাংবাদিক   জাফর  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরির রোডম্যাপ করছে প্রেস কাউন্সিল: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫:৫৫ পিএম, ১০ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরির রোডম্যাপ করছে প্রেস কাউন্সিল: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল দেশের সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমগুলোর সুরক্ষার জন্য তাদের একটি ডাটাবেজ তৈরির রোডম্যাপ করছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একটি জুডিশিয়াল বোর্ড হিসেবে পাঠক এবং পত্রিকার মধ্যে কোনো বিরোধ উৎপত্তি হলে সেটি নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যেই এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। সময়ের বাস্তবতায় প্রেস কাউন্সিলকে আরো শক্তিশালী করার জন্য আমরা যে নতুন আইন খসড়া করেছি সেটি ইতোমধ্যেই মন্ত্রিসভায় পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের পর পার্লামেন্ট হয়ে সেটি পাস হলে প্রেস কাউন্সিলের ক্ষমতা বাড়বে।

রোববার (১০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২০ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: নিজামুল হক নাসিম ও কাউন্সিল সদস্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন দপ্তর সম্পাদক সেবীকা রানী, দি ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, দৈনিক প্রভাতের সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি মুজাফফর হোসেন পল্টু, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুল হুদা, ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো: শফিউল ইসলাম, দৈনিক জাতীয় অর্থনীতির সম্পাদক এস এম কিবরিয়া চৌধুরী এবং সচিব শাহ আলম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিক নয় কিন্তু সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে যখন কেউ অপকর্ম করে, অনেক সময়ই সেটি পুরো সাংবাদিক সমাজের ওপর বর্তায়। এটি থেকে পুরো সাংবাদিক সমাজকে রক্ষা করার জন্য আমি প্রেস কাউন্সিলকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম এ ব্যাপারে অংশীজনদের সাথে আলাপ করে একটি নীতি প্রণয়ন করে সাংবাদিক ও সংবাদ মাধ্যমগুলোর একটা ডাটাবেজ তৈরি করার জন্য। আমি মনে করি এতে শৃঙ্খলা আসবে, অপসাংবাদিকতা কমে যাবে। সত্যিকার সাংবাদিক ও গণমাধ্যম সুরক্ষা পাবে। সেই কাজটি প্রেস কাউন্সিল ইতোমধ্যেই শুরু করেছেন। এজন্য তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেয়া ও সাংবাদিকতার উৎকর্ষ সাধনে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তথ্যমন্ত্রীর পূর্ব নির্দেশনা অনুসারে একটি নীতিমালার ভিত্তিতে সাংবাদিকদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করায় প্রেস কাউন্সিলকে ধন্যবাদ দেন ড. হাছান।

এ সময় বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ- ‘সরকার বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে’ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির কিছু নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা আছে এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীরা প্রেসক্লাবের সামনে, নয়াপল্টনের সামনে মিছিলে মিটিংয়ে বক্তৃতা করছেন। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী যখন পুলিশের নাকের ডগায় আস্ফালন করে, তখন তো তাদেরকে গ্রেপ্তার করা পুলিশের দায়িত্ব।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী জ্বালাও-পোড়াও এর সাথে যুক্ত ছিলো এই দেশে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, মানুষ পুড়িয়ে হত্যার মহোৎসব করেছে, দেশের রাজনীতিকে কলুষমুক্ত ও সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের হাত থেকে মুক্ত রাখার জন্যই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ রাজনৈতিক কারণে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা আমাদের ইতিহাসে কখনো ঘটেনি, বিশ্ব ইতিহাসেও খুব কমই ঘটেছে।’

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন