প্রেস ইনসাইড

মারা গেছেন সাংবাদিক মো. ফখরুল ইসলাম ভূঁঞা

প্রকাশ: ০১:০৮ পিএম, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মারা গেছেন সাংবাদিক মো. ফখরুল ইসলাম ভূঁঞা  (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  শনিবার বিকেলে অকস্মাৎ হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। ২৪ বছরের এই তরুণ আজকের পত্রিকার অনলাইন বিভাগে কাজ করতেন। 

আজকের পত্রিকায় তিনি ‘ফাহির ফখরুল’ নামে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাখরনগর গ্রামে। বাবা মো. নজরুল ইসলাম ভূঁঞা ও মা মোসাম্মৎ জুলেখা বেগমের দুই ছেলের মধ্যে তিনি ছিলেন কনিষ্ঠ সন্তান। চলতি মাসের শেষের দিকে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ফাহিরের।

শনিবার সকাল ৮টায় অফিসে এসেছিলেন ফাহির। সারা দিন স্বাভাবিক নিয়মেই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর বেলা ৩টার পর তিনি অফিস থেকে বাসায় চলে যান। মোহাম্মদপুর টাউন হলের পাশে ভাড়া করা একটি বাসায় কয়েকজন বন্ধুসহ থাকতেন ফাহির। বাসায় ফেরার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। 

ফাহিরের বন্ধু বাংলা ইনসাইডারে কর্মরত অলিউল ইসলাম বলেন, বাসায় ফিরে শরীর খারাপের কথা বন্ধু ফয়সাল আহমেদকে জানান ফাহির ফখরুল। এরপর শরীর আরও খারাপ হওয়া শুরু করলে একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। অজ্ঞান অবস্থায় প্রথমে তাঁকে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ফাহির মারা গেছেন। এরপর তাঁকে পাশের ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যান বন্ধুরা। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ফাহির মারা গেছেন বলে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে।

ছবি তোলার শখ ছিল ফাহির ফখরুলের। অবসরে সিনেমা দেখতে পছন্দ করতেন তিনি। এসএসসি, এইচএসির পর ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ (ইউডা) থেকে যোগাযোগ ও গণমাধ্যম বিভাগে ২০১৯ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন ফাহির। 

২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে সাংবাদিকতায় সংশ্লিষ্ট হন ফাহির। চলতি বছর তিনি আজকের পত্রিকায় যোগ দেন।

আজকের পত্রিকা   সাংবাদিক  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সময়ের আলো পত্রিকার রিপোর্টার হাবীবুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

প্রকাশ: ০৮:৪৯ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের আলোর সিনিয়র সাংবাদিক হাবীবুর রহমান রাজধানীর হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জনুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে তিনটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজনকে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

সময়ের আলো   সাংবাদিক  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

কেক কেটে কালের কণ্ঠের যুগপূর্তি উদযাপনের সূচনা

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ১০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

কালের কণ্ঠের জন্মদিন সোমবার (১০ জানুয়ারি)।  প্রকাশের এক যুগ অর্থাৎ ১২ বছর পূর্ণ করে ১৩ বছরে পা রাখল দেশের অন্যতম শীর্ষ এই দৈনিক। জাতিকে ‘আংশিক নয়, পুরো সত্য’ জানানোর অঙ্গীকার নিয়ে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি যে পথচলা শুরু হয়েছিল, পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসায় তা অব্যাহত রয়েছে। এ উপলক্ষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ এবং শীর্ষ মিডিয়া হাউস ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কালের কণ্ঠের সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, ডেইলি সানের সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, নিউজ-২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী, কালের কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক শাহজাহান সিরাজীসহ আরো অনেকেই।

‘আংশিক নয়, পুরো সত্য’ স্লোগানে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে দৈনিক কালের কণ্ঠ। বস্তুনিষ্ঠতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য প্রকাশের অল্প দিনের মধ্যেই কালের কণ্ঠ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় দৈনিকে পরিণত হয়। 

শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারণ করে চলেছে কালের কণ্ঠ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যাত্রা শুরু এই দৈনিকের। গত ১২ বছর সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিত্যনতুন ভাবনা ও বাস্তবতাকে গ্রহণ করলেও তার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘ পথচলায় মানুষের অকল্পনীয় ভালোবাসা ও সমর্থন লাভ করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সংকটের মধ্যেও রয়েছে কালের কণ্ঠের নির্বিঘ্ন পথচলা; আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে বলে অঙ্গীকারবদ্ধ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের এই দৈনিকটি।

বসুন্ধরা   কালের কণ্ঠ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

আজ সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্তের জন্মবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ০৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশের সংবাদপত্র জগতে  এক উজ্জ্বল নক্ষত্র নাম সন্তোষ গুপ্ত। এই উজ্জ্বল  নক্ষত্রের আজকে ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর জন্মস্থান ১৯২৫ সালের ৯ জানুয়ারি ঝালকাঠির রুনসী গ্রামে। তিনি ছেলেবেলায় বাবা কাকাকে হারান মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে। সন্তোষ গুপ্ত ছিলেন তার পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান। তাঁর মা কিরণবালা একা তাকে  মানুষ করেন।

১৯৫৭ সালে শুরু করে প্রায় অর্ধশতাব্দী সাংবাদিকতা পেশায় ছিলেন তিনি। সন্তোষ গুপ্ত কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৪৪ সালে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং এর আইজি প্রিজন অফিসে। দৈনিক সংবাদের সিনিয়র সহকারী সম্পাদক হিসেবে কর্মজীবন শেষ হয় তার। কর্মজীবনে দৈনিক সংবাদ ছাড়াও দৈনিক আজাদে কাজ করেছেন। দেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে রাজনৈতিক চেতনায় অভিষিক্ত হয়েও সাংবাদিকতা পেশায় ভিন্নমাত্রা যোগ করেন তিনি। 

এই বস্তুনিষ্ঠ ব্যাক্তি সাংবাদিকতার পাশাপাশি কবিতা, শিল্পকলা, চিত্রকলা, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি ১৪টি বই লিখেছেন।বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার লেখাগুলো অনেক রাজনৈতিক নেতার জন্য ছিল এক ধরনের দিকনির্দেশনা। তার ‘অনিরুদ্ধের কলাম’ বিদগ্ধ মহলেও ব্যাপক সমাদৃত ছিল।  তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইতিহাসের ঝর্ণাধ্বনি এবং অনালোকে আলোকস্তম্ভ। 

সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর)সহ একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদক, মাওলানা তর্কবাগীশ পদক, জহুর হোসেন স্মৃতি পদকসহ বহু পুরস্কার, পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

সন্তোষ গুপ্ত  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রিয়াজউদ্দিন আর নেই

প্রকাশ: ০২:৫৫ পিএম, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

একুশে পদকপ্রাপ্ত সিনিয়র সাংবাদিক, দ্য ফিনান্সিয়াল হেরাল্ডের সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস এবং দি নিউজ টুডে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারবারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং অবিভক্ত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকতায় গৌরবময় অবদানের জন্য রিয়াজউদ্দিন আহমেদ ১৯৯৩ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

সাংবাদিক   রিয়াজউদ্দিন  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

৫৮ বছরে বিটিভি, যাচ্ছে এইচডি সম্প্রচারে

প্রকাশ: ১১:০৭ এএম, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলা ভাষার প্রথম টেলিভিশন বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) আজ ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) গৌরবোজ্জ্বল ৫৭ বছর পেরিয়ে ৫৮ বছরে পদার্পণ করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিটিভি ঢাকা কেন্দ্রে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু কর্ণার, ‘রঙ তুলিতে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী এবং বিটিভি এইচডি (ঐউ) সম্প্রচারের উদ্বোধন করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মকবুল হোসেন।
 
প্রসঙ্গত, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন ডিআইটি ভবনের নিচতলায় টেলিভিশন চ্যানেলটির যাত্রা শুরু। এরপর বাংলাদেশের জন্মের পরের বছর সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ টেলিভিশন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করে ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিআইটি ভবন থেকে বিটিভিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে আনা হয়।

১৯৮০ সালে দর্শকদের রঙিন পর্দা উপহার দেয়ার মাধ্যমে নতুন যুগে পা রাখে বিটিভি। বিটিভি এখন টেরিস্ট্রিয়াল, স্যাটেলাইট ও মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। যুগোপযোগী পরিবর্তনের অঙ্গীকার আর প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে এবার ৫৮ বছরে পা রাখছে রাষ্ট্রীয় এই গণমাধ্যমটি।

বিটিভি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন