প্রেস ইনসাইড

দেশের প্রথম হুইল চেয়ারে সংবাদ উপস্থাপকের অভিষেক

প্রকাশ: ০২:২৫ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এসএটিভির পর্দায় হুইল চেয়ারে বসে সংবাদ পাঠ করলেন শারিরীক প্রতিবন্ধী হেদায়তুল আজিজ মুন্না। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এস এ টিভির মূল ভবনে নিউজ আপডেট পড়েন তিনি। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূলস্রোতে যুক্ত করতেই এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এসএটিভি কর্তৃপক্ষ। 

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টেলিভিশন পর্দায় সংবাদ পাঠ করতে পেরে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন শারিরীক প্রতিবন্ধী হেদায়তুল আজিজ মুন্না। সকালে সংবাদ পাঠ শেষে উচ্ছ্বসিত  কণ্ঠে মুন্না বলেন, এসএটিভি পরিবারকে স্যালুট জানাই। তারা এ ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদেরকে সম্পৃক্ত করে এসএটিভি আরো ভালো ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করবে এটা আমি আশা করি। 

ব্যতিক্রমী আয়োজনটির বিষয়ে এসএটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শারিরীক প্রতিবন্ধীদেরকে যেন কেউ অবহেলার চোখে না দেখে, তারা যেন যেন সমাজে ভূমিকা রাখতে পারে এবং অন্যদের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকে এমন সব বিষয় মাথায় রেখে আমরা গণমাধ্যমে প্রথমবারের মতো এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তাদেরকে (প্রতিবন্ধীদের) নিয়ে ভবিষ্যতেও আমাদের আরো পরিকল্পনা আছে। এসএটিভির বিভিন্ন প্রোগ্রামসহ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

এদিকে, শুধু কথায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূলস্রোতে যুক্ত করতেই এসএটিভির পর্দায় এই সাহসী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসএটিভির নির্বাহী পরিচালক রাশেদ কাঞ্চন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর কন্যার ইচ্ছার প্রতি এবং সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এসএটিভি আজ বাংলাদেশে প্রথম হুইল চেয়ার নিউজ অ্যাঙ্কার পরিবেশন (ইন্ট্রোডিউস) করবে। একাবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম-তারা বিশ্বমানের, তাদের চিন্তাধারা বিশ্বমানের। সুতরাং এসএটিভির এই উদ্যোগ ইতিহাস হবে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে আস্থা রাখতে চাই। 

এ ব্যাপারে এসএটিভির বার্তা প্রধান জাহিদুর রহমান খান বলেন, প্রতিবন্ধীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে ও তাদের সঠিক মূল্যয়ন নিশ্চিত করতে এসএটিভির এই উদ্যোগ। আমরা মনে করি, প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয় বরং কেবলমাত্র সুযোগ প্রদানের মাধ্যমেই তাদেরকে জনশক্তিকে পরিণত করা সম্ভব। এসএটিভির এমন উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রতিবন্ধীদের পাশে এগিয়ে আসবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এসএটিভি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

সময়ের আলো পত্রিকার রিপোর্টার হাবীবুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

প্রকাশ: ০৮:৪৯ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের আলোর সিনিয়র সাংবাদিক হাবীবুর রহমান রাজধানীর হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৮ জনুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে তিনটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, হাতিরঝিলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজনকে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

সময়ের আলো   সাংবাদিক  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

কেক কেটে কালের কণ্ঠের যুগপূর্তি উদযাপনের সূচনা

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ১০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

কালের কণ্ঠের জন্মদিন সোমবার (১০ জানুয়ারি)।  প্রকাশের এক যুগ অর্থাৎ ১২ বছর পূর্ণ করে ১৩ বছরে পা রাখল দেশের অন্যতম শীর্ষ এই দৈনিক। জাতিকে ‘আংশিক নয়, পুরো সত্য’ জানানোর অঙ্গীকার নিয়ে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি যে পথচলা শুরু হয়েছিল, পাঠকের আস্থা ও ভালোবাসায় তা অব্যাহত রয়েছে। এ উপলক্ষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ এবং শীর্ষ মিডিয়া হাউস ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কালের কণ্ঠের সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, ডেইলি সানের সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, নিউজ-২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী, কালের কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক শাহজাহান সিরাজীসহ আরো অনেকেই।

‘আংশিক নয়, পুরো সত্য’ স্লোগানে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে দৈনিক কালের কণ্ঠ। বস্তুনিষ্ঠতা ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য প্রকাশের অল্প দিনের মধ্যেই কালের কণ্ঠ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় দৈনিকে পরিণত হয়। 

শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারণ করে চলেছে কালের কণ্ঠ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যাত্রা শুরু এই দৈনিকের। গত ১২ বছর সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিত্যনতুন ভাবনা ও বাস্তবতাকে গ্রহণ করলেও তার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘ পথচলায় মানুষের অকল্পনীয় ভালোবাসা ও সমর্থন লাভ করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সংকটের মধ্যেও রয়েছে কালের কণ্ঠের নির্বিঘ্ন পথচলা; আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে বলে অঙ্গীকারবদ্ধ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের এই দৈনিকটি।

বসুন্ধরা   কালের কণ্ঠ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

আজ সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্তের জন্মবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ০৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশের সংবাদপত্র জগতে  এক উজ্জ্বল নক্ষত্র নাম সন্তোষ গুপ্ত। এই উজ্জ্বল  নক্ষত্রের আজকে ৯৭ তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর জন্মস্থান ১৯২৫ সালের ৯ জানুয়ারি ঝালকাঠির রুনসী গ্রামে। তিনি ছেলেবেলায় বাবা কাকাকে হারান মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে। সন্তোষ গুপ্ত ছিলেন তার পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান। তাঁর মা কিরণবালা একা তাকে  মানুষ করেন।

১৯৫৭ সালে শুরু করে প্রায় অর্ধশতাব্দী সাংবাদিকতা পেশায় ছিলেন তিনি। সন্তোষ গুপ্ত কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৪৪ সালে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং এর আইজি প্রিজন অফিসে। দৈনিক সংবাদের সিনিয়র সহকারী সম্পাদক হিসেবে কর্মজীবন শেষ হয় তার। কর্মজীবনে দৈনিক সংবাদ ছাড়াও দৈনিক আজাদে কাজ করেছেন। দেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে রাজনৈতিক চেতনায় অভিষিক্ত হয়েও সাংবাদিকতা পেশায় ভিন্নমাত্রা যোগ করেন তিনি। 

এই বস্তুনিষ্ঠ ব্যাক্তি সাংবাদিকতার পাশাপাশি কবিতা, শিল্পকলা, চিত্রকলা, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি ১৪টি বই লিখেছেন।বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার লেখাগুলো অনেক রাজনৈতিক নেতার জন্য ছিল এক ধরনের দিকনির্দেশনা। তার ‘অনিরুদ্ধের কলাম’ বিদগ্ধ মহলেও ব্যাপক সমাদৃত ছিল।  তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ইতিহাসের ঝর্ণাধ্বনি এবং অনালোকে আলোকস্তম্ভ। 

সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর)সহ একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদক, মাওলানা তর্কবাগীশ পদক, জহুর হোসেন স্মৃতি পদকসহ বহু পুরস্কার, পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

সন্তোষ গুপ্ত  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক রিয়াজউদ্দিন আর নেই

প্রকাশ: ০২:৫৫ পিএম, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

একুশে পদকপ্রাপ্ত সিনিয়র সাংবাদিক, দ্য ফিনান্সিয়াল হেরাল্ডের সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজউদ্দিন আহমেদ দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস এবং দি নিউজ টুডে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারবারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এবং অবিভক্ত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকতায় গৌরবময় অবদানের জন্য রিয়াজউদ্দিন আহমেদ ১৯৯৩ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

সাংবাদিক   রিয়াজউদ্দিন  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

৫৮ বছরে বিটিভি, যাচ্ছে এইচডি সম্প্রচারে

প্রকাশ: ১১:০৭ এএম, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলা ভাষার প্রথম টেলিভিশন বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) আজ ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) গৌরবোজ্জ্বল ৫৭ বছর পেরিয়ে ৫৮ বছরে পদার্পণ করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিটিভি ঢাকা কেন্দ্রে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু কর্ণার, ‘রঙ তুলিতে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী এবং বিটিভি এইচডি (ঐউ) সম্প্রচারের উদ্বোধন করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মকবুল হোসেন।
 
প্রসঙ্গত, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন ডিআইটি ভবনের নিচতলায় টেলিভিশন চ্যানেলটির যাত্রা শুরু। এরপর বাংলাদেশের জন্মের পরের বছর সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ টেলিভিশন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করে ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিআইটি ভবন থেকে বিটিভিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে আনা হয়।

১৯৮০ সালে দর্শকদের রঙিন পর্দা উপহার দেয়ার মাধ্যমে নতুন যুগে পা রাখে বিটিভি। বিটিভি এখন টেরিস্ট্রিয়াল, স্যাটেলাইট ও মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। যুগোপযোগী পরিবর্তনের অঙ্গীকার আর প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে এবার ৫৮ বছরে পা রাখছে রাষ্ট্রীয় এই গণমাধ্যমটি।

বিটিভি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন