ইনসাইড বাংলাদেশ

চামড়া সংরক্ষণে প্রস্তত লালবাগের চামড়ার আড়ত


প্রকাশ: 16/06/2024


Thumbnail

আল্লার সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সেই কোরবানির পশুর চামড়া কিনে সংরক্ষণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন লালবাগের পোস্তার আড়তদাররা। পাশাপাশি মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় জবাই হওয়া পশুর চামড়া কেনার পরিকল্পনা করছেন। এজন্য তারা নিজের পুঁজির পাশাপাশি ধার-দেনা করে শত শত কোটি টাকা সংগ্রহ করেছেন।

শনিবার (১৫ জুন) রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, অধিকাংশ আড়তে ব্লিচিং পাউডার ও পানি দিয়ে ধুয়ে-মুছে কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের জায়গা পরিষ্কার করা হচ্ছে। পুরনো চামড়া সরিয়ে আড়তগুলোতে শত শত লবণের বস্তা সাজিয়ে রাখা হচ্ছে। অতিরিক্ত লবণ রাখার জন্য আড়তের ভেতরে জায়গা ফাঁকা করা হয়েছে ।

পোস্তার চামড়া ব্যবসায়ীদের তথ্য মতে, সারা বছরের চামড়ার প্রায় ৫৫-৬০ শতাংশই আসে কোরবানি দেওয়া পশু থেকে। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া কেনেন তারা। ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত চলে চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কার্যক্রম। তাই এ ঈদকে ঘিরে তাদের বাড়তি প্রস্তুতি রাখতে হয়। কোরবানির ঈদের দিন সকাল থেকেই চামড়া সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। তার এক সপ্তাহ আগে আড়ত পরিষ্কার, লবণ সংগ্রহ এবং শ্রমিকদের প্রস্তুত করেন পোস্তার আড়তদাররা।

পোস্তার ব্যবসায়ীরা জানান, পশুর চামড়া ছাড়ানোর ৪ থেকে ৯ ঘণ্টার মধ্যে লবণ দিয়ে তা সংরক্ষণ করতে হয়। না হলে ওই চামড়া নষ্ট হয়ে যায়। তাই এ বছর চামড়া সংরক্ষণের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন আড়তদারেরা।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহে নগদ অর্থ, পর্যাপ্ত লবণ মজুত ও দক্ষ ও অদক্ষ কর্মী-শ্রমিক প্রস্তুত রয়েছে। ট্যানারিগুলো মূলত ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকার কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াকরণ করবে। মৌসুমি ব্যবসায়ী, মসজিদ ও মাদ্রাসাভিত্তিক যেসব ব্যক্তি চামড়া সংগ্রহ করবেন, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। এবার সবমিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ১৫-২০ লাখ চামড়া সংগ্রহ করার চেষ্টা থাকবে।



প্রধান সম্পাদকঃ সৈয়দ বোরহান কবীর
ক্রিয়েটিভ মিডিয়া লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

বার্তা এবং বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ২/৩ , ব্লক - ডি , লালমাটিয়া , ঢাকা -১২০৭
নিবন্ধিত ঠিকানাঃ বাড়ি# ৪৩ (লেভেল-৫) , রোড#১৬ নতুন (পুরাতন ২৭) , ধানমন্ডি , ঢাকা- ১২০৯
ফোনঃ +৮৮-০২৯১২৩৬৭৭